আপনি যা পড়ছেন

বকফুল বাংলাদেশের আলংকারিক ফুল

পরিচিতি: বকফুল, বক, বকে, বগ, বগফুল, অগস্তা, অগাতি ইত্যাদি নামে পরিচিত ফেবাসি পরিবারের সেসবানিয়া গণের এই উদ্ভিদটি একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ প্রজাতি। বিবরণ: বকফুল শিম বা মটর গোত্রীয় গাছ। কিন্তু গাছ দেখতে মোটেই শিম বা মটরের মত নয়। ফুলের গড়নে কিছুটা মিল থাকলেও পাতা ও গাছের সাথে মিল নেই। তবে ধৈঞ্চা গাছের

ভোলাটুকি বাংলাদেশের ঔষধি ফল গাছ

ভূমিকা: ভোলাটুকি, ভল্লাত, ভল্লাতক হচ্ছে এনাকারডিয়াসি পরিবারের সেমেকারপাস গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। ময়মনসিংহে এই ফলটির নাম বাওলা, অন্য নাম ভোলা। বিবরণ: ভোলাটুকি ছোট আকারের পাতাঝরা স্বভাবের বৃক্ষ। গাছের মাথায় প্রচুর শাখা-প্রশাখা ও পাতা থাকায় তা ছাতার মতো দেখায়। ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের শুষ্ক বনাঞ্চলে ভোলাটুকির গাছে দেখা

মুড়মুড়ি বাংলাদেশের অপ্রচলিত ফল

পরিচিতি: মুড়মুড়ি বা আমঝুম হচ্ছে এনোনাসি পরিবারের পলিয়ালথিয়া গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এদের আদি নিবাস ভারত মায়ানমার ও শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের খুলনা, নড়াইল, যশোর, মাগুরা, কুষ্টিয়া, পাবনা প্রভৃতি এলাকায় মুড়মুড়ির গাছ দেখা যায়। এদেশের বন জংগলে জন্মে। ছোট আকারের বৃক্ষ অথবা গুল্ম। বাকল বেশ পুরু, ঝোপাল ডালপালা। পাতা অবডিম্বাকার, পাতার অগ্রভাগ সূচাল

জয়ত্রি বা জৈত্রীর ভেষজ গুণ

জৈত্রী রং ফর্সা করে। জায়ফলের পাপড়ি বা আবরণটি জৈত্রী নামে পরিচিত। পায়েস, মিষ্টি ইত্যাদি খাবার সুগন্ধযুক্ত করতে জৈত্রী ব্যবহার করা হয়। গরম মশলার মধ্যে এবং মাংস, কালিয়া, বিরিয়ানি, পোলাও ইত্যাদি বিলাসবহুল রান্নাতেও ব্যবহার করা হয়। আরো পড়ুন

জায়ফল খাওয়ার গুনাগুণ

জায়ফল খেলে অরুচি দুর হয়। জায়ফল সুগন্ধযুক্ত গরম মশলায় ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও ব্যবহার করা হয় নানা রকম মিষ্টি বা রান্নায়। ঘরোয়া ওষুধ হিসেবেও জায়ফল ব্যবহার করা। চিকিৎসকদের মতে, জায়ফল সুগন্ধি, পাচক (খাবার জুম করায়), উষ্ণ, বায়ুনাশক, খিচুনি বন্ধ করে। অল্প মাত্রায় খেলে খিদে পায়, হজম তাড়াতাড়ি হয়। পেটফাঁপা, পেটের অসুখ, শূল প্রস্রাব কম হওয়া (মূত্রকৃচ্ছতা) ইত্যাদি অস্বঞ্জি বা অসুখ উপশম করে। আরো পড়ুন

দারুচিনি বা দারচিনি খাওয়ার নানা উপকারিতা

দারচিনি বা দারুচিনি (বৈজ্ঞানিক নাম:Cinnamomum verum) কণ্ঠশুদ্ধি করে। সুগন্ধ ও স্বাদ বৃদ্ধি করবার জন্যে গরম মশলায় দারচিনির ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। দারচিনি যেমন মুখশুদ্ধি করে তেমনই কণ্ঠশুদ্ধিও করে। এটা খেলে মুখ সুবাসিতও হয়। শুধু মশলা বা মুখশুদ্ধি হিসেবেই নয় ঔষধি হিসেবেও দারচিনির উপযোগিতা অনেক। আরো পড়ুন

কারিপাতা বা বারসুঙ্গার ভেষজ গুণ

কারিপাতা (Murraya koenigii অথবা Bergera koenigii) বা বারসুঙ্গা বা মিষ্টি নিম চিবিয়ে খেলে আমাশয় ভালো হয়। এই পাতা ভারত ও পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে নানা ধরনের রান্নায় ব্যবহার করা হয়। অনেকে ঝোল জাতীয় রান্নায় ব্যবহার করে থাকে। কারিপাতা রোপণ করার জন্য বীজকে অবশ্যই পাকা ও সতেজ হতে হবে। শুকনো অথবা কোঁকড়ানো ফল চাষ করার যোগ্য নয়। পুরো ফলটি রোপণ করা যায়, তবে ফলের শাঁস ছাড়িয়ে নিয়ে কোনো স্যাঁতসেঁতে পাত্রে কিন্তু তা যেনো ভেজা না হয় এমন পাত্রে রোপণ করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। আরো পড়ুন

লবঙ্গ খাওয়ার ১৫টি উপকারিতা

লবঙ্গ কাশিতে অনেক উপকার দেয়। গরম মশলায় লবঙ্গের ব্যবহারের কথা সকলেরই জানা আছে। লবঙ্গ মশলাকে এবং লবঙ্গ মেশানো হয় সেই এমন কোনো আহার্য বস্তুর মধ্যে সুগন্ধ ছড়ায়। পানের খিলি মুড়তে তও আগে লবঙ্গ ব্যহার করা হত, এখন লবঙ্গর দাম বেড়ে যাওয়ার জন্যে সেটা আর সম্ভব হয় না। খাওয়ার পরে মুখশুদ্ধি করবার জন্যেও লবঙ্গ মুখে দেওয়া হয়। ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে ও লবঙ্গর নানারকম গুণের কথা কারোই অজানা নেই। আরো পড়ুন

তেজপাতার ভেষজ গুণ

যাদের কফ হয় তাদের জন্য তেজপাতা উপকারী। তেজপাতা শুধু রান্নাতেই ব্যবহার করা হয়। এই পাতার আছে অনেক রোগের আরোগ্য গুণ। একে বলা হয় তেজপাতা উষ্ণবীর্য (কড়া), পাচক (খাবার হজম করায়), আগ্নেয় বা খিদে বাড়িয়ে দেয়, মুখশুদ্ধি করে, কফ, বায়ু, অর্শ, সর্দি, বমিভাব, অরুচি ও বিষদোষ নাশ করে। আরও বলা হয় তেজপাতা মধুর, কিছু তীক্ষ, উষ্ণ, লঘু। আরো পড়ুন

চোকলা বাংলাদেশ ভারতের চিরসবুজ বৃক্ষ

চোকলা হচ্ছে মালভেসি পরিবারের হেরিটিয়েরা গণের সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি প্রজাতির নাম। চোকলা ক্ষুদ্র হতে মাঝারী-আকৃতির বৃক্ষ, ১০-১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কচি শাখা তারকাকার-ঘন ক্ষুদ্র কোমল রােমাবৃত। এদের পাতা একান্তর, একফলক, ৪-১৬ x ৩-৭ সেমি, বল্লমাকার, বিবল্লমাকার অথবা আয়তাকার হতে উপবৃত্তীয়, গােড়া স্থূলাগ্র। আরো পড়ুন

Top