You are here
Home > জীবনী

ক্ষীরোদাসুন্দরী চৌধুরী বাংলার উপনিবেশবাদ বিরোধী বিপ্লবী

ক্ষীরোদাসুন্দরী চৌধুরী ১৮৮৩ সালে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের সুন্দাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।  তাঁর পৈতৃক ভূমিও সেখানেই। পিতার নাম শিবসুন্দর রায় ও মাতা দুর্গাসুন্দরী দেবী। তিনি ছিলেন বিপ্লবীদের মা। ময়মনসিংহের নান্দাইলের খারুয়া গ্রামের ব্রজকিশোর চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। তাঁর যখন ৩২ বা ৩৩ বছর বয়স তখন একটিমাত্র কন্যা নিয়ে তিনি বিধবা হন।

দুকড়িবালা দেবী উপনিবেশবাদ বিরোধী বাংলার বিপ্লবী

দুকড়িবালা দেবী ১৮৮৭ সালের (বাংলা ১২৯৪, ৬ শ্রাবণ) ২১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন বীরভূম জেলায় নলহাটি থানার ঝাউপাড়া গ্রামে। পিতা নীলমণি চট্টোপাধ্যায় এবং মা কমলকামিনী দেবী। স্বামী ছিলেন ঝাউপাড়া গ্রামেরই ফণীভূষণ চক্রবর্তী। মাসিমা নামে তিনি বিপ্লবী মহলে পরিচিতি। তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম পর্যায়ের নারী বিপ্লবীদের মধ্যে অন্যতম। ব্রিটিশ দ্বারা যেসব বিপ্লবী

টমাস মুর কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা

টমাস মুর ( ইংরেজি:Thomas More, ১৪৭৮-১৫৩৫ খ্রি.) কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে টমাস মুরের নাম বিশেষভাবে উল্লেখয্যোগ্য। মধ্যযুগের প্রতিক্রিয়ার প্রাচীর ভেঙে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও উদার ভাবের নবজাগরণ সৃষ্টির ক্ষেত্রে টমাস মুর ছিলেন অন্যতম মানবতাবাদী প্রাজ্ঞ পুরুষ। ১৫২৯-১৫৩২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত টমাস মুর ইংল্যাণ্ডের লর্ড চ্যান্সেলার হিসাবে রাষ্ট্রের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। কিন্তু

টমাস হবস পুঁজিবাদী মতাদর্শের সমর্থনকারী দার্শনিক

টমাস হবস (ইংরেজি: Thomas Hobbes, ১৫৮৮-১৬৭৯ খ্রি.) ছিলেন সপ্তদশ শতকের ইংল্যাণ্ডের বস্তুবাদী দার্শনিক। ইংল্যাণ্ডে এই সময়ে ধনতান্ত্রিক বা পুঁজিবাদী সমাজ-বিপ্লব সংঘটিত হচ্ছে। পুঁজিবাদী বিপ্লবের এই পরিবেশ টমাস হবসকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে। হবসকে যান্ত্রিক বস্তুবাদের ব্যাখ্যাতা বলা হয়। তার মতে সমগ্র জগৎ হচ্ছে বস্তুর সমষ্টি। মানুষও বস্তুমাত্র। জগৎ ও সমাজ, সর্বক্ষেত্রে

ভলটেয়ার বিকাশমান পুঁজিবাদের মতাদর্শগত মুখপত্র

ভলটেয়ার (ইংরেজি: Voltaire, ১৬৯৪-১৭৭৮ খ্রি.) ছিলেন অষ্টাদশ শতকের ফ্রান্সের বহুমুখী প্রতিভা। ভলটেয়ার একাধারে, লেখক, দার্শনিক, ঐতিহাসিক এবং ফরাসিদের নবজাগরণের নেতা ছিলেন। ভলটেয়ার আপোসহীনভাবে সামন্তবাদ এবং খ্রিষ্টীয় গোঁড়ামীর বিরোধী ছিলেন। তাঁর বিদ্রুপাত্মক রচনার ধার শাসকগোষ্ঠীর নিকট অসহনীয় ছিল। সামন্তবাদ বিরোধী বিদ্রুপাত্মক রচনার জন্য সরকার ভলটেয়ারকে ১৭১৭ সালে একবার এবং ১৭২৫ সালে

জাঁ জ্যাক রুশো ফরাসি বিপ্লবের তাত্ত্বিক এক পুঁজিবাদী দার্শনিক

জাঁ জ্যাক রুশো (ইংরেজি: Jean Jacques Rousseau) (১৭১২-১৭৭৮ খ্রি.) অষ্টাদশ শতকের ফরাসি পুঁজিবাদী পথিকৃৎদের অন্যতম ব্যক্তি ছিলেন। দার্শনিক, সমাজতত্ত্ববিদ, সৌন্দর্যতত্ত্ববিদ এবং শিক্ষণের ক্ষেত্রে তাত্ত্বিক হিসাবে রুশো খ্যাতি অর্জন করেন। অষ্টাদশ শতকে ফ্রান্সে একদল বিশ্বকোষিক সংঘবদ্ধভাবে সামন্তবাদ, কুসংস্কার এবং প্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে পুঁজিবাদী স্বাধীনতার চর্চা করেন। এঁদের মধ্যে দিদেরো, ডি এ্যালেদার্ট, মন্টেস্কু,

চার্লি চ্যাপলিন ফ্যাসিবাদ ও পুঁজিবাদবিরোধি এক মহান চলচ্চিত্রকার

চার্লি চ্যাপলিন নামেই বেশি পরিচিত স্যার চার্লস স্পেনসার চ্যাপলিন জুনিয়র (১৬ই এপ্রিল, ১৮৮৯ – ২৫শে ডিসেম্বর, ১৯৭৭) একজন ব্রিটিশ চলচ্চিত্র অভিনেতা। হলিউড সিনেমার প্রথম থেকে মধ্যকালের বিখ্যাততম শিল্পীদের একজন চ্যাপলিন পৃথিবী বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালকও বটে। চ্যাপলিনকে চলচ্চিত্রের পর্দায় শ্রেষ্ঠতম মূকাভিনেতা ও কৌতুকাভিনেতাদের একজন বলেও মনে করা হয়। চলচ্চিত্র শিল্প জগতে

চার্লস দ্য মন্টেস্কু স্বৈরশাসন ও রাজতন্ত্রবিরোধী একজন পুঁজিবাদী দার্শনিক

চার্লস দ্য মন্টেস্কু (Charles de Montesquieu) (১৬৮৯-১৭৫৫) অষ্টাদশ শতকের ফরাসি সমাজতত্ত্ববিদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানী। সমাজ ও রাষ্ট্র সম্পর্কে মন্টেস্কুর রচনাবলী ১৭৮৯ সালের ফরাসি পুঁজিবাদী বিপ্লবের পথ সুগম করার কাজে সাহায্য করে। কারণ মন্টেস্কু স্বেচ্ছাচারী রাজতন্ত্রের তীব্র সমালোচক ছিলেন।[১] তিনি অনুসন্ধান করছেন রাজার একাধিপত্যের বদলে প্রজার অধিকার কি ভাবে বজায় রাখা যায়।

নিকোলাস কপারনিকাস আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক

আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক কপারনিকাসের (ইংরেজি: Nicolaus Copernicus) (১৪৭৩-১৫৪৩) জন্ম হয়েছিল পোলাণ্ডে। সৌরজগতের বর্তমান সূর্যকেন্দ্রিক তত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কপারনিকাস। এতদিন পর্যন্ত সূর্য, চন্দ্র এবং পৃথিবীর আবর্তনের ব্যাখ্যায় টলেমীর পৃথিবী কেন্দ্রিক তত্ত্বই ছিল স্বীকৃত তত্ত্ব। টলেমীর তত্ত্বানুযায়ী পৃথিবী হচ্ছে বিশ্বের কেন্দ্র। পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সূর্য-চন্দ্র প্রভৃতির আবর্তন। মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস; দার্শনিক এ্যারিস্টটল-এর

লি লিসান চিনের প্রথম দিকের সংকীর্ণতাবাদী কমিউনিস্ট নেতা

লি লিসান (১৮ নভেম্বর, ১৮৯৯ – ২২ জুন, ১৯৬৭) ছিলেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথমদিকের সদস্য এবং ১৯২৮-৩০ সাল পর্যন্ত চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ নেতা এবং পলিটব্যুরো সদস্য এবং পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। তিনি সার্বিক, ব্যাপক অভিযানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা দখলের ডাক দেন। মাও সেতুং তার বিরোধিতা করেন। মাওকে সামরিক ক্ষমতা

Top