You are here
Home > ইতিহাস

উপনিবেশবাদের ফলাফল ও বিশ্ব সমাজের রূপ

আজকের দিনে বসে দুনিয়াকে বুঝতে হলে উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের ইতিহাসকে ভালো করে বোঝা দরকার। পঞ্চদশ শতকের শেষ ভাগ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগ পর্যন্ত ছিল উপনিবেশবাদের স্বর্ণযুগ। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে এসে অধিকাংশ উপনিবেশগুলোতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হয় এবং শোষণ ও লুটপাটকারী দেশগুলো সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে। সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো পরস্পরের বিরুদ্ধে মহাযুদ্ধে

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

শেষ অংশ প্রথম অংশ, দ্বিতীয় অংশ, তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ পঞ্চম অংশ কিন্তু কোমের ‘মহাশয়দের’ প্রতি তাদের রোমান্টিক পার্বত্যজাতিসুলভ ব্যক্তিপূজার আরো কঠোর প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়েছিল সাহসী গলদের।  তাদের মাছের গন্ধ পৌছল ‘মহাশয়দের’ নাকে। তাঁরা কিছু মুনাফার ঘ্রাণ পেলেন এবং উপকূলটা ইজারা দিয়ে দিলেন লন্ডনের বড়ো বড়ো মৎস্যব্যবসায়ীদের কাছে। দ্বিতীয় বারের

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

পঞ্চম অংশ প্রথম অংশ, দ্বিতীয় অংশ, তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, শেষ অংশ  ভূমি থেকে কৃষিজনগণের ঢালাও উচ্ছেদের শেষ প্রক্রিয়াটা হলো, অবশেষে, তথাকথিত ‘মহাল সাফ’, অর্থাৎ মানুষগুলোকে সেখান থেকে ঝোঁটিয়ে দূর করা। এ পর্যন্ত যেসব ইংরেজী পদ্ধতির বিচার করা হয়েছে তার তুঙ্গ বিন্দু হলো ‘সাফ করা’। আগের একটি পরিচ্ছেদে আধুনিক অবস্থার

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

চতুর্থ অংশ প্রথম অংশ, দ্বিতীয় অংশ, তৃতীয় অংশ, পঞ্চম অংশ, শেষ অংশ ১৮শ শতক অবশ্য জাতীয় ঐশ্বর্য ও জনগণের দারিদ্র্যের মধ্যে অভিন্নতাটা ১৯শ শতকের মতো অতো পরিপূর্ণভাবে তখনো দেখতে পায় নি। সেইজন্যই তখনকার অর্থনৈতিক সাহিত্যে ‘সর্বজনীন ভূমির ঘেরাও-দখল’ নিয়ে অতি প্রচন্ড বিতর্ক দেখা যায়। আমার সামনে যে পুঞ্জীভূত মালমসলা আছে, তা

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

তৃতীয় অংশ প্রথম অংশ, দ্বিতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, পঞ্চম অংশ, শেষ অংশ  এমন কি ১৭শ শতকের শেষ দশকেও ইয়োমেন সম্প্রদায় বা স্বাধীন কৃষক শ্রেণি ছিলো খামারী শ্রেণির চেয়ে অনেক সংখ্যাবহুল। ক্রমওয়েলের শক্তির মেরুদন্ড ছিলো তারাই এবং এমন কি ম্যাকওয়েলের স্বীকৃতি অনুসারেই, মাতাল জমিদার ও তাদের সেবাদাস গ্রাম্য যাজকেরা, প্রভুর পরিত্যক্ত প্রণয়িনীকে

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

দ্বিতীয় অংশ প্রথম অংশ, তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, পঞ্চম অংশ, শেষ অংশ  এ বিপ্লবে আতঙ্কিত হয়ে ওঠে আইনসভা। তখনো সে সভ্যতার সেই ঊর্ধ্বে গিয়ে দাঁড়ায় নি, যেখানে ‘জাতির ধন’ (অর্থাৎ পুঁজির সৃষ্টি এবং ব্যাপক জনগণের বেপরোয়া শোষণ ও নিঃস্বীভবন) হয়ে ওঠে সমস্ত রাষ্ট্রকর্মের ultima Thule [চূড়ান্ত সীমা]। তাঁর সপ্তম হেনরির ইতিহাসে

শ্রেণিযুদ্ধই মুক্তির পথ

যুদ্ধকে দুই ভাগে ভাগ করেছিলেন ভি আই লেনিন, ন্যায়যুদ্ধ এবং অন্যায় যুদ্ধ। শ্রেণি উদ্ভবের পর থেকে যেসব যুদ্ধ হয়েছে তার বেশ কিছু যুদ্ধই শ্রেণিযুদ্ধ। তবে শোষকেরাও পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, যেমন দুজন দাসমালিকের একজনের আছে একশ জন দাস, এবং অন্যজনের আছে দুইশ জন দাস, তাঁরা যদি পরস্পরের বিরুদ্ধে দাসের

প্যারিস কমিউন পৃথিবীর প্রথম প্রলেতারিয় একনায়কত্ব

প্যারিস কমিউন (ইংরেজি: Paris Commune) হচ্ছে ১৮৭১ সালে ফ্রান্সের প্যারিতে প্রলেতারিয় বিপ্লবীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রলেতারিয়েত শ্রেণির বিপ্লবী সরকার। সেটি ছিলো ইতিহাসে প্রথম প্রলেতারিয় একনায়কত্বের সরকার, তবে প্যারিসের বীর শ্রমিক শ্রেণি সেটিকে টিকিয়ে রাখতে সমর্থ হয় ৭২ দিন; ১৮৭১ সালের ১৮ মার্চ থেকে ২৮ মে। প্যারিসের কমিউনার্ডগণ পুরনো রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ

ফরাসি বিপ্লবে সমানপন্থিদের শ্রেণিসংগ্রাম

আধুনিক সমাজতন্ত্রের ইতিহাস শুরু হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লবের (ইংরেজি: French Revolution) প্রাক্কালে এবং শিল্প বিপ্লবের ফলে সেটির রূপ পালটে গিয়েছিল। তবুও একথা বলা যায় যে এই বিপ্লবের বহু পূর্বে অতীতকালের নানা ধারণা এবং আন্দোলনগুলোতে সমাজতন্ত্র তার স্থান করে নিয়েছিল। ১৮৪৮ সালের ইউরোপীয় বিপ্লবের পূর্বমুহূর্তে সেই বছরেই কার্ল মার্কস এবং

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

প্রথম অংশ দ্বিতীয় অংশ,  তৃতীয় অংশ, চতুর্থ অংশ, পঞ্চম অংশ, শেষ অংশ  ইংলন্ডে ভূমিদাসপ্রথা কাৰ্যত অদৃশ্য হয় ১৪শ শতকের শেষ ভাগে। তখনকার এবং আরো বেশি করে ১৫শ শতকের জনগণের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই[১] ছিলো মুক্ত কৃষক-মালিক, তা তাদের স্বত্বাধিকার যে সামন্ত পাট্টাতেই ঢাকা থাক না কেন। বড়ো বড়ো সামন্ত মহালগুলিতে সাবেকী যে

Top