You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > মতাদর্শ > গণতন্ত্র

মৌলিক গণতন্ত্র প্রসঙ্গে

১৯৫৮ সালের অক্টোবর মাসে পাকিস্থানের সামরিক বাহিনীর অধিনায়ক ফিল্ড মার্শাল মুহম্মদ আইয়ুব খান সামরিক আইন জারি করে দেশের পার্লামেণ্টারী শাসন-ব্যবস্থা বাতিল করেন এবং স্থানীয় স্বায়ত্ত্বশাসনের ক্ষেত্রে ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ (ইংরেজি: Basic Democracy) নামে একটি শাসন-ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন। এই ব্যবস্থার প্রধান লক্ষ্য ছিল দেশের পার্লামেণ্ট, প্রাদেশিক পরিষদ এবং প্রেসিডেণ্ট নির্বাচনে পরোক্ষ নির্বাচনের

জনগণতন্ত্র কাকে বলে

জনগণতন্ত্র (ইংরেজি: People’s Democracy) হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্ব-মহাযুদ্ধের পর পূর্ব ইউরােপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্টদের প্রভাবে গঠিত নতুন ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থা। সােভিয়েত রাষ্ট্রতাত্ত্বিকেরা জনগণতান্ত্রিক অর্থাৎ পিপলস ডেমােক্রেসি নামে সেগুলিকে অভিহিত করেন। মতাদর্শের বিচারে সেগুলির অবস্থান সােভিয়েত ইউনিয়নের গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের নিচে। আরো পড়ুন

খ্রিস্টীয় গণতন্ত্র হচ্ছে প্রতিক্রিয়াশীল গণবিরোধী ব্যক্তিবাদী রাজনৈতিক ধারা

খ্রিস্টীয় গণতন্ত্র (ইংরেজি: Christian democracy) বলতে বোঝায় প্রতিক্রিয়াশীল নরমপন্থী (মডারেট) রােমান ক্যাথলিক ধর্ম অনুসারী রাজনৈতিক দল। খ্রিস্টান গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক মতাদর্শ সামাজিক বাজার নীতি এবং গুণগত হস্তক্ষেপের প্রতি অঙ্গীকার করার পক্ষে সমর্থন করে। খ্রিস্টীয় গণতান্ত্রিক দলগুলি বিভিন্ন নামে দলগুলি বেলজিয়াম, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি বা ফেডারেল রিপাবলিক অফ জার্মানি, ইতালি এবং হল্যান্ডে সক্রিয়। আরো পড়ুন

উদারনৈতিক গণতন্ত্র কাকে বলে

উদারনৈতিক গণতন্ত্র বা উদারবাদী গণতন্ত্র বা পাশ্চাত্য গণতন্ত্র (ইংরেজি: Liberal Democracy) হচ্ছে গণতান্ত্রিক শোষণমূলক সমাজ ব্যবস্থারই একটি রূপ বিশেষ। উদারনৈতিক গণতন্ত্র মার্কসবাদী, লেনিনবাদী, মাওবাদী, সাম্যবাদী, সমাজতন্ত্রী ও নৈরাজ্যবাদীদের যুক্তিতে হচ্ছে বুর্জোয়াশ্রেণির একনায়কত্ব। আরো পড়ুন

ভোট গণতন্ত্রবিরোধী ও প্রতিক্রিয়াশীল সাম্রাজ্যবাদী নীতি

ভোট (ইংরেজি: Vote) হচ্ছে সংসদীয় বা আঞ্চলিক ক্ষেত্রে একটি পক্ষের লোকজনের ভেতরে বিরাজমান কোনো মত বা বিতর্কে কাউকে সমর্থন করার প্রক্রিয়া। পুঁজিবাদী শোষণমূলক রাষ্ট্রে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভোট হচ্ছে আইনসঙ্গত অধিকার। পুঁজিবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী যুগের প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারে ভোটকে খুব বড় করে দেখানো হয়; আরো পড়ুন

আজ্ঞা কাকে বলে

আজ্ঞা (ইংরেজি: Mandate) হচ্ছে  কোনও কিছু করা বা না করা সম্পর্কে আদেশ বা অনুমতি। রাজনৈতিক নানা ধরনের ক্রিয়াকর্মে শব্দটি ব্যবহৃত হয়। নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়ে কোনও দল যখন কিছু প্রতিশ্রুতি দেয় এবং সে দল নির্বাচিত হলে বলা হয় যে সংশ্লিষ্ট কাজ করার পিছনে ভােটদাতাদের সঙ্গে চুক্তি পূরণ তথা আদেশ পালনের দায়িত্ব

গণতন্ত্র কাকে বলে

গণতন্ত্র হচ্ছে সরকার পরিচালনায় নাগরিকদের অংশগ্রহণ, আইনের সামনে তাদের সমতা, ব্যক্তির নির্দিষ্ট কতকগুলো অধিকার ও স্বাধীনতার বৈশিষ্ট্যচিহ্নিত রাজনৈতিকরাষ্ট্রীয় ক্ষমতার একটি রূপ। শ্রেণীবিভক্ত সমাজে গণতন্ত্র আসলে ক্ষমতাসীন শ্রেণীর প্রকাশ্য অথবা প্রচ্ছন্ন একনায়কত্ব এবং তার স্বার্থেই ব্যবহৃত। বুর্জোয়া গণতন্ত্র হলো বুর্জোয়া শ্রেণির শ্রেণি-আধিপত্যের একটি রূপ এবং তার একনায়কত্ব হিসাবেই আত্মপ্রকাশ করে।[১] আরো পড়ুন

রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি প্রসঙ্গে

গণতন্ত্র শুধু একটি শব্দ বা ধারণা বা পুস্তকের বুলি নয়, এই শব্দটি শুধু কল্পনায় বা ভাবনায় থাকার ব্যাপারও নয়, গণতন্ত্রকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হয়। বহু মানুষের দৈনন্দিন জীবনে গণতন্ত্রের চর্চা গণতন্ত্রকে বাস্তব ভিত্তি দেয় এবং গণতন্ত্র মানুষের জীবনে পাকাপোক্ত হয়ে ওঠে। মানুষ রাষ্ট্রিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিকভাবে যেসব আদর্শকে চর্চা

রাজনৈতিক দলে নেতৃত্ব নির্বাচনের সমস্যাবলী প্রসঙ্গে

রাজনৈতিক দলে, রাজনীতির বিভিন্ন সংগঠনে বা অন্য যে কোনো প্রকার সংঘ ও সংগঠনে নেতা নির্বাচন করা সামাজিক কাজ হিসেবে মানুষের জন্য একটি জটিল কাজ। রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের বিভিন্ন পদ নিয়ে দলীয় নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকে। এ দ্বন্দ্বকে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব বলা হয়। রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে এ ধরনের দ্বন্দ্ব মতামতকেন্দ্রিক,

নেতৃত্বের ভূমিকা ও জনগণের সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে

প্রগতিতে জনগণের ভূমিকা সম্পর্কিত আলোচনা গণতান্ত্রিক রাজনীতির একটি প্রয়োজনীয় বিষয়। গণতান্ত্রিক রাজনীতি বলতে আমরা এক্ষেত্রে সামন্তবাদ উৎখাত করে গণতান্ত্রিক বা নয়া গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশকে বুঝাব। এই গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশের ক্ষেত্রে জনগণের কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনাকে বিবেচনা করব। গণতান্ত্রিক জীবনের অনুশীলনে জনগণ সঠিক চিন্তাধারা ধরে যেমন এগোতে পারে তেমনি ভুল পথেও তারা

Top