আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > মতাদর্শ

আত্ম-নিয়ন্ত্রণ কাকে বলে

আত্ম-নিয়ন্ত্রণ (ইংরেজি: Self-determination) হচ্ছে একটি ভূখণ্ডের অধিবাসীদের একই ভাষা ও ধর্মের ভিত্তিতে স্বাধীন স্বশাসিত ও সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনের জাতীয় আবেগপ্রসূত অভিলাষ। প্রথম বিশ্ব-মহাযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন তাঁর চোদ্দ দফা সনদে এই অভিলাষকে স্বীকৃতি ও উৎসাহদান করেন, যখন পূর্ব ইউরােপে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় এবং অটোম্যান সাম্রাজ্য দুটি ভেঙে ছােট ছােট

আজ্ঞা কাকে বলে

আজ্ঞা (ইংরেজি: Mandate) হচ্ছে  কোনও কিছু করা বা না করা সম্পর্কে আদেশ বা অনুমতি। রাজনৈতিক নানা ধরনের ক্রিয়াকর্মে শব্দটি ব্যবহৃত হয়। নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়ে কোনও দল যখন কিছু প্রতিশ্রুতি দেয় এবং সে দল নির্বাচিত হলে বলা হয় যে সংশ্লিষ্ট কাজ করার পিছনে ভােটদাতাদের সঙ্গে চুক্তি পূরণ তথা আদেশ পালনের দায়িত্ব

গণতন্ত্র কাকে বলে

গণতন্ত্র হচ্ছে সরকার পরিচালনায় নাগরিকদের অংশগ্রহণ, আইনের সামনে তাদের সমতা, ব্যক্তির নির্দিষ্ট কতকগুলো অধিকার ও স্বাধীনতার বৈশিষ্ট্যচিহ্নিত রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার একটি রূপ। শ্রেণীবিভক্ত সমাজে গণতন্ত্র আসলে ক্ষমতাসীন শ্রেণীর প্রকাশ্য অথবা প্রচ্ছন্ন একনায়কত্ব এবং তার স্বার্থেই ব্যবহৃত। বুর্জোয়া গণতন্ত্র হলো বুর্জোয়া শ্রেণীর শ্রেণী-আধিপত্যের একটি রূপ এবং তার একনায়কত্ব হিসাবেই আত্মপ্রকাশ

রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি প্রসঙ্গে

গণতন্ত্র শুধু একটি শব্দ বা ধারণা বা পুস্তকের বুলি নয়, এই শব্দটি শুধু কল্পনায় বা ভাবনায় থাকার ব্যাপারও নয়, গণতন্ত্রকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হয়। বহু মানুষের দৈনন্দিন জীবনে গণতন্ত্রের চর্চা গণতন্ত্রকে বাস্তব ভিত্তি দেয় এবং গণতন্ত্র মানুষের জীবনে পাকাপোক্ত হয়ে ওঠে। মানুষ রাষ্ট্রিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিকভাবে যেসব আদর্শকে চর্চা

জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে লেনিনবাদ

জাতিয়তাবাদ বা Nationalism হলো মতবাদিক ও রাজনৈতিক নীতি যা অন্যান্য জাতির তুলনায় কোনো এক জাতির শ্রেষ্ঠত্ব, জাতিয় বিশেষত্ব, জাতিদম্ভ, জাতিয় বিচ্ছিন্নতা, বিদ্বেষ ও শত্রুতা সম্পর্কিত ভাবধারা ও ধারণাকে একত্রে প্রকাশ করে। আর বুর্জোয়া জাতিয়তাবাদ হচ্ছে পুঁজিবাদি সমাজের সৃষ্ট, যা অনিবার্যভাবে বিভিন্ন জাতির মধ্যে বিরোধ, বর্ণবৈষম্য, জাতিয় ও উপনিবেশিক নিপীড়নের জন্ম

মার্কসবাদী লেনিনবাদী দর্শনের বিষয়বস্তু

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দর্শনের বিষয়বস্তু পরিবর্তিত হয়ে চলেছে। ‘প্রথমে, তার আওতায় ছিল পৃথিবী সম্পর্কে সমস্ত জ্ঞান। এঙ্গেলস যেমন বলেছিলেন, প্রাচীন দার্শনিকরা প্রকৃতিবিজ্ঞানীও, জায়মান বিশেষ বিশেষ বিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞ ছিলেন। পৃথিবী ও তার বিভিন্ন ক্ষেত্র সম্বন্ধে ক্রমে ক্রমে চেতনা ও বোধের ফলে উদ্ভব হয়েছিলো বিশেষ বিশেষ বিজ্ঞানের: জ্যোতির্বিদ্যা, বলবিদ্যা, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা

নারীদের প্রশ্নে লেনিন — ক্লারা জেটকিন

১. কমরেড লেনিন প্রায়ই আমার সঙ্গে নারীদের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। অবশ্য কমিউনিজমের কথা বলতে গেলে নারীদের সামাজিক সমান অধিকার যে একটা প্রয়োজনীয় নীতি তা বলাই বাহুল্য। ১৯২০ সালের শরৎকালে ক্রেমলিনে লেনিনে পড়ার ঘরে বসেই সর্বপ্রথম আমাদের এই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। লেনিন শুরু করলেন, — “সুস্পষ্ট মতবাদের ভিত্তিতে আমাদের একটি

নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব প্রসঙ্গে লেনিনবাদ

নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব হচ্ছে মাও সেতুং কর্তৃক সৃষ্ট একটি বৈপ্লবিক মতবাদ। লেনিন এই মতবাদের পূর্ব প্রতিনিধি, যিনি এই বিপ্লবের গোড়াপত্তন এবং বিশ্লেষণ প্রদান করেন। যদিও লেনিন নয়া গণতন্ত্র শব্দটি ব্যবহার করেননি, তদুপরি তিনি বুর্জোয়াদের দ্বারা সম্পন্ন বিপ্লবের সাথে সাম্যবাদীদের দ্বারা সম্পন্ন বিপ্লবের পার্থক্যরেখাগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন। আমরা মাও সেতুংয়ের আলোচনায় তেমন

লেনিনবাদী দৃষ্টিতে সংশোধনবাদ কী এবং কেন প্রতিরোধ করতে হবে

সংশোধনবাদ বা শোধনবাদ (ইংরেজি: Revisionism) বলতে বুঝতে হবে কোনো মতাদর্শকে বা তত্ত্বকে বিজ্ঞানের মতো অনুধাবন ও অনুশীলন না করে তাকে স্বতন্ত্রভাবে পুনঃপরীক্ষা করা। সংশোধনবাদ হলো মার্কসবাদের সংশোধিত তত্ত্ব। অর্থাৎ সংশোধনবাদ হলো মার্কসবাদের পরিপূর্ণভাবে বিকৃতি, এটি প্রলেতারিয়েতের বৈপ্লবিক সংগ্রাম বিরোধি, প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্বের বিরোধী, শ্রেণিসংগ্রাম বিরোধি, বুর্জোয়া শ্রেণির দলগুলোর বিপরীতে শ্রমিক শ্রেণির

লেনিনবাদী দৃষ্টিতে সুবিধাবাদ কী এবং কেন বর্জনীয়

সুবিধাবাদ (ইংরেজি: Opportunism) বলতে বোঝায় শ্রমিক শ্রেণির আন্দোলনে এমন তত্ত্ব ও প্রয়োগ, যা প্রলেতারিয়েতের যথার্থ স্বার্থের বিরোধি এবং বুর্জোয়ার সংগে শ্রমিক শ্রেণিকে একটা আপস-রফায় পৌঁছানোর প্ররোচনা যোগায়। এটি মূলত বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েতের পারস্পরিক সহযোগিতার নীতি এবং শ্রেণিসংগ্রাম ও প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্বের বিরোধি। শ্রেণিগত সামাজিক চরিত্রের বিবেচনায় সুবিধাবাদ হলো পেটি-বুর্জোয়া ভাবাদর্শ ও

Top