আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > মতাদর্শ > গণতন্ত্র

আজ্ঞা কাকে বলে

আজ্ঞা (ইংরেজি: Mandate) হচ্ছে  কোনও কিছু করা বা না করা সম্পর্কে আদেশ বা অনুমতি। রাজনৈতিক নানা ধরনের ক্রিয়াকর্মে শব্দটি ব্যবহৃত হয়। নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়ে কোনও দল যখন কিছু প্রতিশ্রুতি দেয় এবং সে দল নির্বাচিত হলে বলা হয় যে সংশ্লিষ্ট কাজ করার পিছনে ভােটদাতাদের সঙ্গে চুক্তি পূরণ তথা আদেশ পালনের দায়িত্ব

গণতন্ত্র কাকে বলে

গণতন্ত্র হচ্ছে সরকার পরিচালনায় নাগরিকদের অংশগ্রহণ, আইনের সামনে তাদের সমতা, ব্যক্তির নির্দিষ্ট কতকগুলো অধিকার ও স্বাধীনতার বৈশিষ্ট্যচিহ্নিত রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার একটি রূপ। শ্রেণীবিভক্ত সমাজে গণতন্ত্র আসলে ক্ষমতাসীন শ্রেণীর প্রকাশ্য অথবা প্রচ্ছন্ন একনায়কত্ব এবং তার স্বার্থেই ব্যবহৃত। বুর্জোয়া গণতন্ত্র হলো বুর্জোয়া শ্রেণীর শ্রেণী-আধিপত্যের একটি রূপ এবং তার একনায়কত্ব হিসাবেই আত্মপ্রকাশ

রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি প্রসঙ্গে

গণতন্ত্র শুধু একটি শব্দ বা ধারণা বা পুস্তকের বুলি নয়, এই শব্দটি শুধু কল্পনায় বা ভাবনায় থাকার ব্যাপারও নয়, গণতন্ত্রকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হয়। বহু মানুষের দৈনন্দিন জীবনে গণতন্ত্রের চর্চা গণতন্ত্রকে বাস্তব ভিত্তি দেয় এবং গণতন্ত্র মানুষের জীবনে পাকাপোক্ত হয়ে ওঠে। মানুষ রাষ্ট্রিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিকভাবে যেসব আদর্শকে চর্চা

রাজনৈতিক দলে নেতৃত্ব নির্বাচনের সমস্যাবলী প্রসঙ্গে

রাজনৈতিক দলে, রাজনীতির বিভিন্ন সংগঠনে বা অন্য যে কোনো প্রকার সংঘ ও সংগঠনে নেতা নির্বাচন করা সামাজিক কাজ হিসেবে মানুষের জন্য একটি জটিল কাজ। রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের বিভিন্ন পদ নিয়ে দলীয় নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকে। এ দ্বন্দ্বকে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব বলা হয়। রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে এ ধরনের দ্বন্দ্ব মতামতকেন্দ্রিক,

নেতৃত্বের ভূমিকা ও জনগণের সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে

প্রগতিতে জনগণের ভূমিকা সম্পর্কিত আলোচনা গণতান্ত্রিক রাজনীতির একটি প্রয়োজনীয় বিষয়। গণতান্ত্রিক রাজনীতি বলতে আমরা এক্ষেত্রে সামন্তবাদ উৎখাত করে গণতান্ত্রিক বা নয়া গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশকে বুঝাব। এই গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশের ক্ষেত্রে জনগণের কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনাকে বিবেচনা করব। গণতান্ত্রিক জীবনের অনুশীলনে জনগণ সঠিক চিন্তাধারা ধরে যেমন এগোতে পারে তেমনি ভুল পথেও তারা

জনগণের গণতান্ত্রিক আচরণের অনুশীলন প্রসঙ্গে

জনগণ গণতন্ত্র চান এবং এই গণতন্ত্রের একটি পশ্চাৎপদ রূপ দাস সমাজেই দেখা গেছিল। পরবর্তীতে আধুনিক সমাজে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনেন মূলত উঠতি বুর্জোয়ারা এবং তাদের সমর্থক কতিপয় মহান দার্শনিক। বুর্জোয়ারা মূলত সামন্তবাদকে ভেঙে ফেলেন এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও মুনাফার মাধ্যমে ভুমিদাসকে নিক্ষেপ করেন শহরে মজুরি শ্রমিক হিসেবে। ফলে পুঁজিবাদী সমাজের গণতন্ত্র

মতপ্রকাশের গণতান্ত্রিকতা এবং যাদুকরী প্রচারমাধ্যমের নির্বোধ ইন্দ্রিয়পরায়ণতা

জনগণের ভেতরে গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা থাকতে হয় এবং গণতন্ত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাও থাকতে হয়, তবে সম্মিলিত সিদ্ধান্তকে বাস্তবে রুপদানের জন্য যৌথতা ও সম্মিলিত কার্যক্রমও লাগে। জটিল সামাজিক কাজে অতি উদারতাবাদ কাজকে বিঘ্ন করতে পারে। গণতন্ত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে নিষিদ্ধ করা হলে তা ফ্যাসিবাদে রূপ নিতে পারে। কিন্তু মতপ্রকাশ করব কোথায়? মতপ্রকাশ করার একটা

আমলাতন্ত্রের ঐতিহাসিক গণতন্ত্রবিরোধিতা ও তার প্রকৃতি

আমলাতন্ত্র শুরু থেকেই গণতন্ত্রের বিরোধী। আমলারা কখনোই গণতন্ত্র চায় না। আমলাতন্ত্র জনগণকে জিম্মি করে, জনগণকে শোষণ ও নির্যাতন করে, জনগণের সম্পদ কুক্ষিগত করে সুবিধাভোগী শ্রেণিতে পরিণত হয়। গরিব দেশগুলোর আমলারা জনগণকে পরাধীন করে রাখে, জনগণের শ্রমফল ভোগ করে, জনগণকে বিপদে ফেলে দুর্নীতি করে, দেশীয় সম্পদ বিদেশে পাচার করে। সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা

রাজনৈতিক দল গঠন প্রসঙ্গে

বাংলাদেশকে স্বাধীন সার্বভৌম শক্তিমান উন্নতিকামি সাম্যবাদ অভিমুখী নয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে রাজনৈতিক দল গঠনে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। দল গঠন বলতে বোঝানো হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জনগণের দ্বারা পরিচালিত জনগণের জন্য জনগণের সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা। শ্রেণিবিভক্ত সমাজে জনগণ থাকে বিভক্ত এবং তাদের স্বার্থকে বাস্তব রূপ দেবার জন্য প্রয়োজন পড়ে

জনগণের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের কর্মপদ্ধতি প্রসঙ্গে

গণতান্ত্রিক চেতনা জনগণের সংগ্রামী চেতনার সাথে জড়িত। সংগ্রাম বলতে বোঝায় মানুষের জীবন, জীবনবোধ ও তার পরিবেশ উন্নত করার সংগ্রাম। সংগ্রাম বলতে বোঝায় অন্যায়, অত্যাচার, আগ্রাসন, শোষণ, লুটতরাজ, মুনাফা, যন্ত্রণা, দারিদ্র, হতাশা, অন্ধকার, পরাধীনতা ইত্যাদির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও কর্মসূচি নিয়ে একটি ন্যায় ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই। এ লড়াই মুখের

Top