You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

এনআরসি অথবা গিলোটিনে অসমের বাঙালি

শুরুতেই শিরোনামে ব্যবহৃত ‘অসম’ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট কথা বলি। শৈশব থেকে আমাদের প্রদেশ-নাম আর তার উৎপত্তির ইতিহাস যে ভাবে জেনে এসেছি, হঠাৎই এক দিন তা হাওয়ায় উড়িয়ে দিল প্রাদেশিকতা-বাদী বুদ্ধিজীবীরা। পাল্টে গেল প্রদেশ নাম এবং বিনা বাক্যব্যয়ে তাকে বৈধতা দিল বাংলা ভাষায় প্রকাশিত সমস্ত সংবাদপত্র। এ সম্পর্কে যাঁরা ভিন্নমত পোষণ

আসামে বাঙালি বিতাড়নের মুষল পর্ব

যাঁরা ইতিহাস ও ভূগোলের বিষম সম্পর্ক নিয়ে সচরাচর মাথা ঘামান না, তাঁদের জন্য এ তথ্য জানাচ্ছি, ভারতের উত্তর-পূর্বের সবচেয়ে বড় রাজ্য আসামে যাঁরা থাকেন, তাঁরা সবাই অসমিয়া নন। না, তা আদপেই নয়। এখানে অসমিয়াদের সঙ্গে আছে প্রচুর বাঙালি, হিন্দিভাষী, বড় জনগোষ্ঠী, ডিমাসা-কার্বি-মিশিং-আহোম-মৈতৈ-মণিপুরি-বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি-মারা প্রভৃতি ক্ষুদ্র জনসমাজ। এদের সবাইকে সহাবস্থানের পাঠ

অসমে বাঙালির শরশয্যা

প্রতিদিনই পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে দ্রুত। এতদিন বাঙালি–‌সহ সমস্ত ভাষিক সংখ্যালঘু মানুষ রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করেছেন কবে আসবে ৩০ জুন!‌ ২০১৭–‌এর ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রথম খসড়া নাগরিকপঞ্জি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, নাগরিকপঞ্জি নবায়ন সুপরিকল্পিত চক্রান্ত ছাড়া আর কিছুই নয়। তারপর যতদিন গেছে, অসমিয়া আধিপত্যবাদের স্বর উগ্র থেকে উগ্রতর হয়েছে গুয়াহাটির বিভিন্ন

আগস্ট আন্দোলন প্রসঙ্গে

১৯৪২ সালের আগস্ট মাসে ভারতীয় জনগণের শত্রু সংগঠন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ভারতের স্বাধীনতাকে জমিদার ও শিল্পপতিদের করায়ত্ত করবার জন্য ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে যে প্রতারণাপূর্ণ আন্দোলন আরম্ভ করে তা আগস্ট আন্দোলন নামে পরিচিত। এই শতাব্দীর বিশের দশক থেকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের দাবি প্রবল হতে শুরু করে। বিশের এবং ত্রিশের দশকে বিভিন্ন প্রকার আইন অমান্য

জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা প্রসঙ্গে

জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যা বা অমৃতসর গণহত্যা (ইংরেজি: Jallianwala Bagh massacre) ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে অন্যতম কুখ্যাত গণহত্যা। প্রথম মহাযুদ্ধ পরবর্তীকালে ১৩ এপ্রিল, ১৯১৯ সনে অবিভক্ত ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের অমৃতসর শহরে ইংরেজ সামরিক অধিনায়ক নরপিশাচ জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে জালিয়ানওয়ালাবাগ নামক একটি বন্ধ উদ্যানে আরো পড়ুন

গদর পার্টি ছিলো প্রধানত পাঞ্জাবিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় বিপ্লবী সংগঠন

গদর পার্টি (ইংরেজি: Gadar Party বা Ghadar Party) প্রধানত পাঞ্জাবিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় বিপ্লবী সংগঠন ছিল। গদর শব্দটির অর্থ হলো বিদ্রোহ। ক্যালিফোর্নিয়ার স্টকটন শহরে বসবাসকারী শিখদের নিয়ে ১৯১৩ সালে দলটির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন লালা হরদয়াল। আরো পড়ুন

ভারত পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ নয়া উপনিবেশিক পুঁজিবাদী শোষণমূলক রাষ্ট্র

ভারত পৃথিবীর অন্যতম এবং দক্ষিণ এশিয়ার সুবৃহৎ পুঁজিবাদী শোষণনির্ভর সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত রাষ্ট্র। ভারত বিশ্বপরিস্থিতিতে ক্রমেই অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দক্ষিণ এশিয়ার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই দেশটি ১৫ হাজার কিলােমিটার দীর্ঘ সীমান্ত বরাবর চীন, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত। আরো পড়ুন

সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম প্রসঙ্গে

সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (All India Anna Dravida Munnetra Kazhagam (AIADMK) (English: All India Anna Dravidian Progressive Party) থেকে ১৯৭২ খ্রি অক্টোবরে বিচ্ছিন্ন হয়ে তামিলনাড়ু রাজ্যে আন্না ডি এম কে দলের জন্ম হয়। নেতৃত্ব দিয়েছিলেন চিত্রাভিনেতা রাজনীতিক এম জি রামচন্দ্রন। ১৯৭৪ খ্রি পণ্ডিচেরি বিধানসভার নির্বাচনে এই দল অর্ধেকের কাছাকাছি

অসমে বাঙালি মৃগয়া কি গণহত্যায় পরিণত?

এনআরসি বা জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নবায়নের নামে বাঙালি বিদ্বেষী শাসক যেভাবে জাতিবিদ্বেষ ও হিংস্রতায় প্ররােচনা দিয়েছে, তাতে তিনসুকিয়ার গণহত্যা অনিবার্যই ছিল। পাঁচজন বাঙালি দিনমজুর যে অকালে আততায়ীর নৃশংসতায় প্রাণ হারালেন, একে যত বিশেষণ দিয়েই নিন্দা করি না কেন তাতে এই মূল বিষয় ঝাপসা হবে না যে, এঁদের মাতৃভাষাই মৃত্যুর কারণ। এরকম

সীমান্তে সাড়ে চার দশকে দেড় হাজারের অধিক নিরপরাধ বাংলাদেশী হত্যা

বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর সীমান্ত। এই সীমান্তে ১৯৭১ পরবর্তীকালে দেড় হাজারের অধিক বাংলাদেশী হত্যা করেছে ভারতের সীমানারক্ষী বাহিনী। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশীদের গত চার দশকে পাল্লা দিয়ে সাধারণ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে চলছে। গত সড়ে চার দশকের অধিক সময়কালে এই সংখ্যার সাথে বাড়ছে আহত, ধর্ষণ ও নির্যাতনের

Top