You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

চীনা গৃহযুদ্ধ চীনের কুওমিনতাং ও কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে ১৯২৭-১৯৪৯ সময়ে চলা গৃহযুদ্ধ

গণচীনের ঘোষণা

চীনা গৃহযুদ্ধ বা চীনের গৃহযুদ্ধ (ইংরেজি: Chinese Civil War) ছিল চীনের একটি গৃহযুদ্ধ যা কুওমিনতাং (কেএমটি) নেতৃত্বাধীন চীন প্রজাতন্ত্রের সরকার (আরওসি) এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) -এর মধ্যে ১৯২৭ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যে স্থায়ীভাবে লড়াই হয়েছিল। যদিও ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত চার বছরের লড়াইয়ের দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে, আরো পড়ুন

ইসরায়েল সাম্রাজ্যবাদী সন্ত্রাসবাদী পুঁজিবাদী এশিয়ার অবৈধ নিপীড়ক দেশ

ইসরায়েল

ইসরায়েল বা ইজরায়েল বা ইজরাইল (ইংরেজি: Israel) মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত একটি শিল্প-কৃষিসমৃদ্ধ সাম্রাজ্যবাদী সন্ত্রাসবাদী পুঁজিবাদী দেশ। এর মোট ৪০ লক্ষ জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ৫ লক্ষ আরব। তেল আবিব দেশের প্রধান অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। জেরুসালেমকে সে বেআইনীভাবে তার রাজধানী ঘোষণা করেছে। আরো পড়ুন

চীনের ইতিহাস প্রসঙ্গে

সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিচারে চীন শুধু প্রাচীন নয়, বড়ও বটে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে চীন ছিল সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য। বর্তমান চীনের চাইতেও বেশি এলাকা তখন চীনের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। তার কর্তৃত্ব বিস্তৃত ছিল আমুর অঞ্চলের সাইবেরিয়া বনভূমি থেকে উস্থরী পর্যন্ত। তিব্বত, বহির্মঙ্গেলিয়া, অন্তর্মঙ্গোলিয়া তখন চীনের অন্তর্গত। চারপাশের কোরিয়া, অ্যানাম, ব্রহ্মদেশ, নেপাল ও মধ্য এশিয়ার শেখশাসিত অঞল তখন চীনের সম্রাটকে নজরানা পাঠাত। বর্তমান লেখায় এই বিশাল দেশটির সংস্কৃতি ও সভ্যতার একটি প্রাথমিক রূপরেখা দেওয়া হবে। আরো পড়ুন

চীন সাম্রাজ্যবাদী প্রতিক্রিয়াশীল গণবিরোধী রাষ্ট্র

চীন বা চিন বা গণচীন বা গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (ইংরেজি: PRC) হচ্ছে এশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী প্রতিক্রিয়াশীল গণবিরোধী রাষ্ট্র। ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন গঠিত হয় এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টি বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণ করে। আধুনিক চীনের শিল্পায়নে দ্রুত উন্নয়নের চেষ্টা হচ্ছে মহা উল্লম্ফন বা গ্রেট লিপ ফরওয়ার্ড (ইংরেজি: Great Leap Forward)। উৎপাদনের পরিমাণে বিরাট

এনআরসি অথবা গিলোটিনে অসমের বাঙালি

শুরুতেই শিরোনামে ব্যবহৃত ‘অসম’ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট কথা বলি। শৈশব থেকে আমাদের প্রদেশ-নাম আর তার উৎপত্তির ইতিহাস যে ভাবে জেনে এসেছি, হঠাৎই এক দিন তা হাওয়ায় উড়িয়ে দিল প্রাদেশিকতা-বাদী বুদ্ধিজীবীরা। পাল্টে গেল প্রদেশ নাম এবং বিনা বাক্যব্যয়ে তাকে বৈধতা দিল বাংলা ভাষায় প্রকাশিত সমস্ত সংবাদপত্র। এ সম্পর্কে যাঁরা ভিন্নমত পোষণ

আসামে বাঙালি বিতাড়নের মুষল পর্ব

যাঁরা ইতিহাস ও ভূগোলের বিষম সম্পর্ক নিয়ে সচরাচর মাথা ঘামান না, তাঁদের জন্য এ তথ্য জানাচ্ছি, ভারতের উত্তর-পূর্বের সবচেয়ে বড় রাজ্য আসামে যাঁরা থাকেন, তাঁরা সবাই অসমিয়া নন। না, তা আদপেই নয়। এখানে অসমিয়াদের সঙ্গে আছে প্রচুর বাঙালি, হিন্দিভাষী, বড় জনগোষ্ঠী, ডিমাসা-কার্বি-মিশিং-আহোম-মৈতৈ-মণিপুরি-বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি-মারা প্রভৃতি ক্ষুদ্র জনসমাজ। এদের সবাইকে সহাবস্থানের পাঠ

অসমে বাঙালির শরশয্যা

প্রতিদিনই পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে দ্রুত। এতদিন বাঙালি–‌সহ সমস্ত ভাষিক সংখ্যালঘু মানুষ রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করেছেন কবে আসবে ৩০ জুন!‌ ২০১৭–‌এর ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রথম খসড়া নাগরিকপঞ্জি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, নাগরিকপঞ্জি নবায়ন সুপরিকল্পিত চক্রান্ত ছাড়া আর কিছুই নয়। তারপর যতদিন গেছে, অসমিয়া আধিপত্যবাদের স্বর উগ্র থেকে উগ্রতর হয়েছে গুয়াহাটির বিভিন্ন

আগস্ট আন্দোলন প্রসঙ্গে

১৯৪২ সালের আগস্ট মাসে ভারতীয় জনগণের শত্রু সংগঠন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ভারতের স্বাধীনতাকে জমিদার ও শিল্পপতিদের করায়ত্ত করবার জন্য ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে যে প্রতারণাপূর্ণ আন্দোলন আরম্ভ করে তা আগস্ট আন্দোলন নামে পরিচিত। এই শতাব্দীর বিশের দশক থেকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের দাবি প্রবল হতে শুরু করে। বিশের এবং ত্রিশের দশকে বিভিন্ন প্রকার আইন অমান্য

জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা প্রসঙ্গে

জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা বা অমৃতসর গণহত্যা (ইংরেজি: Jallianwala Bagh massacre) ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে অন্যতম কুখ্যাত গণহত্যা। প্রথম মহাযুদ্ধ পরবর্তীকালে ১৩ এপ্রিল, ১৯১৯ সনে অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের অমৃতসর শহরে ইংরেজ সামরিক অধিনায়ক নরপিশাচ জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে জালিয়ানওয়ালাবাগ নামক একটি বন্ধ উদ্যানে আরো পড়ুন

গদর পার্টি ছিলো প্রধানত পাঞ্জাবিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় বিপ্লবী সংগঠন

গদর পার্টি (ইংরেজি: Gadar Party বা Ghadar Party) প্রধানত পাঞ্জাবিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় বিপ্লবী সংগঠন ছিল। গদর শব্দটির অর্থ হলো বিদ্রোহ। ক্যালিফোর্নিয়ার স্টকটন শহরে বসবাসকারী শিখদের নিয়ে ১৯১৩ সালে দলটির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন লালা হরদয়াল। আরো পড়ুন

Top