আপনি যা পড়ছেন

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ থেকে বিরল প্রজাতির একটি হিমালয়ী শকুন উদ্ধার

বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সগুনা ইউনিয়নের চরকুশাবাড়ী পশ্চিম পাড়া নজিবুর রহমানের বাড়ি থেকে তাড়াশ উপজেলা প্রসাশনের সক্রিয় সহযোগিতায় শকুনটি উদ্ধার করে রাজশাহী বন্যপ্রাণী বিভাগ। তাড়াশ উপজেলা বন কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন জানান, বুধবার দুপুরে চরকুশাবাড়ি গ্রামের নজিবর রহমানের বাড়ির আঙিনায় হঠাৎ করে বিরল প্রজাতির ওই শকুনটি অসুস্থ অবস্থায় উড়তে না পেরে পড়ে

বেড়ায় পাখি শিকারীর এক মাসের কারাদন্ড

বেশ কিছুদিন ধরেই বেড়া উপজেলার বড়শীলা বিলে অতিথি পাখি শিকার হচ্ছে মর্মে বিভিন্ন সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছিল। গত ৩ ডিসেম্বর ২০১৮ দৈনিক প্রতিদিনের সাংবাদিক জনাব মোঃ আরিফুর রহমানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাবনা জেলার বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এক অভিযান চালান। অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব আসিফ আনাম সিদ্দিকী সন্ধ্যা ৫ঃ৩০

এশীয় শামখোল বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: এশীয় শামখোল বা শামুকখোল বা শামুকভাঙ্গা বা শামকাইল হচ্ছে কিকোনিডি পরিবারের এনাসটোমাস গণের একটি বড় আকারের পাখি। এরা বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি। একসময় বাংলাদেশ থেকে এরা হারিয়ে যেতে বসেছিল। গত এক দশকের চেষ্টায় এরা বাংলাদেশে আবার আবাসিকের মর্যাদা লাভ করেছে। বর্ণনা: এশীয় শামখোল অনন্য খোলা ঠোঁট

ঠাকুরগাঁয়ের মদনটাক কলোনি, পাখিরা আর আসে না

সুন্দরবন ব্যতীত বাংলাদেশের একমাত্র মদনটাক কলোনি ছিলো ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার সিংহারি গ্রাম। এ গ্রামে গত ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ৬ বছর বাসা তৈরি ও ছানা তুলেছিলো বাংলাদেশের মহাবিপন্ন ও পৃথিবীর সংকটাপন্ন পাখি ছোট মদনটাক বা Lesser Adjutant. কিন্তু ২০১৩ সাল থেকে মদনটাকগুলো সে গ্রামের কলোনিতে বাসা তৈরি করেনি।

দোয়েল বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক এবং জাতীয় পাখি

ভূমিকাঃ বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Copsychus গণে পৃথিবীতে পাওয়া যায় ৮ প্রজাতি এবং বাংলাদেশে ২ প্রজাতির পাখি পাওয়া যায়। সেগুলো হলও ১. ধলাকোমর শামা ও ২. উদয়ী দোয়েল। এখানে আমাদের আলোচ্য পাখি উদয়ী দোয়েল। বর্ণনা: এটি একটি আকর্ষনীয় পাখি । সাদা ও কালোর সংমিশ্রণ পাখিটির গায়ের রং। স্বভাব: বাংলাদেশ ও ভারতের জনবসতির আশেপাশে

চামচঠুঁটো বাটান বিশ্বে মহাবিপন্ন ও বাংলাদেশের দুর্লভ পরিযায়ী পাখি

ভূমিকাঃ বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Eurynorhynchus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতেও রয়েছে কেবল সেই প্রজাতিটি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত ও আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে চামচঠুঁটো বাটান। বর্ণনাঃচামচঠুঁটো বাটান চামচ-আকারের ঠোঁটধারী অনন্য সৈকত-পাখি। এর দৈর্ঘ্য ১৭ সেমি, ডানা ১০ সেমি, ঠোঁট ২.২ সেমি, চামচ ১.১ সেমি, পা ২.১ সেমি, লেজ ৩.৮সেমি।

বাংলাদেশের পাখির একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা

পাখির এলাকাকে পাখি বিশেষজ্ঞগণ যে ছয়টি ভাগে ভাগ করেছেন, সেটি স্তন্যপায়ী ও সরীসৃপদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে গবেষকগণ গ্রহণ করেছেন। ভারতীয় উপমহাদেশ প্রাচ্য এলাকার অন্তর্গত। এই প্রাচ্য অঞ্চল আবার দুভাগে বিভক্ত: চীন-হিমালয়ান এবং ইন্দো-মালয়ান। বাংলাদেশ এই দুই উপবিভাগের মাঝখানে অবস্থিত। যমুনা নদী হচ্ছে এই দুই ভাগের সীমানারেখা।   যদিও বাংলাদেশ এই

কালাটুপি মাছরাঙা বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ পরিযায়ী পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Halcyon গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ১১টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি তিনটি হচ্ছে ১. লাল মাছরাঙা, ২. কালাটুপি মাছরাঙা ও ৩. ধলাগলা মাছরাঙা। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে কালাটুপি মাছরাঙা। বর্ণনা: কালাটুপি মাছরাঙা বেগুনি পিঠের কালো টুপি ওয়ালা জলার পাখি (দৈর্ঘ্য ৩০ সেমি, ডানা

বাসন্তী লটকনটিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Loriculus গণে বাংলাদেশে রয়েছে ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে এর ১২টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত এবং আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বাসন্তী লটকনটিয়া। বর্ণনা: বাসন্তী লটকনটিয়া লাল ঠোঁট ও সবুজ দেহের ছোট্ট গোলগাল টিয়া (দৈর্ঘ্য ১৪ সেমি, ডানা ৯.৬ সেমি, ঠোঁট ১.৩ সেমি, পা ১.১ সেমি, লেজ ৪.৩সেমি)।

বড় কুবো বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Centropus গণে বাংলাদেশে রয়েছে ২টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে এর ২৬টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি দুটি হচ্ছে ১. বাংলা কুবো এবং ২. বড় কুবো। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বড় কুবো। বর্ণনা: বড় কুবো বড় কালো পর্যায়ক্রমিক বিন্যস্ত পালকে লেজওয়ালা কাকের মত পাখি (দৈর্ঘ্য ৪২ সেমি., ওজন

Top