You are here
Home > মতাদর্শ > সমাজতন্ত্র

নৈরাজ্যবাদ অথবা সমাজতন্ত্র — জোসেফ স্তালিন

ডিসেম্বর ১৯০৬ - জানুয়ারি ১৯০৭ আমরা সেই ধরনের লোক নই, যারা নৈরাজ্যবাদ শব্দটার উল্লেখ হলেই অবজ্ঞাভরে মুখ ফিরিয়ে এবং উন্নাসিকভাবে হাত নেড়ে বলে, ‘ও সম্পর্কে সময় নষ্ট করে কি হবে? ওটা তো আলোচনারই যোগ্য নয়!’ আমরা মনে করি এ রকম সস্তা সমালোচনা মর্যাদাহানিকর ও নিরর্থক। আমরা আবার সে ধরনের লোকও নই, যারা

সমবায় প্রসঙ্গে — ভি. আই. লেনিন

২ দ্বিতীয় অংশ, প্রথম অংশ পড়ুন এই লিংক থেকে নয়া অর্থনৈতিক কর্মনীতি সম্পর্কে আমি যখনই লিখেছি, তখনই সর্বদা ১৯১৮ সালে লেখা রাষ্ট্রীয় পুঁজিবাদ সম্পর্কে আমার প্রবন্ধটি* উদ্ধৃত করেছি। তাতে কিছু কিছু, তরুণ কমরেডের মনে একাধিকবার সন্দেহ দেখা দিয়েছে। কিন্তু তাদের সন্দেহ জেগেছে প্রধানত বিমূর্ত রাজনৈতিক দিকটাতেই। তাদের মনে হয়েছে, যে-ব্যবস্থায় উৎপাদন-উপায়ের মালিক শ্রমিক

সমবায় প্রসঙ্গে — ভি. আই. লেনিন

আমার মনে হয়, আমাদের দেশে সমবায় সম্পর্কে যথেষ্ট মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে না। অক্টোবর বিপ্লবের পর এখন এবং নয়া অর্থনৈতিক কর্মনীতির কথা ছেড়ে দিলেও (এই প্রসঙ্গে বরং বলা উচিত, নয়া অর্থনৈতিক কর্মনীতির জন্যই) আমাদের সমবায় আন্দোলন যে একেবারেই ঐকান্তিক গুরুত্ব অর্জন করছে, তা সকলেই বুঝতে পারছে কিনা সন্দেহ। সেকেলে সমবায়ীদের স্বপ্নে

সমাজতন্ত্র প্রলেতারিয়েতের মুক্তির পদ্ধতি সংক্রান্ত মতবাদ

সমাজতন্ত্র বা সমাজবাদ (ইংরেজি: Socialism) হচ্ছে এমন একটি সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে উৎপাদনের উপকরণের সামাজিক মালিকানা এবং অর্থনীতির একটি সমবায়ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা। এছাড়াও একই সাথে এটি একটি রাজনৈতিক মতবাদ ও আন্দোলন যার লক্ষ্য হচ্ছে এই ধরনের সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। অর্থাৎ এটি এমন একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে

সমাজতন্ত্রের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ধারনার উদ্ভব,

সমাজতন্ত্রের ইংরেজি ‘socialism’ শব্দটি ল্যাটিন শব্দ sociare থেকে এসেছে। ল্যাটিন শব্দটির অর্থ সংযুক্ত করা বা অংশীদার করা। এই সম্পর্কিত, রোমান ভাষায় এবং পরবর্তীতে মধ্যযুগের আইনে আরো কুশলী শব্দ হল societas. পরের societas শব্দটি দ্বারা বোঝাতো সাহচর্য এবং সংঘ বা সহযোগিতা। এছাড়াও শব্দটি দ্বারা আরো আইনানুগ ধারণায় বোঝাতো মুক্তমানুষের মধ্যে সম্মতিসূচক

সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের পার্থক্যরেখাগুলো কোথায় ও কীভাবে?

সাম্যবাদী সমাজের গঠনের ধারনা গড়ে উঠেছে তার দুটি পর্ব বা স্তর বা ধাপ সমাজতন্ত্র (Socialism) ও সাম্যবাদের (Communism) বৈশিষ্ট্যকে নিয়ে। এই দুই পর্বের মধ্যে অনেক মিল আছে যেহেতু সেগুলো হলও একই ব্যবস্থার দুটি পর্ব। এই দুই পর্বের ভেতরে বেশ কিছু পার্থক্যও বিরাজমান, এবং এই পার্থক্যগুলো সাম্যবাদী সমাজের বিকাশের নিম্নতম ও

কমিউনিস্ট পার্টি কি এবং কেন?

কমিউনিস্ট পার্টি (ইংরেজি: Communist Party) বা সাম্যবাদী দল মূলত সাম্যবাদী মতাদর্শের রাজনৈতিক দল। এটি রাষ্ট্রীয় নীতিতে সাম্যবাদ ও সমাজতন্ত্রের সামাজিক অর্থনৈতিক নীতিমালা বাস্তবায়নের কথা বলে। কমিউনিস্ট পার্টি মার্কসবাদ লেনিনবাদের ভিত্তিতে বিপ্লবী তত্ত্বের সংগে বিপ্লবী আন্দোলনের অবিচ্ছেদ্য যোগাযোগের কর্মনীতির ধারক ও বাহক। কমিউনিস্ট পার্টিকে বলা হয় প্রলেতারিয়েত ও শ্রমিক শ্রেণির অগ্রবাহিনী,

গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদ প্রসঙ্গে

গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদ (ইংরেজি: Democratic centralism) বলতে লেনিনবাদী রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত নীতিসমূহকে উল্লেখ করা হয়। ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস তাঁর কর্তৃত্ব প্রসঙ্গে লেখায় কর্তৃত্বকে কেন্দ্রিকতাবাদ অর্থে ব্যাখ্যা করেছিলেন। এঙ্গেলসের মতে জটিল যন্ত্রপাতির বিকাশের সাথে সাথে কেন্দ্রিকতাবাদের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। আমরাও দেখি যান্ত্রিক বিকাশের সাথে সাথে কারখানা বা গবেষণাগার বা সংগঠনে কেন্দ্রিকতাবাদের গুরুত্ব অপরিসীম। মাঝে

সাম্যবাদী আন্তর্জাতিক বা তৃতীয় আন্তর্জাতিকের কার্যক্রম ও ভূমিকা

১৯১৮ সালে পেত্রোগ্রাদে আন্তর্জাতিক গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি প্রস্তুতি সভা হয়। অংশ নেয় বলশেভিক পার্টি, বাম সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী, বিভিন্ন দেশের সমাজ গণতন্ত্রী দল প্রভৃতি। এতে সভাপতিত্ব করেন ম্যাক্সিম গোর্কি। সম্মেলনে ৮২ জন প্রতিনিধি যোগ দেন। মূল বক্তা ছিলেন জিনভিয়েভ। মূল কমিটির সভাপতি হন ভ্লাদিমির লেনিন (রাশিয়া), হিউগো এবারলিন (জার্মানী) প্ল্যাটেন

দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বা সমাজতন্ত্রী আন্তর্জাতিকের কার্যক্রম ও ভূমিকা

শ্রমিক আন্দোলনে মার্কসবাদের বিজয়ের পক্ষে একান্ত ফলপ্রসূ ছিল প্রথম আন্তর্জাতিকের ক্রিয়াকলাপ, বিভিন্ন দেশে ব্যাপক প্রলেতারিয় পার্টি গড়ার জন্য যা জমিন তৈরি করেছিল। কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্র ও কমিউনিজমের নানা শিক্ষা ও ধারার ব্যাপারে উনিশ শতকে মার্কস ও এঙ্গেলস তাঁদের নির্মম সমালোচনা দ্বারা প্রলেতারিয়েতের মধ্যে মার্কসবাদ বিস্তারের পথ পরিষ্কার করেন। শ্রমিক আন্দোলনে মার্কসবাদ বিজয়ের

Top