আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > প্রাণ > প্রাণী

বেড়ায় পাখি শিকারীর এক মাসের কারাদন্ড

বেশ কিছুদিন ধরেই বেড়া উপজেলার বড়শীলা বিলে অতিথি পাখি শিকার হচ্ছে মর্মে বিভিন্ন সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছিল। গত ৩ ডিসেম্বর ২০১৮ দৈনিক প্রতিদিনের সাংবাদিক জনাব মোঃ আরিফুর রহমানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাবনা জেলার বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এক অভিযান চালান। অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব আসিফ আনাম সিদ্দিকী সন্ধ্যা ৫ঃ৩০

বাংলাদেশের স্বাদুপানির মাছের তালিকা

বাংলাদেশে স্বাদু পানির মৎস্য প্রজাতিসমূহের বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা শুরু হয় ১৮২২ সালে। ২০০৫ সালে এ. কে. আতাউর রহমান বাংলাদেশের স্বাদুপানির মাছকে ৫৫টি পরিবারের অধীনে ১৫৪ গণের ২৬৫টি প্রজাতিকে তালিকাভুক্ত করেছিলেন যার ভেতরে কয়েক প্রজাতির সামুদ্রিক মাছও ছিলো। সর্বশেষ বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত ''বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ''-এর ২৩ নং খণ্ডে

বাংলাদেশের বন্যপ্রাণীর তালিকা

সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশ। আমাদের এই বাংলাদেশে রয়েছে হাজারো প্রাণীর বাস। আমরা কী জানি আমাদের পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ আমাদের এই বন্যপ্রাণীরা কেমন আছে। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণীর একটি তালিকা ওয়েবে পাওয়া যাবে এরকম ইচ্ছা ছিলো আমার অনেক দিনের। এখানে এরকম একটি তালিকা দেয়া হলো। দেয়ার একটিই উদ্দেশ্য বাংলাদেশ থেকে আর

বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

বাংলাদেশে ১৩৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীকে আইইউসিএন ২০১৫ সালে মূল্যায়ন করে। সেই হিসেবে বাংলাদেশে ১৩৮ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী গত ২০০ বছরে দেখা গেছে বলে ধরা যায়। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ১১ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণি গত ২০০ বছরে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।(আইইউসিএন, ২০১৫) আরো অনেক প্রজাতির প্রাণি বিলুপ্ত হবার অপেক্ষায় আছে। বাংলাদেশ থেকে

বাংলাদেশের সাপের তালিকা

বাংলাদেশে সরীসৃপ (ইংরেজি: Reptilia) শ্রেণিতে Squamata বর্গে ৭টি পরিবারে ৪৬টি গণে মোট ৯৪টি প্রজাতিকে দেশবাসি সাপ বলে চেনে। বাংলাদেশে Reptilia শ্রেণিতে Squamata বর্গে ৭টি পরিবারে ৪৬টি গণে মোট ৯৪টি প্রজাতির যেগুলোকে দেশবাসি সাপ বলে ডাকে। বাংলাদেশের প্রায় সবগুলো সরীসৃপ  ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে সংরক্ষিত। অর্থাৎ এসব প্রাণী হত্যা,

বাংলাদেশের গিরগিটি, টিকটিকি, তক্ষক, অঞ্জন, আচিল ও গুইয়ের তালিকা

বাংলাদেশে সরীসৃপ (ইংরেজি: Reptilia) শ্রেণিতে Squamata বর্গে ১৭টি গণে ৬টি পরিবারের মোট ৩২টি প্রজাতিকে দেশবাসি গিরগিটি, টিকটিকি, তক্ষক, অঞ্জন, আচিল ও গুই নামে চেনে। বাংলাদেশের Squamata বর্গে ১৭টি গণে ৬টি পরিবারে মোট এরক মের মোট ৩২টি প্রজাতি রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে সরীসৃপ শ্রেণিতে Squamata বর্গে আরো ৭টি পরিবারে ৪৬টি গণে মোট

বাংলাদেশের ব্যাঙের তালিকা

বাংলাদেশে উভচর প্রাণীদের সংখ্যা বেশি নয়। বাংলাদেশে বর্তমানে Anura এবং Apoda বর্গের অধীনে ৭টি পরিবারে ২১টি গণে মোট ৪১টি প্রজাতি অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। IUCN-বাংলাদেশ ২০০০ এর রিপোর্ট অনুযায়ী ৮টি প্রজাতির অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ হলেও বর্তমানে অন্তত ২৫টি প্রজাতি ঝুঁকিপূর্ণ বা বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় সবগুলো উভচর  ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ

বাংলাদেশের সরীসৃপ সম্পর্কে

সরীসৃপ বা Reptilia (L. reptum = creep) শ্রেণীর মধ্যে টিকটিকি, সাপ, কচ্ছপ, কাছিম, কুমির, এলিগেটর, tuataras অন্তর্ভুক্ত। সরীসৃপ প্রাণীদের বেশি বৈচিত্র্যতার কারণে বুকে ভর করে চলা প্রাণী এদের কোনাে সংক্ষিপ্ত গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত করা কঠিন (Goin and Goin, 1971)। এরা উভচর প্রাণী থেকে আবির্ভূত হয়েছে এবং পরিশেষে পাখী ও স্তন্যপায়ী প্রাণীতে

বাংলাদেশের উভচর সম্পর্কে

এম্ফিবিয়া (ইংরেজি: Amphibia) গ্রীক শব্দ এম্ফি (Gr. Amphi = উভয়) এবং গ্রিক বায়োস (গ্রিক bios = জীবন) থেকে উৎপন্ন। অর্থাৎ এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত সদস্যরা জলজ ও স্থলজ উভয় পরিবেশে বসবাস করে। এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত সদস্যগুলাে কুনােব্যাঙ, সােনাব্যাঙ, salamanders এবং কেঁচোর মতাে Caecilians। যদিও বৈশিষ্ট্যগত ও জৈবিক কার্যাবলীর বিবেচনায় Amphibia-কে fishes

বাংলাদেশের উভচর ও সরীসৃপের তালিকা

বাংলাদেশে উভচর প্রাণীদের সংখ্যা বেশি নয়। বাংলাদেশে বর্তমানে Anura বর্গের অধীনে ৭টি পরিবারে ২১টি গণে মোট ৪১টি প্রজাতি অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। IUCN-বাংলাদেশ ২০০০ এর রিপোর্ট অনুযায়ী ৮টি প্রজাতির অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ হলেও বর্তমানে অন্তত ২৫টি প্রজাতি ঝুঁকিপূর্ণ বা বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় সবগুলো উভচর ও সরীসৃপ ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ

Top