You are here
Home > মতাদর্শ > লেনিনবাদ

অবকাশ যাপনে কমরেড লেনিন — জোসেফ স্তালিন

সংক্ষিপ্ত মন্তব্য আমার মনে হয়, “অবকাশ যাপনে কমরেড লেনিন” নিয়ে এখন লিখতে যাওয়াটা যথাযোগ্য হবে না, যখন অবকাশ-কাল শেষ হয়ে আসছে এবং শীঘ্রই কমরেড লেনিন কাজে ফিরে আসবেন। তাছাড়া, আমার অনুভূতিগুলো এত বেশি আর এত ভারি যে, ‘প্রাভদা’র সম্পাদকমণ্ডলী যেভাবে অনুরোধ করেছেন তেমনি একটি সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে সেগুলো সম্পর্কে লেখাটা নিতান্ত সুবিধাজনক

জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে লেনিনবাদ

জাতিয়তাবাদ বা Nationalism হলো মতবাদিক ও রাজনৈতিক নীতি যা অন্যান্য জাতির তুলনায় কোনো এক জাতির শ্রেষ্ঠত্ব, জাতিয় বিশেষত্ব, জাতিদম্ভ, জাতিয় বিচ্ছিন্নতা, বিদ্বেষ ও শত্রুতা সম্পর্কিত ভাবধারা ও ধারণাকে একত্রে প্রকাশ করে। আর বুর্জোয়া জাতিয়তাবাদ হচ্ছে পুঁজিবাদি সমাজের সৃষ্ট, যা অনিবার্যভাবে বিভিন্ন জাতির মধ্যে বিরোধ, বর্ণবৈষম্য, জাতিয় ও উপনিবেশিক নিপীড়নের জন্ম

নারীদের প্রশ্নে লেনিন — ক্লারা জেটকিন

১. কমরেড লেনিন প্রায়ই আমার সঙ্গে নারীদের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। অবশ্য কমিউনিজমের কথা বলতে গেলে নারীদের সামাজিক সমান অধিকার যে একটা প্রয়োজনীয় নীতি তা বলাই বাহুল্য। ১৯২০ সালের শরৎকালে ক্রেমলিনে লেনিনে পড়ার ঘরে বসেই সর্বপ্রথম আমাদের এই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। লেনিন শুরু করলেন, - “সুস্পষ্ট মতবাদের ভিত্তিতে আমাদের একটি

নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব প্রসঙ্গে লেনিনবাদ

নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব হচ্ছে মাও সেতুং কর্তৃক সৃষ্ট একটি বৈপ্লবিক মতবাদ। লেনিন এই মতবাদের পূর্ব প্রতিনিধি, যিনি এই বিপ্লবের গোড়াপত্তন এবং বিশ্লেষণ প্রদান করেন। যদিও লেনিন নয়া গণতন্ত্র শব্দটি ব্যবহার করেননি, তদুপরি তিনি বুর্জোয়াদের দ্বারা সম্পন্ন বিপ্লবের সাথে সাম্যবাদীদের দ্বারা সম্পন্ন বিপ্লবের পার্থক্যরেখাগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন। আমরা মাও সেতুংয়ের আলোচনায় তেমন

লেনিনবাদী দৃষ্টিতে সংশোধনবাদ কী এবং কেন প্রতিরোধ করতে হবে

সংশোধনবাদ বা শোধনবাদ (ইংরেজি: Revisionism) বলতে বুঝতে হবে কোনো মতাদর্শকে বা তত্ত্বকে বিজ্ঞানের মতো অনুধাবন ও অনুশীলন না করে তাকে স্বতন্ত্রভাবে পুনঃপরীক্ষা করা। সংশোধনবাদ হলো মার্কসবাদের সংশোধিত তত্ত্ব। অর্থাৎ সংশোধনবাদ হলো মার্কসবাদের পরিপূর্ণভাবে বিকৃতি, এটি প্রলেতারিয়েতের বৈপ্লবিক সংগ্রাম বিরোধি, প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্বের বিরোধী, শ্রেণিসংগ্রাম বিরোধি, বুর্জোয়া শ্রেণির দলগুলোর বিপরীতে শ্রমিক শ্রেণির

লেনিনবাদী দৃষ্টিতে সুবিধাবাদ কী এবং কেন বর্জনীয়

সুবিধাবাদ (ইংরেজি: Opportunism) বলতে বোঝায় শ্রমিক শ্রেণির আন্দোলনে এমন তত্ত্ব ও প্রয়োগ, যা প্রলেতারিয়েতের যথার্থ স্বার্থের বিরোধি এবং বুর্জোয়ার সংগে শ্রমিক শ্রেণিকে একটা আপস-রফায় পৌঁছানোর প্ররোচনা যোগায়। এটি মূলত বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয়েতের পারস্পরিক সহযোগিতার নীতি এবং শ্রেণিসংগ্রাম ও প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্বের বিরোধি। শ্রেণিগত সামাজিক চরিত্রের বিবেচনায় সুবিধাবাদ হলো পেটি-বুর্জোয়া ভাবাদর্শ ও

নিরীক্ষকের পরামর্শ — ভি আই লেনিন

এই পঙক্তিগুলি লিখছি ৮ অক্টোবর, সামান্যই আশা আছে যে তা ৯ তারিখে পেত্রগ্রাদের কমরেডদের হাতে পৌছবে। সম্ভবত বিলম্ব হবে, কেননা উত্তরাঞ্চলের সোভিয়েতগুলির কংগ্রেস নির্ধারিত হয়েছে ১০ অক্টোবর। তাহলেও আমার ‘নিরীক্ষকের পরামর্শ’[Advice of an Onlooker] পেশ করতে চেষ্টা করছি এই ঘটনাচক্রের জন্য যে পেত্রগ্রাদ ও গোটা অঞ্চলের শ্রমিক ও সৈনিকদের সম্ভাব্য

দ্বৈত ক্ষমতা — ভি আই লেনিন

প্রত্যেকটি বিপ্লবেরই মূল প্রশ্ন হলো রাষ্ট্ৰক্ষমতার প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি উপলব্ধ না হলে বিপ্লবে সজ্ঞান অংশগ্রহণ সম্ভবপর হতে পারে না, বিপ্লব পরিচালনার তো কথাই ওঠে না। আমাদের বিপ্লব সৃষ্টি করেছে দ্বৈত ক্ষমতা, এই হলো তার খুবই লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। এই ঘটনাটিকে সর্বাগ্রে উপলব্ধি করতে হবে: এটা না বুঝলে আমরা এগোতে পারি না।

ক্ষমতা দখল করতে হবে বলশেভিকদের—ভি আই লেনিন

রাশিয়া সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাটিক শ্রমিক পার্টির (বলশেভিক) কেন্দ্রীয় কমিটি, পেত্রগ্রাদ ও মস্কো কমিটির নিকট চিঠি উভয় রাজধানীর শ্রমিক ও সৈনিক প্রতিনিধিদের সোভিয়েতে সংখ্যাধিক্য পাওয়ায় বলশেভিকরা স্বহস্তে রাষ্ট্ৰক্ষমতা নিতে পারে এবং নেওয়া উচিত। পারে, কেননা জনগণকে টেনে আনা, প্রতিপক্ষের প্রতিরোধ জয় করা, তাকে চূর্ণ করা, রাষ্ট্ৰক্ষমতা দখল করে তা ধরে রাখার পক্ষে উভয় রাজধানীতে জনগণের

সংবিধান সভা সম্বন্ধে থিসিস — ভি আই লেনিন

১. সংবিধান সভা বসাবার দাবিটা ছিলো বৈপ্লবিক সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির কর্মসূচির খুবই ন্যায়সংগত একটা অঙ্গ, তার কারণ কোনো বুর্জোয়া প্রজাতন্ত্রে সংবিধান সভা হলো গণতান্ত্রিকতার সর্বোচ্চ আকার, আর কারণ হলো এই যে, কেরেনস্কির নেতৃত্বাধীন সাম্রাজ্যবাদী প্রজাতন্ত্র প্রাক-পার্লামেণ্ট স্থাপন করার সাহায্যে নির্বাচনে জয়াচুরি এবং নানা উপায়ে গণতান্ত্রিকতা লঙ্ঘনের আয়োজন করছিলো। ২. সংবিধান সভা বসাবার দাবি

Top