আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > সংকলন > মাও সেতুং

কেডার

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ২৯. কেডার *** আমাদের পার্টির ও রাষ্ট্রের রঙ যাতে বদল না হয়, তা সুনিশ্চিত করার জন্য আমাদের যে শুধু সঠিক লাইন ও নীতির প্রয়োজন, তাই নয়, বরং সর্বহার শ্রেণীর বিপ্লবী কার্যের কোটি কোটি উত্তরাধিকারীকে অবশ্যই লালন পালন ও প্রস্তুত করতে হবে। সর্বহারা শ্রেণীর বিপ্লবী কার্যের উত্তরাধিকারীদের লালন পালন করার

কমিউনিস্ট

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ২৮. কমিউনিস্ট *** একজন কমিউনিস্টের মুক্ত মন, বিশ্বস্ত ও সক্রিয় হতে হবে, বিপ্লবের স্বার্থকে নিজের প্রাণের চেয়েও ঊর্ধ্বে স্থান দিতে হবে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থকে বিপ্লবের স্বার্থের বশে রাখতে হবে; তাঁকে সর্বদা এবং সর্বক্ষেত্রেই সঠিক নীতিতে দৃঢ় থাকতে হবে এবং সমস্ত ভুল চিন্তাধারা এবং আচরণের বিরুদ্ধে অক্লান্তভাবে সংগ্রাম করতে

ভুল চিন্তাধারা সংশোধন

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ২৪. ভুল চিন্তাধারা সংশোধন *** আমরা নিজদের কাজে খুব বিরাট সাফল্য অর্জন করলেও তা নিয়ে আমাদের অহংকার বা আত্মাভিমান করার কোনো যুক্তিই নেই। বিনয় মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যায়, অহংকার পিছিয়ে দেয়, এই সত্যকে আমাদের অবশ্যই সর্বদা মনে রাখতে হবে। “চীনা কমিউনিস্ট পার্টির অষ্টম জাতীয় কংগ্রেসে প্রদত্ত উদ্বোধনী ভাষণ”

অনুসন্ধান ও পর্যালোচনা

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ২৩. অনুসন্ধান ও পর্যালোচনা *** যারা বাস্তব কাজে নিযুক্ত তাঁদের প্রত্যেককে অবশ্যই নিম্নস্তরের অবস্থা সম্পর্কে তদন্ত করতে হবে। যারা শুধু তত্ত্ব জানেন কিন্তু বাস্তব অবস্থা জানেন না, তাঁদের জন্যই এ ধরনের তদন্ত কাজ বিশেষ করে দরকার। অন্যথায় তাঁরা তত্ত্ব ও অনুশীলনের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করতে সক্ষম হবেন না।

আত্মনির্ভরতা ও কঠোর সংগ্রাম

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ২১. আত্মনির্ভরতা ও কঠোর সংগ্রাম *** কোন ভিত্তির উপরে আমাদের নীতি স্থাপিত হওয়া উচিত? নিজেদের শক্তির ভিত্তিতে, এটাকেই আত্মনির্ভরতা বলা হয়। আমরা বিচ্ছিন্ন নই, দুনিয়ার সমস্ত সাম্রাজ্যবাদবিরোধী দেশ ও জনগণই হচ্ছেন আমাদের বন্ধু। কিন্তু আমরা আত্মনির্ভরতার উপরেই জোর দিই, নিজেদের সংগঠিত শক্তির উপরে নির্ভর করে আমরা সমস্ত চীনা

যে বোকা বুড়োটি পাহাড় সরিয়েছিলেন

১২ই জুন, ১৯৪৫ [চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সপ্তম জাতীয় কংগ্রেসে এটি হচ্ছে কমরেড মাও সে তুং-এর সমাপ্তিসূচক ভাষণ] আমাদের কংগ্রেস খুবই সাফল্যমণ্ডিত হয়েছে। আমরা তিনটি কাজ করেছি। প্রথমতঃ, পার্টির লাইন নির্ধারণ করেছি যে লাইন হচ্ছে সাহসের সাথে জনগণকে সমবেত করা এবং জনগণের শক্তিকে সম্প্রসারিত করা যাতে করে আমাদের পার্টির নেতৃত্বে জাপানী আক্রমণকারীদের তারা

অধ্যবসায় ও মিতব্যয়িতার সঙ্গে দেশ গঠন

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ২০. অধ্যবসায় ও মিতব্যয়িতার সঙ্গে দেশ গঠন *** সমস্ত কেডার ও জনগণ সর্বদাই যেন স্মরণ রাখেন যে, আমাদের দেশ একটা বিরাট সমাজতান্ত্রিক দেশ, কিন্তু অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পশ্চাৎপদ ও দরিদ্র; এটা একটা বিরাট দ্বন্দ্ব। আমাদের দেশকে সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করে গড়ে তোলার জন্য কয়েক দশকের কঠোর সংগ্রামের প্রয়োজন, এর

জনগণের সেবা করুন

৮ সেপ্টেম্বর ১৯৪৪ আমাদের কমিউনিস্ট পার্টি ও কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে পরিচালিত অষ্টম রুট বাহিনী ও নতুন চতুর্থ বাহিনী হচ্ছে বিপ্লবের বাহিনী। আমাদের এই বাহিনী জনগনের মুক্তির জন্য সম্পূর্ণরূপে উৎসর্গপ্রাণ এবং সর্বান্তঃকরণে জনগনের স্বার্থের জন্য কাজ করে। কমরেড চ্যাং জু তে[১] এই বাহিনীর একজন সৈনিক ছিলেন। মানুষের মৃত্যু হবেই কিন্তু মৃত্যুর তাৎপর্য বিভিন্ন

বিপ্লবী বীরত্ব

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ১৯. বিপ্লবী বীরত্ব *** এই সৈন্যবাহিনীর আছে অদম্য মনোবল, সমস্ত শত্রুকে পদানত রাখতে এই বাহিনী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, এই বাহিনী কোনোক্রমেই শত্রুর কাছে নতি স্বীকার করবে না। বাধা-বিপত্তি, দুঃখ-কষ্ট যাই হোক না কেন, একজন মাত্র লোক অবশিষ্ট থাকলেও সে লড়াই করে যাবে। “যুক্ত সরকার সম্পর্কে” (২৪ এপ্রিল, ১৯৪৫) *** বীরত্বপূর্ণভাবে যুদ্ধ

রাজনৈতিক কাজ

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ১২. রাজনৈতিক কাজ *** সে সময়ে [অর্থাৎ ১৯২৪-১৯২৭ প্রথম বিপ্লবী গৃহযুদ্ধের সময় (সম্পাদক)] সৈন্যবাহিনীতে পার্টি প্রতিনিধির ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক বিভাগ প্রতিষ্ঠা হয়েছে, এ ধরনের ব্যবস্থা চীনের ইতিহাসে আর কখনও ছিল না, এ ধরনের ব্যবস্থার উপর নির্ভর করেই সৈন্যবাহিনী সম্পূর্ণ নতুন রূপ লাভ করেছে। ১৯২৭ সালের পরের লাল ফৌজ

Top
You cannot copy content of this page