You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

শুঁঠের নানাবিধ উপকারিতা

শুঁঠ (শুকনা আদা) জোলাপের কাজ করে। শুঁঠ বা শুকনা আদা রান্নায় বেশি ব্যবহার না করা হলেও ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে প্রয়োজনীয়। পাকা ও পুষ্ট বা পুরুষ্টু আদা শুকিয়ে ভাল শুঁঠ তৈরি করা হয়। শুঁঠ যকৃতে (লিভায়ে) পিত্তের স্রাব বেশি পরিমাণে করায়। শুঁঠ কনসটিপেশান সারাবার গুণ থাকায় বিরচনের (জোলাপের) ওষুধে মেশানো হয়। শুঁঠ পাচনতন্ত্রে (হজমের) পক্ষে অত্যন্ত উপযোগী। বৃদ্ধ বয়সে হজম ভাল হয় না, পেটে বা উৎপন্ন হয়, কফের প্রকোপ বেড়ে যায়। মন অস্থিভাব বা একটুতেই ঘাবড়ে যাওয়ার ভাবও দেখা দেয়। হাত পা ব্যথা করতে থাকে। এই রকম অবস্থায় রোজ নিয়ম করে শুঁঠ চূর্ণ বা দুধ মিশ্রিত শুঁঠের ক্বাথ খেলে উপকার পাওয়া যাবে। কফ এবং বায়ুর সব রকম বিকালে এবং হার্টের রোগীদের পক্ষে শুঠ খুবই উপকারী। আরো পড়ুন

হিংয়ের এগারটি ভেষজ গুণ

পেটের অসুখ সারাতে হিং উপকারি। হিং এমন একটি মশলা যার প্রয়োজন হয় সাধারণত তরকারিতে বা ডালে ফোড়ন দেওয়ার নন্য। হিন্দিতে ফোড়ন দেওয়াকে বলা হয় ‘বধারনা’। হিং ফোড়ন দেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হয় বলে একে বলা হয় ‘বধারনী’ । অনেক সময় পেয়াজের বদলেও হিং ব্যবহার করা হয়। অরুচি, গ্যাস, পেটের নানা

আদার রসের বহুবিধ উপকারিতা ও ব্যবহার

আদা বা আর্দ্রক (বৈজ্ঞানিক নাম: Zingiber officinale) হচ্ছে জিঞ্জিবারাসি পরিবারের জিঞ্জিবার গণের ছোট রাইজোমসমৃদ্ধ বীরুৎ। এদের রাইজোম সুগন্ধী, ঝাঁঝালো স্বাদ, ভিতরের রং ফিকে হলুদ। আদা গাছের পত্রল-কান্ড প্রায় ০.৫- ১.০ মিটার লম্বা। আদার রস রোগ সারাতে বহুবিধ কাজে লাগে। আদার রসের উপকারিতা: ১ নতুন সর্দি, কাশি ও জ্বর ভাব: আদার রসে একটু

ঢেঁড়সের ভেষজ গুণাগুণ

ঢেঁড়শ একটি বর্ষজীবী উদ্ভিদ। এর উচ্চতা ২ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। পাতা ১০ থেকে ২০ সে.মি দীর্ঘ এবং চওড়া। একটি বোঁটায় পাতা ৫ থেকে ৭টি অংশে ভাগ থাকে। ঢেঁড়সের ফুল হয় ৪ থেকে ৮ সেমি চওড়া ও পাঁপড়ির রঙ সাদাটে হলুদ, একটি ফুলে ৫টি পাঁপড়ি থাকে। প্রতিটি পাঁপড়ির কেন্দ্রে লাল

মানকচুর ভেষজ গুণাগুণ

আয়ুর্বেদ মতে, মানকচু মৃদু বিরেচক অথাৎ 'অল্প মাত্রায়' মলকারক (অনেকের মতে মল ধারক অর্থাৎ মল রোধ করে), মূত্র বৃদ্ধি করে, শোথ রোগ সারিয়ে তোলে, শীতবীর্য অর্থাৎ শরীরে ঠাণ্ডা প্রভাব সৃষ্টি করে, লঘু অথাৎ সহজে হজম হয়, পিত্ত ও রক্তের দোষ নাশ করে। সব রকম কচুর মধ্যে মানকচুরই মান অথাৎ কদর বেশি।

কচু ও কচুশাকের ভেষজ গুণ

কচু Colocasia গণের একধরনের কন্দ জাতীয় উদ্ভিদ। কচু মানুষ প্রাচীনকাল থেকে চাষ করে আসছে। বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় সব এলাকায় কচু দেখা যায়। রাস্তার পাশে, পুকুরের পাড়ে, বাড়ির আনাচে কানাচে,  স্যাঁতস্যাঁতে স্থানে অনাদরে-অবহেলায় কচু জন্মে থাকে। সুস্থ থাকতে কচু ও শাক : ১. পিত্তের প্রকোপ দূর করা: কচুর কচি পাতার রসে অল্প

বেগুনের নানাবিধ গুনাগুণ

বেগুনেরও (ইংরেজি: Eggplant) গুণ অনেক। বেগুন বাজারে দুরকম রঙের পাওয়া যায়- সাদা ও বেগুনি। বেগুনি বা কালো বেগুনের গুণ অনেক বেশি। বেগুন যত কচি হবে তাতে গুণ তত বেশি থাকবে। এই রকম কচি বেগুন খেলে শরীরের বল বৃদ্ধি পাবে। অত্যাধিক বীজযুক্ত বেগুন বিষের মতো ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়। সংস্কৃত

অড়হর ডালের কয়েকটি ঔষধি গুনাগুণ

অড়হর ডাল (বৈজ্ঞানিক নাম: Cajanus cajan) মুখের কান্তি উজ্জ্বল করে। আয়ুর্বেদ মতে,  অড়হর ডাল কষায়-মধুর, রস, শরীর শীতল করে, রুক্ষ, লঘু, মলরোধ করে, বায়ুজনক, মুখের কান্তি উজ্জ্বল করে বা বর্ণপ্রসাদক। অড়হর ডাল কফ, পিত্ত ও রক্তের দোষ নাশ করে। এই ডাল হজমও হয় তাড়াতাড়ি। লাল অড়হর ডালও পাওয়া যায়। এই ডাল

শন বাংলাদেশ ভারতের পাটজাতীয় ঔষধি গাছ

পরিচিতি: শন  গাছের আঁশ থেকে উৎকৃষ্ট মানের দড়ি তৈরি হয় এবং ভাল সবুজ সার হয়। এর "নাইট্রোজেন ফিক্সিং এবিলিটি" ধঞ্চে গাছের মতো, যে কারণে কৃষকদের খুব প্রিয়। একটু বেড়ে উঠলে অনেক সময় মোয়িং করে দেয়া হয়। আর ক্ষেত শেষ হয়ে গাছ মরে গেলে ন্যাচারাল ফিক্সিং হতে থাকে। ব্যবহার: এটা আমাদের উপমহাদেশের

চুকুর বাংলাদেশের সুলভ অপ্রচলিত ফল

পরিচিতি: চুকাই বা চুকুর একপ্রকার উপগুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের ফল। ফলটি টক স্বাদযুক্ত; রঙ গাঢ় লাল। পৃথিবীর অনেক দেশেই এই গাছের বাণিজ্যিক চাষ করা হয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশেও এই ফল পাওয়া যায়। বাংলাদেশের সর্বত্রই ফলটি জন্মে, তবে বাণিজ্যিক চাষ হয় না। ক্রান্তীয় আফ্রিকা চুকাই গাছের আদি নিবাস বলে ধারণা করা

Top