You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > ইতিহাস

ইতিহাস হচ্ছে কোনো বস্তুর বিকাশের চেতনানিরপেক্ষ প্রক্রিয়া যা বাস্তবের স্থান কালে সংঘটিত ও তদনুসারে লিখিত

ইতিহাস হচ্ছে কোনো বস্তুর বিকাশের খোদ চেতনানিরপেক্ষ প্রক্রিয়া যা বাস্তবে স্থান ও কালে সংঘটিত হয়।[১] এক কথায় ইতিহাস হচ্ছে লিখিত নথিতে অতীতের বর্ণনা এবং উক্ত বর্ণনার অধ্যয়ন। ইতিহাস তুলে ধরে দেশ, জাতি বা প্রকৃতির বিভিন্ন যুগের সামাজিক রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক জীবনের সত্যনিষ্ঠ ধারাবাহিক বর্ণনা। মানুষের সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে যুক্ত এই সব

ভারতের ইতিহাস প্রসঙ্গে

বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতাগুলির একটির উৎপত্তি ঘটে ভারতে। এখানেই গড়ে ওঠে অত্যন্ত উচুস্তরের উন্নত এক সংস্কৃতি যা এই দেশের পরবর্তী বিকাশের ক্ষেত্রে এবং সমগ্রভাবে গােটা প্রাচ্যের, মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ও দূর প্রাচ্যের বহু, জাতির সংস্কৃতির অগ্রগতিতে বিপুল প্রভাব বিস্তার করে। প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার, ইত্যাদির ফলে এখন প্রমাণ পাওয়া গেছে যে

ঐতিহাসিকতাবাদ কাকে বলে?

ঐতিহাসিকতাবাদ (ইংরেজি: Historicism) হচ্ছে ইতিহাসের বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কোনো বস্তু বা বিষয়ের উদ্ভব এবং বিকাশের অনুধাবন। ঐতিহাসিকতাবাদ বৈজ্ঞানিক গবেষণার একটি মৌলিক পদ্ধতি। জগৎ ও সমাজের প্রশ্নে আধুনিক বিজ্ঞানের বিকাশের পূর্ব পর্যন্ত প্রচলিত পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য ছিল দার্শনিক কল্পনা ও বিশ্লেষণ। এ পদ্ধতিতে সমস্যা মাত্রকে নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন মনে করা হতো। ফলে, বাস্তব

ইতিহাসের অর্থনৈতিক ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে

ইতিহাসের মার্কসবাদী ব্যাখ্যাকে অনেক সময়ে ইতিহাসের অর্থনৈতিক ব্যাখ্যা (ইংরেজি: Economic Interpretation of History) বলে অভিহিত করা হয়। বস্তুত মার্কসবাদের মূল সূত্র তিনটি বলে পরিচিত ১. বস্তুবাদ তথা দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ ২. ঐতিহাসিক বস্তুবাদ বা ইতিহাসের ব্যাখ্যায় দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের প্রয়োগ ঐতিহাসিক দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ; ৩. সমাজের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ। কার্ল মার্কস মানুষকেই ইতিহাসের নির্মাতা

আকষ্মিক বিবর্তন কাকে বলে

জীবন এবং প্রকৃতির ক্ষেত্রে ডারউইনের বিবর্তনবাদ এবং বস্তুবাদের বিরোধীতা হিসাবে ‘আকষ্মিক বিবর্তনবাদ’ বা ‘আকষ্মিক বিকাম’ (ইংরেজি: Accidental Evoluation)- এর উদ্ভব দেখা যায়। এ মতের প্রধান ব্যাখ্যাদাতাদের মধ্যে স্যামুয়েল আলেকজাণ্ডার, এস. লয়েড মরগান, সি. ডি. ব্রড প্রমুখ দার্শনিকের নাম উল্লেখযোগ্য। এই সমস্ত দার্শনিককে ‘নব বাস্তববাদী’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়। কিন্তু এ

খুদাই খিদমতগর ছিলো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে চালিত একটি অহিংস আন্দোলন

খুদাই খিদমতগর বা খোদার খেদমতকারী (পশতু ভাষায়: خدايي خدمتگار‎; literally “servants of God”) ছিলো ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলের পশতুন জনগণের দ্বারা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে একটি পশতুন অহিংস আন্দোলন। অবিভক্ত ভারতে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে, বর্তমানে পাকিস্তানে, খাঁ আবদুল গাফফার খাঁর নেতৃত্বে ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠিত একটি মুসলিম রাজনৈতিক সংগঠন, আরো পড়ুন

খিলাফত আন্দোলন ছিলো ভারতে ধর্মীয় পুনর্জাগরণের আন্দোলন

খিলাফত আন্দোলন (ইংরেজি: Khilafat Movement) বা ভারতীয় মুসলিম আন্দোলন ছিলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্কের পরাজয়ের ফলে ভারতীয় মুসলিমদের ভীতি থেকে উদ্ভূত ইসলামি জাগরণপন্থী আন্দোলন। খিলাফত শব্দটি খলিফা শব্দ থেকে উৎপন্ন। শব্দটির অর্থ উত্তরাধিকারী; হজরত মহম্মদের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার যে-সংস্থার প্রতিভূর উপর বিভিন্ন সময়ে পর্যায়ক্রমে বর্তিয়েছিল সেই সংস্থার নাম খিলাফত। আরো পড়ুন

খাকসার ছিলো জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ ও প্রাণীর সেবাকারী আন্দোলন

অমৃতসরের অধিবাসী ইনায়াতুল্লাহ খাঁ (১৮৮৮-১৯৬৩) ইসলাম ধর্ম ও তার আদি ঐতিহ্যের আদর্শে ১৯৩১ সালে খাকসার দল (ইংরেজি: Khaksar Movement) গঠন করেন। খাকসার কথাটি পারসি ভাষা থেকে গৃহীত। শব্দটির অর্থ (খাক + সার) মাটির ধূলা । খাক’-এর অর্থ ধূলা এবং ‘সার’ মানে জীবন। যিনি খাকসার হবেন তাঁকে মাটির ধুলার মতাে বিনয়ন হতে হবে। আরো পড়ুন

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাস

১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে রুশ বিপ্লবের পর দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক থেকে লেনিন তাঁর সমর্থন প্রত্যাহার করে ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে তৃতীয় আন্তর্জাতিক বা সাম্যবাদী আন্তর্জাতিক সংক্ষেপে কমিন্টার্ন গঠন করেন। কমিন্টার্নের পরিচালনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্ট আন্দোলন সম্প্রসারণের কর্মসূচি গৃহীত হয়। এর কিছুকাল আগে মেক্সিকোয় ভারতীয় জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী মানবেন্দ্রনাথ রায় মার্কসবাদী দর্শনে দীক্ষিত হয়ে রুশ দেশের বাইরে প্রথম একটি কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আরো পড়ুন

কমিউনিস্ট পার্টিসমূহের ইতিহাস

উনিশ শতকের ত্রিশের দশকে কার্ল মার্কসফ্রিডরিখ এঙ্গেলস কমিউনিজম শব্দটি ব্যবহার করেন। একটি আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংগঠন হিসেবে কমিউনিস্ট লিগ গঠনসুত্রে তাঁরা কমিউনিস্ট ইশতেহার (১৮৪৮) গ্রন্থে একটি দল অর্থে কমিউনিস্ট শব্দটির সূত্রপাত করেন। কার্যত কমিউনিস্ট শব্দটি ব্যাপক প্রচলন লাভ করে ১৯১৭ সালের অক্টোবর বিপ্লবের পর। আরো পড়ুন

Top