আপনি যা পড়ছেন

মাকড়শা হুড়হুড়ি উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলে অযত্নে বেড়ে ওঠা আলংকারিক বিরুৎ

হুড়হুড়ি গাছ বীজ দ্বারা বংশ বিস্তার করে। জনবসতির কাছাকাছি পতিত জমি, নদী-জলাশয়ের পাশে, পথিপার্শ্ব, নিচু অঞ্চল অযত্নে জন্মে থাকে। উদ্যান বা বাগানে চাষ করতে চাইলেও বিশেষ যত্ন ছাড়াই বেড়ে উঠে শোভাবর্ধন করে। মাকড়শা হুড়হুড়ি ফুল ও ফল ধারণ জানুয়ারি থেকে মে। আরো পড়ুন

মে ফ্লাওয়ার বা ফায়ার বল উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের আলংকারিক বিরুৎ

মে-ফ্লাওয়ার

ফায়ার বল লিলি বা মে ফ্লাওয়ার বহুবর্ষজীবী শল্ক কন্দাল বীরুৎ। এদের পাতা মূলজ, সরল, বল্লমাকার, অখন্ড, সূক্ষ্মাগ্র এবং শিরা সমান্তরাল, পত্রমূল পরস্পর আচ্ছাদিত। ফুলের দন্ড মাটিতে আবির্ভাবের পর পাতার জন্ম হয়। ফুলের বিন্যাস আম্বেল সদৃশ, সাইম, পত্রবিহীন ও ভৌমপুষ্পদন্ডের অগ্রভাবে জন্মে। চমসা একাধিক, সম্পূর্ণ প্রস্ফুটিত ফুল একত্রে শীর্ষ মঞ্জরী গঠন করে যা মাত্র এক সপ্তাহ স্থায়ী থাকে। আরো পড়ুন

দুপুরমনি বা বনঢুলি বাগানে চাষযোগ্য ভেষজ গুণ সম্পন্ন আলংকারিক বর্ষজীবী বীরুৎ

দুপুরমনি

ভূমিকা: দুপুরমনি (বৈজ্ঞানিক নাম: Pentapetes phoenicea ইংরেজি: Noon Flower, Mid Day Flower, Scarlet Mallow, Copper Cup) ম্যালভাসি পরিবারের,  পেন্টাপেটিস গণের একটি এক প্রকারের বিরুৎ। এটি এশিয়ার দেশসমূহে ভালো জন্মে। ফুল ফোটার মৌসুমে গাছ লাল ফুলে ভরে যায়। বৈজ্ঞানিক নাম: Pentapetes phoenicea L., Sp. Pl. 2: 698 (1753). সমনাম: Pentapetes angustifolia Blume

জিনিয়া শীতকালীন মৌসুমের বাগান ও টবে চাষযোগ্য পরিচিত আলংকারিক ফুল

জিনিয়া

জিনিয়া ঋজু, রোমশ, একবর্ষজীবী বীরুৎ। এই উদ্ভিদ অনূর্ধ্ব ৫৪ সেমি বা ততোধিক লম্বা হয়। পত্র স্পষ্টতঃ বল্লমাকার, অখন্ড, সামান্য রোমশ। পুষ্পবিন্যাস শিরমঞ্জরী, অসম জননকোষী, একল, পুষ্পদন্ডবিশিষ্ট, ব্যাস ৯ সেমি বা ততোধিক, দ্বিতয় বা একক, মঞ্জরী পত্রাবরণ অর্ধবেলনাকার। মঞ্জরীপত্র বহু-স্তরে বিন্যস্ত, স্থূলা, শুষ্ক, প্রশস্ত, অভ্যন্তর থেকে বাইরের দিক ক্রমান্বয়ে খাটো, পুষ্পধার দীর্ঘ, শল্কবৰ্মীয়, শল্কবৰ্ম বর্ণিল, রোমশ। আরো পড়ুন

কসমস বাংলাদেশের শীত মৌসুমের কষ্টসহিষ্ণু আলঙ্কারিক ফুল

কসমস

কসমস লম্বাভাবে বেড়ে ওঠা রোমশযুক্ত বর্ষজীবী বিরুৎ। উচ্চতায় ৯০ সেমি বা অধিক লম্বা হয়। এদের পাতা অতি মাত্রায় ছিন্ন। পুষ্পবিন্যাস শিরমঞ্জরী, অসম জননকোষী, ব্যাস ৭ সেমি, দীর্ঘ পুষ্পদন্ডবিশিষ্ট, একল, শিথিল সমভুমঞ্জরী, রে-বিশিষ্ট, মঞ্জরী পত্রাবরণ অর্ধগোলাকার। মঞ্জরীপত্র ২-স্তরে সজ্জিত, নিম্নাংশে যমক, ঝিল্লিময়, সরেখ, বহির্দেশীয় গুলি সরু, উপবীরুৎ সদৃশ, পুষ্পধার সমতল, শঙ্কৰ্মীয়, শল্কবর্ম সরু। আরও পড়ুন

কলাবতী জলাশয়ের পাশে জন্মানো অলংকারিক কন্দজাতীয় বিরুৎ

কলাবতী

কলাবতী ক্রান্তীয় আমেরিকা ও এশিয়ার প্রজাতি। এটি কন্দজ উদ্ভিদ হওয়ায় বংশ বিস্তার হয় মূলাকার কান্ড ও বীজের মাধ্যমে। বীজ থেকে জন্মানো গাছে ৩ বছর পর ফুল ধরে। কান্ডের আগায় লম্বা ডাঁটায় ফুল ফোটে। ফুল বেশ বড় হয়। ফুলের রং হলুদ, লাল, গোলাপী, কমলা, পাটকিলে, দাগযুক্ত ইত্যাদি হয়ে থাকে। ফুল ও ফল ধারণ এপ্রিল-নভেম্বর মাস পর্যন্ত। বুনো গাছ জলাভূমিতে ভাল জন্মে। জুন মাসে কান্দগুলি তুলে জুলাই মাসে লাগানোর আগে কিছুদিন ফেলে রাখা ভালো। গাছে বেশি সার প্রয়োগ করা ক্ষতি।[৩] আরো পড়ুন

ঝুমকালতা গ্রীষ্ম প্রধান দেশের টব চাষযোগ্য ভেষজ গুণে ভরা ও শোভাবর্ধক বিরুৎ

ঝুমকালতা

ভূমিকা: ঝুমকা লতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Passiflora foetida, ইংরেজি নাম: Passion-flower, Love-in-a-mist,Wild Passion Fruit, Wild Water Lemon)হচ্ছে প্যাসিফ্লোরাসিস পরিবারে প্যাসিফ্লোরা গণের সপুষ্পক বিরুৎ। এই বিরুৎটি দেখতে চিরসবুজ পত্রঘন লতা। এটি ব্রাজিলের একটি প্রজাতি। এই ফুলের প্রধান সৌন্দর্য হলও মাঝখানে প্রায় ৫ সেমি চওড়া পরাগমুকুট; তাতে থাকে অনেকগুলো সরু সরু ডাটা। বাগানের

ব্যবসায়িক ভিত্তিতে জনপ্রিয় সুগন্ধি ফুল রজনী গন্ধার চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

রজনীগন্ধা

রজনী গন্ধা প্রধানত সিঙ্গল ও ডাবল এ দুধরনের হয়। সিঙ্গল ফুলে ৬টি পাপড়ি এবং রঙ ধবধবে সাদা। ডবল ফুলে পাপড়ি অনেক হলেও ফুলের সংখ্যা কম এবং প্রায়ই পুরো ফুল ফোটে না। আরেক জাতের রজনীগন্ধা আছে যার পাপড়ির সংখ্যা সিঙ্গল আর ডবলের মাঝামাঝি, একে তাই ‘আধা ডবল’ বলা যায়। আরো পড়ুন

মৌসুমি ঋতুতে গ্লোব অ্যামারাস্থ বা বোতাম ফুলের চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

বোতাম-ফুল

গ্লোব অ্যামারাস্থ বা বোতাম ফুল গাছ ডাটা দোপাটির মতো দেখতে, পাতা সুবঞ্চিত ও প্রায় দীর্ঘ, চ্যাপ্টা ও রঙিন ফুলের শীতে ফুল ফোটে থাকে। এর আরেকটি নাম গমফারেনা। প্রায় সবরকম মাটিতে চাষ হয়। তবে হালকা উর্বর দো-আঁশ মাটিতে ফলন ভালো হয়ে থাকে। জমি এবং টবে চাষ করা যায় । সমতল অঞ্চলে মে-জুলাই এবং পার্বত্য অঞ্চলে মার্চ-এপ্রিল মাসে চাষ হয়। আরো পড়ুন

গ্রীষ্ম ও বর্ষা ঋতুতে বাহারি রঙের দোপাটি ফুল চাষের জমি প্রস্তুত ও পরিচর্যা পদ্ধতি

দোপাটি

দোপাটি ফুলের চাষ শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা তিন ঋতুতে হতে দেখা যায়। তবে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে এর ফুল অধিকতর বড় ও সুন্দর হয়। হালকা উর্বর মাটি এবং প্রচুর জল দোপাটি চাষে সহায়ক। আঙ্গিনার জমিতে ও টবে দোপাটির চাষ হয়। আগষ্ট-সেপ্টেম্বর মাসে এর চাষ শুরু করার জন্যে বীজ বপন করা হয়। বাণিজ্যিক মূল্য এ ফুলের তেমন একটা নেই। আরো পড়ুন

Top
You cannot copy content of this page