আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > ইতিহাস

খুদাই খিদমতগর ছিলো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে চালিত একটি অহিংস আন্দোলন

খুদাই খিদমতগর বা খোদার খেদমতকারী (পশতু ভাষায়: خدايي خدمتگار‎; literally “servants of God”) ছিলো ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলের পশতুন জনগণের দ্বারা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে একটি পশতুন অহিংস আন্দোলন। অবিভক্ত ভারতে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে, বর্তমানে পাকিস্তানে, খাঁ আবদুল গাফফার খাঁর নেতৃত্বে ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠিত একটি মুসলিম রাজনৈতিক সংগঠন, আরো পড়ুন

খিলাফত আন্দোলন ছিলো ভারতে ধর্মীয় পুনর্জাগরণের আন্দোলন

খিলাফত আন্দোলন (ইংরেজি: Khilafat Movement) বা ভারতীয় মুসলিম আন্দোলন ছিলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্কের পরাজয়ের ফলে ভারতীয় মুসলিমদের ভীতি থেকে উদ্ভূত ইসলামি জাগরণপন্থী আন্দোলন। খিলাফত শব্দটি খলিফা শব্দ থেকে উৎপন্ন। শব্দটির অর্থ উত্তরাধিকারী; হজরত মহম্মদের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার যে-সংস্থার প্রতিভূর উপর বিভিন্ন সময়ে পর্যায়ক্রমে বর্তিয়েছিল সেই সংস্থার নাম খিলাফত। আরো পড়ুন

খাকসার ছিলো জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ ও প্রাণীর সেবাকারী আন্দোলন

অমৃতসরের অধিবাসী ইনায়াতুল্লাহ খাঁ (১৮৮৮-১৯৬৩) ইসলাম ধর্ম ও তার আদি ঐতিহ্যের আদর্শে ১৯৩১ সালে খাকসার দল (ইংরেজি: Khaksar Movement) গঠন করেন। খাকসার কথাটি পারসি ভাষা থেকে গৃহীত। শব্দটির অর্থ (খাক + সার) মাটির ধূলা । খাক’-এর অর্থ ধূলা এবং ‘সার’ মানে জীবন। যিনি খাকসার হবেন তাঁকে মাটির ধুলার মতাে বিনয়ন হতে হবে। আরো পড়ুন

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাস

১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে রুশ বিপ্লবের পর দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক থেকে লেনিন তাঁর সমর্থন প্রত্যাহার করে ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে তৃতীয় আন্তর্জাতিক বা সাম্যবাদী আন্তর্জাতিক সংক্ষেপে কমিন্টার্ন গঠন করেন। কমিন্টার্নের পরিচালনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্ট আন্দোলন সম্প্রসারণের কর্মসূচি গৃহীত হয়। এর কিছুকাল আগে মেক্সিকোয় ভারতীয় জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী মানবেন্দ্রনাথ রায় মার্কসবাদী দর্শনে দীক্ষিত হয়ে রুশ দেশের বাইরে প্রথম একটি কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আরো পড়ুন

কমিউনিস্ট পার্টিসমূহের ইতিহাস

উনিশ শতকের ত্রিশের দশকে কার্ল মার্কসফ্রিডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিজম শব্দটি ব্যবহার করেন। একটি আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংগঠন হিসেবে কমিউনিস্ট লিগ গঠনসুত্রে তাঁরা কমিউনিস্ট ইশতেহার (১৮৪৮) গ্রন্থে একটি দল অর্থে কমিউনিস্ট শব্দটির সূত্রপাত করেন। কার্যত কমিউনিস্ট শব্দটি ব্যাপক প্রচলন লাভ করে ১৯১৭ সালের অক্টোবর বিপ্লবের পর। আরো পড়ুন

আইন অমান্য আন্দোলন প্রসঙ্গে

আইন অমান্য আন্দোলন (Civil disobedience movement) হচ্ছে আন্দোলনের একটি প্রতিক্রিয়াশীল সুবিধাবাদী ধারা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃতিবাদী দার্শনিক হেনরি ডেভিড থােরাে (১৮১৭-৬২) তাঁর ‘অন দ্য ডিউটি অব সিভিল ডিসওবিডিয়েন্স’ (১৮৪৯) নামে একটি প্রবন্ধে গণপ্রতিবাদ ও আন্দোলনের এই পদ্ধতিটি তুলে ধরেন। যে-সরকার ক্রীতদাস প্রথা অনুমােদন করে সে সরকারকে কর না দেবার সিদ্ধান্তকে তিনি

অসহযােগ আন্দোলন ভারতীয় জমিদারশ্রেণির ক্ষমতা কুক্ষিগত করার আন্দোলন

ভারতের জাতিয়তাবাদী আন্দোলনের প্রতিক্রিয়াশীল নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে ১৯২০-২২ সালে পরিচালিত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতীয় জমিদারশ্রেণির ক্ষমতা কুক্ষিগত করার আন্দোলন হচ্ছে অসহযােগ আন্দোলন। এই আন্দোলনে জনগণের বিক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে ভারতের জমিদারশ্রেণি নিজেদেরকে সারা ভারতে কৃষকশ্রমিকদের উপর ক্ষমতার ছড়ি ঘোরানোর দক্ষতা অর্জন করে। আরো পড়ুন

আঠারো শতকের ষাটের দশকে শাসন সংস্কার

ঔপনিবেশিক শাসন প্রণালীর পরিবর্তন ১৮৫৭-১৮৫৯ খ্রীস্টাব্দের গণ-অভ্যুত্থান ভারতের ইতিহাসে একটি অতি গুরত্বপূর্ণ ঘটনা। এতে ব্রিটিশ শাসনের সামাজিক ভিত্তির আপেক্ষিক দুর্বলতা প্রকটিত হয়েছিল এবং শোষকদের বিরুদ্ধে জনগণের গভীর ঘৃণাও আত্মপ্রকাশ করেছিল। প্রসঙ্গত জওহরলাল নেহরুর ‘ভারত সন্ধানে' বইটির একটি উদ্ধৃতি উল্লেখ্য: ‘বিপ্লর কেবল প্রত্যক্ষভাবে দেশের কোনো কোনো অংশে দেখা দিলেও এটি সারা

ভারতে ব্রিটিশ উপনিবেশবিরোধী প্রতিরোধ ও সংগ্রাম

ভারতে ব্রিটিশ প্রাধান্য দৃঢবদ্ধ হয়ে উঠেছে এই বিশ্বাসে ঔপনিবেশিক শাসকগণ সারা ভারতে প্রত্যক্ষ ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ধীরে ধীরে দেশীয় রাজাগুলি তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এই লক্ষ্যার্জনের অন্যতম উপায় ছিল ‘রাজ্যগুলির স্বত্বলোপ নীতি’ প্রবর্তন। এতে নিঃসন্তান রাজার দত্তক পুত্রের উপর রাজ্যের মালিকানা অর্সাত না। এভাবে ১৮৪৮-১৮৫৮ খ্রীস্টাব্দের মধ্যে সাতারা,

ষোড়শ ও সপ্তদশ শতকে ভারতীয় সংস্কৃতি

সর্বাঙ্গীন পরিচিতি আকবরের রাজত্বকালে ভারতীয় সংস্কৃতি ক্ষেত্রে প্রাধান্য লাভ করেছিল মুসলমান ও হিন্দু, এই দুটি প্রধান সংস্কৃতি থেকে আহৃত উপাদানসমূহের এক সংশ্লেষণী প্রক্রিয়া। হিন্দু সংস্কৃতির উপাদানগুলি স্পষ্টতই প্রাধান্য পেয়েছিল ফতেপুর সিক্রির অট্টালিকাগুলির স্থাপত্যশৈলীতে : তাই আমরা দেখতে পাই সমতল ছাদের গঠন, ফুলের মালার বিজড়িত ছাঁদে হিন্দু অলঙ্করণ-শৈলীর ছাপ, ইত্যাদি। ফতেপুর সিক্রিতে

Top