You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

আতা বা নোনা আতা ঔষধি গুণেভরা বাংলাদেশের পরিচিত ফল

আতা বা নোনা আতা ফল ও পাতা

আতা বা নোনা আতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Annona reticulata, ইংরেজি নাম: Bullock’s Heart.) হচ্ছে এনোনাসি পরিবারের সপুষ্পক একটি উদ্ভিদ। গাছটি মাঝারি উচ্চতাবিশিষ্ট গাছ। আবহাওয়ার গুণে কোথাও বিশ ফুট, আবার কোথাও ৪০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা পাঁচ থেকে আট ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা এবং দেড় থেকে দু’ইঞ্চি পর্যন্ত চওড়া হয়। গাছে ফুল ২ থেকে ৩টি এক একসাথে ফোটে। ফুলের পাপড়ি থাকে তিনটি। ফল দেখতে গোলাকার, তবে লম্বা ধরনের। পাকা অবস্থায় ফলের রং পীতের আভাযুক্ত বা হালকা লালবর্ণ। গাছে ফুল ফোটে গরমকালে আর ফল ধরতে শুরু করে শরৎকালে। আরও পড়ুন

মহুয়া গাছের ভেষজ গুণ

মহুয়া ( বৈজ্ঞানিক নাম: Madhuca longifolia ) বেশ বড় ধরনের গাছ। লম্বায় এটি প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ ফুট পর্যন্ত হয়। মহুয়া গাছের উপরের ছাল মোটা এবং ধূসর। পাতা লম্বা ধরনের এবং চওড়ায় প্রায় পাঁচ ইঞ্চির মতো হয়। কনকচাঁপার পাতার সাথে এর মিল আছে। আগাটা চাপার মতো সূচালো নয়, বেশ ভোতা। ডালের আগায় ছাতার মতো ছড়িয়ে থাকে। অনেকটা ছাতিমের মতো। ফাল্গুন চৈত্র মাসের মধ্যে গাছে ফুল ফুটতে শুরু করে। গরমে সময় ফল ধরে। ফলের আকৃতি সুপারির মতো। ফলের ভিতরটা শাঁসে ভরা থাকে। প্রথম দিকে ফলের রং সবুজ থাকে। পরে পেকে গেলে রং পাল্টে ফিকে হলুদে পরিণত হয়। মহুয়া গাছের ছাল, বীজ, ফুল, বীজের তেল ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। আরো পড়ুন

শিউলি বা শেফালী গাছের ভেষজ গুণ

শিউলি

শিউলি ফুল (বৈজ্ঞানিক নাম: Nyctanthes arbor-tristis, ইংরেজি: night-flowering jasmine বা parijat) হচ্ছে নিক্টান্থেস (Nyctanthes) প্রজাতির বৃক্ষ। শিউলি গাছ দক্ষিণ এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব থাইল্যান্ড থেকে পশ্চিমে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ও পাকিস্তান অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত। এটি শেফালী নামেও পরিচিত। এই ফুল শরৎ ঋতুতে ফোটে। এর ফুলগুলি রাতে ফোটে এবং সকালে ঝরে যায়। ভেষজ

দেবদারু গাছের ভেষজ গুণ

দেবদারু (বৈজ্ঞানিক নাম: Polyalthia longifolia, ইংরেজি নাম: false ashoka) Annonaceae পরিবারের Polyalthia গণের চিরহরিৎ বৃক্ষ যা দেখতে দীর্ঘকায় এবং লম্বা ঢেউ খেলানো পত্র-পল্লবের জন্য বেশ জনপ্রিয়।  দেবদারু দেবদারু গাছ বেশ বড় হয়। অন্যান্য গাছের তুলনায় আকারে ও উচ্চতায় বেশ বড় হয়। এ গাছের পাতাগুলো সরু ও ঝাঁটার কাঠির মতো, ফলগুলো

করম বা হলদু দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার পত্রঝরা বৃক্ষ

ভূমিকা: করম বা হলদু বা দাকরুম (বৈজ্ঞানিক নাম: Haldina cordifolia)  রুবিয়াসি  পরিবারের হালদিনা গণের পত্রমোচী বৃক্ষ। এটিই এই গণের একমাত্র বৃক্ষ। এই গাছ দক্ষিণ এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় জন্মে। ঐতিহ্যগতভাবে ভাদই বা কারাম পূজার বেদিতে এই গাছ কাজে লাগে। সমনাম: Nauclea cordifolia Roxb. (1795), Adina cordifolia Hook. f,

তেলশুর দীর্ঘ গোলাকৃতি পত্রমোচী বৃক্ষ

ভূমিকা: তেলশুর (বৈজ্ঞানিক নাম: Hopea odorata)  Dipterocarpaceae  পরিবারের Hopea গণের পত্রমোচী বৃক্ষ। এই গাছ বাংলাদেশে জন্মে। এছাড়াও কম্বোডিয়া, ভারত, লাওস, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, এবং ভিয়েতনাম প্রচুর জন্মে থাকে। এই গাছের কাঠ খুব মূল্যবান। বৈজ্ঞানিক নাম: Hopea odorata. সমনাম: Hopea vasta Wall. nom. inval, Hopea wightiana Miq. ex Dyer nom. inval. ইংরেজি নাম:

ক্যামেলিয়া বাড়ির শোভাবর্ধনকারী ফুল

বৈজ্ঞানিক নাম: Camellia japonica. সমনাম : Chalcas paniculata L. (1767), Murraya exotica L. (1771). ইংরেজি নাম: common camellia, Japanese camellia, or tsubaki. স্থানীয় নাম: ক্যামেলিয়া। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms বর্গ: Eudicots     পরিবার: Theaceae       গণ: Ericales. প্রজাতি: Camellia japonica.  ভূমিকা: ক্যামেলিয়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Camellia japonica, ইংরেজি নাম: common camellia, Japanese camellia, or tsubaki) হচ্ছে Theaceae পরিবারের

চপ চোপা দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার পর্ণমোচী বৃক্ষ

ভূমিকা: চপ চোপা বা কুজি-থেকেরা বা টেকরা বা ডেঙ্গা দাতি হচ্ছে Clusiaceae পরিবারের গারসিনিয়া গণের একটি সপুষ্পক বৃক্ষ। এরা দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার পর্ণমোচী গাছ। এরা সাধারণত ২০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। এদের ফুল ও ফল ধারণ ঘটে ডিসেম্বর থেকে আগস্ট মাসে। বৈজ্ঞানিক

থেচু বাংলাদেশ ভারত মায়ানমারের বৃক্ষ

ভূমিকা: থেচু Clusiaceae পরিবারের গারসিনিয়া গণের একটি সপুষ্পক বৃক্ষ। এরা দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ছোট খাড়া বৃক্ষ। এরা প্রায় ১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। এদের বাকল বাদামি ধূসর, অমসৃণ, কাটা স্থান থেকে হলুদ তরুক্ষীর নিঃসরিত হয়। বৈজ্ঞানিক নামঃ Garcinia anomala. Planch & Triana সমনাম: জানা নেই

কাউফল বাংলাদেশের অপ্রচলিত এবং এশিয়ার চিরসবুজ ফলদায়ী বৃক্ষ

ভূমিকা: চট্টগ্রামে কাউফলকে ডাকা হয় কাউ ও কাউগোলা নামে, পিরোজপুর ও বরিশালে কাউ, কাউয়া। কাউফল দীর্ঘ বৃক্ষ প্রকৃতির চিরসবুজ গাছ। কাউ ফল পাকার পর এর কোয়াগুলোতে বীজযুক্ত দানার সাথে মুখরোচক রসালো ভক্ষ্যণীয় অংশ থাকে,যা চুষে খেতে হয়।পাকা কাউ ফলের রসালো কোয়াগুলো বের করে নিয়ে মরিচের গুঁড়া ও লবণ

Top