আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > জ্ঞানকোষ

আমলাতন্ত্র কাকে বলে

আমলাতন্ত্র (ইংরেজি: Bureaucracy) হচ্ছে প্রশাসনিক দপ্তরের কর্তৃত্ব। আমলাতন্ত্রে আইনের দৃষ্টিতে রাজা ও প্রজা তথা সর্বোচ্চ সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যথা রাজা, প্রেসিডেন্ট, আইনসভা ইত্যাদি এবং জনসাধারণের মধ্যবর্তী স্থানের কর্মসম্পাদনকারী ও আধিকারিকদের হাতে শাসনক্ষমতা ন্যস্ত থাকে। সচরাচর সিভিল সারভ্যান্ট অর্থাৎ জনপালন নির্বাহি সরকারি কর্মচারী ও সামরিক বাহিনীর পদস্থ ব্যক্তিরা কি উচ্চ কর্তৃপক্ষ, কি

আনুগত্য কাকে বলে

আনুগত্য (ইংরেজি: Loyalty) শব্দটির মমার্থ হলো এমন এক মানসিকতা যার মধ্য দিয়ে কারও কোনও কিছুর প্রতি বিশ্বস্ততা, অনুরাগ ও সমর্থন ফুটে ওঠে; সেটা পরিবার, চাকুরির ক্ষেত্রে নিয়ােগকর্তা, ধর্মীয় অথবা বহুত্ববাদী সমাজে যে-কোনও প্রতিষ্ঠানের প্রতি প্রদর্শিত হয়। আনুগত্য স্বভাবতই আত্মস্বার্থ বহির্ভুত একটি আসক্তি। রাজনীতিতে আনুগত্য হলো দেশভক্তি ও রাষ্ট্রিক বাধ্যতার অন্তর্গত।

আধিপত্য কাকে বলে

আধিপত্য (ইংরেজি: Hegemony) হচ্ছে গ্রিক ভাষায় হেগেমন থেকে উৎপন্ন ইংরেজি হেজিমনির বাংলা প্রতিশব্দ। প্রত্যয়টির অর্থ জটিল। দুটি বিপরীত অর্থে শব্দটি ব্যবহৃত হয়—একটি হলো জবরদস্তিমূলক আধিপত্য। অপরটি নেতৃত্ব, যার ভিতরে সম্মতি প্রচ্ছন্ন থাকে। কোনও শ্রেণীর দ্বারা অন্যান্য শ্রেণী বা রাষ্ট্র দ্বারা রাষ্ট্রের উপর প্রভুত্ব বা আধিপত্য করা।[১]  উনিশ শতকে ইউরােপে এক

আগ্রাসন প্রসঙ্গে

আগ্রাসন (ইংরেজি: Aggression) হচ্ছে অপর ব্যক্তি, গােষ্ঠী কিংবা দেশকে প্রত্যক্ষ আচরণে, কথায় অথবা মনস্তাত্ত্বিক পদ্ধতিতে আঘাত, উৎখাত কিংবা অবমাননার উদ্দেশ্যে কোনও ব্যক্তি, গােষ্ঠী, অথবা দেশের আক্রমণসূচক ব্যবহার। শব্দটির সমার্থক প্রত্যয় হলো হিংসা, সংঘর্ষ ও যুদ্ধ। বিষয়টি মনস্তাত্ত্বিক, সমাজতাত্ত্বিক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের অনুশীলন ও গবেষণার ক্ষেত্র। সিগমুন্ড ফ্রয়েড ও অন্যান্য মনস্তাত্ত্বিকেরা আগ্রাসন

আকস্মিক বিদ্রোহ প্রসঙ্গে

আকস্মিক বিদ্রোহ (ফরাসি: Coup d'Etat) হচ্ছে ফরাসি শব্দ। সামরিক বা সরকারি শক্তিশালী ব্যক্তি বা গােষ্ঠী যাঁদের হাতে ক্ষমতা আছে তাঁদের উদ্যোগে হঠাৎ বলপ্রয়ােগ করে সরকার দখল। বিপ্লবের সঙ্গে তার পার্থক্য হলো যে ক্যু উপর থেকে আরােপিত হয়ে চেপে বসে আর বিপ্লবের পিছনে থাকে জনগণ। ইতিহাসে ক্যুর নজির হলো ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দে

আইনের শাসন প্রসঙ্গে

আইনের শাসন (ইংরেজি: Rule of Law) হচ্ছে সেই ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রীয় কাঠামােয় বিধিবদ্ধ আইন, রীতিনীতি, বাধানিষেধ ব্যতিরেকে ক্ষমতা প্রয়ােগ করা হয় না। আইনের শাসনে নাগরিকেরা যে-কোনও ক্ষমতাশালী ব্যক্তি ও সরকারি আমলার বিরুদ্ধে সুবিচারের দাবিতে অভিযােগ দায়ের করতে পারেন, যদি অভিযুক্তেরা আইন ভেঙে কিছু না করে থাকেন। অবশ্য আইন সবার উপরে

আইনশাস্ত্র প্রসঙ্গে

আইনশাস্ত্র (Jurisprudence) হচ্ছে আইনের উৎপত্তি, প্রকৃতি ও বিকাশ সংক্রান্ত তত্ত্বগত বিদ্যা। ত্রয়ােদশ থেকে উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত প্রত্যয়টিকে প্রাকৃত, আইন হিসেবে দেখা হত এবং মনে করা হত যে প্রাকৃত আইনের পিছনে থাকে দিব্য নির্দেশ। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই নানারকম তত্ত্ব গড়ে ওঠে যে আইনের ভিত্তি সার্বভৌম কর্তৃত্বের বিধিবিধান। আবার অন্যমতে আইন হলো

আইন হচ্ছে মানুষের বহির্মুখ আচরণ নির্দেশনা সংক্রান্ত নিয়মাবলির গুচ্ছ

আইন (ইংরেজি: Law) প্রাত্যহিক জীবনে নানান অর্থে ব্যবহৃত একটি শব্দ। কিন্তু আইন শব্দটির সংজ্ঞাও আছে বিভিন্নরকম; তার একটিতে বলা হয়েছে যে আইন হলো কিছু সামাজিক নিয়মাবলির গুচ্ছ যার কাজ হলো বিচারযােগ্য হিসেবে বিবেচিত মানুষের বহির্মুখ আচরণ সম্পর্কে নির্দেশকরণ। সংজ্ঞাটির বিভিন্ন উপাদান, যথা, সামাজিক ‘নিয়মাবলি’, ‘নির্দেশকরণ’, ‘বহির্মুখ’, ‘আচরণ’, ‘বিচারযােগ্য বিবেচিত’ শব্দগুলির

অভিজ্ঞতাবাদ সমস্ত জ্ঞানের উৎস হিসেবে অভিজ্ঞতাকে বিবেচনা করে

অভিজ্ঞতাবাদ (ইংরেজি: Empiricism) হচ্ছে এমন দার্শনিক মতবাদ যাতে বলা হয় যে সমস্ত জ্ঞানের উৎস হলো অভিজ্ঞতা। যুক্তিবাদ বিরোধী এই মতবাদে সহজাত জ্ঞান ও পূর্বকল্পিত বা অবরােহী পদ্ধতিতে নির্ণীত সত্যকে স্বীকার করা হয় না। পর্যবেক্ষণ (অভিজ্ঞতা) ব্যতীত কোনও কিছুর সামান্যীকরণ এই মতবাদের পরিপন্থী। যৌক্তিক অভিজ্ঞতাবাদ এবং যৌক্তিক প্রত্যক্ষবাদ বিংশ শতাব্দীতে বিশেষ

গোষ্ঠীতন্ত্র কী এবং কেন প্রতিরোধ করতে হবে

গোষ্ঠীতন্ত্র (ইংরেজি: Oligarchy) হচ্ছে স্বল্প সংখ্যক লোকের ক্ষমতা এবং এটি শোষক রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম রূপ। গোষ্ঠিতন্ত্রে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে মুষ্টিমেয় ধনিদের হাতে কেন্দ্রিভুত থাকে। ধনকুবের গোষ্ঠিতন্ত্র সাম্রাজ্যবাদি ব্যবস্থায় রাষ্ট্র যন্ত্রকে বশ করে, রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও বৈদেশিক নীতি নিয়ন্ত্রন করে, দেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করে। উৎপত্তির দিক দিয়ে গোষ্ঠিতন্ত্র

Top