You are here
Home > প্রাণ > উদ্ভিদ > ঘাস

হাতিশুঁড়ের ঔষধি গুণাগুণ

হাতিশুঁড় একপ্রকার বর্ষজীবি আগাছা জাতীয় উদ্ভিদ। একে বিভিন্ন নামে দাকা হয় যেমন- হাতিশুঁড়ি, হাতিশুণ্ডি, হস্তীশুণ্ডী, শ্রীহস্তিনী, মহাশুণ্ডী ইত্যাদি। এর বৈজ্ঞানিক নাম Heliotropium indicum, এবং ইংরেজি নাম 'Indian heliotrope'। লোকায়তিক ব্যবহার ১. ফোলা: হঠাৎ ঠাণ্ডা লেগে হাতে পায়ের গাঁট ফুলে গেলে (এটা সাধারণতঃ কফের বিকারে হয়) এই হাতিশুঁড়ের পাতা বেটে অল্প গরম করে

খেসারির ডালের ১০টি ভেষজ গুণ

খেসারি (বৈজ্ঞানিক নাম: Lathyrus sativus) হচ্ছে ফেবাসি পরিবারের ডাল জাতীয় শস্য। খেসারির ডাল খাওয়ার নিয়ম: খেসারির ডালে গর্ভপত্র খঞ্জতাকারক। এইটি থেকে সর্বদা আমাদের সাবধান হওয়া দরকার; বাংলা, বিহার বিশেষত উড়িষ্যার গ্রামাঞ্চলে খেসারির বহু চাষ হয় এবং আহার্য ডাল হিসেবে বৎসরের পর বৎসর তাঁরা ব্যবহার করে আসছেন কিন্তু তাঁরা এর দ্বারা কোনো

বুড়িগুয়াপান বাংলাদেশের ওষধি বিরুৎ

বুড়িগুয়াপান বনৌষধিটি উদ্ভিদ। এটি অ্যাকানথেসি (Acanthaceae) ফ্যামিলীভুক্ত, বোটানিকাল নাম হেমিগ্রাফিস হিরটা (Hemigraphis hirta T. And.) বাংলা দেশের যত্রতত্র এই গাছ অযত্নে প্রচুর পরিমাণে হয়ে থাকে। এর বিশেষ কোনো স্বাদ নেই। প্রামাণ্য উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের অধিকাংশ গ্রন্থে এই গাছটির নাম পর্যন্ত পাওয়া যায় না; এমন কি ‘ওয়েলথ অফ ইন্ডিয়া’ (Wealth of India) বলে

গিমা বা গিমে ঔষধি গুণে ভরা শাক

গিমে শাক পরিত্যক্ত জমিতেও হয় আবার আলু, রসুন, পেঁয়াজ ইত্যাদি ক্ষেতে জন্মে থাকে। যত্ন ছাড়া এই শাক হৃষ্ট-পুষ্টভাবে বেঁচে থাকে। তবে স্যাঁতস্যাঁতে অর্থাৎ কলতলা, পুকুরপাড়ে, নালার পাশে এটি ভালো ভাবে জন্মে।  বোটানিকাল নাম Glinus oppositifolius (L.) Aug.DC. এটি Molluginaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। স্বাদে তিক্ত, কফ পিত্তাধিক্যনাশক ও রুচিকারক, আর রোগারোগ্যের ক্ষেত্রে বলা

কাঁটা বাঁশ পৃথিবীর উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের তৃণ

বৈজ্ঞানিক নাম: Bambusa bambos (L.) সমনাম: alaltat Arundo bambos L. (1753), Bambos arundinacea Retz. (1789), Bambusa arundinacea (Retz.) Willd. (1797), Bambusa orientalis Nees ex Munro (1868), Bambusa arundinacea (Retz.) Willd. var. orientalis (Nees ex Munro) Camus (1913). Beasts anta: Spiny Bamboo, Thorny Bamboo. স্থানীয় নাম: বন বাঁশ, কান্তা বাঁশ, কেটুয়া বাঁশ। জীববৈজ্ঞানিক

কাঁটা বাঁশের ভেষজ গুণাগুণ

কাঁটা বাঁশ (বৈজ্ঞানিক নাম Bambusa bambos) বৃহৎ ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ। এর এর ইংরেজি নাম giant thorny bamboo, Indian thorny bamboo, spiny bamboo, thorny bamboo. কাঁটা বাঁশ সম্পর্কে জানতে বিস্তারিত পড়ুন কাঁটা বাঁশ পৃথিবীর উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের তৃণ এখানে বাঁশ বা কাঁটা বাঁশের ভেষজ ব্যবহার উল্লেখ করা হলো: ১. গাভীর প্রসব সংক্রান্ত সমস্যা: আপনারা অনেকে

মুথার ১১টি ভেষজ গুণ

বৈদিক তথ্যে পাওয়া যাচ্ছে এক শ্রেণীর মশুক বা মুথার কথা; আর সপ্তদশ শতকে এসে সেটির চার প্রকারের উল্লেখ; অবশ্য তাদের প্রত্যেকের গুণ ও উপযোগিতাও পৃথক পৃথক বলা হয়েছে। আলাচ্য বিষয় ভদ্রমুথা সম্পর্কে। এটি এক জাতীয় ঘাস, ঔষধার্থে এর মূল ব্যবহার করা হয়, মূলটি গ্রন্থি আকারের (Tuberous root)। এটি জন্মে বালি

সুষনি ঔষধি গুণ সম্পন্ন শাক

সুষনিশাক বা সুনসুনি শাক গ্রামে অনেকের পরিচিত শাক। এই শাকের পাতা অনেক নরম ও পাতলা হয়। পাতার রং সবুজ নরম ও সরু ডাল বিশিষ্ট ঘাস বিশিষ্ট। থোকা থোকা জন্মে থাকে। একটি ডালে একটি পাতা হয়। শাক হিসাবে জনপ্রিয় এর বৈজ্ঞানিক নাম Marsilea minuta ও পরিবার  Marsileaceae. রোগ প্রতিকারে ১. শ্বাস রোগে (হাঁপানিতে):

গিমা তিতা স্বাদযুক্ত সুস্বাদু শাক

বৈজ্ঞানিক নাম: Glinus oppositifolius (L.). সমনাম : Mollugo oppositifolia L. (1753), Mollugo spergula L. (1759). ইংরেজি নাম: জানা নেই। স্থানীয় নাম: গিমাশাক। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots বর্গ: Caryophyllales   পরিবার: Molluginaceae     গণ: Glinus   প্রজাতি: Glinus oppositifolius.    বর্ণনা: ব্যাপিত শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট, মসৃণ থেকে মসৃণবৎ বর্ষজীবী বীরুৎ, প্রধান মূলবিশিষ্ট। কান্ড ৩০-৪০ সেমি লম্বা। পাতা ১.৫-২.৫ x ০.৪-০.৬ সেমি,

বথুয়া বা বাসতুগ শাকের ঔষধি গুণাগুণ

বথুয়া, বেতো বা বাসতুগ শাক মূলত আগাছ হিসাবে জন্মে থাকে গম, ধানের জমিতে। এটি শীত ঋতুতে জনপ্রিয় শাক। এর বৈজ্ঞানিক নাম Chenopodium album. Amaranthaceae পরিবারে অন্তর্ভুক্ত।   সুশ্রুতের মুষ্টিযোগ হলও- ১. বেতোশাকের রস ১ চা-চামচ এবং টাটকা ঘোল আধ পোয়া মিশিয়ে খেলে হিক্কা বন্ধ হয়। ২.  বেতোশাকের রস আধ পোয়া, তিল তৈল তিন

Top