You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

ফ্যাবিয়ান সমিতি বা ফ্যাবিয়ানবাদ প্রসঙ্গে

প্রাচীন রোমের বিখ্যাত সমরবিদ ফ্যাবিয়াস-এর নামের ভিত্তিতে ঊনবিংশ শতকের ইংল্যাণ্ডের একদল গণতান্ত্রিক সমাজবাদী চিন্তাবিদের প্রতিষ্ঠিত সমিতি ‘ফেবিয়ান সোসাইটি’ (ইংরেজি: Fabian Society, Fabianism) নামে পরিচিত। রোমের সমরবিদ ফ্যাবিয়াসের নাম গ্রহণ করার কারণ এই সমরবিদ সেকালে (খ্রি. পূ. ৩২২-২৯৫) কারথেজের সঙ্গে রোমের যুদ্ধে যে কৌশল গ্রহন করেছিলেন সে কৌশলের বৈশিষ্ট্য ছিল ‘বিলম্বিতকরণ’। আরো পড়ুন

ডাইকাস্ট কাকে বলে?

ডাইকাস্ট (ইংরেজি: Dikastes গ্রিক: δικαστής, বহুবচনে δικασταί) হচ্ছে প্রাচীন এথেন্স নগর-রাষ্ট্রের একটি রাষ্ট্রীয় পদের নাম। ডাইকাস্টকে জুরী বা বিচার-ব্যবস্থা বলে মনে করা যায়। এথেন্সের যারা নাগরিক অর্থাৎ যারা দাস কিংবা ঋণের দায়ে নাগরিকতা থেকে বঞ্চিত হয় নি এমন নগরবাসীদের মধ্য থেকে প্রতি বছর ছহাজার বিচারকের একটি তালিকা নির্বাচনের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হতো।

ডিসেম্বরপন্থী অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে

ডিসেম্বরপন্থী অভ্যুত্থান বা ডিসেম্বরপন্থী বিদ্রোহ (ইংরেজি: Decembrist revolt বা Decembrist uprising) হচ্ছে ১৮২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে রাশিয়ার জারতন্ত্রের বিরুদ্ধে কিছুসংখ্যক সামরিক অফিসারের নেতৃত্বে একটি অভ্যুত্থান বা বিদ্রোহ। রুশ ইতিহাসে ডিসেম্বরপন্থী নামে আখ্যায়িত এই অভ্যুত্থানকারীদের জার নরপিশাচ প্রথম নিকোলাস সেনেট স্কয়ারে কঠোর হাতে দমন করে। রাশিয়ার জারের স্বৈরতন্ত্র এবং সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার

গণঅধিকারবাদ বা চার্টিস্ট আন্দোলন প্রসঙ্গে

উনিশ শতকের ইংল্যাণ্ডের গণঅধিকার অর্জনের ঐতিহাসিক একটি আন্দোলনের নাম ‘চার্টিস্ট আন্দেলন’ বা চার্টার আন্দোলন বা গণঅধিকারবাদ (ইংরেজি: Chartism)। রাজনৈতিক অধিকারসহ ১৮৩৮ এর গণঅধিকার অর্জন এই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল। জনসাধারণের দাবির অন্যতম ছিল প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বজনীন ভোটাধিকার, পার্লামেন্টের নিয়মিত বার্ষিক অধিবেশন আহবান, আরো পড়ুন

বাস্তিলের পতন প্রসঙ্গে

বাস্তিলের বিক্ষোভ বা বাস্তিলের পতন বা বাস্তিল দুর্গের পতন (ইংরেজি: Fall of Bastille) হচ্ছে তৎকালীন অত্যাচারী ফরাসি সম্রাটের বিরুদ্ধে জনতার বিপ্লবী অভ্যুত্থানের সূচক বলে ইতিহাসে পরিগণিত। ঘটনাটি ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিস শহরে সংঘটিত হয়। বাস্তিল দুর্গ ছিল প্যারিস শহরে ফান্সের বিখ্যাত কারাগার। স্বৈরতান্ত্রিক সম্রাট এবং সামন্তবাদী শাসন ও

গ্রিস ইউরোপের পুঁজিবাদী রাষ্ট্র

বলকান উপদ্বীপের দক্ষিণে ও অদূরবর্তী দ্বীপগুলিতে অবস্থিত গ্রীস আয়তনের (প্রায় ১ লক্ষ ৩২ হাজার বর্গকিলোমিটার) দিক থেকে পর্তুগালের চেয়ে বৃহত্তর হলেও জনসংখ্যা (৯০ লক্ষ) ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মানের হিসাবে এর চেয়ে নিম্নপর্যায়ে অবস্থিত। গ্রীস মাক্ষিক, কয়লা, লিগনাইট, অ্যাজবেসটস, নিকেল, টিন, দস্তা, ক্রোমিয়াম, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ আকরিকের সমৃদ্ধ খনির অধিকারী। উষ্ণ ভূমধ্যসাগরধৌত দেশের উপ-উষ্ণমণ্ডলীয় জলবায়ু, কৃষির নিবিড় চাষভিত্তিক শাখা উন্নয়নের বিশেষ অনুকূল। আরো পড়ুন

পর্তুগাল ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী দেশ

আইবেরীয় উপদ্বীপের আটলান্টিক তীরবর্তী পশ্চিম ভাগে অবস্থিত পোর্তুগাল অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র দেশ। তার আয়তন ১০ হাজারের বর্গকিলোমিটারের সামান্য বেশি, জনসংখ্যা প্রায় এক কোটি। অর্ধশতক ধরে এটি প্রতিক্রিয়াশীল বুর্জোয়া চক্র, বড় জমিদার ও সামরিক আমলাতান্ত্রিক চক্র দ্বারা সমর্থিত ফাশিস্ট একনায়কত্বের শাসন সহ্য করেছে। ১৯৭৪ সালে জনসাধারণের সমর্থনে সৈন্যবাহিনীর আন্দোলন ফাশিস্ট শাসক গোষ্ঠীকে উৎখাত করে। পর্তুগালের বিপ্লব দেশে রাষ্ট্রীয় একচেটিয়ার বিলোপ ঘটিয়েছে, একচেটিয়া পুঁজির উপর প্রবল আঘাত হেনেছে, কল-কারখানা মেহনতিদের নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং কৃষিসংস্কারের সচনা করেছে। আরো পড়ুন

স্পেন ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী দেশ

দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপের চার-পঞ্চমাংশের বেশি এলাকাই স্পেনের অন্তর্ভুক্ত। এই বিশাল দেশটি লোহা, তামা, সীসা, দস্তা, টাংস্টেন, ইউরেনিয়াম ও অন্যান্য আকরিকসমৃদ্ধ। তার পারদ মজুদের পরিমাণ পুজিবাদী বিশ্বের মধ্যে বহত্তম। আরো পড়ুন

অস্ট্রিয়া ইউরোপের ক্ষুদ্র পার্বত্য দেশ

অস্ট্রিয়া প্রতিবেশী সুইজারল্যান্ডের মতোই একটি ক্ষুদ্র পার্বত্য দেশ। এটি পুর্ব আলপসের অন্তর্গত এবং ডানিয়ুব নদীর উচ্চ অববাহিকায় অবস্থিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির পতনের ফলে জার্মানির অঙ্গ-রাজ্য থেকে অস্ট্রিয়া মুক্তিলাভ করে এবং তার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ঘটে। ১৯৫৫ সাল থেকেই অস্ট্রিয়া স্থায়ী নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করছে এবং এটি তার জাতীয় অর্থনীতি ও সংস্কৃতির বিকাশ নিশ্চিত করেছে। আরো পড়ুন

সুইজারল্যান্ড ইউরোপীয় পুঁজিবাদী দেশ

সুইজারল্যান্ড স্থায়ী নিরপেক্ষ দেশ ঘোষিত হওয়ার পর দেড় শতাধিক বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। এই নীতিপালন আলপস পর্বতবর্তী এই দেশের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের পক্ষে বহুলাংশে সহায়ক ছিল। ট্রান্স-আলপসীয় রেলপথ ও সড়ক এবং রাইন নদীর মাধ্যমে সুইজারল্যাণ্ড পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে যুক্ত। আরো পড়ুন

Top