You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

ব্যবসায়িক ভিত্তিতে জনপ্রিয় সুগন্ধি ফুল রজনী গন্ধার চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

রজনীগন্ধা

রজনী গন্ধা প্রধানত সিঙ্গল ও ডাবল এ দুধরনের হয়। সিঙ্গল ফুলে ৬টি পাপড়ি এবং রঙ ধবধবে সাদা। ডবল ফুলে পাপড়ি অনেক হলেও ফুলের সংখ্যা কম এবং প্রায়ই পুরো ফুল ফোটে না। আরেক জাতের রজনীগন্ধা আছে যার পাপড়ির সংখ্যা সিঙ্গল আর ডবলের মাঝামাঝি, একে তাই ‘আধা ডবল’ বলা যায়। আরো পড়ুন

মৌসুমি ঋতুতে গ্লোব অ্যামারাস্থ বা বোতাম ফুলের চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

বোতাম-ফুল

গ্লোব অ্যামারাস্থ বা বোতাম ফুল গাছ ডাটা দোপাটির মতো দেখতে, পাতা সুবঞ্চিত ও প্রায় দীর্ঘ, চ্যাপ্টা ও রঙিন ফুলের শীতে ফুল ফোটে থাকে। এর আরেকটি নাম গমফারেনা। প্রায় সবরকম মাটিতে চাষ হয়। তবে হালকা উর্বর দো-আঁশ মাটিতে ফলন ভালো হয়ে থাকে। জমি এবং টবে চাষ করা যায় । সমতল অঞ্চলে মে-জুলাই এবং পার্বত্য অঞ্চলে মার্চ-এপ্রিল মাসে চাষ হয়। আরো পড়ুন

গ্রীষ্ম ও বর্ষা ঋতুতে বাহারি রঙের দোপাটি ফুল চাষের জমি প্রস্তুত ও পরিচর্যা পদ্ধতি

দোপাটি

দোপাটি ফুলের চাষ শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা তিন ঋতুতে হতে দেখা যায়। তবে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে এর ফুল অধিকতর বড় ও সুন্দর হয়। হালকা উর্বর মাটি এবং প্রচুর জল দোপাটি চাষে সহায়ক। আঙ্গিনার জমিতে ও টবে দোপাটির চাষ হয়। আগষ্ট-সেপ্টেম্বর মাসে এর চাষ শুরু করার জন্যে বীজ বপন করা হয়। বাণিজ্যিক মূল্য এ ফুলের তেমন একটা নেই। আরো পড়ুন

মনোমুগ্ধকর বর্ষজীবী চিরজীবী ফুল প্যানসি বা পাঁচুর চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

প্যানসি বা পাঁচু (Pansy) একটি মনোমুগ্ধকর বহুবর্ষজীবী চিরজীবী ফুল হলেও আমাদের দেশে বর্ষজীবী শীতকালীন হিসেবে চাষাবাদ হয়ে থাকে। ফুল অনেকটা প্রজাপতির মতো দেখায় এবং এর রঙ হয় বেগুনি, নীল, হলুদ ও সাদা। সমতল অঞ্চলে অক্টোবর এবং পার্বত্য অঞ্চলে মার্চ মাসে বীজ বপন করতে হয়। সারযুক্ত দো-আঁশ মাটি এবং ঠাণ্ডা ও আর্দ্র আবহাওয়া এই ফুল চাষের বিশেষ উপযোগী। গাছের উচ্চতা ১৫-৩০ সেঃ মিঃ হয়ে থাকে। প্যানজি টবে ও কেয়ারীতে চাষযোগ্য। আরো পড়ুন

শীত ও গ্রীষ্ম মৌসুমের কষ্ট সহিষ্ণু ফুল কসমসের চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

কসমস

কসমস শীত ও গ্রীষ্ম উভয় মৌসুমেই চাষ করা যায়, তবে শীত ঋতুতেই ভালো ফুল হয়। এই ফুলের গাছ খুব কষ্ট সহিষ্ণু এবং আর্দ্রতাযুক্ত মাঝারি ধরনের বেলে-দো-আঁশ বা বেলে মাটিতে ভালো জন্মে। সমতল ভূমির অঞ্চলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে এবং পার্বত্য অঞ্চলে আগস্ট ও মার্চ মাসে এর বীজ বপন করা হয়। এই ফুল কেয়ারী বা জমিতে এবং টপে চাষ করা যায়। আরো পড়ুন

শীত মৌসুমে বাহারি রঙের কারনেশন ফুলের বাণিজ্যিক চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

কারনেশন

আকারে, রঙয়ে, বর্ণে গোলাপের পরই কারনেশনের স্থান। ফুলগুলো দেখতে অনেকটা গোলাপ ফুলের মতো। এদের লবঙ্গের মতো গন্ধ আছে। লম্বা ডাটা থাকাতে এ ফুলটি ফুলদানিতে সাজানোর জন্য খুব উপযোগী। কারনেশনের বিভিন্ন জাত রয়েছে। এর মধ্যে মার্গারেট, পার্পিচুয়াল ও বর্ডার কারনেশন এ তিনটি জাতের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আরো পড়ুন

শীত মৌসুমের ফুল ডায়ান্থাস বা পিকের চাষাবাদ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

ডায়ান্থাস

ডায়ান্থাস নামে এই সুন্দর ফুলটি বহুবর্ষজীবী হলেও শীতের মৌসুমী ফুল হিসেবেই আমাদের দেশে এর চাষ হয়ে থাকে। ডায়ান্থাস বা পিক ফুল দেখতে অনেকটা কারনেশনের মতো। চাষ পদ্ধতি সহজ, আমাদের দেশের আবহাওয়ায় সচ্ছিদ্র উর্বর দো-আঁশ মাটি এর চাষে বেশ উপযোগী। আরো পড়ুন

শীতকালীন মৌসুমের জনপ্রিয় জিনিয়া ফুল চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

জিনিয়া

মৌসুমী ফুলের মধ্যে জিনিয়া সকলের নিকটই পরিচিত। দো-আঁশ বা বেলে দোআঁশ উর্বর উচু ও রোদযুক্ত জমিতে বা টবে জিনিয়ার চাষ করা যায়। জিনিয়ারকে চাষ সুবিধা বিচারে শীতকালীন ফুল ধরা হলেও উভয় ঋতুতেই এর চাষ হয়ে থাকে। বর্ষাকালে অধিক বৃষ্টিতে পাতা কুকড়ে যায় এবং ফুল ছোট হয়। কিন্তু শীতকালে এ সমস্যা থাকেনা। কোনো জায়গায় একবার জিনিয়ার চাষ করা হলে এমনিতে সেখানে পরবর্তীতে বীজ পড়ে চারা উৎপন্ন হয়ে থাকে। সমতল ও পার্বত্য অঞ্চলে জুন মাসের মাঝামাঝি এবং টবে বা গামলায় অক্টোবর মাসে বীজ বপন করতে হয়। আরো পড়ুন

শীতকালীন মৌসুমী ফুল হিসাবে তারাফুল বা স্টার ফ্লাওয়ারের চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

এস্টার-বা-তারাফুল

তারাফুল আমাদের দেশে শীতকালে চাষোপযোগী একটি সুন্দর ফুল। তারাফুল দেখতে ছোট ও গোলাকার অনেকটা তারার মতো এবং নানা রঙ ও গড়নের হতে দেখা যায়। এই ফুলের বোটা লম্বা ও অনেকদিন প্রস্ফুটিত অবস্থায় থাকে বিধায় গৃহে ফুলদানী সাজাতে ভালো। সৌখিন ও ব্যবসায়ী উভয় ভাবেই চাষ হয়। টব ও জমি উভয় স্থানেই চাষ সম্ভব। আরো পড়ুন

শীতকালীন মৌসুমী ফুল এন্টিরিনামের বাণিজ্যিকভাবে চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

এন্টিরিনাম বহুবর্ষজীবী হলেও শীতকালীন মৌসুমী ফুল হিসেবে চাষ করা হয়। সমতল অঞ্চলে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর এবং পাহাড়ী অঞ্চলে ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসে চাষ করা হয়। উচু দো-আঁশ উর্বর মাটি যেখানে জলাবদ্ধতার সম্ভাবনা নেই এমন জায়গা এফুল চাষের উপযোগী। আরো পড়ুন

Top