আপনি যা পড়ছেন

বিটের ভেষজ গুণাগুণ

বাঙালি বাড়িতে বিট সাধারণত স্যালাড হিসেবেই খাওয়া হয়। সেদ্ধ করে চাকা চাকা করে কেটে বা কাঁচাই পাতলা পাতলা করে কেটে পাতিলেবুর রস, নুন ও গোলমরিচ মিশিয়ে স্যালাড তৈরি করা হয়। এইভাবে স্যালাড় তৈরি করলে খেতেও ভাল লাগে এবং শরীরের পক্ষেও উপকারী। বিটের ওপরের পাতা ঠিক পালং শাকের মতো দেখতে সেইজন্যে অনেকে

টমেটো খাওয়ার উপকারিতা

খিদে বাড়িয়ে তোলে টমেটো। কথায় বলে রোজ একটা করে টমেটো খেলে ডাক্তারের আর প্রয়োজন হয় না। Tomato a day keeps the doctor away. টোম্যাটো কিন্তু দেশী ফল বা সবজি নয় বিদেশ থেকে প্রায় ১৫০ বছর আগে এর বীজ আনা হয়েছিল। সেইজন্যে আগে একে বলা হত বিলিতি বেগুন- কারণ এর বীজ

গাজরের ভেষজ গুণ ও কিছু রেসিপি

গাজর রং ফর্সা করে। গাজরকে প্রকৃতির অমূল্য সৃষ্টি আর শক্তির ভাণ্ডার বললেও বাড়িয়ে বলা হবে না। গাজর সাধারণত দু রকমের হয় দেশি ও বিলিতি। দেশী কালো বা গাঢ় লালচে রঙের বা মেরুন রঙের গাজর আজকাল আর প্রায় দেখাই যায় না। বাজারে কমলা রঙের বিলিতি গাজরও পাওয়া যায় । গাজর সালাদ তৈরি

ফুলকপি, বাধাকপি ও ওলকপির ভেষজ গুণ

ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি শীতকালীন তরকারির। তরকারির অন্যান্য  মধ্যে কপির সমাদর এসময় খুবই বেশি। প্রাচীনকালে গ্রিক ও রোমানরা কপি খেতেন। কপি সেইজন্যে অতি প্রাচীন তরকারি। ইংরেজরা ভারতে প্রথম কপি নিয়ে এসেছিলেন। বলা হয়ে থাকে উইলিয়াম কেরি ১৮২০ সালে প্রথম ফুলকপি, বাঁধাকপি প্রভৃতি এনে বাংলায় এই সবজির চাষ করিয়েছিলেন। ভারতে প্রচলিত কপি

কাঁচকলার থোড় ও মোচার গুণাগুণ

কাঁচকলার গুণের কথা বাঙালি বাড়িতে কে না জানে। কাঁচকলার রান্নাই বা কত রকমভাবে করা হয়ে থাকে। ভাতে, ঝোল, ভাজা, শুক্তো, ডালনা, কোফতা, বড়া, চপ, চিপস- এইভাবে তালিকা দীর্ঘ হয়ে যায়। কাঁচকলার খোসাও ফেলা যায়- ছেঁচকি, ঘণ্টো, বড়া, সেদ্ধ করে বেটে কালজিরে দিয়ে সাঁতলে নেওয়াতারই বা কত রকমফের। এ ছাড়া আছে

আলু ও মিষ্টি আলু খাওয়ার উপকারিতা

তরকারির রাজা আলু। ভাত খাওয়ার মতো আলুও হলো আমাদের প্রতিদিনের খাবার। শাক-সবজির খাদ্য তালিকায় আলু বাদ দেওয়াই যায় না। বাড়িতে সবজির ঝুড়িতে যদি শুধুই আলুই পড়ে থাকে তাহলেও রান্নার ব্যাপারে কোনো চিন্তা থাকে না। বলতে গেলে হাজারও পদ রান্না করা যায় আলু দিয়ে। সেইজন্যে আলুকে গৃহস্থের বন্ধু বলা যায়। ধনী

মটরশুঁটি হচ্ছে কলাই জাতীয় খাদ্যশস্য

মটর ডাল হচ্ছে মটরশুঁটির (বৈজ্ঞানিক নাম: Pisum sativum) দানা। মটরশুঁটি রুচিকর খাবার। আস্ত মটরের ঘুগনি বাঙালি রসনায় বড়ই প্রিয়। বিজয়া দশমীতে আজকাল এই ঘুগনি না হলে অতিথিদের মন ভরে না। এ ছাড়া মটর সেদ্ধ করে তেঁতুলের চাটনি ও দই সহযোগে তৈরি করা হয় চটপটা বা চাট। এটি উত্তর প্রদেশের প্রসিদ্ধ

কলাই বা মাষকলাই ডালের উপকারিতা

কলাইয়ের ডাল পক্ষাঘাতের পথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কলাই (বিউলির ডাল) শীতল, গুরুপাক, শুক্র, পিত্ত বায়ু ও মলবর্ধক এবং পুষ্টিকর। ভাজা কলাই উষ্ণবীর্য, স্নিগ্ধ, রুচিকর বল ও শুক্রবক, বায়ুনাশক। কলাইয়ের ডাল পুষ্টিকর। গুজরাট, মহারাষ্ট্র ও রাজস্থানের কৃষক যাঁরা খুবই বেশি পরিশ্রম করে বাজরার আটার (এক রকমের শস্য) মোটা মোটা লেটি আগুনে

মনোহারী বেগুন গ্রীষ্মমণ্ডল ও নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলের উদ্ভিদ

ভূমিকা: ঝলক বেগুন বা মনোহারী বেগুন বা তিত বেগুন (বৈজ্ঞানিক নাম: Solanum americanum) সোলানাম গণের একটি বেগুন জাতীয় গুল্ম। বর্ণনা: ঝলক বেগুন বর্ষজীবী বীরুৎ, খাড়া অথবা অধখাড়া, ১.৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু, মসৃণ অথবা হালকা লােমযুক্ত। পত্র ৪-৮ X ২৪ সেমি, ডিম্বাকার-বল্লমাকার, অখন্ড, মসৃণ অথবা অতিসূক্ষ্মভাবে লােমশ, গােড়া চিকন এবং পত্রবৃন্তের দিকে

মুগ ডালের উপকারিতা

মুগ ডাল (mung bean) হচ্ছে (বৈজ্ঞানিক নাম: Vigna radiata) মুগের ফল যা ডাল হিসেবে খাওয়া যায়। কাঁচা মুগ কফ বাত পিত্তের রোগ সারায়, ত্রিদোষ নাশক, ভাজা মুগ মল নিঃসরণ করে— সারক, মুসুর পুষ্টিকর, ভাজা মুসুর মলরোধক, মটর রুচিকর, ছোলা বলবর্ধক, কলাই শীতল, অড়হর বর্ণ প্রসাদক অথাৎ গায়ের রং উজ্জ্বল করে।

Top