আপনি যা পড়ছেন

বানগারুস এলাপিডি পরিবারের দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সাপের একটি গণ

ভূমিকা: বানগারুস (বৈজ্ঞানিক নাম:  Bungarus) এলাপিডি পরিবারের দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সাপের একটি গণ। এদেরকে বাংলায় শঙ্খিনী, কেউটে ও গোখরো (ইংরেজি: kraits) বলেও ডাকা হয়।  বানগারুস গণের প্রজাতিগুলোর ম্যাক্সিলারি অস্থি সামনের দিকে বর্ধিত নয়, প্যালাটাইন-এর পিছনে অবস্থিত। ২-৮টি বিষদাঁত থাকে। লােরিয়াল অনুপস্থিত, পিউপিল গােলাকার। আঁইশ মসৃণ, ১৩-১৯ সারিতে সাজানাে থাকে। নি-পুচ্ছের

এলাপিডি সরীসৃপের স্কুয়ামাটা বর্গের একটি পরিবার

এলাপিডি (ইংরেজি: Elapidae) সরীসৃপের স্কুয়ামাটা বর্গের একটি পরিবার। এই পরিবারে প্রাণীরা শিকারি হয়। এই পরিবারে প্রায় ৫৭টি গণে অনেকগুলো প্রজাতি আছে। তবে বাংলাদেশে পাওয়া যায় মোট ১০টি প্রজাতি। এলাপিডি গােত্রের অন্তর্ভুক্ত প্রজাতির সম্মুখভাগের বিষদাঁত প্রােথিত থাকে, যা সব সময় খাড়া থাকে এবং মুখের তলভাগের স্লটে নিবিদ্ধ থাকে। আরো পড়ুন

নকশি ঢোড়া দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সাপ

নকশি ঢোড়া সাপ বা ঢোড়া সাপ বা গুড়ি সাপ বা ধোরা সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Xenochrophis piscator ইংরেজি: checkered keelback বা Asiatic water snake) কলুব্রিডি পরিবারের জেনোক্রোফিস গণের সাপের একটি প্রজাতি। ঢোড়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। বাংলাদেশের সাপের তালিকাজেনোক্রোফিস গণে যে দুইটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

কালো পেট ঢোড়া সাপ দক্ষিণ এশিয়ার সংকটাপন্ন সাপ

কালো পেট ঢোড়া সাপ বা ধোরা সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Xenochrophis cerasogaster ইংরেজি: Orange-bellied Oriental Slender Snake) কলুব্রিডি পরিবারের জেনোক্রোফিস গণের সাপের একটি প্রজাতি। ঢোড়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। বাংলাদেশের সাপের তালিকাজেনোক্রোফিস গণে যে দুইটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

জেনোক্রোফিস কলুব্রিডি পরিবারের সাপের একটি গণ

ভূমিকা: জেনোক্রোফিস (বৈজ্ঞানিক নাম: Xenochrophis) কলুব্রিডি পরিবারের সাপের একটি গণের নাম। এদেরকে ঢোড়া সাপ (ইংরেজি: painted keelbacks) বলেও ডাকা হয়। বাংলাদেশে এই গণে দুটি প্রজাতি আছে। বাংলাদেশে প্রাপ্ত এই গণের দুইটি প্রজাতি হচ্ছে ক. কালো পেট ঢোড়া সাপ এবং খ. নকশি ঢোড়া সাপআরো পড়ুন

কমলাপেট সরু সাপ দক্ষিণ এশিয়া এবং বাংলাদেশের তথ্য-অপ্রতুল সাপ

কমলা পেট সরু সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Trachischium tenuiceps ইংরেজি নাম: Orange-bellied Oriental Slender Snake) কলুব্রিডি পরিবারের ট্রাচিসচিয়াম গণের সাপের একটি প্রজাতি। কীট খাওয়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় ট্রাচিসচিয়াম গণে যে তিনটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

আসামী সরু সাপ দক্ষিণ এশিয়া এবং বাংলাদেশের তথ্য-অপ্রতুল সাপ

আসামী সরু সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Trachischium monticola ইংরেজি নাম: Assam Oriental Slender Snake) কলুব্রিডি পরিবারের ট্রাচিসচিয়াম গণের সাপের একটি প্রজাতি। কীট খাওয়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় ট্রাচিসচিয়াম গণে যে তিনটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

গুন্থারের সরু সাপ দক্ষিণ এশিয়ার বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের তথ্য-অপ্রতুল সাপ

গুন্থারের সরু সাপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Trachischium guentheri ইংরেজি নাম: Gunther’s Oriental Slender Snake) কলুব্রিডি পরিবারের ট্রাচিসচিয়াম গণের সাপের একটি প্রজাতি। কীট খাওয়া সাপের প্রজাতিগুলোর ভেতরে এটি একটি। । বাংলাদেশের সাপের তালিকায় ট্রাচিসচিয়াম গণে যে তিনটি প্রজাতি পাওয়া যায় এটি তার একটি। আরো পড়ুন

ট্রাচিসচিয়াম কলুব্রিডি পরিবারের সাপের একটি গণ

ট্রাচিসচিয়াম (বৈজ্ঞানিক নাম: Trachischium) কলুব্রিডি পরিবারের সাপের একটি গণের নাম। এদেরকে কীট খাওয়া সাপ (ইংরেজি: worm-eating snakes) বলেও ডাকা হয়। বাংলাদেশে এই গণে তিনটি প্রজাতি আছে। বাংলাদেশে প্রাপ্ত এই গণের তিনটি প্রজাতি হচ্ছে ক. গুন্থারের সুরু সাপ, খ. অসমীয়া সুরু সাপ এবং গ. কমলাপেট সুরু সাপআরো পড়ুন

ডুমেরিলের কালোমাথা সাপ বাংলাদেশে অপ্রতুল তথ্যশ্রেণির সাপ

ডুমেরিলের কালোমাথা সাপ কলুব্রিডি পরিবারের সিবিনোফিস গণের একটি সাপের প্রজাতি। বাংলাদেশের সাপের তালিকায় এই গণে বাংলাদেশে রয়েছে ২টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে এই ৯টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত এই গণের দুটি প্রজাতি হচ্ছে ক. ক্যান্টরের কালোমাথা সাপ এবং খ. ডুমেরিলের কালোমাথা সাপ। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটি হচ্ছে ডুমেরিলের কালোমাথা সাপআরো পড়ুন

Top