আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > প্রাণ > প্রাণী

বানগারুস এলাপিডি পরিবারের দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সাপের একটি গণ

[otw_shortcode_info_box border_type="bordered" border_color_class="otw-red-border" border_style="bordered" shadow="shadow-inner" rounded_corners="rounded-10"]বৈজ্ঞানিক নাম: Bungarus Daudin, 1803 সমনাম: Pseudoboa Oppel, 1811 Aspidoclonion Wagler, 1828 Megærophis Gray, 1849 Xenurelaps Günther, 1864; বাংলা নাম: ক্রেট, ইংরেজি নাম: kraits. জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ: Animalia বিভাগ: Chordata উপপর্ব: Vertebrata শ্রেণী: Reptilia বর্গ: Squamata উপবর্গ: Serpentes পরিবার/গোত্র: Elapidae গণ: Bungarus Daudin, 1803,[/otw_shortcode_info_box] ভূমিকা: বানগারুস (বৈজ্ঞানিক

এলাপিডি সরীসৃপের স্কুয়ামাটা বর্গের একটি পরিবার

এলাপিডি (ইংরেজি: Elapidae) সরীসৃপের স্কুয়ামাটা বর্গের একটি পরিবার। এই পরিবারে প্রাণীরা শিকারি হয়। এই পরিবারে প্রায় ৫৭টি গণে অনেকগুলো প্রজাতি আছে। তবে বাংলাদেশে পাওয়া যায় মোট ১০টি প্রজাতি। এলাপিডি গােত্রের অন্তর্ভুক্ত প্রজাতির সম্মুখভাগের বিষদাঁত প্রােথিত থাকে, যা সব সময় খাড়া থাকে এবং মুখের তলভাগের স্লটে নিবিদ্ধ থাকে। আরো পড়ুন

বাংলাদেশে ঘড়িয়ালের বর্তমান অবস্থা

ভূমিকা: ঘড়িয়াল (বৈজ্ঞানিক নাম: Gavialis gangeticus ইংরেজি নাম: Gharial বা Gavial) ক্রোকোডিলিয়া বর্গের সরীসৃপের একটি প্রজাতি। বাংলাদেশের সরীসৃপগুলোর যে তালিকা রয়েছে তাতে ঘড়িয়াল এক অনন্য বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাণী। ঘড়িয়াল বাংলাদেশ ও বিশ্বে মহাবিপন্ন প্রজাতি। আমরা কী বাংলাদেশে মহাবিপন্ন এই প্রাণীটিকে ফিরিয়ে আনতে পারি না। আরো পড়ুন

নকশি ঢোড়া দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সাপ

নকশি ঢোড়া সাপ বা ঢোড়া সাপ বা গুড়ি সাপ বা ধোরা সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Xenochrophis piscator ইংরেজি: checkered keelback বা Asiatic water snake) কলুব্রিডি পরিবারের জেনোক্রোফিস গণের সাপের একটি প্রজাতি। ঢোড়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। বাংলাদেশের সাপের তালিকাজেনোক্রোফিস গণে যে দুইটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

কালো পেট ঢোড়া সাপ দক্ষিণ এশিয়ার সংকটাপন্ন সাপ

কালো পেট ঢোড়া সাপ বা ধোরা সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Xenochrophis cerasogaster ইংরেজি: Orange-bellied Oriental Slender Snake) কলুব্রিডি পরিবারের জেনোক্রোফিস গণের সাপের একটি প্রজাতি। ঢোড়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। বাংলাদেশের সাপের তালিকাজেনোক্রোফিস গণে যে দুইটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

জেনোক্রোফিস কলুব্রিডি পরিবারের সাপের একটি গণ

ভূমিকা: জেনোক্রোফিস (বৈজ্ঞানিক নাম: Xenochrophis) কলুব্রিডি পরিবারের সাপের একটি গণের নাম। এদেরকে ঢোড়া সাপ (ইংরেজি: painted keelbacks) বলেও ডাকা হয়। বাংলাদেশে এই গণে দুটি প্রজাতি আছে। বাংলাদেশে প্রাপ্ত এই গণের দুইটি প্রজাতি হচ্ছে ক. কালো পেট ঢোড়া সাপ এবং খ. নকশি ঢোড়া সাপআরো পড়ুন

কমলাপেট সরু সাপ দক্ষিণ এশিয়া এবং বাংলাদেশের তথ্য-অপ্রতুল সাপ

কমলা পেট সরু সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Trachischium tenuiceps ইংরেজি নাম: Orange-bellied Oriental Slender Snake) কলুব্রিডি পরিবারের ট্রাচিসচিয়াম গণের সাপের একটি প্রজাতি। কীট খাওয়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় ট্রাচিসচিয়াম গণে যে তিনটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

আসামী সরু সাপ দক্ষিণ এশিয়া এবং বাংলাদেশের তথ্য-অপ্রতুল সাপ

আসামী সরু সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Trachischium monticola ইংরেজি নাম: Assam Oriental Slender Snake) কলুব্রিডি পরিবারের ট্রাচিসচিয়াম গণের সাপের একটি প্রজাতি। কীট খাওয়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় ট্রাচিসচিয়াম গণে যে তিনটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

লোনাপানির কুমির বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশে মহাবিপন্ন প্রজাতি

ভুমিকা: লোনা পানির কুমির ক্রোকডাইলুস গণে মাংসাশী শিকারি প্রজাতি। এদের লেজ পেশীবহুল। এটি বাংলাদেশে মহাবিপন্ন। বর্ণনা: লবনাক্ত পানির কুমির Crocodylus porosus পৃথিবীর জীবন্ত সরীসৃপদের মধ্যে সবচেয়ে বড়। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ কুমিরের দৈর্ঘ্য ৫-৭ মিটার, এর ওজন ৪০০-১০০০ কেজি। স্ত্রী কুমির অনেক ছোট, দৈর্ঘ্য সাধারণত ৩ মিটার। দেহ অস্থিযুক্ত প্লেট দ্বারা আবৃত থাকে; প্রাপ্তবয়স্ক কুমিরের শীর্ষ কালো, কিছু অংশ ধূসর রঙের এবং flanks কালো দাগ থাকে এবং উদর ক্রীম হলুদ থেকে সাদা রঙের লেজ পার্শ্বীয় ভাবে চাপা, শীর্ষে করাতের ন্যায় দাঁত থাকে এবং ধূরর রঙের। আরো পড়ুন

গুন্থারের সরু সাপ দক্ষিণ এশিয়ার বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের তথ্য-অপ্রতুল সাপ

গুন্থারের সরু সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Trachischium guentheri ইংরেজি নাম: Gunther’s Oriental Slender Snake) কলুব্রিডি পরিবারের ট্রাচিসচিয়াম গণের সাপের একটি প্রজাতি। কীট খাওয়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। । বাংলাদেশের সাপের তালিকায় ট্রাচিসচিয়াম গণে যে তিনটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

Top