You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > ইতিহাস

ভারতীয় বিপ্লবীদের কার্যকলাপ ভারতের বিপ্লবী জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের একটি প্রধান অধ্যায়

বিপ্লবী আন্দোলন

ভারতের বিপ্লবী জাতীয় মুক্তি আন্দোলন (ইংরেজি: Revolutionary movement for Indian independence) হচ্ছে ভারতীয় বিপ্লবীদের জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের বহুবিধ কার্যকলাপের প্রধান অধ্যায়। এই আন্দোলন গোপন ও প্রকাশ্য বিপ্লবী দলগুলির ক্রিয়াকলাপের একটি অংশ ছিল। স্বাধীনতার শত্রু মুৎসুদ্দি প্রতিনিধি সাম্প্রদায়িক সামন্তবাদী মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে পরিচালিত সাধারণভাবে আইন অমান্য আন্দোলনের বিরোধী হিসাবে ক্ষমতাসীন

বাঙালির যুদ্ধচিন্তা হচ্ছে বঙ্গ অঞ্চলের জনগণের নিজ সম্পদ রক্ষার সাধারণ লড়াই

সিপাহী যুদ্ধ

বাঙালির যুদ্ধ সংক্রান্ত চিন্তা হচ্ছে বঙ্গ অঞ্চলের জনগণের নিজ সম্পদ রক্ষার সাধারণ লড়াই এবং এই লড়াইয়ের সংগে লেখক-বুদ্ধিজীবীদের যোগ সামান্যই ঘটেছে। বঙ্গ অঞ্চলের মানুষ মূলত দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ বা দীর্ঘ দশ বছর যুদ্ধ করেছিলেন ১৫৭৫ থেকে ১৫৮৫ অবধি। সেই যুদ্ধটিই মনে হয় এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এবং মোঘলদের বিরুদ্ধে সেই যুদ্ধটিই

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ হচ্ছে ইউরোপে ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী বিশ্বযুদ্ধ

প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ চলাকালীন ব্যবহৃত অস্ত্র

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা বিশ্ব যুদ্ধ প্রথম বা মহাযুদ্ধ বা প্রথম সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বযুদ্ধ (প্রায়শই ইংরেজিতে: First World War বা সংক্ষিপ্তরূপে WWI বা WW1), হচ্ছে ইউরোপে সংঘটিত একটি বিশ্বযুদ্ধ যা ২৮ জুলাই ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর ১৯১৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এই মহাযুদ্ধ ৬ কোটি ইউরোপীয়সহ ৭ কোটিরও বেশি সামরিক কর্মীকে একত্রিত করেছিল যা এটিকে তৎকালীন সময়ে ইতিহাসের বৃহত্তম যুদ্ধ হিসাবে পরিণত করেছিল। আরো পড়ুন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ হচ্ছে একটি বিশ্বযুদ্ধ যা ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বা বিশ্ব যুদ্ধ দ্বিতীয় (প্রায়শই ইংরেজিতে: Second World War বা সংক্ষিপ্তরূপে WWII বা WW2), হচ্ছে একটি বিশ্বযুদ্ধ যা ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। সমস্ত মহাশক্তিশালী দেশসহ বিশ্বের সবগুলো দেশের অধিকাংশ— মিত্রশক্তি এবং অক্ষশক্তি নামে অবশেষে দুটি বিরোধী সামরিক জোট গঠন করেছিল। আরো পড়ুন

ইতিহাস হচ্ছে কোনো বস্তুর বিকাশের চেতনানিরপেক্ষ প্রক্রিয়া যা বাস্তবের স্থান কালে সংঘটিত ও তদনুসারে লিখিত

ইতিহাস হচ্ছে কোনো বস্তুর বিকাশের খোদ চেতনানিরপেক্ষ প্রক্রিয়া যা বাস্তবে স্থান ও কালে সংঘটিত হয়।[১] এক কথায় ইতিহাস হচ্ছে লিখিত নথিতে অতীতের বর্ণনা এবং উক্ত বর্ণনার অধ্যয়ন। ইতিহাস তুলে ধরে দেশ, জাতি বা প্রকৃতির বিভিন্ন যুগের সামাজিক রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক জীবনের সত্যনিষ্ঠ ধারাবাহিক বর্ণনা। মানুষের সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে যুক্ত এই সব

ভারতের ইতিহাস হচ্ছে ভারতে মানুষের আগমনের পর থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত বিস্তৃত

ভারতের ইতিহাস হচ্ছে আফ্রিকা হতে ভারতে মানুষের আগমনের পরে থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত আনুমানিক প্রায় ৫৫,০০০ বছর থেকে ৭৩,০০০ বছরের ইতিহাস। বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতাগুলির একটির উৎপত্তি ঘটে ভারতে। এখানেই গড়ে ওঠে অত্যন্ত উচুস্তরের উন্নত এক সংস্কৃতি যা এই দেশের পরবর্তী বিকাশের ক্ষেত্রে এবং সমগ্রভাবে গােটা প্রাচ্যের, মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব

ঐতিহাসিকতাবাদ কাকে বলে?

ঐতিহাসিকতাবাদ (ইংরেজি: Historicism) হচ্ছে ইতিহাসের বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কোনো বস্তু বা বিষয়ের উদ্ভব এবং বিকাশের অনুধাবন। ঐতিহাসিকতাবাদ বৈজ্ঞানিক গবেষণার একটি মৌলিক পদ্ধতি। জগৎ ও সমাজের প্রশ্নে আধুনিক বিজ্ঞানের বিকাশের পূর্ব পর্যন্ত প্রচলিত পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য ছিল দার্শনিক কল্পনা ও বিশ্লেষণ। এ পদ্ধতিতে সমস্যা মাত্রকে নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন মনে করা হতো। ফলে, বাস্তব

ইতিহাসের অর্থনৈতিক ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে

ইতিহাসের মার্কসবাদী ব্যাখ্যাকে অনেক সময়ে ইতিহাসের অর্থনৈতিক ব্যাখ্যা (ইংরেজি: Economic Interpretation of History) বলে অভিহিত করা হয়। বস্তুত মার্কসবাদের মূল সূত্র তিনটি বলে পরিচিত ১. বস্তুবাদ তথা দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ ২. ঐতিহাসিক বস্তুবাদ বা ইতিহাসের ব্যাখ্যায় দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের প্রয়োগ ঐতিহাসিক দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ; ৩. সমাজের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ। কার্ল মার্কস মানুষকেই ইতিহাসের নির্মাতা

আকষ্মিক বিবর্তন কাকে বলে

জীবন এবং প্রকৃতির ক্ষেত্রে ডারউইনের বিবর্তনবাদ এবং বস্তুবাদের বিরোধীতা হিসাবে ‘আকষ্মিক বিবর্তনবাদ’ বা ‘আকষ্মিক বিকাম’ (ইংরেজি: Accidental Evoluation)- এর উদ্ভব দেখা যায়। এ মতের প্রধান ব্যাখ্যাদাতাদের মধ্যে স্যামুয়েল আলেকজাণ্ডার, এস. লয়েড মরগান, সি. ডি. ব্রড প্রমুখ দার্শনিকের নাম উল্লেখযোগ্য। এই সমস্ত দার্শনিককে ‘নব বাস্তববাদী’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়। কিন্তু এ

খুদাই খিদমতগর ছিলো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে চালিত একটি অহিংস আন্দোলন

খুদাই খিদমতগর বা খোদার খেদমতকারী (পশতু ভাষায়: خدايي خدمتگار‎; literally “servants of God”) ছিলো ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলের পশতুন জনগণের দ্বারা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে একটি পশতুন অহিংস আন্দোলন। অবিভক্ত ভারতে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে, বর্তমানে পাকিস্তানে, খাঁ আবদুল গাফফার খাঁর নেতৃত্বে ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠিত একটি মুসলিম রাজনৈতিক সংগঠন, আরো পড়ুন