You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

শীত মৌসুমের জনপ্রিয় ফুল গাঁদার বাণিজ্যিক চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

গাঁদা

গাঁদা একটি শীতকালীন মৌসুমি ফুল। গাছ থেকে উঠানোর পর এ ফুল দীর্ঘ সময় ধরে সজীব থাকে। বিধায় কাটা ফুল হিসেবে এর চাহিদা প্রচুর। এ ফুলের অনেক ভেষজ গুণাবলী রয়েছে। শরীরের কাটা ছিড়ায় পাতার রস রক্ত বন্ধ করে এবং ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। গাঁদার আদি নিবাস হলো মেক্সিকোতে। ইউরোপ হয়ে এটি আমাদের দেশে এসেছে। আরো পড়ুন

বহুবর্ষজীবী একুইলেজিয়া ফুলের বাণিজ্যিকভাবে চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

একুইলেজিয়া

শীতকালের মৌসুমী ফুলের মধ্যে বিচিত্র বর্ণের সুন্দর ফুল ও আকর্ষণীয় পাতার জন্য ইহার কদর অনেক বেশি। বহুবর্ষজীবী হলেও মৌসুমী ফুল হিসেবে বাগানে রোপন করা হয় । গাছের উচ্চতা ৬০-১০০ সেঃ মিঃ হয়ে থাকে, বেশ কষ্টসহিষ্ণু এবং বর্ডারে লাগানোর উপযোগী। হালকা উর্বর দো-আঁশ মাটি একুইলেজিয়া ফুল চাষের বিশেষ উপযোগী। আরো পড়ুন

বাণিজ্যিক পদ্ধতিতে শীতকালীন ফুল চন্দ্রমল্লিকার চাষ ও পরিচর্যা

তিনরঙা চন্দ্রমল্লিকা

শীতকালীন মৌসুমী ফুলের মধ্যে চন্দ্রমল্লিকা এদেশে বেশ সুপরিচিত ও সমাদৃত। বাগানের জন্যে অত্যন্ত উপযোগী এই ফুল জমিতে, টবে কিম্বা ছাদে সর্বত্রই চাষ করা যায়। চন্দ্রমল্লিকা সাধারণত: শীতকালে অগ্রহায়ণ মাস থেকে পৌষ মাস পর্যন্ত ফুটে থাকে। এই ফুলের আদিবাস সম্ভবত: জাপান ও চীনদেশ। চন্দ্রমল্লিকাকে লক্ষ্য করে জাপানীরা প্রতি বছর একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন। শীতকালে অগ্রহায়ণ মাস হতে পৌষ মাস চন্দ্রমল্লিকার গাছে ফুল ফোটে। খ্রিস্ট মাসের সময় এই ফুল ফোটে বিধায় ইহাকে ক্রিসেন্সিয়াস বলা হয়। এই ফুল টব ও জমি উভয় স্থানেই চাষ করা যায়। আরো পড়ুন

শীতকালীন মৌসুমী ফুলের মধ্যে ডালিয়া চাষের পদ্ধতি ও পরিচর্যা

আজকাল ফুলের চাষ অনেক ক্ষেত্রেই বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়ে গেছে। অবশ্য পারিবারিক ভাবে টবে, ছাদে বা বারান্দায়ও চাষ হয়ে থাকে। প্রায় সকল মৌসুমী ফুলই টবে চাষ সম্ভব অন্ততঃ পারিবারিক চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ জমিতেই সুবিধাজনক। পরিচ্ছেদসমূহডালিয়া ফুলের চাষ: ডালিয়ার জাত:জমির মাটি তৈরী:ডালিয়ার চারা তৈরী ও লাগানো:পরিচর্যা ও যত্ন: ফুল সংগ্রহ: তথ্যসূত্র: ডালিয়া ফুলের চাষ: শীতকালীন

আফিম বা আফিং গুল্মে আছে নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

আফিম বা আফিং

আফিম, আফিং (বৈজ্ঞানিক নাম: Papaver somniferum, ইংরেজি: Opium poppy) বর্ষজীবী উদ্ভিদ। এ গাছ লম্বায় সাধারণত ৩ থেকে ৪ ফুট পর্যন্ত হয়। অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাসে এর বীজ বপন করা হয় ও জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে এর ফুল ও ফল হয়। ফল পাকলে তা থেকে বীজ সংগ্রহ করা হয়। এগুলোই দেখতে পোস্তদানা মতো। পোস্তদানা, ফল, আঠা, ফুল ও ফুলের পাপড়ি সবগুলোই ওষুধরূপে ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন

করবী গাছের ঔষধি গুনাগুণ

করবী ( বৈজ্ঞানিক নাম: Nerium indicum, ইংরেজি নাম: Flor de Sao Jose, Laurel de jardin, Laurel rosa, Laurier rose, Flourier rose, Olean, Aiwa, Rosa Francesca, Rosa Laurel, and Rose-bay ) এটি সরল বিস্তৃত ডালভুক্ত ছোট আকারের গাছ। উচ্চতায় দশ থেকে পনের ফুট পর্যন্ত বাড়ে। গাছের মূলদেশ থেকে বহু শাখা-প্রশাখা বের হয়। পাতা চার থেকে ছয় ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা। পাতার গঠন বর্শার ফলার মতো সরু, বেশ পুরু ধরনের। পাতার মাঝখানের শিরাটা বেশ শক্ত। বোটা খুবই ছোট। ফুলের ব্যাস দেড় ইঞ্চি এবং সুন্দর গন্ধযুক্ত। ফুলের রং ফিকে গোলাপী। ফল ছয় ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। আরো পড়ুন:

ভাঁট বা ঘেঁটুর নানা ভেষজ গুণ

ঘেঁটু অথবা ভাঁট (Clerodendrum infortunatum) গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ হলেও উচ্চতায় প্রায় চার ফুট পর্যন্ত হয়। শীতের শেষর দিকে গাছে ফুল ফোঁটে এবং গরমকালে ফল ধরে। অযত্নে বেড়ে ওঠা এই গাছে ফুল অনেকের দৃষ্টি আকর্ষন করে। এই গাছের পাতা, মূল ব্যবহার করা হয় পেটের অসুখ, চর্মরোগ ইত্যাদি রোগের ঘরোয়া ভেষজ ওষুধ হিসাবে। আরো পড়ুন

ভুঁই আমলার ভেষজ উপকারিতা

ভুঁই আমলা (Phyllanthus niruri) বর্ষজীবী এবং গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। খুব ছোট, লম্বায় আট ইঞ্চির মতো লম্বা হয়ে থাকে বা বাড়ে। গাছের ডাল খাড়াভাবে বের হয়। ওপরের শাখা শিরাযুক্ত ও নরম লোম থাকে। ফুলের আকার ছোট এবং গোলাকার। এই গাছের পাতা, মূল ভেষজ ঔষুধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। জ্বর, ঘা, ক্ষত, পেট ইত্যাদির অসুখে বেশ কার্যকরি ঔষুধ। আরো পড়ুন

রাধাচূড়া আলংকারিক ও ঔষধি উদ্ভিদ

ভূমিকা: রাধাচূড়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Caesalpinia pulcherrima, ইংরেজি: Peacock Flower, Paradise Flower, Barbados Pride, Flower-fence, Dwarf Poinciana.) হচ্ছে Fabaceae পরিবারের Caesalpinia গণের  একটি সপুষ্পক গুল্ম। এটিকে বাংলাদেশে আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবে বাগানে বা গৃহে চাষাবাদ করা হয়। বৈজ্ঞানিক নাম: Caesalpinia pulcherrima (L.) Swartz, Obs. Bot. Ind. Occ.: 166 (1791). সমনাম: Poinciana pulcherrima L. (1753). ইংরেজি নাম:  Peacock Flower, Paradise Flower,

শিয়ালকাঁটা ভেষজ গুণে ভরা কাঁটাযুক্ত গুল্ম

শেয়ালকাঁটা এক ধরনের ছোট গুল্মজাতীয় গাছ। উচ্চতা ২ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। দেখতে অনেকটা আফিং গাছের মতো। পাতা ঢেউ খেলানো ও কিছুটা লম্বা ধরনের। পাতার কিনারা সামান্য কাটা এবং কাঁটায় ভরা থাকে। বাংলাদেশের সর্বত্রই শেয়ালকাটা গাছ জন্মায়। তবে এ গাছের পক্ষে আদর্শ পরিবেশ হল বেলে এবং কাকুর মাটি। শেয়ালকাঁটার ডাঁটা রান্না করে খাওয়া যায়। আরো পড়ুন

Top