You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

কাঁকুড় বা কাঁকড়ির খাওয়ার পদ্ধতি এবং এদের ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

কাঁকুড়

কাঁকুড় বা কাকুর বা কাঁকড়ি (বৈজ্ঞানিক নাম: Cucumis melo var. flexuosus) হচ্ছে শসা পরিবারের কিউকামুস গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ প্রজাতি। এটির ফল ভক্ষণযোগ্য। এদের বেশ কয়েকটি ঔষধি গুনাগুণ রয়েছে। আরও পড়ুন

হাড়জোড়া লতার ঘরোয়াভাবে তৈরি ছয়টি ভেষজ চিকিৎসা গুণ

হাড়জোড়া লতা

হাড়জোড়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Cissus quadrangularis) লতানে শ্রেণীর উদ্ভিদ। এ গাছ লতিয়ে লতিয়ে অনেক দূর পর্যন্ত যায়। অনেক সময় গাছকে পত্রহীন দেখায়। পাতা এক থেকে দেড় ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। দেখতে ঠিক হৃদপিণ্ডের মতো। তিন থেকে পাঁচটি অংশে বিভক্ত। পাতার কিনারাগুলো করাতের মতো কাটা। পুষ্পগুচ্ছ ছোট বোঁটাতে থাকে। খুব চকচকে এবং লোমযুক্ত। আরো পড়ুন

ব্রাহ্মী লতা গ্রাম বাংলার অতিপরিচিত ভেষজ গুণে ভরা শাক

ব্রাহ্মী

ব্রাহ্মী (বৈজ্ঞানিক নাম: Bacopa monnieri, ইংরেজি: waterhyssop, thyme-leafed gratiola, water hyssop, herb of grace, Indian pennywor) এক ধরণের লতা জাতীয় উদ্ভিদ। ভিজা মাটিতে লতিয়ে লতিয়েই এ লতার বৃদ্ধি ঘটে। লতার প্রত্যেকটি গাঁট থেকে শিকড় বের হয়। কাণ্ড খুবই নরম এবং রসযুক্ত। গায়ে খুব সরু লোম থাকে, পাতা আধা ইঞ্চি বা আরও একটু বড় হতে পারে। কাণ্ডের বিপরীত দিক থেকে যুগপত্র জন্মায়। পাতার বোটা কাণ্ডের সাথে প্রায় লেগে থাকে। পাতার কিনারায় কোনো খাজ থাকে না। সামনের দিকটা গোলাকার এবং বৃন্তদেশ ডিমের মতো। পাতার শিরাগুলো অস্পষ্ট। আরো পড়ুন

বিশল্যকরণী লতার ভেষজ গুণ

বিশল্যকরণী (বৈজ্ঞানিক নাম- Polygonum recumbens) একটি বহু শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট সরু লোমযুক্ত উদ্ভিদ। বিশল্যকরণী মাটিতে লতিয়ে অনেকটা দূর পর্যন্ত যায়। পাতা খুব ঘন ঘন থাকে। আকারে ছোট এবং ডিমের মতো কিছুটা গোলাকার। পাতার আগার দিকটা মোটা অর্থাৎ ভোতা বলে মনে হয়। বীজকোষের মধ্যে অনেকগুলো বীজ একসাথে থাকে। বীজের রং কালো, গোডা দিকটা

আকনাদি বা নিমুকার ভেষজ গুণ

আকনাদি, আকন্দি, আকন্দি লতা, দই পাতা, নিমুকা, মাকান্দি, বেম্মকপাট (বৈজ্ঞানিক নাম: Stephania japonica) একটি লতাশ্রেণী উদ্ভিদ। সংস্কৃত নাম: রাজাপাতা ইংরেজি নাম: Snake Vine, Tape Vine  এই লতানো গাছ অন্য কোন বড় গাছ বা বেড়ার ধারে থেকে তাকেই আশ্রয় করে বেড়ে ওঠে। এটি ভেষজ লতা, বিভিন্ন রোগের ঔষুধ হিসাবে ব্যবহার করা

কালকেয়া কাটাযুক্ত লতানো ফুল

বৈজ্ঞানিক নাম: Caparis zeylanica L. সমনাম : Capparis acuminata Roxb, Capparis acuminata De Wild., nom. illeg, Capparis aeylanica Roxb, Capparis aurantioides C.Presl, Capparis crassifolia Kurz, Capparis dealbata DC, Capparis erythrodasys Miq, Capparis hastigera Hance, Capparis hastigera var. obcordata Merr. & F.P.Metcalf, Capparis horrida L.f, Capparis horrida var. erythrodasys (Miq.) Miq, Capparis horrida var. paniculata Gagnep, Capparis latifolia Craib, Capparis

অর্কিড বাড়ির শোভাবর্ধনকারী সুগন্ধি ফুল

পরিবারের বৈজ্ঞানিক নাম Orchids. স্থানীয় নাম: অর্কিড। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms বর্গ: Asparagales পরিবার: Orchidaceae        ভূমিকা: অর্কিড (বৈজ্ঞানিক নাম: Orchids) হচ্ছে Orchidaceae পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদ।  এরা ফুল রঙিন বর্নের ও সুগন্ধিযুক্ত আর বহুলবিস্তৃত হয়। বাড়ির শোভাবর্ধনের জন্য বেল্কোনি বা বাগানে লাগানো হয়। বিবরণ: অর্কিড অনেক গণ ও প্রজাতিতে

ইশ্বরমূল এশিয়ার ঔষধি লতা

বৈজ্ঞানিক নাম: Aristolochia indica. সমনাম: জানা নেই। ইংরেজি নাম: Indian birthwort. স্থানীয় নাম: ঈশ্বরমূল। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Magnoliids বর্গ: Piperales পরিবার: Aristolochiaceae    গণ: Aristolochia   প্রজাতি: Aristolochia indica. ভূমিকা: ঈশ্বরশূল > ঈশ্বরী > জটা > রৌদ্রী > পত্রবল্লী > ঈশ্বরমূল বৈজ্ঞানিক নাম Aristolochia indica এরা Aristolochiaceae পরিবারের Aristolochia গনের সদস্য। এটি এক ধরণের ভেষজ

গোল মরিচের ভেষজ গুণাগুণ

গোগোল মরিচ কালো গোল মরিচ (বৈজ্ঞানিক নাম: Piper nigrum) একটি লতানো উদ্ভিদ। এটি মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও প্রাচীনকাল থেকেই এদের আয়ুর্বেদিক ব্যবহার দেখা যায়। মরিচ প্রধানত কাজ করে রসবহস্রোতে এবং অগ্ন্যাশয়ে বা পচ্যমানাশয়ে। প্রতিদিনের রান্নায় গোলমরিচ ব্যবহার করা হয়। কাজে কাজেই এর তীক্ষ্ণ স্বাদের কথা সকলেরই জানা আছে

পিপুলের ভেষজ গুণ

শ্বাসকষ্ট উপশম করে পিপুল (বৈজ্ঞানিক নাম: piper-longum)। পিপুলের ব্যবহার রান্নায় কম হলেও নামটা অনেকেরই জানা। পিপুলকে ঔষধি হিসেবে সেবন করলে অনেক উপকার পাওয়া যাবে। পিপুল দীপন বা উদ্দীপিত করে, তীক্ষ্ণ, উষ্ণ, রুক্ষ, পিত্তকারক ও মলাবেগ করায়। কফ, বায়ু, উদর রোগ, গ্যাস, লিভারের অসুখ, গুল্ম, কৃমি, শ্বাস রোগ উপশম করে। ক্ষয় রোধ করে। মস্তিষ্কের দুর্বলতা, উগ, বাত প্রকোপ, সূতিকা রোগ, ঋতুস্রাব পরিস্কার না হওয়া, নিদ্রাহীনতা কফ, শ্বাস প্রভৃতি শারিরীক অসুবিধেতে প্রাচীন কাল থেকে ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে পিপুল ব্যবহার করা হয়ে আসছে। আরো পড়ুন

Top