আপনি যা পড়ছেন

সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম প্রসঙ্গে

সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (All India Anna Dravida Munnetra Kazhagam (AIADMK) (English: All India Anna Dravidian Progressive Party) থেকে ১৯৭২ খ্রি অক্টোবরে বিচ্ছিন্ন হয়ে তামিলনাড়ু রাজ্যে আন্না ডি এম কে দলের জন্ম হয়। নেতৃত্ব দিয়েছিলেন চিত্রাভিনেতা রাজনীতিক এম জি রামচন্দ্রন। ১৯৭৪ খ্রি পণ্ডিচেরি বিধানসভার নির্বাচনে এই দল অর্ধেকের কাছাকাছি

অসমে বাঙালি মৃগয়া কি গণহত্যায় পরিণত?

এনআরসি বা জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নবায়নের নামে বাঙালি বিদ্বেষী শাসক যেভাবে জাতিবিদ্বেষ ও হিংস্রতায় প্ররােচনা দিয়েছে, তাতে তিনসুকিয়ার গণহত্যা অনিবার্যই ছিল। পাঁচজন বাঙালি দিনমজুর যে অকালে আততায়ীর নৃশংসতায় প্রাণ হারালেন, একে যত বিশেষণ দিয়েই নিন্দা করি না কেন তাতে এই মূল বিষয় ঝাপসা হবে না যে, এঁদের মাতৃভাষাই মৃত্যুর কারণ। এরকম

চীনা অস্ত্র আমদানিতে আওয়ামি উৎসাহ বাংলাদেশকে সাম্রাজ্যবাদের অধীনস্থ করেছে

গণতন্ত্র হচ্ছে সামন্তবাদ, প্রাচ্য স্বৈরতন্ত্র ও জমিদারতন্ত্রের উৎখাত; জমির উপর কৃষকের পরিপূর্ণ মালিকানা। সেই গণতন্ত্রের কথা এখন আর কেউ বলে না। কিন্তু গণতন্ত্রের শত্রুরও অভাব নেই। চীনা সাম্রাজ্যবাদসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ এখন গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাবিরোধী হয়ে গেছে। পুঁজিবাদ সাম্রাজ্যবাদে রূপান্তরের পর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে অনবরত যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। এই যুদ্ধ চালাতে গিয়ে তারা

চীনা সমাজের শ্রেণি বিশ্লেষণ — মাও সেতুং

মার্চ ১৯২৬ কমরেড মাও সে তুং এই প্রবন্ধটি লিখেছিলেন ১৯২৬ সালের মার্চ মাসে। সে সময়ে পার্টির ভেতরে যে দু’ধরনের বিচ্যুতি ছিলো, তার বিরোধিতা করার জন্যই তিনি এই প্রবন্ধটি লিখেছিলেন। তৎকালে পার্টির ভেতরকার প্রথম বিচ্যুতির প্রবক্তা ছিল ছেন তুসিউ। এরা কেবলমাত্র কুওমিনতাঙের সঙ্গে সহযোগিতা করতেই মনোযোগ দিয়েছিল এবং কৃষকদেরকে ভুলে গিয়েছিল—এটা ছিল

সীমান্তে সাড়ে চার দশকে দেড় হাজারের অধিক বাংলাদেশী হত্যা

বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর সীমান্ত। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশীদের গত চার দশকে পাল্লা দিয়ে সাধারণ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করেছে। গত সড়ে চার দশকের অধিক সময়কালে এই সংখ্যা এখন দেড় হাজার ছাড়িয়ে গেছে। ৭ জানুয়ারি ২০১৭ ফেলানি হত্যার ছয় বছর পালিত হয় বাংলাদেশে। ২০১১ সালে তাকে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি

আসামের জেলাগুলোর তালিকা

বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে দুর্বল। এই দুর্বলতার জন্য মূলত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কারণই প্রধান। এরপরই কারণ হিসেবে আসে সাম্রাজ্যবাদ। কিন্তু বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত ও তার রাজধানী দিল্লির পুঁজিপতি এবং তাদের বিস্তারবাদও একটি বড় কারণ আমাদের দুর্বলতা ও ব্যর্থতার জন্য। এই দিল্লি, তার আধিপত্যবাদী লুটেরা মনোভাব, পার্শ্ববর্তী দেশ ও জাতিসমূহকে শোষণ ইত্যাদি

আসামে সংকট, দায়ী কে?

গত তিন হাজার বছর ধরে দিল্লি আর উত্তর ভারত মিলে বাংলাসহ পূর্বের দেশগুলোকে শোষণ করছে। ১৯৪৭ সালে দিল্লি ও বোম্বাইয়ের পুঁজিপতিরা দাঙ্গা লাগিয়ে বাংলাকে ভাগ করেছে। সাহায্য করেছিল কলকাতার কিছু শিল্পপতি। আসল কথা হচ্ছে পূর্বের দেশসমূহকে লুট করার জন্যেই পূর্বের দেশসমূহের জনগণকে বিভক্ত করা হয়েছে এবং শাসন করা হয়েছে। গত

ভারতে অভ্যুত্থান — কার্ল মার্কস

লন্ডন ১৭ জুলাই ১৮৫৭ দিল্লি বিদ্রোহী সিপাহীদের হস্তগত ও মোগল বাদশাহ ঘোষিত হবার পর ৮ই জুন ঠিক এক মাস হলো। ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে ভারতের এই প্রাচীন রাজধানী বিদ্রোহীরা দখলে রাখতে পারবে তেমন কোনো ধারণা অবশ্যই অস্বাভাবিক। দিল্লি সুরক্ষিত কেবল একটি দেয়াল ও একটি সাধারণ পরিখা দিয়ে, আর দিল্লির চারিপাশে ও দিল্লিকে

নেপালে সংশোধনবাদীদের নির্বাচনী বিজয় এবং বাংলাদেশের মার্কসবাদবিরোধীদের সুবিধাবাদীতা

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপালে দুই দফায় সাধারণ নির্বাচন শেষ হয়েছে। নেপালের নির্বাচনে জিতেছে সংশোধনবাদী বামপন্থী জোট। নেপালের এই বাম জোটের জেতার পেছেন চীনের যেমন ভূমিকা আছে, তেমনি আছে ভারতের শোষণমূলক ভূমিকা। নেপালে ভারতবিরোধী মনোভাব বাংলাদেশের চেয়েও বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নেপালের জনগণ সবচেয়ে বেশি শোষিত হয়েছে, এবং এই শোষণ

Expansionist nature of India through the annexation of Sikim

Annexation means the action of occupying something, especially territory. It is the political process of changing from condition of of land from the control of one entity to another. It is also the internalisation of unclaimed land into a state's sovereignty, which is in most cases legitimate. In international law it

Top