আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > সংকলন > মার্কস

গোথা কর্মসূচির সমালোচনা – জার্মান শ্রমিক পার্টির কর্মসূচির ওপর পার্শ্বটিকা

গোথা কর্মসূচির সমালোচনা

১. ‘শ্রমই সকল সম্পদ ও সকল সংস্কৃতির উৎস এবং যেহেতু কার্যকর শ্রম একমাত্র সমাজের ও সমাজের মাধ্যমেই সম্ভব, সেহেতু সমাজের সকল সদস্য সমান অধিকার বলে অটুট পরিমাণে শ্রমফলের মালিক।’ অনুচ্ছেদের প্রথম অংশ : ‘শ্রমই সকল সম্পদ ও সকল সংস্কৃতির উৎস।’ শ্রম সকল সম্পদের উৎস নয়। আরো পড়ুন

শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক সমিতির সাধারণ নিয়মাবলি

যেহেতু শ্রমিক শ্রেণির মুক্তি শ্রমিক শ্রেণিকেই জয় করে নিতে হবে; শ্রমিক শ্রেণির মুক্তির জন্য যে সংগ্রাম, তার অর্থ শ্রেণিগত সুবিধা ও একচেটিয়া অধিকারের জন্য সংগ্রাম নয়, সমান অধিকার ও কর্তব্যের জন্য এবং সমস্ত শ্রেণি আধিপত্যের উচ্ছেদের জন্য সংগ্রাম। শ্রম করে যে মানুষ, শ্রম উপায়ের অর্থাৎ জীবনধারণের বিভিন্ন উৎসের একচেটিয়া মালিকের কাছে আরো পড়ুন

প্রুধোঁ প্রসঙ্গে

লন্ডন, ২৪ জানুয়ারি ১৮৬৫, প্রিয় মহাশয়। গতকাল আমি একটি চিঠি পেয়েছি, তাতে প্রুধোঁ সম্বন্ধে আমার কাছ থেকে একটি বিস্তারিত অভিমত আপনি চেয়েছেন। আপনার ইচ্ছা পূরণের অন্তরায় হয়েছে আমার সময় অভাব। উপরন্তু তাঁর কোনো রচনাও আমার কাছে নেই। যাই হোক, আপনাকে আমার সম্প্রীতি জানাবার জন্য তাড়াতাড়ি একটা সংক্ষিপ্ত খসড়া খাড়া করেছি। আরো পড়ুন

এঙ্গেলস সমীপে মার্কস

লণ্ডন, ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৮৫৭; … তোমার ‘ফৌজ’ চমৎকার হয়েছে। শুধু এর আয়তন দেখে আমার মাথায় যেন বজ্রাঘাত হলো। কারণ, এতখানি পরিশ্রম করা তোমার পক্ষে খুব ক্ষতিকর। যদি জানতাম যে রাত্রি জেগে কাজ করতে শুরু করবে, তাহলে বরং ব্যাপারটা চুলোয় দিতেই রাজী হতাম। উৎপাদন-শক্তি ও সমাজ-সম্পর্কের সংযোগ সম্পর্কিত আমাদের ধারণার নির্ভুলতা ফৌজের ইতিহাস থেকে যত স্পষ্ট হয়ে ওঠে আর কিছু থেকে তত নয়। আরো পড়ুন

মার্কস এঙ্গেলস রচনাবলী, তারিখ অনুসারে

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের প্রায় পঞ্চাশাধিক লেখা এখানে সন্নিবেশিত হয়েছে। আপনারা সবগুলো লেখা পড়ুন এই এই লিংক থেকে

মহামতি কার্ল মার্কসের রাজনীতি, সমাজ ও অর্থনীতি বিষয়ক কয়েকটি উদ্ধৃতি

মহামতি কার্ল মার্কসের রাজনীতি, সমাজ, সাহিত্য, ইতিহাস ও অর্থনীতি বিষয়ক কয়েকটি উদ্ধৃতি এখানে সংকলিত হয়েছে। ১. শ্রমিক শ্রেণি হয় বিপ্লবী, নয়তো কিছুই নয়। এঙ্গেলস সমীপে মার্কস, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৫; ২. যে মুহূর্তে জনগণকে আকৃষ্ট করে সেই মুহূর্তেই ঐ তত্ত্বটি বাস্তব শক্তিতে পরিণত হয়। ‘হেগেলের ফিলসফি অফ রাইট’ সম্বন্ধে আলোচনা। আরো পড়ুন

শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক সমিতির উদ্বোধনী ভাষণ

১৮৬৪ সালের ২৮ অক্টোবর লন্ডনের লং একরস্থ সেন্ট মার্টিন হলে অনুষ্ঠিত জনসভায় পঠিত[১] শ্রমজীবী মানুষগণ, একটি বিরাট সত্য হলো এই যে, ১৮৪৮ থেকে ১৮৬৪ সালের মধ্যে শ্রমজীবী জনসমষ্টির দুর্দশার কোনো লাঘব হয়নি, তবুও এই সময়টাই শিল্প-বিকাশ ও বাণিজ্য বৃদ্ধির দিক থেকে অতুলনীয়। ১৮৫০ সালে ব্রিটিশ মধ্য শ্রেণির একটি নরমপন্থী ওয়াকিবহাল মুখপত্র এই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলো যে, ইংল্যান্ডের রপ্তানি ও আমদানি যদি শতকরা ৫০ ভাগ বৃদ্ধি পায় তাহলে ইংরেজদের দারিদ্র্য একেবারে শূন্যের কোঠায় নেমে যাবে। আরো পড়ুন

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ

ইংলন্ডে ভূমিদাসপ্রথা কার্য্যত অদৃশ্য হয় ১৪শ শতকের শেষ ভাগে। তখনকার এবং আরো বেশি করে ১৫শ শতকের জনগণের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই[১] ছিলো মুক্ত কৃষক-মালিক, তা তাদের স্বত্বাধিকার যে সামন্ত পাট্টাতেই ঢাকা থাক না কেন। বড়ো বড়ো সামন্ত মহালগুলিতে সাবেকী যে গোমস্তা ছিলো নিজেই একজন ভূমিদাস, তার জায়গায় এসে দাঁড়ায় মুক্ত খামারী। আরো পড়ুন

ফয়েরবাখ সম্বন্ধে থিসিসসমূহ

ফয়েরবাখের বস্তুবাদ সমেত পূর্ববর্তী সমস্ত বস্তুবাদের প্রধান দোষ এই যে, তাতে বস্তুকে [Gegenstand]. বাস্তবতাকে, সংবেদ্যতাকে কেবল বিষয় [Objekt] রূপে বা ধ্যান রূপে ধরা হয়েছে, মানবিক সংবেদনগত ক্রিয়া হিসেবে, ব্যবহারিক কর্ম হিসেবে দেখা হয় নি, আত্মগতভাবে [subjectively] দেখা হয় নি। আরো পড়ুন

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, তার ইতিহাস ও ফলাফল

লন্ডন, শুক্রবার ২৪শে জুন, ১৮৫৩; ভারত বিষয়ে বিধান প্রণয়ন স্থগিত রাখার জন্য লর্ড স্ট্যানলির মোশনের উপর বিতর্ক আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত মুলতুবী রাখা হয়েছে। ১৭৮৩ সালের পরে ইংলন্ডে এই প্রথম ভারত প্রশ্ন মন্ত্রিসভা-টেকা-না-টেকার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেন হল? ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সত্যকার সূত্রপাত হিসাবে ১৭০২ সালের অতি পূর্ববর্তী কোনো যুগকে নির্দিষ্ট করা চলে না, ওই সময়টায় পূর্ব ভারতীয় বাণিজ্যের একচেটিয়া দাবি করে বিভিন্ন সংঘ একটি একক কোম্পানিতে মিলিত হয়। আরো পড়ুন

Top
You cannot copy content of this page