You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > আন্তর্জাতিক

চীনের ইতিহাস প্রসঙ্গে

সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিচারে চীন শুধু প্রাচীন নয়, বড়ও বটে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে চীন ছিল সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য। বর্তমান চীনের চাইতেও বেশি এলাকা তখন চীনের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। তার কর্তৃত্ব বিস্তৃত ছিল আমুর অঞ্চলের সাইবেরিয়া বনভূমি থেকে উস্থরী পর্যন্ত। তিব্বত, বহির্মঙ্গেলিয়া, অন্তর্মঙ্গোলিয়া তখন চীনের অন্তর্গত। চারপাশের কোরিয়া, অ্যানাম, ব্রহ্মদেশ, নেপাল ও মধ্য এশিয়ার শেখশাসিত অঞল তখন চীনের সম্রাটকে নজরানা পাঠাত। বর্তমান লেখায় এই বিশাল দেশটির সংস্কৃতি ও সভ্যতার একটি প্রাথমিক রূপরেখা দেওয়া হবে। আরো পড়ুন

আন্তর্জাতিকতাবাদ প্রসঙ্গে

ইন্টারন্যাশনালিজম বা আন্তর্জাতিকতাবাদের (ইংরেজি: Internationalism) একটি সাধারণ অর্থ বিশ্বের জাতিসমূহের মধ্যে সৌহার্দ্যমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার নীতি। কিন্তু শব্দটির বিকাশ ঘটেছে আধুনিককালে সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের বিরোধী চিন্তা হিসাবে। সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের প্রবণতা হচ্ছে নিজের জাতি ও রাষ্ট্রের স্বার্থকে প্রধান বলে গণ্য করা এবং অপর জাতি এবং রাষ্ট্রের স্বার্থসমূহকে উপেক্ষা করা। সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের মারাত্মক

চীন সাম্রাজ্যবাদী প্রতিক্রিয়াশীল গণবিরোধী রাষ্ট্র

চীন বা চিন বা গণচীন বা গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (ইংরেজি: PRC) হচ্ছে এশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী প্রতিক্রিয়াশীল গণবিরোধী রাষ্ট্র। ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন গঠিত হয় এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টি বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণ করে। আধুনিক চীনের শিল্পায়নে দ্রুত উন্নয়নের চেষ্টা হচ্ছে মহা উল্লম্ফন বা গ্রেট লিপ ফরওয়ার্ড (ইংরেজি: Great Leap Forward)। উৎপাদনের পরিমাণে বিরাট

ফ্যাবিয়ান সমিতি বা ফ্যাবিয়ানবাদ প্রসঙ্গে

প্রাচীন রোমের বিখ্যাত সমরবিদ ফ্যাবিয়াস-এর নামের ভিত্তিতে ঊনবিংশ শতকের ইংল্যাণ্ডের একদল গণতান্ত্রিক সমাজবাদী চিন্তাবিদের প্রতিষ্ঠিত সমিতি ‘ফেবিয়ান সোসাইটি’ (ইংরেজি: Fabian Society, Fabianism) নামে পরিচিত। রোমের সমরবিদ ফ্যাবিয়াসের নাম গ্রহণ করার কারণ এই সমরবিদ সেকালে (খ্রি. পূ. ৩২২-২৯৫) কারথেজের সঙ্গে রোমের যুদ্ধে যে কৌশল গ্রহন করেছিলেন সে কৌশলের বৈশিষ্ট্য ছিল ‘বিলম্বিতকরণ’। আরো পড়ুন

ডাইকাস্ট কাকে বলে?

ডাইকাস্ট (ইংরেজি: Dikastes গ্রিক: δικαστής, বহুবচনে δικασταί) হচ্ছে প্রাচীন এথেন্স নগর-রাষ্ট্রের একটি রাষ্ট্রীয় পদের নাম। ডাইকাস্টকে জুরী বা বিচার-ব্যবস্থা বলে মনে করা যায়। এথেন্সের যারা নাগরিক অর্থাৎ যারা দাস কিংবা ঋণের দায়ে নাগরিকতা থেকে বঞ্চিত হয় নি এমন নগরবাসীদের মধ্য থেকে প্রতি বছর ছহাজার বিচারকের একটি তালিকা নির্বাচনের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হতো।

এনআরসি অথবা গিলোটিনে অসমের বাঙালি

শুরুতেই শিরোনামে ব্যবহৃত ‘অসম’ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট কথা বলি। শৈশব থেকে আমাদের প্রদেশ-নাম আর তার উৎপত্তির ইতিহাস যে ভাবে জেনে এসেছি, হঠাৎই এক দিন তা হাওয়ায় উড়িয়ে দিল প্রাদেশিকতা-বাদী বুদ্ধিজীবীরা। পাল্টে গেল প্রদেশ নাম এবং বিনা বাক্যব্যয়ে তাকে বৈধতা দিল বাংলা ভাষায় প্রকাশিত সমস্ত সংবাদপত্র। এ সম্পর্কে যাঁরা ভিন্নমত পোষণ

আসামে বাঙালি বিতাড়নের মুষল পর্ব

যাঁরা ইতিহাস ও ভূগোলের বিষম সম্পর্ক নিয়ে সচরাচর মাথা ঘামান না, তাঁদের জন্য এ তথ্য জানাচ্ছি, ভারতের উত্তর-পূর্বের সবচেয়ে বড় রাজ্য আসামে যাঁরা থাকেন, তাঁরা সবাই অসমিয়া নন। না, তা আদপেই নয়। এখানে অসমিয়াদের সঙ্গে আছে প্রচুর বাঙালি, হিন্দিভাষী, বড় জনগোষ্ঠী, ডিমাসা-কার্বি-মিশিং-আহোম-মৈতৈ-মণিপুরি-বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি-মারা প্রভৃতি ক্ষুদ্র জনসমাজ। এদের সবাইকে সহাবস্থানের পাঠ

অসমে বাঙালির শরশয্যা

প্রতিদিনই পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে দ্রুত। এতদিন বাঙালি–‌সহ সমস্ত ভাষিক সংখ্যালঘু মানুষ রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করেছেন কবে আসবে ৩০ জুন!‌ ২০১৭–‌এর ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রথম খসড়া নাগরিকপঞ্জি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, নাগরিকপঞ্জি নবায়ন সুপরিকল্পিত চক্রান্ত ছাড়া আর কিছুই নয়। তারপর যতদিন গেছে, অসমিয়া আধিপত্যবাদের স্বর উগ্র থেকে উগ্রতর হয়েছে গুয়াহাটির বিভিন্ন

ডিসেম্বরপন্থী অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে

ডিসেম্বরপন্থী অভ্যুত্থান বা ডিসেম্বরপন্থী বিদ্রোহ (ইংরেজি: Decembrist revolt বা Decembrist uprising) হচ্ছে ১৮২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে রাশিয়ার জারতন্ত্রের বিরুদ্ধে কিছুসংখ্যক সামরিক অফিসারের নেতৃত্বে একটি অভ্যুত্থান বা বিদ্রোহ। রুশ ইতিহাসে ডিসেম্বরপন্থী নামে আখ্যায়িত এই অভ্যুত্থানকারীদের জার নরপিশাচ প্রথম নিকোলাস সেনেট স্কয়ারে কঠোর হাতে দমন করে। রাশিয়ার জারের স্বৈরতন্ত্র এবং সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার

গণঅধিকারবাদ বা চার্টিস্ট আন্দোলন প্রসঙ্গে

উনিশ শতকের ইংল্যাণ্ডের গণঅধিকার অর্জনের ঐতিহাসিক একটি আন্দোলনের নাম ‘চার্টিস্ট আন্দেলন’ বা চার্টার আন্দোলন বা গণঅধিকারবাদ (ইংরেজি: Chartism)। রাজনৈতিক অধিকারসহ ১৮৩৮ এর গণঅধিকার অর্জন এই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল। জনসাধারণের দাবির অন্যতম ছিল প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বজনীন ভোটাধিকার, পার্লামেন্টের নিয়মিত বার্ষিক অধিবেশন আহবান, আরো পড়ুন

Top