You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > মতাদর্শ

লেনিনবাদী মতে যুদ্ধ হচ্ছে অন্যভাবে বলতে গেলে সহিংস উপায়ে রাজনীতির ধারাবাহিকতা

সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধ

লেনিনবাদী মতে যুদ্ধ হচ্ছে অন্যভাবে বলতে গেলে সহিংস উপায়ে রাজনীতির ধারাবাহিকতা। ভি আই লেনিন এবং মাও সেতুং যুদ্ধকে বলেছেন রাজনীতির বর্ধিত রূপ।[১]; লেনিন তাঁর সমাজতন্ত্র ও যুদ্ধ পুস্তিকায় যুদ্ধ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তিনি উক্ত পুস্তিকায় কার্ল ভন ক্লজউইৎজের প্রবাদ বাক্যটিকে উল্লেখ করেন। মূলত ক্লজউইৎজের

কল্পলৌকিক ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র – ১৮৯২ ইংরেজি সংস্করণের জন্য বিশেষ ভূমিকা

বর্তমানের এই ছোট্ট পুস্তিকাটি মূলত একটি বৃহত্তম রচনার অংশ। ১৮৭৫ সালের কাছাকাছি বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্যুরিং সহসা ও খানিকটা সরবে সমাজতন্ত্রে তাঁর দীক্ষাগ্রহণের কথা ঘোষণা করেন ও জার্মান জনসাধারণের কাছে একটা বিস্তারিত সমাজতান্ত্রিক তত্ত্বই শুধু নয়, সমাজ পুনর্গঠনের একটা সুসম্পূর্ণ ব্যবহারিক ছকও হাজির করেন। বলাই বাহুল্য উনি তাঁর পূর্ববর্তীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন; সর্বোপরি মার্কসকে পাকড়াও করে তাঁর পুরো ঝাল ঝাড়েন। আরো পড়ুন

লেনিনবাদী সাহিত্যতত্ত্ব সাহিত্যের সাথে রাজনীতির সম্পর্ক নির্ধারণকারী লেনিনের চিন্তাধারা

সাহিত্য-বিচারের ক্ষমতা নিয়ে মানুষ জন্ম নেয় না। বিচার-ক্ষমতার জন্যে চর্চার প্রয়োজন। সুতরাং একজন পাঠকের কাছে সাহিত্য শুধু একটি বিশেষ কাল বা পরিবেশের হাতে তুলে দেওয়া ইতিবৃত্ত মাত্র নয়। পাঠকের সঙ্গে সাহিত্যের সম্পর্ক মানবিক, তাই ‘শিল্পীসুলভ সংস্কার নিয়ে গড়ে ওঠা বলতে মার্কস খুব ছোট কথা বলেন নি। সাহিত্যরস আস্বাদনের জন্যে সাহিত্য চর্চা, সাহিত্য বোঝা, সাহিত্যের সংস্কার গড়ে তোলা এ সবই মার্কস বুঝিয়েছেন। আরো পড়ুন

সমাজতন্ত্র কেন? — আলবার্ট আইনস্টাইন

যদি কেউ অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞানের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ না হন তাহলে তার পক্ষে কি সমাজতন্ত্র সম্বন্ধে মতামত দেয়া উচিত হবে? আমার বিশ্বাস অনেক কারণবশত এই মতামত প্রকাশ করা যেতে পারে। প্রথমেই বিষয়টিকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা যাক। আপাতভাবে মনে হতে পারে জ্যোতির্বিদ্যা ও অর্থনীতি বিজ্ঞানের মধ্যে

অভিজাতবাদ প্রসঙ্গে

অভিজাতবাদ বা সম্ভ্রান্তবাদ বা এলিটবাদ (ইংরেজি: Elitism) হচ্ছে আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানী তাত্ত্বিকদের মধ্যে আলোচিত একটি তত্ত্ব। ‘এলিট’ শব্দের অর্থ শ্রেষ্ঠ। এ থেকে এলিটবাদকে শ্রেষ্ঠত্ববাদ কিংবা নয়া অভিজাতবাদ বলেও অভিহিত করা চলে। এই তত্ত্বের প্রধান প্রবর্তন হিসাবে ইতালির ভিলফ্রেডো পারেটো (১৮৪৩-১৯২৩) এবং গায়টানো মসকা পরিচিত। এ সমস্ত চিন্তাবিদ প্রধানত অযুক্তি এবং শক্তিবাদী

মৌলিক গণতন্ত্র প্রসঙ্গে

১৯৫৮ সালের অক্টোবর মাসে পাকিস্থানের সামরিক বাহিনীর অধিনায়ক ফিল্ড মার্শাল মুহম্মদ আইয়ুব খান সামরিক আইন জারি করে দেশের পার্লামেণ্টারী শাসন-ব্যবস্থা বাতিল করেন এবং স্থানীয় স্বায়ত্ত্বশাসনের ক্ষেত্রে ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ (ইংরেজি: Basic Democracy) নামে একটি শাসন-ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন। এই ব্যবস্থার প্রধান লক্ষ্য ছিল দেশের পার্লামেণ্ট, প্রাদেশিক পরিষদ এবং প্রেসিডেণ্ট নির্বাচনে পরোক্ষ নির্বাচনের

মার্কসবাদী পার্টি গঠন সম্পর্কে লেনিন

মার্কসবাদী পার্টি গঠন সম্পর্কে লেনিন গুরুত্ব দিয়েছিলেন খুব বেশি। লেনিন মার্কসবাদের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসমূহকে খুঁজে বের করেন, সার সংকলন করেন এবং একটি পরিকল্পনা পেশ করেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী পার্টি গঠনের ভিত্তি গড়ে ওঠে। লেনিন ‘অর্থনীতিবাদীদের’ সুবিধাবাদী নীতির সমালোচনা করেন। লেনিনের পরিকল্পনার স্বপক্ষে ‘ইসক্রা’র সংগ্রাম দীর্ঘমেয়াদে পরিচালিত হয়। ফলশ্রুতিতে আমরা পাই

লেনিনবাদ পরাধীন নির্যাতিত জাতির স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়

লেনিনবাদ জাতিসমূহের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের ধারনাকে সুদূর প্রসারী করেছে, আত্মনিয়ন্ত্রণের ধারনাকে ব্যাখ্যা করেছে; এবং উপনিবেশ আর পরাধীন দেশের নির্যাতিত জনসাধারণের সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবার অধিকার এবং প্রত্যেক জাতির স্বতন্ত্র স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন জাতীয় প্রশ্নের তত্ত্বমূলক বিশ্লেষণ উপস্থিত করেন তাঁর “জাতীয় প্রশ্নে সমালোচনামূলক মন্তব্য” এবং “জাতিসমূহের

নারীর মর্যাদা, নারীর লড়াই এবং নারীমুক্তি প্রসঙ্গে

বাংলাদেশের উচ্চবিত্ত নারীরা কথা বলতে শিখেছে, তারা আর অবলা নয়। তারা টিশার্ট পরে লোকাল বাসে উঠে চোখে সানগ্লাস পরে পোজ দেয়। যদি বলা হয়, একটু মিছিলে চলেন তবে এসব নারীর ভড়ং কোথায় উবে যাবে। নারী মুক্তির লড়াইটি নিশ্চয় টিশার্ট আর চোখে সানগ্লাস পরে পোজ দেয়ার লড়াই ছিলো না আমাদের পূর্বসুরীদের কাছে। আরো পড়ুন

জনগণতন্ত্র কাকে বলে

জনগণতন্ত্র (ইংরেজি: People’s Democracy) হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্ব-মহাযুদ্ধের পর পূর্ব ইউরােপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্টদের প্রভাবে গঠিত নতুন ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থা। সােভিয়েত রাষ্ট্রতাত্ত্বিকেরা জনগণতান্ত্রিক অর্থাৎ পিপলস ডেমােক্রেসি নামে সেগুলিকে অভিহিত করেন। মতাদর্শের বিচারে সেগুলির অবস্থান সােভিয়েত ইউনিয়নের গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের নিচে। আরো পড়ুন

Top