আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > জ্ঞানকোষ > মার্কসবাদকোষ

গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদ হচ্ছে কমিউনিস্ট পার্টির একটি নীতি

গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদ বা অন্তর্দলীয় গণতন্ত্র বা গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীকতাবাদ (ইংরেজি: Democratic centralism) হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কমিউনিস্ট পার্টির সর্ববিধ অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতিনির্ধারণ প্রণালী। বিভিন্ন সমাজতন্ত্রী দেশে পার্টির সঙ্গে যুক্ত সহযোগী সংগঠন, যুব, শ্রমিক এবং অন্যান্য সংস্থার ক্ষেত্রেও এই কর্মপ্রণালী প্রযােজ্য। এই কর্মপ্রণালীর প্রবর্তন করেছিলেন ভি. আই. লেনিন। পার্টির

নারী মুক্তি আন্দোলন প্রসঙ্গে

পুরুষতন্ত্রের বা  পিতৃশাসনের অবসান ঘটিয়ে এবং নারীদের পুরুষদের মতো সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাজে অংশ গ্রহণ ও সুবিধা ভোগ করার অধিকার নিয়ে যে আন্দোলন হয় তাই নারী-মুক্তি আন্দোলন। ফরাসি বিপ্লবের সময় থেকেই নারীরা অংশ গ্রহণ করে সমাজ পরিবর্তনের আন্দোলনে। সেই সময় থেকেই নিজেদের অধিকার সম্পর্কে তারা সচেতন হয় ও দানা

গৃহযুদ্ধ প্রসঙ্গে

গৃহযুদ্ধ (ইংরেজি: Civil War) হচ্ছে কোনো দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের জন্য সে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি, ধর্ম, জাতি অথবা রাজনৈতিক দল কিংবা গোষ্ঠীর মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ।[১] গৃহযুদ্ধ শুরু হয় কোনো এক পক্ষ বা কোনো এক শ্রেণি কর্তৃক একটি দেশ বা একটি অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ, একটি অঞ্চল বা এলাকার স্বাধীনতা ঘোষণা অথবা ক্ষমতাসীন সরকারের

নৈরাজ্যবাদ রাষ্ট্রহীন সমাজব্যবস্থার প্রচারক মতবাদ

নৈরাজ্যবাদ (ইংরেজি: Anarchism) বা নৈরাষ্ট্রবাদ হচ্ছে রাষ্ট্রহীন সমাজ-ব্যবস্থার প্রচারক একটি সমাজ দর্শন। ইংরেজি এ্যানার্কিজম শব্দের মূল হচ্ছে গ্রিক ‘এ্যানার্কস’ শব্দ।[১] নৈরাজ্যবাদ সমাজের যাবতীয় কেন্দ্রিভূত ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে সর্বোপরি রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তার স্বাধীন, মুক্তশ্রমের মালিকানাহীন সমাজতান্ত্রিক সমাজের বাসনা নিয়ে। [২] সপ্তদশ শতকের গৃহযুদ্ধের সময়ে ইংল্যাণ্ডে

অক্টোবর বিপ্লব প্রসঙ্গে

অক্টোবর বিপ্লব (অন্য নাম: নভেম্বর বিপ্লব) ( ইংরেজি: October Revolution) পৃথিবীর ইতিহাসে ঘটে যাওয়া একটি মহান ঘটনা। পৃথিবীর ইতিহাসে কয়েকটি ঘটনা তাদের বিপুলতার কারণে এবং সমাজের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন সাধনের উৎস হিসাবে বিপ্লব বলে পরিচিত হয়ে আসছে। এদের মধ্যে ১৬৪৯ খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যাণ্ডে গৃহযুদ্ধ, ১৬৮৮ খ্রিষ্টাব্দের ইংল্যাণ্ডের পার্লামেন্টের

সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব প্রসঙ্গে

সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব (ইংরেজি: Socialist Revolution) হচ্ছে পুঁজিবাদের উচ্ছেদের ভিত্তিতে কারখানা, যন্ত্র, জমি এবং প্রাকৃতিক অপরাপর সম্পদের উপর শ্রমিক শ্রেণির সমষ্টিগত মালিকানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাম্যবাদী সমাজের দিকে অগ্রগতি। মার্কস এবং এঙ্গেলস মানুষের সমাজের বিকাশ বিশ্লেষণ করে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবকে পুঁজিবাদের পরবর্তী স্তরে অপরিহার্য বলে ঘোষণা করেছিলেন। তারা পুঁজিবাদকে বিশ্লেষণ করে বলেছিলেন যে,

নয়া উপনিবেশবাদের প্রকৃতি ও উত্থান

নয়া উপনিবেশবাদ (ইংরেজি: Neo-colonialism) বা নয়া সাম্রাজ্যবাদ হচ্ছে সরাসরি সামরিক সাম্রাজ্যবাদী নিয়ন্ত্রণ বা পরোক্ষ হেজিমনিমূলক রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে একটি উন্নয়নশীল দেশকে প্রভাবিত করার জন্য পুঁজিবাদ, বিশ্বায়ন ও সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদের প্রয়োগ। ১৯৬০-এর দশকে আফ্রিকার দেশসমূহের বিউপনিবেশায়নের প্রেক্ষাপটে এই শব্দটি প্রথম কোয়ামে নক্রুমার দ্বারা উদ্ভূত হয়েছিল। পশ্চিমা চিন্তাবিদদের লেখায় যেমন জ্যাঁ-পল সার্ত্রের

বুর্জোয়া বিপ্লবের স্বরূপ

বুর্জোয়া বিপ্লব বা ধনতান্ত্রিক বিপ্লব বা পুঁজিবাদী বিপ্লব (Bourgeois Revolution) হচ্ছে সামন্তবাদী অর্থনীতি এবং রাজনীতিক ব্যবস্থার পরিবর্তে শ্রমিক ও যন্ত্রশিল্প ভিত্তিক অর্থনীতি এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা ভিত্তিক রাষ্ট্রকাঠামো প্রতিষ্ঠা। বুর্জোয়া বা পুঁজিবাদী বিপ্লব মানুষের সমাজের বিবর্তনে একটা পর্যায়কে সূচিত করে। ঐতিহাসিক এ পর্যায়ের পরিধি বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম হতে পারে। বস্তুত পৃথিবীব্যাপী

মতান্ধতাবাদ কী এবং কেন প্রতিরোধ করতে হবে

মতান্ধতাবাদ বা dogmatism হচ্ছে অধিবিদ্যাগতভাবে একপেশে, ছকে-বাঁধা ও শিলীভূত চিন্তা, যা কাজ করে অন্ধ মতগুলি নিয়ে। মতান্ধতার ভিত্তি হলো কোনো কর্তৃত্বক্ষমতায় অন্ধ বিশ্বাস এবং অচল-সেকেলে প্রতিজ্ঞাগুলি সমর্থন, সাধারণত ধর্মীয় চিন্তায় চিহ্নিত।[১] মতান্ধতাবাদের খ্রিস্টান ধর্ম অনুযায়ী অর্থ হলো দৈববলে লব্ধ জ্ঞান এবং যাজকবর্গই হলো তার ভাষ্যকার; যিনি এই ধর্ম গ্রহণ করেন

উদারতাবাদ জনগণ গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাবিরোধী এক জান্তব মতবাদ

উদারতাবাদ বা উদারনীতি বা Liberalism হচ্ছে সপ্তদশ-অষ্টাদশ শতকে ইউরোপে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পুঁজিবাদের উদ্ভবের সাথে আবির্ভূত হয়। পুঁজিবাদের অবাধ বিকাশের প্রয়োজনে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে স্বৈরাচারী রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে ব্যক্তি স্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অবাধ প্রতিযোগিতার যে তত্ত্ব বিভিন্ন চিন্তাবিদ ও দার্শনিকগণ প্রচার করেন তা উদারতাবাদ বলে পরিচিত। উদারতাবাদ মূলত ছিলো

Top