You are here
Home > প্রাণ > উদ্ভিদ > বৃক্ষ

সিজিজিয়াম মিরটাসি পরিবারের একটি গণের নাম

বিবরণ: সিজিজিয়াম হচ্ছে মিরটাসি পরিবারের একটি গণের নাম। এরা বৃক্ষ অথবা গুল্ম। এদের পাতা সরল, প্রতিমুখ, অখন্ড, মসৃণ, প্রায়শই স্বচ্ছ বিন্দুবিশিষ্ট, সুস্পষ্ট অন্ত:কিনারীয় শিরাবিশিষ্ট। পুষ্প ছোট বা বড়, প্রান্তীয়, কাক্ষিক বা উভয়ই অথবা পার্শ্বীয় স্তবকে, কখনও যৌগিক ছত্রমঞ্জরীতে, মঞ্জরীপত্রিকা ক্ষুদ্র, আশুপাতী বা অনুপস্থিত। বৃতির নল মোচাকৃতি বা চুঙ্গি আকার, গর্ভাশয়ের

পেয়ারা সারা দুনিয়ায় চাষকৃত একটি ফল

পরিচিতি: পেয়ারা মিরটাসি পরিবারের সিডিয়াম গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। এরা ছোট বৃক্ষ, সুস্পষ্ট ডোরাকাটা দাগবিশিষ্ট, মোটের উপর মসৃণ, ধূসর এবং তামাটে বাদামী বাকলবিশিষ্ট যাহা পাতলা চটা আকারে অবমুক্ত হয়, তন্তুময় নয়। কচি পল্লব চতুষ্কোণী, সবুজ, রোমশ। কচি অংশ এবং ফলকের নিম্নপৃষ্ঠ শিরা বরাবর চেপটা ধূসরাভ বাদামী অণুরোমাবৃত। পাতা খর্বাকার বৃন্তবিশিষ্ট,

বড় ছাতিমের ১৩টি ঔষধি গুনাগুণ

ভূমিকা: বড় ছাতিম (বোটানিকাল নাম: Alstonia scholaris) এপোসিনাসি পরিবারের এলস্টোনিয়া গণের বৃহৎ ও চিরসবুজ বৃক্ষ। পত্রাচ্ছাদিত বড় ছাতিম গাছগুলি ৪o/৫০ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। গাছের পুরু ছালের ভিতরটা সাদা ও দানাযুক্ত কিন্তু উপরটা খসখসে, গাছের সমগ্রাংশে সাদা দুধের মত আঠা (ক্ষীরা) আছে, পাতাগুলির আকার অনেকটা মনসা পাতার মত। এই গাছ

পাহাড়ি ছাতিম দক্ষিণ এশিয়ার সুদৃশ্য সুগন্ধি ফুলের বৃক্ষ

ভূমিকা: পাহাড়ি ছাতিম হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের এলস্টোনিয়া গণের  একটি সপুষ্পক বৃক্ষ। এদের ফুল সুগন্ধ ছড়ায়, ফলে বড় আকারের বাগানে সুগন্ধের জন্য রোপণযোগ্য। বিবরণ: পাহাড়ি ছাতিম ছোটট বৃক্ষ। পত্র এক আবর্তে অল্প সংখ্যক, অঙ্কীয় পৃষ্ঠ রোমশ, পত্রফলক ১০-২০ X ১.৫-৩.০ সেমি, সরু। সাইম উপ-ক্ষুদ্রছত্রমঞ্জরী। পুষ্প ক্ষুদ্র। বৃতি খন্ড ত্রিকোণাকার, ডিম্বাকার, সূক্ষ্মাগ্র। দলমণ্ডল

ছোট ছাতিম দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সুদৃশ্য সুগন্ধি ফুলের বৃক্ষ

ভূমিকা: ছোট ছাতিম হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের এলস্টোনিয়া গণের  একটি সপুষ্পক বৃক্ষ। বিবরণ: ছোট ছাতিম লম্বা বৃক্ষ। এদের পাতা এক আবর্তে ৩-৪টি, পত্রবৃন্ত অনূর্ধ্ব ২ সেমি লম্বা, পত্রফলক ১৫-৩০ x ৪.৫-৯.৫ সেমি, উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার, অর্ধ-চর্মবৎ, উপরের পৃষ্ঠ চকচকে, অঙ্কীয় পৃষ্ঠ বিবর্ণতর, ১৪-২১ জোড়া পার্শ্ব শিরাবিশিষ্ট, ঝিল্লিময়, উপরের পৃষ্ঠ মসৃণ, অঙ্কীয় পৃষ্ঠ ঘন রোমশ,

এলস্টোনিয়া হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ

ভূমিকা: এলস্টোনিয়া বা ছাতিম হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদের গণের নাম। বিবরণ: এলস্টোনিয়া গণের উদ্ভিদেরা বৃক্ষ বা খাড়া গুল্ম, সাধারণত চক্রাবর্তী শাখা বিশিষ্ট। এদের পাতা সরল, সাধারণত চক্রবর্তী, মসৃণ বা রোমশ, বিডিম্বাকার বা বল্লমাকার, পার্শ্ব শিরা বহুসংখ্যক। এদের পুষ্পবিন্যাস যৌগমঞ্জরীবৎ বা সমভূমঞ্জরীবৎ, প্রান্তীয় সাইম। পুষ্প থলিকাকার। বৃতি খর্ব, ৫-খন্ডিত, রোমবিহীন,

দেশি আমড়া বাংলাদেশ ভারত মায়ানমারের ফলদায়ী বৃক্ষ

ভূমিকা: আমড়া এনাকার্ডিয়াসি পরিবারের স্পনডিয়াস গণের একটি ফলদ বৃক্ষ। এটি বাংলাদেশে জনপ্রিয় ফলদায়ী গাছ। দেশি আমড়ার ফল আচার ও খাবারে যথেষ্ট ব্যবহৃত হয়। আমড়া গাছ ২৫ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত উচু হতে দেখা যায়। একটি ডাঁটায় সমান্তরালভাবে কয়েক জোড়া পাতা ও ডাঁটার আগায় ১টি পাতা থাকে। অগ্রহায়ণের শেষ থেকেই পাতা

লাল আমড়া এশিয়া ও আমেরিকার ফলদ বৃক্ষ

ভূমিকা: লাল আমড়া এনাকার্ডিয়াসি পরিবারের স্পনডিয়াস গণের একটি ফলদ বৃক্ষ। এটি বাংলাদেশে জনপ্রিয় ফলদায়ী গাছ। লাল আমড়ার ফল আচার ও খাবারে যথেষ্ট ব্যবহৃত হয়। বিবরণ: লাল আমড়া একটি পর্ণমোচী বৃক্ষ যারা অনূর্ধ্ব ২৫ মিটার লম্বা। এদের কাণ্ড মসৃণ। পত্র একান্তর, সাধারণত শাখার প্রান্তদেশে গুচ্ছাকারে অবস্থান করে। পুষ্পমঞ্জরী অক্ষ ৬-১২ সেমি লম্বা,

সিভিট বাংলাদেশে সংকটাপন্ন দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বৃক্ষ

ভূমিকা: সিভিট এনাকার্ডিয়াসি পরিবারের সুইনটোনিয়া গণের একটি বিশালাকারের চিরসবুজ বৃক্ষ। গাছটি বাংলাদেশে সংকটাপন্ন হিসেবে বিবেচিত এবং বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-৪ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত। বিবরণ: সিভিট ৭ মিটার বা ততোধিক উচ্চতা সম্পন্ন, প্রশস্ত গুঁড়ি বিশিষ্ট, মসৃণ, অতি উচ্চ চিরহরিৎ বৃক্ষ। বাকল উজ্জ্বল গোলাপি, অগভীর উলম্ব ফাটল

জংলি সজনে ভারত বাংলাদেশ পাকিস্তানের পুষ্টিকর বৃক্ষ

ভূমিকা: জংলি সজনা বা জংলি সজনে বা লাল বাকালি সজনে মোরাসি পরিবারের মোরিঙ্গা গণের ছোট আকারের বৃক্ষ। এদের সকল ঋতুতেই ফুল ও ফল ধরে। বিবরণ: লাল বাকলী সজনের বাকল পুরু এবং কর্কসদৃশ লালচে। পাতা একান্তর, দ্বিপক্ষল, পত্রবৃন্ত স্ফীত পত্রাধারবিশিষ্ট, পত্রাক্ষ সরু, পক্ষ ৩-৫ জোড়া এবং ০.২ সেমি লম্বা পত্রকবৃন্তবিশিষ্ট, ফ্যাকাশে সবুজ,

Top