আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > আন্তর্জাতিক

সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম প্রসঙ্গে

সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (All India Anna Dravida Munnetra Kazhagam (AIADMK) (English: All India Anna Dravidian Progressive Party) থেকে ১৯৭২ খ্রি অক্টোবরে বিচ্ছিন্ন হয়ে তামিলনাড়ু রাজ্যে আন্না ডি এম কে দলের জন্ম হয়। নেতৃত্ব দিয়েছিলেন চিত্রাভিনেতা রাজনীতিক এম জি রামচন্দ্রন। ১৯৭৪ খ্রি পণ্ডিচেরি বিধানসভার নির্বাচনে এই দল অর্ধেকের কাছাকাছি

আন্তর্জাতিক আইন কাকে বলে

আন্তর্জাতিক আইন (ইংরেজি: International Law) হচ্ছে বিভিন্ন রাষ্ট্র পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং মৈত্রীর সম্পর্ক বজায় রাখার তাগিদে এবং একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কসূত্রে নিজেদের শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে যে আচরণবিধি প্রণয়ন করে তাকেই আন্তর্জাতিক আইন বলা হয়। আন্তর্জাতিক আইন দু ধরনের হয়ে থাকে, যথা পাবলিক (অর্থাৎ বিভিন্ন রাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিকের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

আন্তর্জাতিক (ইংরেজি: International) হচ্ছে বিভিন্ন দেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগঠনের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে গঠিত সংগঠনসমূহের একত্রিত নাম। এই সংগঠনগুলোর উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ব সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠা করা। এই সংগঠনগুলোকে সাধারণত প্রথম আন্তর্জাতিক, দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক, তৃতীয় আন্তর্জাতিক ও চতুর্থ আন্তর্জাতিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মূল নিবন্ধ: প্রথম আন্তর্জাতিকের কার্যক্রম ও ভূমিকা প্রথম আন্তর্জাতিক ১৮৬৪ খ্রিস্টবাদে

অসমে বাঙালি মৃগয়া কি গণহত্যায় পরিণত?

এনআরসি বা জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নবায়নের নামে বাঙালি বিদ্বেষী শাসক যেভাবে জাতিবিদ্বেষ ও হিংস্রতায় প্ররােচনা দিয়েছে, তাতে তিনসুকিয়ার গণহত্যা অনিবার্যই ছিল। পাঁচজন বাঙালি দিনমজুর যে অকালে আততায়ীর নৃশংসতায় প্রাণ হারালেন, একে যত বিশেষণ দিয়েই নিন্দা করি না কেন তাতে এই মূল বিষয় ঝাপসা হবে না যে, এঁদের মাতৃভাষাই মৃত্যুর কারণ। এরকম

স্পেনের গৃহযুদ্ধ প্রসঙ্গ এবং প্রাসঙ্গিক ইতিহাস

স্পেনে ১৯৩১ সালে রাজতন্ত্রের পরিবর্তে প্রজাতন্ত্র স্থাপিত হয়। ১৯৩১ এবং ১৯৩৩ সালের নির্বাচনে ডানপন্থী ও মধ্যপন্থিরা জয়লাভ করে। নতুন সরকার অভিজাত শ্রেণির ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি খর্ব করে বিভিন্ন আইন প্রণয়নের চেষ্টা করে। স্পেনে শক্তিশালী মধ্যবিত্ত শ্রেণি না থাকায় এই নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের ভিত্তি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে। বামপন্থী এবং দক্ষিণপন্থী

ফার্মের এনিমেল, জর্জ অরওয়েল

ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের একটি প্রবন্ধের নাম ‘কর্তৃত্ব প্রসঙ্গে’। সেই প্রবন্ধে এঙ্গেলস দেখাচ্ছেন আধুনিক কালের বা শিল্পবিপ্লব পরবর্তীকালের বড় কারখানায় কীভাবে কর্তৃত্বের প্রয়োজন পড়ে। তিনি উদাহরণ হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই রেলের জটিল কর্মপ্রক্রিয়াকে উল্লেখ করেছেন।[১] একজন ট্রেন ড্রাইভার স্বাধীনভাবে দশ মিনিটও কি একটি ট্রেন চালাতে পারবেন? একজন সাধারণ জ্ঞান ধারণ করেন এরকম শ্রমিক খুব সহজেই

চীনা অস্ত্র আমদানিতে আওয়ামি উৎসাহ বাংলাদেশকে সাম্রাজ্যবাদের অধীনস্থ করেছে

গণতন্ত্র হচ্ছে সামন্তবাদ, প্রাচ্য স্বৈরতন্ত্র ও জমিদারতন্ত্রের উৎখাত; জমির উপর কৃষকের পরিপূর্ণ মালিকানা। সেই গণতন্ত্রের কথা এখন আর কেউ বলে না। কিন্তু গণতন্ত্রের শত্রুরও অভাব নেই। চীনা সাম্রাজ্যবাদসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ এখন গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাবিরোধী হয়ে গেছে। পুঁজিবাদ সাম্রাজ্যবাদে রূপান্তরের পর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে অনবরত যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। এই যুদ্ধ চালাতে গিয়ে তারা

চীনা সমাজের শ্রেণি বিশ্লেষণ — মাও সেতুং

মার্চ ১৯২৬ কমরেড মাও সে তুং এই প্রবন্ধটি লিখেছিলেন ১৯২৬ সালের মার্চ মাসে। সে সময়ে পার্টির ভেতরে যে দু’ধরনের বিচ্যুতি ছিলো, তার বিরোধিতা করার জন্যই তিনি এই প্রবন্ধটি লিখেছিলেন। তৎকালে পার্টির ভেতরকার প্রথম বিচ্যুতির প্রবক্তা ছিল ছেন তুসিউ। এরা কেবলমাত্র কুওমিনতাঙের সঙ্গে সহযোগিতা করতেই মনোযোগ দিয়েছিল এবং কৃষকদেরকে ভুলে গিয়েছিল—এটা ছিল

সীমান্তে সাড়ে চার দশকে দেড় হাজারের অধিক বাংলাদেশী হত্যা

বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর সীমান্ত। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশীদের গত চার দশকে পাল্লা দিয়ে সাধারণ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করেছে। গত সড়ে চার দশকের অধিক সময়কালে এই সংখ্যা এখন দেড় হাজার ছাড়িয়ে গেছে। ৭ জানুয়ারি ২০১৭ ফেলানি হত্যার ছয় বছর পালিত হয় বাংলাদেশে। ২০১১ সালে তাকে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি

আসামের জেলাগুলোর তালিকা

বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে দুর্বল। এই দুর্বলতার জন্য মূলত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কারণই প্রধান। এরপরই কারণ হিসেবে আসে সাম্রাজ্যবাদ। কিন্তু বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত ও তার রাজধানী দিল্লির পুঁজিপতি এবং তাদের বিস্তারবাদও একটি বড় কারণ আমাদের দুর্বলতা ও ব্যর্থতার জন্য। এই দিল্লি, তার আধিপত্যবাদী লুটেরা মনোভাব, পার্শ্ববর্তী দেশ ও জাতিসমূহকে শোষণ ইত্যাদি

Top