আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > জ্ঞানকোষ > মার্কসবাদকোষ

জনগণ কাকে বলে

সাধারণ দৃষ্টিতে জনগণ (ইংরেজি: People) শব্দটির অর্থ হলো যে নির্দিষ্ট কোনও ভূখণ্ডের অধিবাসী যাদের ভাষা ও সাহিত্য একই এবং বিশেষ এক ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা থাকে ও আচার ব্যবহার, বেশভূষা, মূল্যবােধ ও সংস্কৃতি প্রায় অভিন্ন, তারা সমাষ্টগতভাবে সেখানকার জনগণ হিসাবে পবিচিত। সমষ্টিগতভাবে এই বৈশিষ্ট্যগুলি সমাজবন্ধনের প্রকৃত সূত্র, জাতি গঠনের প্রধান উপাদান। আরো পড়ুন

ছন্নছাড়া সর্বহারা কাকে বলে

বুর্জোয়া শ্রেণি থেকে বিচ্ছিন্ন এবং সর্বহারার হঠকারী ও ছন্নছাড়া অংশটি ছন্নছাড়া সর্বহারা বা ছন্নছাড়া প্রলেতারিয়েত (ইংরেজি: Lumpen-proletariat) নামে পরিচিত। লুম্পেন শব্দটি জার্মান। মার্কস তাঁর ‘এইটিন্থ ব্রুমেয়র’ গ্রন্থের পঞ্চম অধ্যায়ে এক ধরনের ব্যক্তির কথা বলেছেন যারা সব শ্রেণির কাছেই জঞ্জাল-বিশেষ। উচ্ছৃঙ্খল এই জনসম্প্রদায়ভুক্ত লােকেরা বুর্জোয়া শ্রেণি থেকে বিচ্ছিন্ন, হঠকারী ও ছন্নছাড়া। আরো পড়ুন

চিরস্থায়ী বিপ্লব কাকে বলে

চিরস্থায়ী বিপ্লব (ইংরেজি: Permanent Revolution) কথাটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন কার্ল মার্কসফ্রিডরিখ এঙ্গেলস; ১৮৫০ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত কমিউনিস্ট লিগের সাধারণ সংসদে এই অর্থে যে বুর্জোয়া শ্রেণি যত শীঘ্র সম্ভব বিপ্লবের সমাপ্তি ঘটাতে চাইবে, ততই আমাদের কাজ হবে সেটাকে চিরস্থায়ী করা, যত দিন না পৃথিবীর প্রধান দেশগুলিতে সর্বহারা শ্রেণি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করছে! আরো পড়ুন

বুর্জোয়া বা বুর্জোয়াজি কাকে বলে

বুর্জোয়া বা বুর্জোয়াজি (ফরাসি: Bourgeosie) কথাটি একটি ফরাসি শব্দ। ব্যুৎপত্তিগত অর্থ নগরবাসী। পূর্বে নগরকে বলা হত ‘বুর’ (bourg)। বুর-এর অধিবাসীরা বুর্জোয়া বলে অভিহিত। পুঁজিবাদী অর্থনীতির উদ্ভব হয় ওইসব নগরগুলিতে। শিল্পোন্নয়নে সেগুলি সমৃদ্ধি লাভ করে। যান্ত্রিক অগ্রগতির ফলে ইউরােপে উৎপাদন বাবস্থায় আমূল পরিবর্তন দেখা দেয়। আরো পড়ুন

ক্ষমতা হচ্ছে বাধা বা বিনা বাধায় ঈপ্সিত কোনো কিছু অর্জনের সামর্থ্য

ঈপ্সিত যে কোনও কিছু বিনা বাধায় অথবা বাধার মধ্য দিয়ে অর্জনের সামর্থ্য হলো ক্ষমতা (ইংরেজি: Power)। ক্ষমতার তারতম্য থাকে। খেতাব হিসেবে কিংবা প্রতিনিধিত্ব করার জন্য ক্ষমতা প্রদত্ত হয়; সীমিতভাবে অথবা ভাগাভাগি করে কিংবা সম্মতিক্রমে অথবা বলপ্রয়ােগের মাধ্যমে ক্ষমতা অর্জন সম্ভব। প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার প্রয়ােগ ঘটে। কর্তৃত্ব, বৈধতা, অধিকার

কমিউনিস্ট নৈতিকতা প্রসঙ্গে

মার্কসবাদী দর্শন অনুযায়ী ধর্ম, রাজনীতি, নৈতিকতা ইত্যাদি বিষয় সামাজিক শ্রেণি সম্পর্ক ও উৎপাদন ব্যবস্থার ভিত্তির উপর গঠিত উপরিকাঠামাের অন্তর্গত। কিন্তু নতুন সমাজ অভিমুখে সমাজতন্ত্রী আন্দোলনে কতকগুলি নৈতিক মান ও আদর্শ অনুসরণ করার কথা বলা হয়, যেগুলি কমিউনিস্টদের জয়যাত্রার পক্ষে অপরিহার্য। আরো পড়ুন

সাম্যবাদ বা কমিউনিজম কাকে বলে

সাম্যবাদ বা কমিউনিজম (ইংরেজি: Communism) শব্দটি বিবিধার্থে ব্যবহৃত হয়। মাধ্যম এবং লক্ষ্যও বিভিন্ন জনের কাছে সব সময় সমান নয়। যে সমাজ ব্যবস্থায় সম্পত্তির মালিকানা হয় সর্বসাধারণের; প্রতি ব্যক্তি তার প্রয়ােজন অনুযায়ী সব কিছু পায় এবং তার ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করে; এবং এই সাম্যবাদী ব্যবস্থা বৈপ্লবিক আন্দোলন এবং পুঁজিবাদের উচ্ছেদের মাধ্যমে

কমিউন কাকে বলে

কমিউন হচ্ছে (ইংরেজি: Commune) এক ধরনের সমিতি যেখানে সদস্যদের শ্রমের মাধ্যমে লব্ধ উৎপন্ন সামগ্রী এবং অন্যান্য সম্পদের মালিকানা সাধারণভাবে সকল সদস্যের সমান। প্রাচীন কাল থেকেই এই ধরনের সমিতি আদর্শ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। হাল আমলে ব্রিটেনে রবার্ট ওয়েন এবং ফ্রান্সে ফ্রাঁসােয়া ফুরিয়ে সমিতির প্রত্যয়টিকে নতুনভাবে রূপায়িত করেন। ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দে প্যারিসের কমিউনার্ডৱা

উদ্বৃত্ত মূল্য কাকে বলে

উদ্বৃত্ত মূল্য (ইংরেজি: Surplus Value) প্রত্যয়টি মার্কসের শ্রমভিত্তিক মূল্যতত্ত্বের (labour theory of value) প্রধান অঙ্গ। মার্কস উৎপাদনের মাত্র একটি উপাদান আছে বলে মনে করতেন, সেটা হলো শ্রম। পুঁজিপতি শ্রমিককে তার শ্রম বা শ্রমশক্তির বিনিময়ে যে মূল্য প্রদান করে, সেটা তার শ্রমশক্তির সমতুল বলে ধরে নেওয়া হয়, বস্তুত সেই মূল্য শ্রমিকের কাজের মােট সময়ের মূল্য অপেক্ষা কম। আরো পড়ুন

উৎপাদিকা শক্তি কাকে বলে

মার্কসবাদ এবং ঐতিহাসিক বস্তুবাদ তত্ত্বের অন্যতম উপাদান হচ্ছে উৎপাদিকা শক্তি (ইংরেজি: Productive forces)। পণ্যের উৎপাদনযন্ত্র বা মাধ্যম এবং যারা এসব মাধ্যমকে ব্যবহার করে অর্থাৎ শ্রম শক্তির একত্রীকরণ হচ্ছে উৎপাদিকা শক্তি। উৎপাদিকা শক্তি এবং উৎপাদন সম্পর্ক একযােগে উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তােলে। আরো পড়ুন

Top