You are here
Home > জ্ঞানকোষ

মিখাইল বাকুনিন একজন নৈরাজ্যবাদী বিপ্লবী

মিখাইল আলেকজান্দ্রোভিচ বাকুনিন (ইংরেজি: Mikhail Alexandrovich Bakunin) ছিলেন (১৮১৪-১৮৭৬) রাশিয়ার এক অভিজাত পরিবারের সন্তান। তার চিন্তার ভেতরে ছিলো একজন পেটিবুর্জোয়া বা মধ্যবিত্ত চরিত্রের রুশ বিপ্লবীপনা। নৈরাজ্যবাদ বা এ্যানার্কিজম মতবাদের প্রচারকারী হিসাবেই বাকুনিন বিখ্যাত হয়েছিলেন। বাকুনিনের মতাদর্শে বিভিন্ন দার্শনিক এবং রাষ্ট্রনৈতিক চিন্তাবিদদের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। গোড়ার দিকে তিনি জার্মান দার্শনিক ফিকটের চিন্তাধারায

অতি আশ্চর্য রকমের আবর্জনা সৃষ্টিকারী আন্তোনিও গ্রামসি

আন্তোনিও গ্রামসি (১৮৯১ -১৯৩৭) কে প্রগতিশীল বলা যায়। কিন্তু গ্রামসি কোনোভাবেই মার্কসবাদী নন, লেনিনবাদী হবার তো প্রশ্নই আসে না। গ্রামসিকে বিপ্লবী বলা যায় সেই অর্থে, ঠিক যে অর্থে এরিস্টটল বিপ্লবকে একই শ্রেণির বা বিভিন্ন শ্রেণির ক্ষমতার হস্তান্তর ও পরিবর্তনকে বুঝিয়েছেন। অর্থাৎ বিপ্লবকে আমরা যদি সমাজবিপ্লব পর্যন্ত প্রসারিত না করি, সেরকম

জ্ঞান প্রসঙ্গে

জ্ঞান হচ্ছে অর্থনৈতিক ভিত্তির উপরিকাঠামো আবার এই জ্ঞান ভিত্তিকে প্রভাবিত করে এবং বদলেও ফেলে। জ্ঞান অর্থনৈতিক শোষণের একটি বাইপ্রোডাক্ট। যারা শোষণ তৈরি করতে পারেনি, তারা সভ্য হতে পারেনি, আদিম গোষ্ঠীবদ্ধ সমাজে থেকে গেছে। গত ১০০০ বছরে শহরগুলো কেন শোষণের কেন্দ্র হয়েছে, কেন শহরগুলোর চেয়ে রাষ্ট্র বেশি শক্তিশালী হয়েছে, এই প্রশ্নের

ক্লারা জেটকিন এক মহান জার্মান সাম্যবাদী বিপ্লবী

ক্লারা জেৎকিন একজন কমিউনিস্ট নেত্রী ছিলেন। তার পুরো নাম ক্লারা জেৎকিন এইছ্নার। ১৮৫৭ সালের ১৫ জুলাই জার্মানির উইডারউ-র স্যাক্সোনী শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং লিপজিগ শহরের ”স্টেইবার টিচারস্ কলেজ ফর ওম্যান” এ অধ্যয়ন করেন। উক্ত কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি তরুণ বয়স থেকেই একজন সোশ্যালিস্ট হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন। জার্মান সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতিষ্ঠাতা

লুই অগ্যুস্ত ব্লাঁকি ফরাসি কল্পলৌকিক সাম্যবাদের বিশিষ্ট প্রবক্তা

লুই অগ্যুস্ত ব্লাঁকি (ফরাসি: Louis Auguste Blanqui) (১ ফেব্রুয়ারি, ১৮০৫- ১ জানুয়ারি, ১৮৮১) ছিলেন ফরাসি সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনে বিখ্যাত বিপ্লবী, ফরাসি কল্পলৌকিক সাম্যবাদের বিশিষ্ট প্রবক্তা। তাঁর প্রতিষ্ঠিত মতবাদ ব্লাঁকিবাদ নামে পরিচিত। ফ্রান্সের আল্প-মেরিটিমের পুগেত তেনেরিতে ব্লাঁকির জন্ম হয়। তাঁর পিতা কঁভঁসিয়ঁর সদস্য ছিলেন। ব্লাঁকি আইন ও চিকিৎসাবিদ্যায় শিক্ষালাভ করেন। কিন্তু এই দুই

জর্জ সোরেল মার্কসবাদ ও বিপ্লবী সিন্ডিক্যালবাদের তাত্ত্বিক নেতা

জর্জ ইউজিন সোরেল, ইংরেজিতে: Georges Eugène Sorel, (২ নভেম্বর, ১৮৪৭ - ২৯ আগস্ট, ১৯২২) ছিলেন ফরাসি দার্শনিক এবং বিপ্লবী সিন্ডিক্যালিজমের তাত্ত্বিক। “রিফ্লেকশনস অন ভায়োলেন্স” পুস্তকের জন্য তিনি খ্যাতি লাভ করেন। তাঁর ওপর কার্ল মার্কস (১৮১৮-১৮৮৩) ও অঁরি বর্গসাঁ’র (১৮৫৯-১৯৪১) প্রভাব ছিল। মুসোলিনি তাঁর লেখায় প্রভাবিত হয়েছিলেন।[১] তাঁর চিন্তায় প্রুধোঁ (১৮০৯-১৮৬৫),

বিস্তারবাদের প্রকৃতি ও ভারত প্রসঙ্গ

বিস্তারবাদ বা সম্প্রসারণবাদ (ইংরেজি: Expansionism) সাধারণভাবে গঠিত হয় রাষ্ট্রের ও সরকারের সম্প্রসারণবাদী নীতিগুলোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে। কেউ কেউ এটিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর সাথে যুক্ত শব্দ হিসেবেও ব্যবহার করেন। আরো সচরাচরভাবে সাধারণত বিস্তারবাদ নির্দেশ করে রাষ্ট্রের ভূখণ্ডগত ভিত্তি বা অর্থনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির মতবাদ, যদিও সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে এটি করা প্রয়োজনীয় নয়। এটি

ফের্দিনান্দ লাসালে জার্মান সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সুবিধাবাদী নেতা

ফের্দিনান্দ জোহান গটলিয়েব লাসালে (ইংরেজি: Ferdinand Johann Gottlieb Lassalle; (১১ এপ্রিল ১৮২৫ - ৩১ আগস্ট ১৮৬৪) ছিলেন একজন জার্মান বিচারক, দার্শনিক, এবং সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মী। তাঁকে যদিও জার্মানিতে আন্তর্জাতিক ধাঁচের সমাজতন্ত্রের প্রবর্তনকারী হিসেবে সবচেয়ে বেশি স্মরণ করা হয়, তিনি ছিলেন মূলত পেটি বুর্জোয়া সুবিধাবাদী। তিনি ইয়ং-হেগেলিয়ান হিসাবেই মার্কসের সাথে পরিচিত।

মওলানা ভাসানী নিপীড়িত মানুষের সাম্রাজ্যবাদবিরোধি নেতা

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী (১২ ডিসেম্বর, ১৮৮০ – ১৭ নভেম্বর, ১৯৭৬) বিশ শতকের ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলনের নায়ক, যিনি জীবদ্দশায় ১৯৪৭-এ সৃষ্ট পাকিস্তান ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি বাঙলার মানুষের কাছে ‘মজলুম জননেতা’ হিসাবে সমধিক পরিচিত। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট

ফ্যাসিবাদ কী এবং কেন প্রতিরোধ করতে হবে

ফ্যাসিবাদ হচ্ছে পুঁজিবাদের সাধারণ সংকটের সৃষ্টি, শোষক শ্রেণিগুলোর সর্বাপেক্ষা প্রতিক্রিয়াশীল, জাতিদাম্ভিক ও আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক ধারা। ফ্যাসিবাদের প্রধান ভিত্তি শহর ও গ্রামের পেটি-বুর্জোয়া শ্রেণি এবং সমাজের শ্রেণি-বহির্ভূত স্তরগুলো। ফ্যাসিবাদের মতাদর্শিক বৈশিষ্ট হলো চরম সাম্যবাদ-বিরোধিতা ও বর্ণবাদ।[১]   অর্থাৎ ফ্যাসিবাদ হচ্ছে পুঁজিবাদের তীব্র সংকটের যুগে সাম্রাজ্যবাদের একচেটিয়া পুঁজির উগ্র-জাতিয়তাবাদী প্রতিক্রিয়াশীল স্বৈরাচারি রূপ। জাতীয়

Top