আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > ইতিহাস

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মধ্যপ্রাচ্য রণাঙ্গন চলে ২৯ অক্টোবর ১৯১৪ থেকে ৩০ অক্টোবর ১৯১৮ পর্যন্ত

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মধ্যপ্রাচ্য রণাঙ্গন বা মধ্য প্রাচ্যে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রঙ্গমঞ্চ (ইংরেজি: Middle Eastern theatre of First World War) চলে ২৯ অক্টোবর ১৯১৪ থেকে ৩০ অক্টোবর ১৯১৮ পর্যন্ত। গ্যালিপলির যুদ্ধ  প্রথম বিশ্বযুদ্ধের উত্তাল দিনগুলােতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংঘাত শুরু হয় তুরস্কের গ্যালিপলি উপত্যকায়। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ব্রিটিশ, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও নিউ ফাউন্ডল্যান্ডের মিলিত

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধ প্রযুক্তি শিল্পবাদ এবং অস্ত্রের জন্য ব্যাপক-উৎপাদন পদ্ধতির প্রয়োগ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধ প্রযুক্তি (ইংরেজি: Technology during World War I) হচ্ছে ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সালের মধ্যে শিল্পবাদ এবং অস্ত্রের জন্য ব্যাপক-উৎপাদন পদ্ধতির প্রয়োগ এবং সাধারণভাবে যুদ্ধ তৎপরতার প্রযুক্তির দিকের ঝোঁককে প্রতিফলিত করে। আরো পড়ুন

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের নৌযুদ্ধ তৎপরতা মূলত অবরোধ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছিল

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের নৌযুদ্ধ তৎপরতা (ইংরেজি: Naval warfare of First World War) মূলত অবরোধ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছিল। মিত্র শক্তিগুলি, তাদের বৃহত্তর নৌবহর এবং আশেপাশের অবস্থানের দরুন জার্মানি এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় শক্তিগুলির বিরুদ্ধে তাদের অবরোধ অনেকাংশে সফল করেছিল। অপরপক্ষে কেন্দ্রীয় শক্তিগুলি সেই অবরোধ ভাঙ্গার চেষ্টা করেছিল, আরো পড়ুন

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় পূর্ব রণাঙ্গন ছিল মধ্য ও পূর্ব ইউরােপের দিকে বিস্তৃত যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় পূর্ব রণাঙ্গন (Eastern Front বা Eastern Theater of First World War) ছিল মধ্য ও পূর্ব ইউরােপের দিকে বিস্তৃত যুদ্ধক্ষেত্র। পূর্ব রণাঙ্গন পশ্চিম রণাঙ্গন থেকে আলাদা ছিল। এখানকার ভৌগােলিক অবস্থান যুদ্ধ এগিয়ে নেয়ার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পশ্চিম রণাঙ্গনের লড়াইয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধকে পরিখার লড়াই বললেও বাড়িয়ে বলা হবে না। আরো পড়ুন

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় পশ্চিম রণাঙ্গন ছিল ইউরোপের প্রধান যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ চলাকালীন ব্যবহৃত অস্ত্র

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় পশ্চিম রণাঙ্গন (ইংরেজি: Western Front of First World War) ছিল ইউরোপের যুদ্ধের প্রধান যুদ্ধক্ষেত্র। বলতে গেলে ১৯১৪ সালের ২১ আগস্ট ব্রিটিশ এক্সপিডিশনারি ফোর্সের চতুর্থ ড্রাগন গার্ডসের ১২০ জন অশ্বারােহী সৈন্য গিয়ে অবস্থান নেয় বেলজিয়ামের চ্যাস্টাউ গ্রামে। সেখানে জার্মান সৈন্যদের জোরদার অবস্থান দেখে নিজেকে সামলাতে পারেননি ১৬ বছর

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণ অর্থনৈতিক দ্বন্দ্ব, সামরিকবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও জাতীয়তাবাদের বিকাশ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণগুলো (ইংরেজি:Causes of World War I) বিতর্কিত; যদিও রাজনৈতিক, আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক দ্বন্দ্ব, সামরিকবাদ, জোটবদ্ধতা ও মিতালিকরণের একটি জটিল জাল, সাম্রাজ্যবাদ, জাতীয়তাবাদের বিকাশ এবং অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের ফলে সৃষ্ট শক্তি শূন্যতাকে এই যুদ্ধের কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আরো পড়ুন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের রণক্ষেত্র এবং প্রচারণাগুলো হচ্ছে যুদ্ধের ধরন, রণক্ষেত্র এবং প্রচারণার রূপ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের রণরঙ্গ

বহুবিধ ঘটন-অঘটনের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের রণক্ষেত্র এবং প্রচারণাগুলি (ইংরেজি: Theaters and campaigns of World War II) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সামরিক অভিযান ও যুদ্ধের ধরন অনুসারে সমসাময়িক যুদ্ধগুলিকে, তারপরে রণক্ষেত্র এবং তারপরে প্রচারণা পদ্ধতি অনুসারে উপ-ভাগে বিভক্ত করে। ব্যাটল অব আল আমিন  দুই ফিল্ড মার্শালের দ্বৈরথ নাকি ব্রিটিশ-জার্মান সংঘাত কি বলে বিবরণ দিলে সবচেয়ে উপযুক্ত

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণ সাম্রাজ্যবাদ, নাৎসি পার্টির ক্ষমতা দখল এবং ইতালি-জাপানের সমরবাদ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শীর্ষস্থানীয় কারণগুলির মধ্যে আছে অ্যাডলফ হিটলারের ১৯৩৩ সালে জার্মানির ক্ষমতা দখল এবং নাৎসি পার্টির রাজনৈতিক কর্তৃত্ব গ্রহণ, যারা ১৯১৯ সালের ভার্সাই চুক্তি লঙ্ঘন করে আগ্রাসী বিদেশী নীতি নির্মমভাবে প্রচার করেছিল, চীনের বিরুদ্ধে জাপানী সামরিকবাদ, ইথিওপিয়ার বিরুদ্ধে ইতালির আগ্রাসন। আরো পড়ুন

মহামন্দা ছিল একটি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা যা ১৯৩০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয়

জ্ঞান অনুসরণ

মহামন্দা (ইংরেজি: The Great Depression) ছিল একটি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা যা বেশিরভাগ ১৯৩০-এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু হয়েছিল। মহামন্দার সময় বিভিন্ন দেশ জুড়ে ভিন্নভাবে চোখে পড়ে; বেশিরভাগ দেশগুলিতে এটি ১৯২৯ সালে শুরু হয়েছিল এবং ১৯৩০-এর দশকের শেষভাগ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। এটি ছিল বিংশ শতাব্দীর দীর্ঘতম, গভীরতম এবং সবচেয়ে বিস্তৃত মন্দা।[১] বিশ্ব অর্থনীতি কত দ্রুত হ্রাস পেতে পারে তার উদাহরণ হিসাবে সাধারণত মহামন্দা শব্দটি ব্যবহৃত হয়।[২] আরো পড়ুন

ভারতীয় বিপ্লবীদের কার্যকলাপ ভারতের বিপ্লবী জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের একটি প্রধান অধ্যায়

বিপ্লবী আন্দোলন

ভারতের বিপ্লবী জাতীয় মুক্তি আন্দোলন (ইংরেজি: Revolutionary movement for Indian independence) হচ্ছে ভারতীয় বিপ্লবীদের জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের বহুবিধ কার্যকলাপের প্রধান অধ্যায়। এই আন্দোলন গোপন ও প্রকাশ্য বিপ্লবী দলগুলির ক্রিয়াকলাপের একটি অংশ ছিল। স্বাধীনতার শত্রু মুৎসুদ্দি প্রতিনিধি সাম্প্রদায়িক সামন্তবাদী মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে পরিচালিত সাধারণভাবে আইন অমান্য আন্দোলনের বিরোধী হিসাবে ক্ষমতাসীন

Top
You cannot copy content of this page