You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > পুঁজিবাদ

পুঁজিবাদ কাকে বলে?

পুঁজিবাদ বা ধনতন্ত্র (ইংরেজি: Capitalism) হচ্ছে মানবেতিহাসে পণ্য সম্পর্কের সামাজিক স্তর।[১] এটি একটি সামাজিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিশেষ। ষোড়শ শতাব্দীতে ইউরোপের কয়েকটি দেশে এই সমাজ-ব্যবস্থার প্রথম প্রতিষ্ঠা ঘটে। মানুষের সামাজিক অর্থনৈতিক কাঠামো যে বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্য দিয়ে বিকাশ লাভ করছে এটি আধুনিক চিন্তাধারার একটি স্বীকৃত সত্য।[২] আরো পড়ুন

পুঁজি কাকে বলে?

উৎপাদনের ক্ষেত্রে পুঁজি (ইংরেজি: Capital) হচ্ছে প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহের মধ্যে একটি উপাদান। সম্পদ বৃদ্ধির জন্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে জমি, যন্ত্র, শ্রম এবং পুঁজি এই চারটি উপাদান প্রধান। ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে ‘পুঁজি’ শব্দ দ্বারা নতুন পণ্য ক্রয়ের আর্থিক সামর্থ্য বুঝায়। এরূপ অর্থ পুঁজি বলতে কেবল টাকা নয়, মালিকের মালিকানাধীন দালানকোঠা, জমি, যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রি বুঝাতে পারে। আরো পড়ুন

পুঁজিবাদী দেশের স্বরূপ

পুঁজিবাদী দেশ প্রধানত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ফেডারেল প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স, ইতালি এবং কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পশ্চিম ইউরোপীয় দেশ সহ উন্নত পুঁজিবাদী দেশগুলিই পুঁজিবাদী বিশ্বের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তির উৎস। আরো পড়ুন

পুঁজিবাদের সাধারণ সংকট প্রসঙ্গে

পুঁজিবাদ বা ধনতন্ত্রের বর্তমান অবস্থার মার্কসবাদী বিশ্লেষণে ‘পুঁজিবাদের সাধারণ সংকট’ (ইংরেজি: General crisis of Capitalism) একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা। মার্কসীয় বিশ্লেষণের অনুসারীদের মতে পুঁজিবাদের গোড়াকার প্রগতিশীল ভূমিকা আর বজায় নেই। পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা শক্তিহীন হয়ে পড়েছে। পুঁজিবাদী রাষ্ট্র এবং ব্যবস্থা এখনো শক্তিশালী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপানসহ বিভিন্ন দেশে পুঁজিবাদী ব্যবস্থা বিদ্যমান। আরো পড়ুন

পুঁজিবাদ মানবেতিহাসে পণ্য সম্পর্কের সামাজিক স্তর

উৎপাদনের উপকরণের ব্যক্তিগত মালিকানা ও পুঁজি কর্তৃক ভাড়াটে শ্রমের শোষণের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক-অর্থনৈতিক গঠনরূপ হচ্ছে পুঁজিবাদ (ইংরেজি Capitalism)। এটি ইতিহাসের একটি সামাজিক স্তর। এই ব্যবস্থায় উৎপাদনের লক্ষ্য থাকে বিক্রয়, দ্রব্যের ব্যবহার করা নয়। বাজার এখানে শ্রমশক্তিকে পণ্য হিসেবে কেনা বেচার ব্যবস্থা করে এবং এই কেনাবেচায় অর্থ, মজুরি ও বেতন থাকে মাধ্যম। আরো পড়ুন

মার্কসবাদের অর্থনৈতিক উপাদান উদ্বৃত্ত মূল্য তত্ত্ব

মার্কসবাদের অর্থনৈতিক মতবাদের মূলে রয়েছে উদ্বৃত্ত মূল্যের তত্ত্ব (ইংরেজি Theory of Surplus Value)। লেনিন একে মার্কসের অর্থনৈতিক মতবাদের ভিত্তিপ্রস্তর বলে আখ্যায়িত করেন। মার্কসবাদের প্রধান রাজনৈতিক অর্থনীতি বিষয়ক রচনা পুঁজি গ্রন্থে এই তত্ত্ব উদঘাটিত হয়েছে। মার্কসের মতবাদ অনুসারে, উদ্বৃত্ত মূল্য হচ্ছে শ্রমিকের নিজের শ্রম দ্বারা সৃষ্ট তাঁদের শ্রম-দামের থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি

Globalism, a threat to the poor people

Globalization or globalism is the highest stage of Imperialism; we can say this or we can differ from this; but we must say that globalism has developed a New Economic World Order. This New Economic World Order established the capitalists, industrialists, multinational companies, multinational corporations or corporate worlds to the

Top