আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > জ্ঞানকোষ > মার্কসবাদকোষ

মানসিক ও দৈহিক শ্রমের মধ্যেকার বিরোধ প্রসঙ্গে

শ্রমের বিভাগ কথাটি আজ অত্যান্ত সুপরিচিত। শ্রমের ক্ষেত্রে মানসিক ও দৈহিক শ্রমের বিভাগটিও পরিচিত। কিন্তু সভ্যতার আদিতে শ্রমের কোনোরূপ বিভাগই ছিল না। অনুন্নত অবস্থায় জীবন রক্ষার্থে প্রত্যেক ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় সমস্ত শ্রমই করতে হতো। কিন্তু প্রকৃতিকে অধিকতর পরিমাণে বশ করার প্রয়োজনে মানুষ একদিন শ্রম বিভাগের আবশ্যকতা বোধ করল। দৈহিক শ্রমের ক্ষেত্রে

প্রতি-বিশ্লেষণ কাকে বলে?

বস্তুজগতে নিত্যপ্রবাহিত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক হচ্ছে প্রতি-বিশ্লেষণ বা প্রতিশক্তি বা প্রতিনয় বা বিরোধের (ইংরেজি: Anti-thesis) সম্পর্ক। বিরোধ হচ্ছে বস্তজগতের গতির মূল নিয়ামক। বিরোধ বা দ্বন্দ্বের মাধ্যমে বস্তজগতের বিকাশকে সাধারণত ইংরেজিতে থিসিস (ইংরেজি: Thesis), এ্যাণ্টিথিসিস এবং সিনথেসিস (ইংরেজি: Synthesis)-রূপে প্রকাশ করা হয়। আরো পড়ুন

আপোষহীন এবং আপোষমূলক বিরোধ কাকে বলে?

সমাজের ক্রমবিকাশের ব্যাখ্যায় মাকর্সবাদীগণ আপোষহীন এবং আপোষমূলক বিরোধ (ইংরেজি: Antagonistic and Non-Antagonistic Contradiction) কথা দুটি ব্যবহার করেন। মাকর্সবাদ তথা দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের মতে বিরোধী শক্তির সংঘাতের মাধ্যমেই সমাজ বিকাশ লাভ করে, সমাজের এক স্তরের স্থানে নতুন স্তর প্রতিষ্ঠালাভ করে। বিরোধ হচ্ছে সমাজ বিকাশের প্রাণশক্তি। আরো পড়ুন

বিশ্লেষণ এবং সংশ্লেষণ কাকে বলে?

বিশ্লেষণ এবং সংশ্লেষণ (ইংরেজি: Analysis and Synthesis) উভয় শব্দ মানুষের মানসিক কিংবা দৈহিক একটি বিশেষ ক্রিয়ার কথা বুঝায়। বিশ্লেষণ বলতে একটি সমগ্রকে তার অন্তর্ভুক্ত অংশসমূহে বিভক্তকরণ এবং সংশ্লেষণ বলতে অংশসমূহের সম্মেলনের মাধ্যমে সমগ্র পুনর্গঠনকে বুঝায়। জ্ঞানের ক্ষেত্রে আদিকাল থেকে মানুষ এই পদ্ধতিকে ব্যবহার করে এসেছে। আরো পড়ুন

বিচ্ছিন্নতা কাকে বলে

কোনো কিছুর গুণ বা শক্তিতে তার মূল আধার নিরপেক্ষভাবে স্বকীয় সত্তা হিসাবে প্রতিপন্ন করাকে দর্শনে বিচ্ছিন্নতা (ইংরেজি: Alienation) বলা হয়। সামাজিক অর্থনৈতিক বিকাশে বিচ্ছিন্নতাবাদ যে একটা প্রতিবন্ধকরূপে কাজ করে, সে সত্যকে মাকর্সবাদী দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা কার্ল মাকর্স প্রথমে উদঘাটন করেন। তাঁর মতে মানব সমাজের ক্রমবিকাশে মানুষের শ্রমশক্তি, শ্রমশক্তির বিভিন্ন ফলাফল যেমন- অর্থের উৎপাদন, মুদ্রার আবিস্কার, উৎপাদনের সম্পর্ক ইত্যাদি সবকিছুর আধার হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষ। আরো পড়ুন

জনগণ কাকে বলে

সাধারণ দৃষ্টিতে জনগণ (ইংরেজি: People) শব্দটির অর্থ হলো যে নির্দিষ্ট কোনও ভূখণ্ডের অধিবাসী যাদের ভাষা ও সাহিত্য একই এবং বিশেষ এক ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা থাকে ও আচার ব্যবহার, বেশভূষা, মূল্যবােধ ও সংস্কৃতি প্রায় অভিন্ন, তারা সমাষ্টগতভাবে সেখানকার জনগণ হিসাবে পবিচিত। সমষ্টিগতভাবে এই বৈশিষ্ট্যগুলি সমাজবন্ধনের প্রকৃত সূত্র, জাতি গঠনের প্রধান উপাদান। আরো পড়ুন

ছন্নছাড়া সর্বহারা কাকে বলে

বুর্জোয়া শ্রেণি থেকে বিচ্ছিন্ন এবং সর্বহারার হঠকারী ও ছন্নছাড়া অংশটি ছন্নছাড়া সর্বহারা বা ছন্নছাড়া প্রলেতারিয়েত (ইংরেজি: Lumpen-proletariat) নামে পরিচিত। লুম্পেন শব্দটি জার্মান। মার্কস তাঁর ‘এইটিন্থ ব্রুমেয়র’ গ্রন্থের পঞ্চম অধ্যায়ে এক ধরনের ব্যক্তির কথা বলেছেন যারা সব শ্রেণির কাছেই জঞ্জাল-বিশেষ। উচ্ছৃঙ্খল এই জনসম্প্রদায়ভুক্ত লােকেরা বুর্জোয়া শ্রেণি থেকে বিচ্ছিন্ন, হঠকারী ও ছন্নছাড়া। আরো পড়ুন

চিরস্থায়ী বিপ্লব কাকে বলে

চিরস্থায়ী বিপ্লব (ইংরেজি: Permanent Revolution) কথাটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন কার্ল মার্কসফ্রিডরিখ এঙ্গেলস; ১৮৫০ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত কমিউনিস্ট লিগের সাধারণ সংসদে এই অর্থে যে বুর্জোয়া শ্রেণি যত শীঘ্র সম্ভব বিপ্লবের সমাপ্তি ঘটাতে চাইবে, ততই আমাদের কাজ হবে সেটাকে চিরস্থায়ী করা, যত দিন না পৃথিবীর প্রধান দেশগুলিতে সর্বহারা শ্রেণি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করছে! আরো পড়ুন

বুর্জোয়া বা বুর্জোয়াজি কাকে বলে

বুর্জোয়া বা বুর্জোয়াজি (ফরাসি: Bourgeosie) কথাটি একটি ফরাসি শব্দ। ব্যুৎপত্তিগত অর্থ নগরবাসী। পূর্বে নগরকে বলা হত ‘বুর’ (bourg)। বুর-এর অধিবাসীরা বুর্জোয়া বলে অভিহিত। পুঁজিবাদী অর্থনীতির উদ্ভব হয় ওইসব নগরগুলিতে। শিল্পোন্নয়নে সেগুলি সমৃদ্ধি লাভ করে। যান্ত্রিক অগ্রগতির ফলে ইউরােপে উৎপাদন বাবস্থায় আমূল পরিবর্তন দেখা দেয়। আরো পড়ুন

ক্ষমতা হচ্ছে বাধা বা বিনা বাধায় ঈপ্সিত কোনো কিছু অর্জনের সামর্থ্য

ঈপ্সিত যে কোনও কিছু বিনা বাধায় অথবা বাধার মধ্য দিয়ে অর্জনের সামর্থ্য হলো ক্ষমতা (ইংরেজি: Power)। ক্ষমতার তারতম্য থাকে। খেতাব হিসেবে কিংবা প্রতিনিধিত্ব করার জন্য ক্ষমতা প্রদত্ত হয়; সীমিতভাবে অথবা ভাগাভাগি করে কিংবা সম্মতিক্রমে অথবা বলপ্রয়ােগের মাধ্যমে ক্ষমতা অর্জন সম্ভব। প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার প্রয়ােগ ঘটে। কর্তৃত্ব, বৈধতা, অধিকার

Top