You are here
Home > ইতিহাস

উপনিবেশবাদের ফলাফল ও বিশ্ব সমাজের রূপ

আজকের দিনে বসে দুনিয়াকে বুঝতে হলে উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের ইতিহাসকে ভালো করে বোঝা দরকার। পঞ্চদশ শতকের শেষ ভাগ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগ পর্যন্ত ছিল উপনিবেশবাদের স্বর্ণযুগ। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে এসে অধিকাংশ উপনিবেশগুলোতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হয় এবং শোষণ ও লুটপাটকারী দেশগুলো সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে। সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো পরস্পরের বিরুদ্ধে মহাযুদ্ধে

শ্রেণিযুদ্ধই মুক্তির পথ

যুদ্ধকে দুই ভাগে ভাগ করেছিলেন ভি আই লেনিন, ন্যায়যুদ্ধ এবং অন্যায় যুদ্ধ। শ্রেণি উদ্ভবের পর থেকে যেসব যুদ্ধ হয়েছে তার বেশ কিছু যুদ্ধই শ্রেণিযুদ্ধ। তবে শোষকেরাও পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, যেমন দুজন দাসমালিকের একজনের আছে একশ জন দাস, এবং অন্যজনের আছে দুইশ জন দাস, তাঁরা যদি পরস্পরের বিরুদ্ধে দাসের

প্যারিস কমিউন পৃথিবীর প্রথম প্রলেতারিয় একনায়কত্ব

প্যারিস কমিউন (ইংরেজি: Paris Commune) হচ্ছে ১৮৭১ সালে ফ্রান্সের প্যারিতে প্রলেতারিয় বিপ্লবীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রলেতারিয়েত শ্রেণির বিপ্লবী সরকার। সেটি ছিলো ইতিহাসে প্রথম প্রলেতারিয় একনায়কত্বের সরকার, তবে প্যারিসের বীর শ্রমিক শ্রেণি সেটিকে টিকিয়ে রাখতে সমর্থ হয় ৭২ দিন; ১৮৭১ সালের ১৮ মার্চ থেকে ২৮ মে। প্যারিসের কমিউনার্ডগণ পুরনো রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ — কার্ল মার্কস

ইংলন্ডে ভূমিদাসপ্রথা কার্য্যত অদৃশ্য হয় ১৪শ শতকের শেষ ভাগে। তখনকার এবং আরো বেশি করে ১৫শ শতকের জনগণের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই[১] ছিলো মুক্ত কৃষক-মালিক, তা তাদের স্বত্বাধিকার যে সামন্ত পাট্টাতেই ঢাকা থাক না কেন। বড়ো বড়ো সামন্ত মহালগুলিতে সাবেকী যে গোমস্তা ছিলো নিজেই একজন ভূমিদাস, তার জায়গায় এসে দাঁড়ায় মুক্ত খামারী।

কমিউনিস্ট লীগের ইতিহাস

‘কমিউনিস্ট লীগ’ হচ্ছে প্রলেতারিয়েতের প্রথম আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট সংগঠন। এটি প্রতিষ্ঠার আগে বিভিন্ন দেশের সমাজতন্ত্রী ও অগ্রণী শ্রমিকদের মতাদর্শ ও সংগঠনের দিক থেকে জমায়েত করার জন্য মার্কস ও এঙ্গেলসকে প্রচুর খাটতে হয়েছিল। এই লক্ষ্য নিয়ে তাঁরা ১৮৪৬ খ্রীস্টাব্দেই ব্রাসেলসে কমিউনিস্ট করেসপন্ডেন্স কমিটি গঠন করেন। বৈজ্ঞানিক কমিউনিজমের ভাবাদর্শ প্রতিষ্ঠায় মার্কস ও এঙ্গেলস

মার্কসবাদী দৃষ্টিতে ইতিহাস

ইতিহাস বিষয়ে এঙ্গেলসের দক্ষতা ছিলো মার্কসের চেয়ে বিস্তৃত। মার্কস তাই বলেছিলেন যে, ইতিহাসের বস্তুবাদী ধারনায় এঙ্গেলস একেবারে নিজস্ব পদ্ধতিতে পৌঁছেছিলেন। এঙ্গেলস কিন্তু বলেছেন, ‘মানুষের ইতিহাসের বিকাশের নিয়ম’ মার্কসের দুটি মূল্যবান আবিষ্কারের অন্যতম।[১] ইতিহাস অর্থ কেবল ঘটনাবলির বর্ণনা নয়। যেকোনো সময়ের বাস্তব অবস্থা, নানা শর্ত, বিভিন্ন সম্পর্কের অন্তর্ভেদ করাই হলো ইতিহাসের

শ্রেণিসংগ্রাম প্রসঙ্গে মার্কসবাদ

উৎপাদন ব্যবস্থার সমরূপের দ্বারা সৃষ্ট, শ্রম-অবস্থানের বিভিন্ন স্তরে অবস্থানরত জনগোষ্ঠী হলো শ্রেণি। সমঅবস্থান ও সমস্বার্থের চেতনা হলো শ্রেণিচেতনা। বর্তমান সমাজ শ্রেণিতে বিভক্ত। সাধারণ শ্রেণি স্বার্থের জন্য সংগ্রামেই দীর্ঘকাল ধরে নির্ধারিত হচ্ছে মানব সমাজের ঐতিহাসিক বিকাশ। সেই কারণে মার্কসবাদী তত্ত্ব শ্রেণিসংগ্রামকেই মনে করে ইতিহাসের চালিকা শক্তি এবং খুবই মনোযোগ প্রদান করে

মার্কসবাদের তিনটি উৎস

মার্কসবাদ বলতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের মতবাদকে বোঝায় না। এর মধ্যে দর্শন, রাজনীতি, অর্থনীতি, ইতিহাস, সমাজ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় এবং এসব বিষয় সম্পর্কিত বিভিন্ন মতবাদের সমাবেশ ঘটেছে। মানুষ, তার সমাজ এবং তার আশপাশের প্রকৃতিকে কেন্দ্র করেই মার্কসবাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় ও মতবাদের উদ্ভব ঘটেছে। এসব বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে দর্শন, রাজনীতি ও

Top