আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > মতাদর্শ > সমাজতন্ত্র

সমাজতন্ত্র প্রলেতারিয়েতের মুক্তির পদ্ধতি সংক্রান্ত মতবাদ

সমাজতন্ত্র বা সমাজবাদ (ইংরেজি: Socialism) হচ্ছে এমন একটি সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে উৎপাদনের উপকরণের সামাজিক মালিকানা এবং অর্থনীতির একটি সমবায়ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা। এছাড়াও একই সাথে এটি একটি রাজনৈতিক মতবাদ ও আন্দোলন যার লক্ষ্য হচ্ছে এই ধরনের সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। অর্থাৎ এটি এমন একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে

সমাজতন্ত্রের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ধারনার উদ্ভব,

সমাজতন্ত্রের ইংরেজি ‘socialism’ শব্দটি ল্যাটিন শব্দ sociare থেকে এসেছে। ল্যাটিন শব্দটির অর্থ সংযুক্ত করা বা অংশীদার করা। এই সম্পর্কিত, রোমান ভাষায় এবং পরবর্তীতে মধ্যযুগের আইনে আরো কুশলী শব্দ হল societas. পরের societas শব্দটি দ্বারা বোঝাতো সাহচর্য এবং সংঘ বা সহযোগিতা। এছাড়াও শব্দটি দ্বারা আরো আইনানুগ ধারণায় বোঝাতো মুক্তমানুষের মধ্যে সম্মতিসূচক

সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের পার্থক্যরেখাগুলো কোথায় ও কীভাবে?

সাম্যবাদী সমাজের গঠনের ধারনা গড়ে উঠেছে তার দুটি পর্ব বা স্তর বা ধাপ সমাজতন্ত্র (Socialism) ও সাম্যবাদের (Communism) বৈশিষ্ট্যকে নিয়ে। এই দুই পর্বের মধ্যে অনেক মিল আছে যেহেতু সেগুলো হলও একই ব্যবস্থার দুটি পর্ব। এই দুই পর্বের ভেতরে বেশ কিছু পার্থক্যও বিরাজমান, এবং এই পার্থক্যগুলো সাম্যবাদী সমাজের বিকাশের নিম্নতম ও

কমিউনিস্ট পার্টি কি এবং কেন?

কমিউনিস্ট পার্টি (ইংরেজি: Communist Party) বা সাম্যবাদী দল মূলত সাম্যবাদী মতাদর্শের রাজনৈতিক দল। এটি রাষ্ট্রীয় নীতিতে সাম্যবাদ ও সমাজতন্ত্রের সামাজিক অর্থনৈতিক নীতিমালা বাস্তবায়নের কথা বলে। কমিউনিস্ট পার্টি মার্কসবাদ লেনিনবাদের ভিত্তিতে বিপ্লবী তত্ত্বের সংগে বিপ্লবী আন্দোলনের অবিচ্ছেদ্য যোগাযোগের কর্মনীতির ধারক ও বাহক। কমিউনিস্ট পার্টিকে বলা হয় প্রলেতারিয়েত ও শ্রমিক শ্রেণির অগ্রবাহিনী,

গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদ প্রসঙ্গে

গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদ (ইংরেজি: Democratic centralism) বলতে লেনিনবাদী রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত নীতিসমূহকে উল্লেখ করা হয়। ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস তাঁর কর্তৃত্ব প্রসঙ্গে লেখায় কর্তৃত্বকে কেন্দ্রিকতাবাদ অর্থে ব্যাখ্যা করেছিলেন। এঙ্গেলসের মতে জটিল যন্ত্রপাতির বিকাশের সাথে সাথে কেন্দ্রিকতাবাদের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। আমরাও দেখি যান্ত্রিক বিকাশের সাথে সাথে কারখানা বা গবেষণাগার বা সংগঠনে কেন্দ্রিকতাবাদের গুরুত্ব অপরিসীম। মাঝে

সাম্যবাদী আন্তর্জাতিক বা তৃতীয় আন্তর্জাতিকের কার্যক্রম ও ভূমিকা

১৯১৮ সালে পেত্রোগ্রাদে আন্তর্জাতিক গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি প্রস্তুতি সভা হয়। অংশ নেয় বলশেভিক পার্টি, বাম সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী, বিভিন্ন দেশের সমাজ গণতন্ত্রী দল প্রভৃতি। এতে সভাপতিত্ব করেন ম্যাক্সিম গোর্কি। সম্মেলনে ৮২ জন প্রতিনিধি যোগ দেন। মূল বক্তা ছিলেন জিনভিয়েভ। মূল কমিটির সভাপতি হন ভ্লাদিমির লেনিন (রাশিয়া), হিউগো এবারলিন (জার্মানী) প্ল্যাটেন

দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বা সমাজতন্ত্রী আন্তর্জাতিকের কার্যক্রম ও ভূমিকা

শ্রমিক আন্দোলনে মার্কসবাদের বিজয়ের পক্ষে একান্ত ফলপ্রসূ ছিল প্রথম আন্তর্জাতিকের ক্রিয়াকলাপ, বিভিন্ন দেশে ব্যাপক প্রলেতারিয় পার্টি গড়ার জন্য যা জমিন তৈরি করেছিল। কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্র ও কমিউনিজমের নানা শিক্ষা ও ধারার ব্যাপারে উনিশ শতকে মার্কস ও এঙ্গেলস তাঁদের নির্মম সমালোচনা দ্বারা প্রলেতারিয়েতের মধ্যে মার্কসবাদ বিস্তারের পথ পরিষ্কার করেন। শ্রমিক আন্দোলনে মার্কসবাদ বিজয়ের

সমাজতন্ত্র অভিমুখী দেশসমুহ ও সাম্রাজ্যবাদ একসাথে অসীমকাল টিকবে না

বিশ শতকে সমাজতন্ত্র, সাম্যবাদ ও শ্রেণি সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু ইউরোপে থাকলো না। সমাজতন্ত্রের ময়দান দখল করলো এশিয়া, লাতিন আমেরিকা আর আফ্রিকার মানুষ। সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদ নিয়ে কিন্তু আলোচনার টেবিল, গবেষণা, বাকোয়াজি কম করেনি ইউরোপ। কিন্তু ইউরোপের এতো এতো সাম্যবাদি, সমাজতান্ত্রিক ও বামপন্থি পার্টিগুলো কোনোদিনই বিপ্লবের পথে যেতে পারেনি তার কারণ ওই

সমাজতান্ত্রিক সমাজ গড়তে সমাজতান্ত্রিক শিক্ষার গুরুত্ব

বিশ শতকের প্রথমার্ধে জনগণকে সুশিক্ষিত করার কথা বলা হতো; পাকিস্তানকালিন সময়েও জনগণকে সুশিক্ষা দেয়ার কথা বলা হয়েছে; কিন্তু বাংলাদেশ হবার পরে সুশিক্ষা বা শিক্ষার পরিবর্তে স্বাক্ষরতা শব্দটি চালু করা হয়। একবিংশ শতাব্দীর শূন্য দশকের বাংলাদেশে শিক্ষা সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা, লেখালেখি, চিন্তার প্রকাশ নেই বললেই চলে। এই সময়ে দেশবাসির মনে শিক্ষার গুরুত্ব

সমাজতান্ত্রিক সমাজে জনশিক্ষার গুরুত্ব ও প্রকৃতি

সমাজতন্ত্র জনশিক্ষাকে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচনা করে। একটি প্রগতিশীল ও সমাজতান্ত্রিক শিক্ষাব্যবস্থা সমাজতান্ত্রিক সমাজের বিনির্মাণে সহায়ক। সমাজতন্ত্রে জনসাধারণ অবাধে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি চর্চার সুযোগ লাভ করে। এটি ব্যক্তিমানুষের সর্বাঙ্গীণ বিকাশের প্রয়োজনীয় অবস্থা সৃষ্টি করে। ভ্লাদিমির লেনিন বলেছেন, “পুরনো আমলে, মানুষের প্রতিভা, মানুষের মস্তিষ্ক সৃষ্টি করেছিল শুধু কিছু লোককে প্রযুক্তিবিদ্যা ও

Top