You are here

সীমান্তে সাড়ে চার দশকে দেড় হাজারের অধিক বাংলাদেশী হত্যা

বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর সীমান্ত। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশীদের গত চার দশকে পাল্লা দিয়ে সাধারণ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করেছে। গত সড়ে চার দশকের অধিক সময়কালে এই সংখ্যা এখন দেড় হাজার ছাড়িয়ে গেছে। ৭ জানুয়ারি ২০১৭ ফেলানি হত্যার ছয় বছর পালিত হয় বাংলাদেশে। ২০১১ সালে তাকে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি

আসামের জেলাগুলোর তালিকা

বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে দুর্বল। এই দুর্বলতার জন্য মূলত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কারণই প্রধান। এরপরই কারণ হিসেবে আসে সাম্রাজ্যবাদ। কিন্তু বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত ও তার রাজধানী দিল্লির পুঁজিপতি এবং তাদের বিস্তারবাদও একটি বড় কারণ আমাদের দুর্বলতা ও ব্যর্থতার জন্য। এই দিল্লি, তার আধিপত্যবাদী লুটেরা মনোভাব, পার্শ্ববর্তী দেশ ও জাতিসমূহকে শোষণ ইত্যাদি

আসামে সংকট, দায়ী কে?

গত তিন হাজার বছর ধরে দিল্লি আর উত্তর ভারত মিলে বাংলাসহ পূর্বের দেশগুলোকে শোষণ করছে। ১৯৪৭ সালে দিল্লি ও বোম্বাইয়ের পুঁজিপতিরা দাঙ্গা লাগিয়ে বাংলাকে ভাগ করেছে। সাহায্য করেছিল কলকাতার কিছু শিল্পপতি। আসল কথা হচ্ছে পূর্বের দেশসমূহকে লুট করার জন্যেই পূর্বের দেশসমূহের জনগণকে বিভক্ত করা হয়েছে এবং শাসন করা হয়েছে। গত

ভারতে অভ্যুত্থান — কার্ল মার্কস

লন্ডন ১৭ জুলাই ১৮৫৭ দিল্লি বিদ্রোহী সিপাহীদের হস্তগত ও মোগল বাদশাহ ঘোষিত হবার পর ৮ই জুন ঠিক এক মাস হলো। ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে ভারতের এই প্রাচীন রাজধানী বিদ্রোহীরা দখলে রাখতে পারবে তেমন কোনো ধারণা অবশ্যই অস্বাভাবিক। দিল্লি সুরক্ষিত কেবল একটি দেয়াল ও একটি সাধারণ পরিখা দিয়ে, আর দিল্লির চারিপাশে ও দিল্লিকে

বিস্তারবাদের প্রকৃতি ও ভারত প্রসঙ্গ

বিস্তারবাদ বা সম্প্রসারণবাদ (ইংরেজি: Expansionism) সাধারণভাবে গঠিত হয় রাষ্ট্রের ও সরকারের সম্প্রসারণবাদী নীতিগুলোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে। কেউ কেউ এটিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর সাথে যুক্ত শব্দ হিসেবেও ব্যবহার করেন। আরো সচরাচরভাবে সাধারণত বিস্তারবাদ নির্দেশ করে রাষ্ট্রের ভূখণ্ডগত ভিত্তি বা অর্থনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির মতবাদ, যদিও সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে এটি করা প্রয়োজনীয় নয়। এটি

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, তার ইতিহাস ও ফলাফল — কার্ল মার্কস

দ্বিতীয় অংশ প্রথম অংশ পড়ুন ফের আবার অন্যদিক থেকে দেখা যাক। বিভিন্ন পর্যায়ে ভারতের সঙ্গে ব্রিটিশ বাণিজ্যের ধারা পর্যালোচনা করলে আমরা ভারত বিধানের বিশিষ্ট সংকটটিকে আরো ভালো করে বুঝতে পারব। এলিজাবেথের রাজত্বকালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কারবার শুরুর সময় ভারতের সঙ্গে লাভজনকভাবে বাণিজ্য চালাবার জন্য কোম্পানি বছরে ৩০,০০০ পাউন্ড মূল্যের সোনা, রূপা ও

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, তার ইতিহাস ও ফলাফল — কার্ল মার্কস

প্রথম অংশ লন্ডন, শুক্রবার ২৪শে জুন, ১৮৫৩ ভারত বিষয়ে বিধান প্রণয়ন স্থগিত রাখার জন্য লর্ড স্ট্যানলির মোশনের উপর বিতর্ক আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত মুলতুবী রাখা হয়েছে। ১৭৮৩ সালের পরে ইংলন্ডে এই প্রথম ভারত প্রশ্ন মন্ত্রিসভা-টেকা-না-টেকার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেন হল? ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সত্যকার সূত্রপাত হিসাবে ১৭০২ সালের অতি পূর্ববর্তী কোনো যুগকে নির্দিষ্ট করা

ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ভবিষ্যৎ ফলাফল — কার্ল মার্কস

লন্ডন, শুক্রবার, ২২ জুলাই, ১৮৫৩ এ চিঠিতে আমি ভারত সম্পর্কে আমার মন্তব্যের উপসংহার টানতে চাই। ইংরেজ প্রভুত্ব ভারতে প্রতিষ্ঠিত হল কি করে ? মহা মোগলদের একচ্ছত্র ক্ষমতা ভেঙে ফেলেছিল মোগল শাসনকর্তারা। শাসনকর্তাদের ক্ষমতা চূর্ণ করল মারাঠারা। মারাঠাদের ক্ষমতা ভাঙল আফগানরা; এবং সবাই যখন সবার সঙ্গে সংগ্রামে লিপ্ত, তখন প্রবেশ করল ব্রিটেন

ভারতে বৃটিশ শাসন — কার্ল মার্কস

লন্ডন, শুক্রবার, ১০ জুন, ১৮৫৩ ভিয়েনার তার-বার্তায় বলা হয়েছে যে তুর্কী সার্ডিনীয় ও সুইস প্রশ্নের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা সেখানে নিশ্চিত বলে ধরা হচ্ছে (২) । গতরাত্রে কমন্স সভায় ভারত বিতর্ক (৩) চলতে থাকে স্বাভাবিক একঘেয়ে ধরনে। স্যার চার্লস উড ও ‘স্যার জে. হগের বিবৃতিতে আশাবাদী মিথ্যার ছাপ আছে বলে মিঃ ব্ল্যাকেট অভিযোগ

Top