You are here
Home > সংকলন > স্তালিন

অবকাশ যাপনে কমরেড লেনিন — জোসেফ স্তালিন

সংক্ষিপ্ত মন্তব্য আমার মনে হয়, “অবকাশ যাপনে কমরেড লেনিন” নিয়ে এখন লিখতে যাওয়াটা যথাযোগ্য হবে না, যখন অবকাশ-কাল শেষ হয়ে আসছে এবং শীঘ্রই কমরেড লেনিন কাজে ফিরে আসবেন। তাছাড়া, আমার অনুভূতিগুলো এত বেশি আর এত ভারি যে, ‘প্রাভদা’র সম্পাদকমণ্ডলী যেভাবে অনুরোধ করেছেন তেমনি একটি সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে সেগুলো সম্পর্কে লেখাটা নিতান্ত সুবিধাজনক

জোসেফ স্তালিনের উদ্ধৃতি

১. ইতিহাসের শিক্ষা থেকেই আমরা জানতে পারি যে সমাজে যে শ্রেণি বা গোষ্ঠী উৎপাদনের ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করে, এবং উৎপাদনের প্রধান কাজগুলো করে থাকে, কালে কালে তাদেরই যে উৎপাদন ব্যবস্থার উপর আধিপত্য স্থাপিত হবে সে কথা অবশ্যম্ভাবী। নৈরাজ্যবাদ অথবা সমাজতন্ত্র, ডিসেম্বর ১৯০৬-জানুয়ারি ১৯০৭ ২. সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রকে কমরেড লেনিন একটি

নৈরাজ্যবাদ অথবা সমাজতন্ত্র — জোসেফ স্তালিন

ডিসেম্বর ১৯০৬ - জানুয়ারি ১৯০৭ আমরা সেই ধরনের লোক নই, যারা নৈরাজ্যবাদ শব্দটার উল্লেখ হলেই অবজ্ঞাভরে মুখ ফিরিয়ে এবং উন্নাসিকভাবে হাত নেড়ে বলে, ‘ও সম্পর্কে সময় নষ্ট করে কি হবে? ওটা তো আলোচনারই যোগ্য নয়!’ আমরা মনে করি এ রকম সস্তা সমালোচনা মর্যাদাহানিকর ও নিরর্থক। আমরা আবার সে ধরনের লোকও নই, যারা

রাশিয়া এবং তার পূর্বাঞ্চলের মুসলমানদের প্রতি আবেদন — স্তালিন ও লেনিন

---- অনুবাদক : ইভান অরক্ষিত সহযোদ্ধা ও ভাইয়েরা![১] রাশিয়াতে বিশাল বিশাল ঘটনা ঘটছে। অন্যান্য দেশগুলিকে পৃথক করার জন্য যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হচ্ছিল সেটার সমাপ্তি সন্নিকটে। মানুষের পৃথিবীতে মানুষকে দাসত্বে আবদ্ধকারী এবং ডাকাতদের শাসন প্রায় সমাপ্তির পথে। রুশ বিপ্লবের জোয়ারে দাসত্ব ও ভূমিদাসত্বের পুরানো পৃথিবীটা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে ... একটি নতুন

পুঁজিবাদী দেশগুলিতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির ক্ষেত্রে বর্ধমান উত্তেজনা – জে. ভি. স্তালিন

জানুয়ারি ২৬, ১৯৩৪[১] দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক সঙ্কটের একটি ফল হয়েছে এই যে পুঁজিবাদী দেশগুলির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে— সেই দেশগুলির অভ্যন্তরে ও সেই দেশগুলির পারস্পরিক সম্পর্কক্ষেত্রে, উভয়তঃই এক অভূতপূর্ব উত্তেজনা বৃদ্ধি হয়েছে। বৈদেশিক বাজারের জন্য তীব্র লড়াই, অবাধ বাণিজ্যের শেষ চিহ্নের অবলুপ্তি, নিবারক শুল্ক, বাণিজ্য যুদ্ধ, বৈদেশিক মুদ্রা যুদ্ধ, ডাম্পিং ও অন্যান্য অনেক অনুরূপ ব্যবস্থা

নারী পুরুষ ও শ্রমবিভাগ — জে. ভি. স্তালিন

ইতিহাসের শিক্ষা থেকেই আমরা জানতে পারি যে সমাজে যে শ্রেণি বা গোষ্ঠী উৎপাদনের ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করে, এবং উৎপাদনের প্রধান কাজগুলো করে থাকে, কালে কালে তাদেরই যে উৎপাদন ব্যবস্থার উপর আধিপত্য স্থাপিত হবে সে কথা অবশ্যম্ভাবী। মাতৃপ্রধান সমাজে এমন একটা সময় ছিলো যখন উৎপাদন ব্যবস্থার উপর নারীদেরই প্রাধান্য মেনে

লেনিনবাদের ভিত্তি পুস্তকের ভূমিকা — জে ভি স্তালিন

লেনিন স্মরণে প্রবিষ্ট ছাত্রদের প্রতি উৎসর্গিত  বিষয়বস্তু হিসেবে লেনিনবাদের ভিত্তি খুবই ব্যাপক। এ সম্বন্ধে পুরোপুরি আলোচনা করতে গেলে সম্পূর্ণ একটা বই লেগে যাবে। সত্যি কথা বলতে কি, অনেকগুলি বইই দরকার হবে। সুতরাং স্বভাবতই, আমার বক্তৃতার মধ্যে লেনিনবাদের সম্পূর্ণ আলোচনা থাকবে এমন আশা করা যায় না। বড়ো জোর, এতে লেনিনবাদের ভিত্তি সম্বন্ধে

কর্মীদের উপর সব নির্ভর করে — জে ভি স্তালিন

‘শিল্পবিজ্ঞানই সবকিছু নির্ণয় করে’_ এই পুরনো স্লোগান যে যুগের অবস্থার প্রতিফলন সে যুগে আমরা শিল্পযন্ত্রের অভাবে ভুগেছি, সে যুগ আজ অতীত। এই পুরনো স্লোগানের বদলে নতুন স্লোগান আজ আমাদের গ্রহণ করতে হবে, সেই নতুন স্লোগান হচ্ছে_ ‘কর্মীদের গুণবত্তাই সবকিছু নির্ণয় করে’। এটিই এখন প্রধান ব্যাপার। আমাদের দেশবাসী এই নতুন স্লোগানের বিরাট

শ্রেণিসংগ্রাম — জে. ভি. স্তালিন

‘শ্রমিক শ্রেণির ঐক্যই কেবল পারে ধনিক শ্রেণির ঐক্যকে টলিয়ে দিতে’ — কার্ল মার্কস আজকের সমাজ অত্যন্ত জটিল! এ’হলো রং- বেরংয়ের শ্রেণি ও গোষ্ঠীগুলির জোড়াতালি — বৃহৎ মাঝারি ও পেটি বুর্জোয়া; বৃহৎ মাঝারি ও পেটি বুর্জোয়া সামন্ততান্ত্রিক জমিদার; দিনমজুর, অদক্ষ শ্রমিক ও দক্ষ কারখানা-শ্রমিক; উচ্চতম, মাঝারি ও নিম্নতম যাজকমন্ডলী; উচ্চতন, মাঝারি ও

Top