You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

কার্ল মার্কসের ‘পুঁজি’র প্রথম খন্ডের পর্যালােচনা

উদ্বৃত্ত মূল্য হচ্ছে মাগনা শ্রম

ইতােমধ্যে বিদ্যমান পার্লামেন্টারী পার্টিগুলির সঙ্গে একটা নতুন পার্টি জুড়ে দিয়েছে সর্বজনীন ভােটাধিকার – সেটা হলো সােশ্যাল-ডেমােক্র্যাটিক পার্টি। উত্তর-জার্মান রাইখস্টাগের গত নির্বাচনে এই পার্টি নিজস্ব প্রার্থীদের দাঁড় করিয়েছিল বেশির ভাগ বড় শহরে, সমস্ত কারখানা মহল্লায় এই পার্টির ছয় কিংবা আট জন প্রার্থী ডেপুটি নির্বাচিত হন। এর আগের নির্বাচনে যা ছিল সেটার সঙ্গে তুলনায় এই পার্টি অনেকটা বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠছে, তাই ধরে নেওয়া যেতে পারে এটা এখনও বাড়ছে – অন্তত আপাতত। আরো পড়ুন

সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় প্রসঙ্গে

পুঁজিবাদের ঊনবিংশ এবং বিংশ শতকের বিকাশের বিশ্লেষণমূলক যে গ্রন্থ ভ্লাদিমির লেনিন ১৯১৬ সনে রচনা করেন, সেই গ্রন্থের নাম ‘ইম্পেরিয়ালিজম, দ্য হাইয়েস্ট স্টেজ অব ক্যাপিটালিজম’ বা ‘সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায়’। ১৯১৭ সনের রুশ বিপ্লবের প্রাক্কালে বিপ্লবী আন্দোলনের তাত্ত্বিক নেতৃত্ব দানের জন্য লেনিন তাঁর এই গ্রন্থে রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং আন্তর্জাতিক আন্দোলনসমূহের

ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের এ্যান্টি-ডুরিং বই প্রসঙ্গে

দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের একখানি গ্রন্থের প্রচলিত মান হচ্ছে ‘এ্যান্টি-ডুরিং’। আসলে এঙ্গেলসের গ্রন্থখানির মূল নাম হচ্ছে ‘হার ইউজেন ডুরিংস রিভোল্যুশন ইন সায়েন্স’ বা ‘হর ইউজেন ডুরিংকৃত বিজ্ঞানে বিপ্লব’। নামটির মধ্যে একটি ব্যঙ্গাত্মক সুর আছে। কারণ ডুরিং নামক সমকালীন এক লেখক মাকর্সবাদের ভূল ব্যাখ্যা দিচ্ছিলেন। তাঁর সেই ভূল ব্যাখ্যার সমালোচনা হিসাবে এঙ্গেলস ১৮৭৬ সালে ধারাবহিক প্রবন্ধ লিখতে শুরু করেন। আরো পড়ুন

আলো ফোটানোর মুক্তিকামী কবিতাগ্রন্থ দোলন প্রভার “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”

ভিনসেন্ট ‘ভ্যান গগ’য়ের টিউলিপ ফিল্ড-ছবি দিয়ে করা প্রচ্ছদ সহজেই দোলন প্রভার কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে” বইয়ের শীর্ষককে যৌক্তিক ভাবে তুলে ধরে। যেখানে দেখা যায়, দু’পাশে দুটি খামার বাড়ি আর মাঝে একটাই চাষের জমি। ভেবে নেয়া যেতে পারে ওই জমি একক মালিকানাধীন নয়, তা যৌথ মালিকানাধীন। তাই স্বপ্নের পাখিরা এখানে যূথবদ্ধ হয়ে উড়ে বেড়ায়। আরো পড়ুন

কামন্দকীয় নীতিসার গ্রন্থ প্রসঙ্গে আলোচনা

কামন্দকীয় নীতিসার (ইংরেজি: Kamandakiya Nitisar) একটি হিন্দু রাজনীতি বিষয়ক গ্রন্থ। গ্রন্থটির রচনাকাল সম্বন্ধে মতভেদ আছে। আনুমানিক পঞ্চম খ্রিস্টাব্দের শেষদিকে অর্থাৎ ভারতে গুপ্তযুগের শেষ পর্যায়ে কামক পণ্ডিত কর্তৃক এই গ্রন্থ রচিত হয় বলে অনেকের অভিমত। জয়সওয়াল মনে করতেন যে গুপ্ত আমলের দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের মন্ত্রী শিখরস্বামী গ্রন্থটির রচয়িতা ছিলেন। আরো পড়ুন

কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র প্রসঙ্গে

কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র হচ্ছে হিন্দু রাষ্ট্রচিন্তা সম্পর্কে একটি প্রাচীন গ্রন্থ। গ্রন্থটির রচয়িতা ছিলেন তক্ষশিলার অধিবাসী বিষ্ণুগুপ্ত বা কৌটিল্য নামে জনৈক ব্রাহ্মণ। তিনি চাণক্য নামেও পরিচিত। বিশাখদত্ত রচিত মুদ্রারাক্ষস থেকে জানা যায় যে তিনি মগধে মৌর্যসম্রাট চন্দ্রগুপ্তের (৩২২-২১৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) প্রধান মন্ত্রী ছিলেন। গ্রন্থটির রচনাকাল এবং রচয়িতা কৌটিল্য সম্পর্কে মতভেদ আছে। অর্থশাস্ত্র গ্রন্থটি

পরিবার, ব্যক্তিগত মালিকানা ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি গ্রন্থ প্রসঙ্গে

মার্কসবাদের অন্যতম মৌলিক একটি রচনা হচ্ছে ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস রচিত পরিবার, ব্যক্তিগত মালিকানা ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি (ইংরেজি:The Origin of the Family, Private Property, and the State: in the Light of the Researches of Lewis H. Morgan) গ্রন্থ। ‘পরিবার’ ‘ব্যক্তিগত সম্পত্তি’ এবং রাষ্ট্রকে ধনতান্ত্রিক সমাজের সমাজবিজ্ঞানীগণ মানুষের জীবনের অপরিহার্য এবং চিরন্তন সংস্থা বলে প্রচার করে আসছিল। মার্কসবাদ সর্বপ্রথম সমাজের এরূপ ব্যাখ্যাকে অস্বীকার করে। আরো পড়ুন

বই পূজার বিরোধিতা করুন — মাও সেতুং

কমরেড মাও সেতুং দারুণ দিক নির্দেশনামূলক এই প্রবন্ধটি লিখে শেষ করেন মে ১৯৩০ সালে। এই প্রবন্ধের শুরুতেই তুলে ধরা হয়েছে সেই অবশ্য পালনীয় নীতি — তদন্ত ছাড়া কথা বলার অধিকার নেই। বই পূজাকে দ্বান্দ্বিকভাবে দেখা, বই পূজায় না মাতা অর্থাৎ পুরনো মত দ্বারা চালিত হওয়ার নীতিতে দীক্ষিত না হওয়া, কাজের

ভি. আই. লেনিনের গ্রন্থ ‘কী করতে হবে’ বিষয়ক আলোচনা

কী করতে হবে? আমাদের আন্দোলনের জরুরি প্রশ্নগুলি, (ইংরেজিতে: What Is to Be Done? Burning Questions of Our Movement) হচ্ছে ভ্লাদিমির লেনিনের লেখা বই যা ১৯০১ সালের শরৎকাল থেকে ১৯০২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে লিখিত এবং ১৯০২ সালে প্রকাশিত। এটি একটি রাজনৈতিক প্রচারপুস্তিকা যার শিরোনাম নেয়া হয় উনিশ শতকের রুশ বিপ্লবী

লেনিনের পুস্তক ‘গণতান্ত্রিক বিপ্লবে সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির দুই রণকৌশল’ প্রসঙ্গে আলোচনা

গণতান্ত্রিক বিপ্লবে সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির দুই রণকৌশল (১৯০৫) (ইংরেজি: Two Tactics of Social Democracy in the Social Revolution) ভি. আই. লেনিনের লিখিত একটি পুস্তক। তিনি এই পুস্তকটি লেখেন ১৯০৫ সালের জুন-জুলাই মাসে রুশ বলশেভিক পার্টির, তৎকালীন নাম ছিলো রুশ সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাটিক শ্রমিক পার্টি, তৃতীয় কংগ্রেস এবং একই সময়ে জেনেভায় আয়োজিত মেনশেভিক সম্মেলনের পরে।

Top