আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > মতাদর্শ

জনগণতন্ত্র কাকে বলে

জনগণতন্ত্র (ইংরেজি: People’s Democracy) হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্ব-মহাযুদ্ধের পর পূর্ব ইউরােপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্টদের প্রভাবে গঠিত নতুন ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থা। সােভিয়েত রাষ্ট্রতাত্ত্বিকেরা জনগণতান্ত্রিক অর্থাৎ পিপলস ডেমােক্রেসি নামে সেগুলিকে অভিহিত করেন। মতাদর্শের বিচারে সেগুলির অবস্থান সােভিয়েত ইউনিয়নের গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের নিচে। আরো পড়ুন

গিল্ড সমাজতন্ত্র কাকে বলে

গিল্ড সমাজতন্ত্র (ইংরেজি: Guild Socialism) প্রত্যয়টি শ্রমিকসংঘবাদের (Syndicalism) প্রকারভেদ হিসেবে ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটেনে উদ্ভূত হয়। এটার পুরােধা ছিলেন এ. জে. পেন্টি নামে জনৈক স্থপতি। মধ্যযুগীয় গিল্ড প্রথার আধুনিক পথে পুনঃপ্রবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে এই আন্দোলনের উদ্ভব ঘটে। এই আন্দোলনের বিভিন্ন সময়ে এ, আর, ওরেজ (Orage), এস, জি, হবসন, জি, ডি, এইচ কোল নেতৃত্ব দেন। আরো পড়ুন

খ্রিস্টীয় সমাজতন্ত্র প্রতিক্রিয়াশীল বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী গণবিরোধী চিন্তাধারা

১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে সারা ইউরােপ যখন বৈপ্লবিক অভুত্থানে উত্তাল তখন ইংল্যান্ডে কিছু সংখ্যক অ্যাংলিক্যান যাজকগােষ্ঠীর লােক খ্রিস্টীয় সমাজতন্ত্র (ইংরেজি: Christian Socialism) আন্দোলনের সূত্রপাত করেন। এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিলো সমাজ সংস্কারমূলক ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে চার্চকে যুক্ত করা। আরো পড়ুন

খ্রিস্টীয় গণতন্ত্র হচ্ছে প্রতিক্রিয়াশীল গণবিরোধী ব্যক্তিবাদী রাজনৈতিক ধারা

খ্রিস্টীয় গণতন্ত্র (ইংরেজি: Christian democracy) বলতে বোঝায় প্রতিক্রিয়াশীল নরমপন্থী (মডারেট) রােমান ক্যাথলিক ধর্ম অনুসারী রাজনৈতিক দল। খ্রিস্টান গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক মতাদর্শ সামাজিক বাজার নীতি এবং গুণগত হস্তক্ষেপের প্রতি অঙ্গীকার করার পক্ষে সমর্থন করে। খ্রিস্টীয় গণতান্ত্রিক দলগুলি বিভিন্ন নামে দলগুলি বেলজিয়াম, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি বা ফেডারেল রিপাবলিক অফ জার্মানি, ইতালি এবং হল্যান্ডে সক্রিয়। আরো পড়ুন

লেনিনবাদী সংগ্রামের রূপ প্রসঙ্গে

বিশ্ব সাম্যবাদী আন্দোলনের মহান বিপ্লবী ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন সাম্যবাদীদের সংগ্রামের রূপ প্রসঙ্গে বিভিন্ন কথা লিখেছেন যা বর্তমানে লেনিনবাদী সংগ্রামের রূপ অর্থে পরিচিত। সাম্যবাদী পার্টিগুলোর কাজ করার পদ্ধতি কিরূপ হবে তা নিয়ে লেনিন মানবজাতির সমস্ত লড়াই সংগ্রামের সারমর্ম উপস্থাপন করেছেন। পার্টি গঠনের আরম্ভকালীন সময় থেকে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তিনি সংগ্রামের বহুমুখী

উদারনৈতিক গণতন্ত্র কাকে বলে

উদারনৈতিক গণতন্ত্র বা উদারবাদী গণতন্ত্র বা পাশ্চাত্য গণতন্ত্র (ইংরেজি: Liberal Democracy) হচ্ছে গণতান্ত্রিক শোষণমূলক সমাজ ব্যবস্থারই একটি রূপ বিশেষ। উদারনৈতিক গণতন্ত্র মার্কসবাদী, লেনিনবাদী, মাওবাদী, সাম্যবাদী, সমাজতন্ত্রী ও নৈরাজ্যবাদীদের যুক্তিতে হচ্ছে বুর্জোয়াশ্রেণির একনায়কত্ব। আরো পড়ুন

ভোট গণতন্ত্রবিরোধী ও প্রতিক্রিয়াশীল সাম্রাজ্যবাদী নীতি

ভোট (ইংরেজি: Vote) হচ্ছে সংসদীয় বা আঞ্চলিক ক্ষেত্রে একটি পক্ষের লোকজনের ভেতরে বিরাজমান কোনো মত বা বিতর্কে কাউকে সমর্থন করার প্রক্রিয়া। পুঁজিবাদী শোষণমূলক রাষ্ট্রে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভোট হচ্ছে আইনসঙ্গত অধিকার। পুঁজিবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী যুগের প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারে ভোটকে খুব বড় করে দেখানো হয়; আরো পড়ুন

আত্ম-নিয়ন্ত্রণ কাকে বলে

আত্ম-নিয়ন্ত্রণ (ইংরেজি: Self-determination) হচ্ছে একটি ভূখণ্ডের অধিবাসীদের একই ভাষা ও ধর্মের ভিত্তিতে স্বাধীন স্বশাসিত ও সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনের জাতীয় আবেগপ্রসূত অভিলাষ। প্রথম বিশ্ব-মহাযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন তাঁর চোদ্দ দফা সনদে এই অভিলাষকে স্বীকৃতি ও উৎসাহদান করেন, যখন পূর্ব ইউরােপে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় এবং অটোম্যান সাম্রাজ্য দুটি ভেঙে ছােট ছােট

আজ্ঞা কাকে বলে

আজ্ঞা (ইংরেজি: Mandate) হচ্ছে  কোনও কিছু করা বা না করা সম্পর্কে আদেশ বা অনুমতি। রাজনৈতিক নানা ধরনের ক্রিয়াকর্মে শব্দটি ব্যবহৃত হয়। নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়ে কোনও দল যখন কিছু প্রতিশ্রুতি দেয় এবং সে দল নির্বাচিত হলে বলা হয় যে সংশ্লিষ্ট কাজ করার পিছনে ভােটদাতাদের সঙ্গে চুক্তি পূরণ তথা আদেশ পালনের দায়িত্ব

গণতন্ত্র কাকে বলে

গণতন্ত্র হচ্ছে সরকার পরিচালনায় নাগরিকদের অংশগ্রহণ, আইনের সামনে তাদের সমতা, ব্যক্তির নির্দিষ্ট কতকগুলো অধিকার ও স্বাধীনতার বৈশিষ্ট্যচিহ্নিত রাজনৈতিকরাষ্ট্রীয় ক্ষমতার একটি রূপ। শ্রেণীবিভক্ত সমাজে গণতন্ত্র আসলে ক্ষমতাসীন শ্রেণীর প্রকাশ্য অথবা প্রচ্ছন্ন একনায়কত্ব এবং তার স্বার্থেই ব্যবহৃত। বুর্জোয়া গণতন্ত্র হলো বুর্জোয়া শ্রেণির শ্রেণি-আধিপত্যের একটি রূপ এবং তার একনায়কত্ব হিসাবেই আত্মপ্রকাশ করে।[১] আরো পড়ুন

Top