You are here
Home > সংকলন > মার্কস

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

শেষ অংশ প্রথম অংশ, দ্বিতীয় অংশ, তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ পঞ্চম অংশ কিন্তু কোমের ‘মহাশয়দের’ প্রতি তাদের রোমান্টিক পার্বত্যজাতিসুলভ ব্যক্তিপূজার আরো কঠোর প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়েছিল সাহসী গলদের।  তাদের মাছের গন্ধ পৌছল ‘মহাশয়দের’ নাকে। তাঁরা কিছু মুনাফার ঘ্রাণ পেলেন এবং উপকূলটা ইজারা দিয়ে দিলেন লন্ডনের বড়ো বড়ো মৎস্যব্যবসায়ীদের কাছে। দ্বিতীয় বারের

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

পঞ্চম অংশ প্রথম অংশ, দ্বিতীয় অংশ, তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, শেষ অংশ  ভূমি থেকে কৃষিজনগণের ঢালাও উচ্ছেদের শেষ প্রক্রিয়াটা হলো, অবশেষে, তথাকথিত ‘মহাল সাফ’, অর্থাৎ মানুষগুলোকে সেখান থেকে ঝোঁটিয়ে দূর করা। এ পর্যন্ত যেসব ইংরেজী পদ্ধতির বিচার করা হয়েছে তার তুঙ্গ বিন্দু হলো ‘সাফ করা’। আগের একটি পরিচ্ছেদে আধুনিক অবস্থার

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

চতুর্থ অংশ প্রথম অংশ, দ্বিতীয় অংশ, তৃতীয় অংশ, পঞ্চম অংশ, শেষ অংশ ১৮শ শতক অবশ্য জাতীয় ঐশ্বর্য ও জনগণের দারিদ্র্যের মধ্যে অভিন্নতাটা ১৯শ শতকের মতো অতো পরিপূর্ণভাবে তখনো দেখতে পায় নি। সেইজন্যই তখনকার অর্থনৈতিক সাহিত্যে ‘সর্বজনীন ভূমির ঘেরাও-দখল’ নিয়ে অতি প্রচন্ড বিতর্ক দেখা যায়। আমার সামনে যে পুঞ্জীভূত মালমসলা আছে, তা

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

তৃতীয় অংশ প্রথম অংশ, দ্বিতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, পঞ্চম অংশ, শেষ অংশ  এমন কি ১৭শ শতকের শেষ দশকেও ইয়োমেন সম্প্রদায় বা স্বাধীন কৃষক শ্রেণি ছিলো খামারী শ্রেণির চেয়ে অনেক সংখ্যাবহুল। ক্রমওয়েলের শক্তির মেরুদন্ড ছিলো তারাই এবং এমন কি ম্যাকওয়েলের স্বীকৃতি অনুসারেই, মাতাল জমিদার ও তাদের সেবাদাস গ্রাম্য যাজকেরা, প্রভুর পরিত্যক্ত প্রণয়িনীকে

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

দ্বিতীয় অংশ প্রথম অংশ, তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, পঞ্চম অংশ, শেষ অংশ  এ বিপ্লবে আতঙ্কিত হয়ে ওঠে আইনসভা। তখনো সে সভ্যতার সেই ঊর্ধ্বে গিয়ে দাঁড়ায় নি, যেখানে ‘জাতির ধন’ (অর্থাৎ পুঁজির সৃষ্টি এবং ব্যাপক জনগণের বেপরোয়া শোষণ ও নিঃস্বীভবন) হয়ে ওঠে সমস্ত রাষ্ট্রকর্মের ultima Thule [চূড়ান্ত সীমা]। তাঁর সপ্তম হেনরির ইতিহাসে

শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক সমিতির উদ্বোধনী ভাষণ — কার্ল মার্কস

প্রথম অংশ পড়ুন আরেকবার উল্টো দিকটা দেখুন।  ১৮৬৪ সালের ২০ জুলাই কমন্স সভার সামনে যে আয় ও সম্পত্তিগত ট্যাক্সের বিবরণ দাখিল করা হয় তা থেকে আমরা এই কথাই জানতে পারি যে, তহসিলদারদের হিসাব অনুযায়ি যে সব লোকের বাৎসরিক আয় ৫০ হাজার পাউন্ড বা তদুর্ধ্ব তাদের দলে ১৮৬২ সালের ৫ই এপ্রিল থেকে

শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক সমিতির উদ্বোধনী ভাষণ — কার্ল মার্কস

১৮৬৪ সালের ২৮ অক্টোবর লন্ডনের লং একরস্থ সেন্ট মার্টিন হলে অনুষ্ঠিত জনসভায় পঠিত[১] শ্রমজীবী মানুষগণ: একটি বিরাট সত্য হলো এই যে, ১৮৪৮ থেকে ১৮৬৪ সালের মধ্যে শ্রমজীবী জনসমষ্টির দুর্দশার কোনো লাঘব হয়নি, তবুও এই সময়টাই শিল্প-বিকাশ ও বাণিজ্য বৃদ্ধির দিক থেকে অতুলনীয়। ১৮৫০ সালে ব্রিটিশ মধ্য শ্রেণির একটি নরমপন্থী ওয়াকিবহাল মুখপত্র এই ভবিষ্যদ্বাণী

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

প্রথম অংশ দ্বিতীয় অংশ,  তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, পঞ্চম অংশ, শেষ অংশ  ইংলন্ডে ভূমিদাসপ্রথা কাৰ্যত অদৃশ্য হয় ১৪শ শতকের শেষ ভাগে। তখনকার এবং আরো বেশি করে ১৫শ শতকের জনগণের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই[১] ছিলো মুক্ত কৃষক-মালিক, তা তাদের স্বত্বাধিকার যে সামন্ত পাট্টাতেই ঢাকা থাক না কেন। বড়ো বড়ো সামন্ত মহালগুলিতে সাবেকী যে

ফয়েরবাখ সম্বন্ধে থিসিসসমূহ — কার্ল মার্কস

ফয়েরবাখ সম্বন্ধে থিসিসসমূহ[১] ১ ফয়েরবাখের বস্তুবাদ সমেত পূর্ববর্তী সমস্ত বস্তুবাদের প্রধান দোষ এই যে, তাতে বস্তুকে [Gegenstand]. বাস্তবতাকে, সংবেদ্যতাকে কেবল বিষয় [Objekt] রূপে বা ধ্যান রূপে ধরা হয়েছে, মানবিক সংবেদনগত ক্রিয়া হিসেবে, ব্যবহারিক কর্ম হিসেবে দেখা হয় নি, আত্মগতভাবে [subjectively] দেখা হয় নি। ফলে বস্তুবাদের বিপরীতে সক্রিয় দিকটি বিকশিত হয়েছে ভাববাদ দিয়ে,

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, তার ইতিহাস ও ফলাফল — কার্ল মার্কস

দ্বিতীয় অংশ প্রথম অংশ পড়ুন ফের আবার অন্যদিক থেকে দেখা যাক। বিভিন্ন পর্যায়ে ভারতের সঙ্গে ব্রিটিশ বাণিজ্যের ধারা পর্যালোচনা করলে আমরা ভারত বিধানের বিশিষ্ট সংকটটিকে আরো ভালো করে বুঝতে পারব। এলিজাবেথের রাজত্বকালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কারবার শুরুর সময় ভারতের সঙ্গে লাভজনকভাবে বাণিজ্য চালাবার জন্য কোম্পানি বছরে ৩০,০০০ পাউন্ড মূল্যের সোনা, রূপা ও

Top