You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

সন্ধ্যামালতী, কৃষ্ণকলি বা সন্ধ্যামণি ভেষজ গুণ

সন্ধ্যামালতী, কৃষ্ণকলি বা সন্ধ্যামণি (বৈজ্ঞানিক নাম: Mirabilis jalapa) (ইংরেজি:4 O'clock Plant, Marvel of Peru, Beauty of the Night) হচ্ছে নিকটাগিনাসি পরিবারের মিরাবিলিস গণের  একটি সপুষ্পক ঝোপজাতীয় বীরুৎ। এটিকে বাংলাদেশে আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবে বাগানে বা গৃহে চাষাবাদ করা হয়। এই বীরুৎটি বাড়ির বা বাগানের শোভাবর্ধন করে মুলত বিকেলের শেষ থেকে। কৃষ্ণকলি গাছটি

পাটশাকের উপকারিতা ও ভেষজ গুণ

মিশরের সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা তাঁর সৌন্দর্য দিয়ে বিস্মিত করেছিলেন বিশ্বকে। জানা যায় যে তাঁর এই রূপ-রহস্যের একটি উপাদান ছিল পাটশাক। ত্বক সুন্দর রাখার জন্য নিয়মিত পাটশাক খেতেন এই সম্রাজ্ঞী। ফেরাউনদেরও পছন্দের তালিকায় ছিল পাটশাক। মিশরীয় সভ্যতা বিকাশের সাথে সাথে পাটশাক ব্যবহারের উল্লেখ পাওয়া যায়। জানা যায়, প্রাচীন মিশর ও আলেপ্পোতে সবজি

রজনীগন্ধা সুগন্ধি বাণিজ্যিক ফুল

ভূমিকা: রজনীগন্ধা (বৈজ্ঞানিক নাম: Polianthes tuberosa, ইংরেজি নাম: টিউব রোজ) Polianthes গণের একটি প্রজাতি। গণটি ভূনিম্নস্থ কন্দাল অংশ সমন্বিত বহুবর্ষজীবী বীরুৎ। নিম্নের পাতা উত্তম বৃদ্ধিপ্রাপ্ত, শীর্ষের পাতা খর্ব । পুষ্পবিন্যাস সুমিষ্ট গন্ধযুক্ত শীর্ষীয় মঞ্জরী। পুষ্পপুট ধুতুরাকার, স্থায়ী। পুংকেশর ৬ টি, অন্তর্ভূত। গর্ভাশয় ৩-প্রকোষ্ঠীয়, গর্ভমুণ্ড ৩। ফল ও বীজ কুঞ্চিত। আরো পড়ুন

জাফরান খাওয়ার ভেষজ গুণ

জাফরানের (বৈজ্ঞানিক নাম: crocus-sativus) আর এক নাম কুঙ্কুম। সংস্কৃত ভাষায় জাফরান বা কেশরের অনেক নাম আছে। জাফরানকে কাশ্মীরক, কুঙ্কুম, বাহ্লিক, শোণিত, পীতক ও সুরভিও বলা হয়। দুমূর্ল্যতার জন্য জাফরানের ব্যবহার প্রায় বন্ধই হয়ে গেছে। ভারতে কাশ্মীরের জাফরান খুব বিখ্যাত, বিখ্যাত স্পেনের জাফরান বা স্প্যানিশ জাফরান। ফ্রান্স, সিসিলি ও ইরানেও জাফরানের চাষ হয়। আরো পড়ুন

এলাচের ভেষজ গুণ

ছোট এলাচ (বৈজ্ঞানিক নাম: Elettaria cardamomum) মন প্রফুল্ল রাখে। প্রাচীন কাল থেকেই মুখ সুগন্ধিত করবার জন্যে ছোট এলাচ খাওয়া হয়। অত্যন্ত সুগন্ধী হওয়ার জন্যে ছোট এলাচ খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। পানের মধ্যে এলাচ দিয়ে খাওয়া হয়। এছাড়া খাওয়ার পরে মুখশুদ্ধি হিসেবেও খাওয়া হয়। শরবত, মিষ্টি এমনকি পোলাও, বিরিয়ানি ব্যঞ্জন বা তরকারিও সুগন্ধিত ও সুস্বাদ করতে আস্ত এলাচ বা এলাচের গুঁড়া দেওয়া হয়। ওষুধ হিসেবেও প্রাচীনকাল থেকেই এলাচের ব্যবহার হয়ে আসছে। আয়ুর্বেদ মতে ছোট এলাচ কটুরস, শীতবীর্য (শীতল) ও লঘু। কফ, শ্বাস, কাশি, অর্শ, মূত্রকৃচ্ছু (প্রস্রাব অল্প পরিমাণে হওয়া) ও বায়ু নাশ করে। আয়ুর্বেদের অনেক ওষুধের ছোট এলাচ হলো একটি বিশেষ উপাদান। যাকে গরম মশলা বলা হয় তার মধ্যে লবঙ্গ ও দারচিনির সঙ্গে ছোট এলাচ থাকে। এগুলোকে সম্মিলিত ভাবে গরম মশলা বলা হলেও এগুলো কিন্তু শীতল বা এগুলোর শৈত্যগুণই বেশি বলে অনেকে মনে করেন। আরো পড়ুন

রাই-য়ের নানাবিধ উপকারিতা

রাই থেকেই রায়তা নামে এসেছে। ডাল তরকারিতে ফোড়ন দেওয়ার জন্যে রাই তো লাগেই। রায়ত অবাঙালিদের প্রিয় খাবার। এটা টক দই ও রাই বাটা দিয়ে তৈরি। রাই দেওয়া হয় বলেই এই পদের নাম রায়তা। রাই থেকেই এই নামকরণ। রাই সাধারণত দু রকমের-শ্বেত রাই এবং কালো রাই। ভারতে প্রাচীনকাল থেকেই রান্নায় রাই ব্যবহার হয়ে আসছে। রাই থেকে তেলও বের করা হয়। কবিরাজি মতে রাই-এর তেল তীক্ষ্ণ, হালকা, মল নিষ্কাশন করে, উষ্ণ, বায়ু ও মাথার অসুখ সারিয়ে দেয়, কৃমি নাশ করে, দুষ্ট ব্রণ আরোগ্য করে। আরো পড়ুন

মেথি খাওয়ার উপকারিতা

বাত ব্যাধিতে মেথি (বৈজ্ঞানিক নাম: Trigonella foenum-graecum) খাওয়া শ্রেষ্ঠ। প্রতিদিনের ব্যবহারে সুলভ মেথি দানার বা মেথির আছে অনেক গুণ। মেথি ফোড়ন দিয়ে রান্না করা তরকারি, মেথির শাক এমনকী চচ্চড়ির পাঁচফোড়নে মেথির সুগন্ধ সকলেরই প্রিয়। কিন্তু মেথির গুণপনার কথা হয়তো সকলের জানা নেই। মেথি বায়ুকে শান্ত করে, কফ দূর করে, জ্বর সারিয়ে দেয়। মেথি বাত হরণ করে, উষ্ণ, তেতো, দীপক (উদ্দীপিত করে) ও পৌষ্টিক, কৃমি, শূল, গুল্ম, সন্ধিবাত, কোমরে ব্যথা এবং অনেক রকমের শারীরিক পীড়া দূর করে সেই সঙ্গে বায়ুনাশ করে ।। সুক্ষ্মতের মতে মেথি পিত্তনাশক, রক্ত সংশোধক (রক্তের দোষ দূর করে), বায়ুনাশক, পুষ্টিকর, মায়েদের স্তনের দুধ বাড়িয়ে দেয়। মেখির শাক, শাক ভাজা বা মেখি শাকের তরকারি তী, উষ্ণ, পিত্তবর্ধক, দীপক, (উদ্দীপিত করে), লঘু, তেতো, মলরোধ করে এবং বলবৃদ্ধি করে। আরও পড়ুন

জোয়ান খাওয়ার ১৪টি উপকারিতা

জোয়ান বা যোয়ান খাবারকে সহজে হজম করায়। ঘরোয়া ওষুধের মধ্যে যোয়ানের ব্যবহার আমাদের দেশে প্রাচীন কাল থেকেই হয়ে আসছে। যোয়ানের সংস্কৃত নাম যমানী। যোয়ান খাবার হজম করায়, রুচি উৎপন্ন করে, তীক্ষ্ণ, গরম, হালকা খিদে বাড়িয়ে দেয়, তেতো আর পিত্ত উৎপন্ন করে। শুক্র শূল, বায়ু, কফ, পেটের গ্যাস, গুল্ম, লিভারের অসুখ ও কৃমির প্রকোপ কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে বাত নাশক, উদ্বিগ্নতা দূর করে, শূলের ব্যথা কমায়, কফ, জ্বর, কৃমি নাশ করে, দুর্গন্ধ দূর করে। বদহজম, পেটের অসুখ, আমাশা, আর সর্দি সারিয়ে দেয়। কলেরা রোগে যোয়ানের প্রভাব কম হলেও এই অসুখেও উপকারক। আরও পড়ুন

মৌরির ১০টি ভেষজ গুণ ও অন্যান্য ব্যবহার

মৌরি (বৈজ্ঞানিক নাম: foeniculum-vulgare) শরীর শীতল করে তাই প্রাচীন কাল থেকেই মৌরির ব্যবহার মশলা আর মুখশুদ্ধি রূপে হয়ে আসছে। পান সাজবার সময়েও পানের ভেতর মৌরি দেওয়া হয়। মৌরি স্বাদে মিষ্টি বা মধুর। এই মধুরতা গুণের জন্যেই সংস্কৃত ভাষায় মৌরিকে মধুরী বলা হয় । চরকের মতে, মৌরি শূল প্রশমন করে বা কমিয়ে দেয়। সুশ্রুতের মতে কফ নাশ করে। আয়ুর্বেদ মতে মৌরি শীতবীর্য (শীতল), রুচিকর, শুক্রবর্ধক, মুখদোষ নিবারক, রক্তপিত্ত, জ্বর, পেটের অসুখে, চোখের অসুখে ও শ্লেষ্ম রোগে উপকারী। যোনির ব্যথা, কোষ্ঠবদ্ধতা (মল না হওয়া), অগ্নিমান্দ্য (খিদে না হওয়া), কৃমি, কাশি, বমি, শূল ও বায়ুনাশ করে, খাবার হজম করায় (পাচক)। আরও পড়ুন

শাজিরা বা শাহজিরা বা শাহিজিরা ১০টি ভেষজ গুণ

শাজিরা বা শাহজিরা বা শাহিজিরা (Elwendia persica) চোখের পক্ষে ভাল শাহজিরা আয়ুর্বেদ মতে, উষ্ণবীর্য বা গরম কড়া, সুগন্ধযুক্ত, কটুরস বা তেতো, মল সংগ্রাহক বা মলরোধ করে, রুক্ষ, অগ্নিহদীপক বা খিদে বাড়িয়ে দেয়, কফ নাশ করে, রুচি বৃদ্ধি করে, চোখের পক্ষে ভাল।হকিমি বা ইউনানি মতে, শাহজিরা খেলে শরীরে উষ্ণতা ও মনে সুকৃর্তি বা চনমনে ভাব আসে, কফ ও বায়ু নাশ করে, ফোলা সেরে যায় বা কমে যায়, পাকস্থলীর বদরস (বিকৃত রস) বিদূরিত হয়, রসদোষ নষ্ট হয়, খিদে বেড়ে যায়, প্রস্রাব পরিষ্কার হয়, ঋতু (মাসিক) পরিষ্কার হয়।আরও পড়ুন

Top