আপনি যা পড়ছেন

নটে শাকের ২৫টি ঔষধি গুণাগুণ

শরীরের পক্ষে পুষ্টিকর এবং উপযোগী সব তত্ত্ব পাওয়ার জন্যে এবং ভিটামিন সি পাওয়ার জন্যে সবুজ শাক খাওয়া খুবই জরুরি। প্রায় সব শাকেই অ্যালকলি ক্ষারজ বা ক্ষার পদার্থ বেশি। সবুজ শাকের মধ্যে নটে শাকের আছে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এটি অন্যতম একটি শ্রেষ্ঠ শাক এবং দামেও সস্তা। নটে শাক সাধারণত বাজারে দু ধরনের

পালং শাকের ভেষজ গুণাগুণ

শাকের রাজা পালং অনেকেই বলে। আমাদের দেশে প্রাচীন কাল থেকে পালং শাক খাওয়া হয়ে আসছে। পালং শাকের অনেক গুণ। পালং শাক অনেক অসুখ সারায়। শরীরের ভেতরকার অর্থাৎ কিডনি বা গলরাডারের পাথর গলিয়ে বের করে দেয় এইতেই পালং শাকের সবচেয়ে বড় গুণ। ফুসফুসের অসুখেও পালং শাক উপকারী। প্রায় সব শাকেই ক্ষার

কাউন পৃথিবীর সর্বত্র চাষাবাদকৃত খাদ্যশস্য

ভূমিকা: কাউন বা কাওন বা কাঙ্গুই বা কাঙ্গু, কোরা, কান্তি, দানা, শ্যামধাত (বৈজ্ঞানিক নাম: Setaria italica, ইংরেজি নাম: Dwarf Setaria, Fox-tail, Italian Millet, Liberty Millet, Bristle Grass) পোয়াসি পরিবারের সেটারিয়া  গণের তৃণ। এরা ক্ষুদ্র দানাদার দ্বিতীয় বিস্তৃত চাষাবাদকৃত খাদ্যশস্য এবং পূর্ব এশিয়ায় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এরা সকল পরিবেশে জন্মাতে পারে। বর্ণনা: কাউন

গমের বহুবিধ ব্যবহার

গম বা গহম (বৈজ্ঞানিক না Triticum aestivum, ইংরেজি নাম: Bread Wheat, Common Wheat)  পোয়াসি পরিবারের Triticum  গণের তৃণ। এটি সকল পরিবেশে জন্মাতে পারে। বাংলাদেশে গমের আটা খুব জনপ্রিয়। গম মূলত দক্ষিণ এশিয়ায় ধানের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। গম প্রায় সারা দুনিয়ার মানুষের প্রধান খাদ্য। শরীরের দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে গম প্রতিদিনের খাদ্য

যবের নানাবিধ উপকারিতা

যব বা যও (বৈজ্ঞানিক নাম: Hordeum vulgare, ইংরেজি: Barley) হচ্ছে পোয়াসি (ইংরেজি: Poaceae) পরিবারের Hordeum গণের অন্তর্ভুক্ত এবং  এটি  বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। বাংলাদেশের এর ব্যবহার বিশ শতকে যথেষ্ট থাকলেও এখন অনেক কমে গেছে। যব হচ্ছে একটি খাদ্যশস্য যা একদা গমের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতো। যবের ছাতুতে পুষ্টি আদিকাল থেকেই যবের ব্যবহার হয়ে আসছে

হাতিশুঁড়ের ঔষধি গুণাগুণ

হাতিশুঁড় একপ্রকার বর্ষজীবি আগাছা জাতীয় উদ্ভিদ। একে বিভিন্ন নামে দাকা হয় যেমন- হাতিশুঁড়ি, হাতিশুণ্ডি, হস্তীশুণ্ডী, শ্রীহস্তিনী, মহাশুণ্ডী ইত্যাদি। এর বৈজ্ঞানিক নাম Heliotropium indicum, এবং ইংরেজি নাম 'Indian heliotrope'। লোকায়তিক ব্যবহার ১. ফোলা: হঠাৎ ঠাণ্ডা লেগে হাতে পায়ের গাঁট ফুলে গেলে (এটা সাধারণতঃ কফের বিকারে হয়) এই হাতিশুঁড়ের পাতা বেটে অল্প গরম করে

খেসারির ডালের ১০টি ভেষজ গুণ

খেসারি (বৈজ্ঞানিক নাম: Lathyrus sativus) হচ্ছে ফেবাসি পরিবারের ডাল জাতীয় শস্য। খেসারির ডাল খাওয়ার নিয়ম: খেসারির ডালে গর্ভপত্র খঞ্জতাকারক। এইটি থেকে সর্বদা আমাদের সাবধান হওয়া দরকার; বাংলা, বিহার বিশেষত উড়িষ্যার গ্রামাঞ্চলে খেসারির বহু চাষ হয় এবং আহার্য ডাল হিসেবে বৎসরের পর বৎসর তাঁরা ব্যবহার করে আসছেন কিন্তু তাঁরা এর দ্বারা কোনো

বুড়িগুয়াপান বাংলাদেশের ওষধি বিরুৎ

বুড়িগুয়াপান বনৌষধিটি উদ্ভিদ। এটি অ্যাকানথেসি (Acanthaceae) ফ্যামিলীভুক্ত, বোটানিকাল নাম হেমিগ্রাফিস হিরটা (Hemigraphis hirta T. And.) বাংলা দেশের যত্রতত্র এই গাছ অযত্নে প্রচুর পরিমাণে হয়ে থাকে। এর বিশেষ কোনো স্বাদ নেই। প্রামাণ্য উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের অধিকাংশ গ্রন্থে এই গাছটির নাম পর্যন্ত পাওয়া যায় না; এমন কি ‘ওয়েলথ অফ ইন্ডিয়া’ (Wealth of India) বলে

গিমা বা গিমে ঔষধি গুণে ভরা শাক

গিমে শাক পরিত্যক্ত জমিতেও হয় আবার আলু, রসুন, পেঁয়াজ ইত্যাদি ক্ষেতে জন্মে থাকে। যত্ন ছাড়া এই শাক হৃষ্ট-পুষ্টভাবে বেঁচে থাকে। তবে স্যাঁতস্যাঁতে অর্থাৎ কলতলা, পুকুরপাড়ে, নালার পাশে এটি ভালো ভাবে জন্মে।  বোটানিকাল নাম Glinus oppositifolius (L.) Aug.DC. এটি Molluginaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। স্বাদে তিক্ত, কফ পিত্তাধিক্যনাশক ও রুচিকারক, আর রোগারোগ্যের ক্ষেত্রে বলা

কাঁটা বাঁশ পৃথিবীর উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের তৃণ

ভূমিকা: কাঁটা বাঁশ বা বন বাঁশ, কান্তা বাঁশ, কেটুয়া বাঁশ (বৈজ্ঞানিক নাম: Bambusa bambos, ইংরেজি নাম: giant thorny bamboo, Indian thorny bamboo, spiny bamboo, or thorny bamboo)  পোয়াসি পরিবারের Bambusa গণের তৃণ। সকল পরিবেশে জন্মাতে পারে। বর্ণনা: ঘন গুচ্ছাকার, যুক্তাক্ষ বাঁশ। তরুণ বিটপ গাঢ় বেগুনি লাল, স্বল্প সংখ্যক সাদা রেখা যুক্ত, রোমশ বিহীন,

Top