আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > মতাদর্শ > মার্কসবাদ

মার্কসবাদী লেনিনবাদী দর্শনের বিষয়বস্তু

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দর্শনের বিষয়বস্তু পরিবর্তিত হয়ে চলেছে। ‘প্রথমে, তার আওতায় ছিল পৃথিবী সম্পর্কে সমস্ত জ্ঞান। এঙ্গেলস যেমন বলেছিলেন, প্রাচীন দার্শনিকরা প্রকৃতিবিজ্ঞানীও, জায়মান বিশেষ বিশেষ বিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞ ছিলেন। পৃথিবী ও তার বিভিন্ন ক্ষেত্র সম্বন্ধে ক্রমে ক্রমে চেতনা ও বোধের ফলে উদ্ভব হয়েছিলো বিশেষ বিশেষ বিজ্ঞানের: জ্যোতির্বিদ্যা, বলবিদ্যা, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা

মার্কসবাদ ও অভ্যুত্থান — ভি. আই. লেনিন

রাশিয়া সোশ্যাল — ডেমোক্রেটিক শ্রমিক পার্টি (বলশেভিক) কেন্দ্রিয় কমিটির নিকট চিঠি প্রভাবশালী ‘সমাজতান্ত্রিক’ পার্টিগুলি মার্কসবাদের যেসব বিদ্বেষপূর্ণ ও প্রায় বহু-প্রচারিত বিকৃতি ঘটিয়েছে তার মধ্যে এই সুবিধাবাদী মিথ্যাটি অন্তর্গত, যথা: অভ্যুত্থানের প্রস্তুতিকে, সাধারণভাবে অভ্যুত্থানকেই একটা শিল্পকলা হিসেবে দেখা নাকি ‘ব্লাঙ্কিবাদ’।   সুবিধাবাদের নেতা বার্নস্টাইন মার্কসবাদকে ব্লাঙ্কিবাদে অভিযুক্ত করে আগেই এক শোচনীয় খ্যাতি অর্জন

মার্কসবাদী তত্ত্বের বিকাশে লেনিনের সৃজনশীল অবদান – জে. ভি. স্তালিন

(প্রথম মার্কিন শ্রমিক প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাৎকার থেকে উদ্ধৃত অংশ) ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯২৭ ১. প্রতিনিধিদল কর্তৃক উত্থাপিত প্রশ্নাবলী ও কমরেড স্তালিনের জবাব প্রথম প্রশ্ন: মার্কসবাদের প্রয়োগের ক্ষেত্রে লেনিন ও কমিউনিস্ট পার্টি নতুন কি কি নীতি সংযোজন করেছেন? এটা বলা কি সঙ্গত হবে যে, লেনিন বিশ্বাস করতেন “সৃজনশীল বিপ্লবে”, আর মার্কস অনুরক্ত ছিলেন অর্থনেতিক

মার্কসবাদী বিশ্বদৃষ্টিতে ধর্মের স্বরূপ বিশ্লেষণ

কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রলেতারিয় বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তি হচ্ছে প্রকৃতি এবং সমাজ বিকাশের নিয়মাবলীর আবিষ্কার ও অনুশীলন। প্রকৃতিবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের আলোচনায় মার্কসবাদ যেসব ক্ষেত্রে ধর্ম সংক্রান্ত আলোচনার প্রয়োজনবোধ করেছে শুধু সেসব আলোচনা থেকেই মার্কসবাদী দৃষ্টিতে ধর্মের বিশ্লেষণ পাওয়া যায়। ধর্মকে মার্কসবাদের স্রষ্টাগণ বিশিষ্ট বা স্বতন্ত্র কোনো বিষয় মনে

বিশ্বজুড়ে মার্কসবাদ, মুক্তি কোন পথে

মার্কসবাদের উদ্ভব উনিশ শতকে হলেও বিশ শতকে এই মতবাদের প্রায়োগিক দিক জাজ্বল্যমানরূপে দেখা দেয়। ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের পর একে একে ষোলটি রাষ্ট্র, পৃথিবীর জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ মার্কসবাদী বিশ্বের বাস্তব উদাহরণ হয়ে ওঠে। সোভিয়েত ইউনিয়ন, পোল্যান্ড, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, চেকশ্লোভাকিয়া, রুমানিয়া, যুগোশ্লাভিয়া, আলবেনিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, ভিয়েতনাম,

সাম্যবাদ মানুষের সর্বাঙ্গীণ বিকাশের সর্বোচ্চ সামাজিক স্তর

মার্কস ও এঙ্গেলস সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের স্পষ্ট পার্থক্যরেখা আঁকেননি, এমনকি তাঁরা সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের জন্য কোনো রকমের কল্পনারও আশ্রয় নেননি। তাঁরা সমাজতন্ত্রকে বহুক্ষেত্রে সাম্যবাদ হিসেবেই দেখেছেন। সমাজতন্ত্রকে মধ্যবর্তী একটা উৎপাদনব্যবস্থা হিসেবে দেখেননি। তাঁরা দেখিয়েছেন যে পুঁজিবাদের স্বাভাবিক অনিবার্য উত্তরণ ঘটবে এবং পুঁজিবাদকে বাতিল করে সেই প্রক্রিয়াকে পরিচালিত করবে প্রলেতারিয়েত শ্রেণি।

মার্কসবাদী দৃষ্টিতে ইতিহাস

ইতিহাস বিষয়ে এঙ্গেলসের দক্ষতা ছিলো মার্কসের চেয়ে বিস্তৃত। মার্কস তাই বলেছিলেন যে, ইতিহাসের বস্তুবাদী ধারনায় এঙ্গেলস একেবারে নিজস্ব পদ্ধতিতে পৌঁছেছিলেন। এঙ্গেলস কিন্তু বলেছেন, ‘মানুষের ইতিহাসের বিকাশের নিয়ম’ মার্কসের দুটি মূল্যবান আবিষ্কারের অন্যতম।[১] ইতিহাস অর্থ কেবল ঘটনাবলির বর্ণনা নয়। যেকোনো সময়ের বাস্তব অবস্থা, নানা শর্ত, বিভিন্ন সম্পর্কের অন্তর্ভেদ করাই হলো ইতিহাসের

মার্কস এঙ্গেলস মার্কসবাদ গ্রন্থের সূচিপত্র

 কার্ল মার্কস  ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস মার্কসবাদের তিনটি উৎস ও তিনটি অঙ্গ ল. কুগোলমানের নিকট ক. মার্কসের লেখা পত্রাবলীর রুশ অনুবাদের ভূমিকা “ফ্রিদরিখ আ., জরগে ও অন্যান্যদের নিকট ইয়োহান বেক্কের, ইয়োসেফ দিৎসগেন, ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস, কাল মাকস প্রভৃতির চিঠি” বইটির রুশ অনুবাদের ভূমিকা মার্কসবাদ এবং শোধনবাদ ‘বস্তুবাদ ও অভিজ্ঞতাবাদী সমালোচনা’ বই

কার্ল মার্কসের বিচ্ছিন্নতার তত্ত্ব

কার্ল মার্কসের বিচ্ছিন্নতার তত্ত্ব (Theory of alienation) জনগণের বিচ্ছেদকে (ইংরেজি: estrangement, জার্মান: Entfremdung) মানব প্রকৃতির বিশেষ দিক হিসেবে আলোচনা করে এবং বলে যে বিচ্ছিন্নতা সামাজিক শ্রেণিতে স্তরীভূত সমাজে বসবাস করার একটি পরিণতি। মার্কস পুঁজিবাদী সমাজের দুই প্রধান ত্রুটি শোষণ ও বিচ্ছিন্নতার ধারণা দিয়েছেন। ব্যক্তিমালিকানার ওপর প্রতিষ্ঠিত পুঁজিবাদে সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্য

শ্রেণি উদ্ভবের কারণ ও বিলুপ্তি প্রসঙ্গে মার্কসবাদ

শ্রেণি বা সামাজিক শ্রেণি কী এবং কেমন করে তার উদ্ভব হলো, এ নিয়ে মানুষে ভেবেছে অনেক আগে থেকেই। শোষকেরা প্রচার করে যে শ্রেণি সর্বদাই ছিলো এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। এইসব ভাববাদী কথা বলেই শোষকেরা জনগণকে দাবিয়ে রাখতে চায়। শ্রেণি বিকাশের অভিজ্ঞতা বিচার করে শ্রেণির মর্মার্থ, তার উদ্ভবের কারণ ও বিলুপ্তির পথ নিয়ে

Top