You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

কাশ্মীর হচ্ছে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তরতম ভৌগলিক অঞ্চল

কাশ্মীর

কাশ্মীর (ইংরেজি: Kashmir) হচ্ছে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তরতম ভৌগলিক অঞ্চল। উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত "কাশ্মীর" শব্দটি কেবল বৃহত্তর হিমালয় এবং পীর পাঞ্জাল পর্বতমালার মাঝের কাশ্মীর উপত্যকাকে বোঝাত। এখন, কাশ্মীর রাজনৈতিকভাবে একটি বৃহত্তর অঞ্চলকে বোঝায় যেখানে ভারত শাসিত জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ অঞ্চল, পাকিস্তান-শাসিত আজাদ কাশ্মীর এবং গিলগিত-বালতিস্তান অঞ্চল

ভারতীয় জনতা পার্টি ভারতের জনগণ, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানবতার শত্রুদের সংগঠন

বিজেপির পতাকা

ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি (হিন্দি: भारतीय जनता पार्टी) হচ্ছে ভারতের জনগণ, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানবতার শত্রু এক সন্ত্রাসবাদী গণহত্যাকারী নরপিশাচদের সংগঠন। এটি জনসংঘ তথা ভারতীয় জনসংঘের পরিবর্তিত বর্তমান নাম। জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে হিন্দু মহাসভা পরিত্যাগ করেন। আরো পড়ুন

ভারত ছাড় আন্দোলন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে স্বাধীনতার দাবিতে সৃষ্ট বামপন্থীদের আন্দোলন

ভারত ছাড় আন্দোলন (ইংরেজি: Quit India Movement) হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্ব-মহাযুদ্ধের মধ্যবর্তীকালে ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে কংগ্রেস সোশ্যালিস্ট পার্টি ও ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কর্তৃক ইংরেজ সরকারের আশু ভারত পরিত্যাগ ও দেশের পূর্ণ স্বাধীনতার দাবিতে সৃষ্ট আন্দোলন। বিষয়টি বােঝার সুবিধার্থে পূর্ববর্তী প্রাসঙ্গিক ঘটনাবলির সামান্য উল্লেখ প্রয়ােজন। মাদ্রাজ অধিবেশনের (১৯২৭) সময় থেকেই কংগ্রেস

আসামে এনআরসি হচ্ছে জনগণকে দাসত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করার কংজেপি-বামফ্রন্টের ষড়যন্ত্র

আসামে এনআরসি

আসামে এনআরসি হচ্ছে ভারতীয় জনগণকে সস্তায় শ্রমশক্তি বিক্রি এবং চিরস্থায়ী দাসত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করার কংগ্রেস, বিজেপি এবং বামফ্রন্টের ষড়যন্ত্র। আসামে ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন নাগরিককে অনাগরিক ঘোষণা করা হয়েছে। এই অনাগরিকদের ভেতরে আছে বিভিন্ন আদিবাসী ও ধর্মীয় মানুষ। আসামে প্রচার আছে যে বাংলাদেশ থেকে অনেক মানুষ আসামে গেছে। বাংলাদেশ

আধুনিক আসামের ইতিহাসের আরম্ভ আসামে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের বিস্তার থেকে

আসামের ইতিহাস বাংলার ইতিহাস

আধুনিক আসামের ইতিহাস শুরু হয়েছে আসামে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের বিস্তারের পর থেকে। আসামে উপনিবেশিক যুগের সূচনা হয়েছিল ১৮২৬ সালে ইয়াণ্ডাবুর চুক্তির পরে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এবং ১৯৪৭ সালের পরে ব্রিটিশদের পরিবর্তে দিল্লির নয়া-উপনিবেশিক যুগে প্রবেশের মধ্য দিয়ে। ১৯৪৭ সালে পূর্বদেশের একটি অংশের, মূলত কলকাতার পুঁজিপতিরা যোগ দিয়েছে দিল্লি সাম্রাজ্যের সাথে। আরো পড়ুন

চীনা গৃহযুদ্ধ চীনের কুওমিনতাং ও কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে ১৯২৭-১৯৪৯ সময়ে চলা গৃহযুদ্ধ

গণচীনের ঘোষণা

চীনা গৃহযুদ্ধ বা চীনের গৃহযুদ্ধ (ইংরেজি: Chinese Civil War) ছিল চীনের একটি গৃহযুদ্ধ যা কুওমিনতাং (কেএমটি) নেতৃত্বাধীন চীন প্রজাতন্ত্রের সরকার (আরওসি) এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) -এর মধ্যে ১৯২৭ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যে স্থায়ীভাবে লড়াই হয়েছিল। যদিও ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত চার বছরের লড়াইয়ের দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে, আরো পড়ুন

ইসরায়েল সাম্রাজ্যবাদী সন্ত্রাসবাদী পুঁজিবাদী এশিয়ার অবৈধ নিপীড়ক দেশ

ইসরায়েল

ইসরায়েল বা ইজরায়েল বা ইজরাইল (ইংরেজি: Israel) মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত একটি শিল্প-কৃষিসমৃদ্ধ সাম্রাজ্যবাদী সন্ত্রাসবাদী পুঁজিবাদী দেশ। এর মোট ৪০ লক্ষ জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ৫ লক্ষ আরব। তেল আবিব দেশের প্রধান অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। জেরুসালেমকে সে বেআইনীভাবে তার রাজধানী ঘোষণা করেছে। আরো পড়ুন

চীনের ইতিহাস প্রসঙ্গে

সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিচারে চীন শুধু প্রাচীন নয়, বড়ও বটে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে চীন ছিল সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য। বর্তমান চীনের চাইতেও বেশি এলাকা তখন চীনের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। তার কর্তৃত্ব বিস্তৃত ছিল আমুর অঞ্চলের সাইবেরিয়া বনভূমি থেকে উস্থরী পর্যন্ত। তিব্বত, বহির্মঙ্গেলিয়া, অন্তর্মঙ্গোলিয়া তখন চীনের অন্তর্গত। চারপাশের কোরিয়া, অ্যানাম, ব্রহ্মদেশ, নেপাল ও মধ্য এশিয়ার শেখশাসিত অঞল তখন চীনের সম্রাটকে নজরানা পাঠাত। বর্তমান লেখায় এই বিশাল দেশটির সংস্কৃতি ও সভ্যতার একটি প্রাথমিক রূপরেখা দেওয়া হবে। আরো পড়ুন

চীন সাম্রাজ্যবাদী প্রতিক্রিয়াশীল গণবিরোধী রাষ্ট্র

চীন বা চিন বা গণচীন বা গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (ইংরেজি: PRC) হচ্ছে এশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী প্রতিক্রিয়াশীল গণবিরোধী রাষ্ট্র। ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন গঠিত হয় এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টি বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণ করে। আধুনিক চীনের শিল্পায়নে দ্রুত উন্নয়নের চেষ্টা হচ্ছে মহা উল্লম্ফন বা গ্রেট লিপ ফরওয়ার্ড (ইংরেজি: Great Leap Forward)। উৎপাদনের পরিমাণে বিরাট

এনআরসি অথবা গিলোটিনে অসমের বাঙালি

শুরুতেই শিরোনামে ব্যবহৃত ‘অসম’ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট কথা বলি। শৈশব থেকে আমাদের প্রদেশ-নাম আর তার উৎপত্তির ইতিহাস যে ভাবে জেনে এসেছি, হঠাৎই এক দিন তা হাওয়ায় উড়িয়ে দিল প্রাদেশিকতা-বাদী বুদ্ধিজীবীরা। পাল্টে গেল প্রদেশ নাম এবং বিনা বাক্যব্যয়ে তাকে বৈধতা দিল বাংলা ভাষায় প্রকাশিত সমস্ত সংবাদপত্র। এ সম্পর্কে যাঁরা ভিন্নমত পোষণ

Top