You are here
Home > জীবনী

ইন্দুসুধা ঘোষ যুগান্তর দলের বিপ্লবী

ইন্দুসুধা ঘোষ জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯০৫ সালে ময়মনসিংহে। বাবার বাড়ি ঢাকা জেলার বজ্রযোগিনীতে। তার পিতা সতীশচন্দ্র ঘোষ ও মাতা প্রিয়কুমারী দেবী।  তাঁর বাবা পেশায় সরকারি কর্মচারী ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকতেন তিনি। ময়মনসিংহ বিদ্যাময়ী স্কুলে পড়তেন। ময়মনসিংহ বিদ্যাময়ী স্কুল থেকে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন।  সেখানে আঁকা ও সেলাইতে নিয়মিত পুরস্কার পেতেন। সোনার

চারুশীলা দেবী ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী নেত্রী

চারুশীলা দেবী ১৮৮৩ সালে মেদিনীপুরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।  তিনি মেদিনীপুর স্থানীয় ছিলেন। পিতার নাম রাখালচন্দ্র অধিকারী, মা কুমুদিনী দেবী। চারুশীলা দেবী ছিলেন ভূদেব মুখখাপাধ্যায়ের প্রথম ছাত্রী। শিশু বয়স থেকেই তিনি ছিলেন পাঠপ্রিয় এবং স্বাতন্ত্র্যপ্রিয়। বারোবছর বয়সে তার বিবাহ হয়েছিলে মেদিনীপুরের বীরেন্দ্রকুমার গোস্বামীর সঙ্গে। শৈশবে পিতৃ মাতৃহীন অগ্নিশিশু ক্ষুদিরাম থাকতেন মেদিনীপুর শহরের উপকণ্ঠে হবিবপুরে

ইন্দুমতী সিংহ চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহের নেত্রী

চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের অন্যতম বিপ্লবী নেতা অনন্ত সিংহের বড় বোন ইন্দুমতী সিংহ। তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৮৯৮ সালে। তাদের পিতা গোলাপ সিংহ। তাঁদের পূর্বপুরুষরা রাজপুত ছিলেন কিন্তু ইন্দুমতী মধ্যে বংশের কোনো অহংকার ছিলো না। চট্টগ্রামের বিপ্লবী অধিনায়ক সূর্য সেনের বিপ্লবীদলের কর্মী ছিলেন ইন্দুমতী সিংহ। ভাই অনন্ত সিংহ যখন অস্ত্রাগারে লুণ্ঠনের পর পলাতক

অজয় ভট্টাচার্য বাংলা আধুনিক রোমান্টিক গানের গীতিকার

অজয় ভট্টাচার্য (জুলাই, ১৯০৬ - ২৪শে ডিসেম্বর, ১৯৪৩) একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি ও গীতিকার। তিনি কুমিল্লার শ্যামগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ছিলেন প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী। কৃতি ছাত্ররূপে তিনি ১৯২৯ সালে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পান এবং ১৯৩৩ সালে যান কলকাতায়। তিনি কলকাতায় গিয়েছিলেন কুমার শচীন দেব বর্মণ, তাঁর বাল্যকালের বন্ধুর অনুরোধে, শচীন

ননীবালা দেবী উপনিবেশবাদ বিরোধী নারী বিপ্লবী

ননীবালা দেবী জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৮৮৮ সালে হাওড়া জেলার বালিতে। পিতার নাম সূর্যকান্ত ব্যানার্জী, মা গিরিবালা দেবী। এগারো বছর বয়সে বিবাহের পর ষোলো বছর বয়সে তিনি বিধবা হন এবং বাবার কাছেই ফিরে আসেন। ১৯১৪ সালে বেধেছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। সেই সুযোগে ভারতে যুগান্তর দলের বিপ্লবীরা জার্মানির কাছ থেকে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভারতব্যাপী একটা বৈপ্লবিক অভ্যুত্থান

ক্ষীরোদাসুন্দরী চৌধুরী বাংলার উপনিবেশবাদ বিরোধী বিপ্লবী

ক্ষীরোদাসুন্দরী চৌধুরী ১৮৮৩ সালে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের সুন্দাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।  তাঁর পৈতৃক ভূমিও সেখানেই। পিতার নাম শিবসুন্দর রায় ও মাতা দুর্গাসুন্দরী দেবী। তিনি ছিলেন বিপ্লবীদের মা। ময়মনসিংহের নান্দাইলের খারুয়া গ্রামের ব্রজকিশোর চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। তাঁর যখন ৩২ বা ৩৩ বছর বয়স তখন একটিমাত্র কন্যা নিয়ে তিনি বিধবা হন।

দুকড়িবালা দেবী উপনিবেশবাদ বিরোধী বাংলার বিপ্লবী

দুকড়িবালা দেবী ১৮৮৭ সালের (বাংলা ১২৯৪, ৬ শ্রাবণ) ২১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন বীরভূম জেলায় নলহাটি থানার ঝাউপাড়া গ্রামে। পিতা নীলমণি চট্টোপাধ্যায় এবং মা কমলকামিনী দেবী। স্বামী ছিলেন ঝাউপাড়া গ্রামেরই ফণীভূষণ চক্রবর্তী। মাসিমা নামে তিনি বিপ্লবী মহলে পরিচিতি। তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম পর্যায়ের নারী বিপ্লবীদের মধ্যে অন্যতম। ব্রিটিশ দ্বারা যেসব বিপ্লবী

টমাস মুর কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা

টমাস মুর ( ইংরেজি:Thomas More, ১৪৭৮-১৫৩৫ খ্রি.) কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে টমাস মুরের নাম বিশেষভাবে উল্লেখয্যোগ্য। মধ্যযুগের প্রতিক্রিয়ার প্রাচীর ভেঙে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও উদার ভাবের নবজাগরণ সৃষ্টির ক্ষেত্রে টমাস মুর ছিলেন অন্যতম মানবতাবাদী প্রাজ্ঞ পুরুষ। ১৫২৯-১৫৩২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত টমাস মুর ইংল্যাণ্ডের লর্ড চ্যান্সেলার হিসাবে রাষ্ট্রের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। কিন্তু

টমাস হবস পুঁজিবাদী মতাদর্শের সমর্থনকারী দার্শনিক

টমাস হবস (ইংরেজি: Thomas Hobbes, ১৫৮৮-১৬৭৯ খ্রি.) ছিলেন সপ্তদশ শতকের ইংল্যাণ্ডের বস্তুবাদী দার্শনিক। ইংল্যাণ্ডে এই সময়ে ধনতান্ত্রিক বা পুঁজিবাদী সমাজ-বিপ্লব সংঘটিত হচ্ছে। পুঁজিবাদী বিপ্লবের এই পরিবেশ টমাস হবসকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে। হবসকে যান্ত্রিক বস্তুবাদের ব্যাখ্যাতা বলা হয়। তার মতে সমগ্র জগৎ হচ্ছে বস্তুর সমষ্টি। মানুষও বস্তুমাত্র। জগৎ ও সমাজ, সর্বক্ষেত্রে

ভলটেয়ার বিকাশমান পুঁজিবাদের মতাদর্শগত মুখপত্র

ভলটেয়ার (ইংরেজি: Voltaire, ১৬৯৪-১৭৭৮ খ্রি.) ছিলেন অষ্টাদশ শতকের ফ্রান্সের বহুমুখী প্রতিভা। ভলটেয়ার একাধারে, লেখক, দার্শনিক, ঐতিহাসিক এবং ফরাসিদের নবজাগরণের নেতা ছিলেন। ভলটেয়ার আপোসহীনভাবে সামন্তবাদ এবং খ্রিষ্টীয় গোঁড়ামীর বিরোধী ছিলেন। তাঁর বিদ্রুপাত্মক রচনার ধার শাসকগোষ্ঠীর নিকট অসহনীয় ছিল। সামন্তবাদ বিরোধী বিদ্রুপাত্মক রচনার জন্য সরকার ভলটেয়ারকে ১৭১৭ সালে একবার এবং ১৭২৫ সালে

Top