আপনি যা পড়ছেন

গ্রিস ইউরোপের পুঁজিবাদী রাষ্ট্র

বলকান উপদ্বীপের দক্ষিণে ও অদূরবর্তী দ্বীপগুলিতে অবস্থিত গ্রীস আয়তনের (প্রায় ১ লক্ষ ৩২ হাজার বর্গকিলোমিটার) দিক থেকে পর্তুগালের চেয়ে বৃহত্তর হলেও জনসংখ্যা (৯০ লক্ষ) ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মানের হিসাবে এর চেয়ে নিম্নপর্যায়ে অবস্থিত। গ্রীস মাক্ষিক, কয়লা, লিগনাইট, অ্যাজবেসটস, নিকেল, টিন, দস্তা, ক্রোমিয়াম, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ আকরিকের সমৃদ্ধ খনির অধিকারী। উষ্ণ ভূমধ্যসাগরধৌত দেশের উপ-উষ্ণমণ্ডলীয় জলবায়ু, কৃষির নিবিড় চাষভিত্তিক শাখা উন্নয়নের বিশেষ অনুকূল। আরো পড়ুন

পর্তুগাল ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী দেশ

আইবেরীয় উপদ্বীপের আটলান্টিক তীরবর্তী পশ্চিম ভাগে অবস্থিত পোর্তুগাল অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র দেশ। তার আয়তন ১০ হাজারের বর্গকিলোমিটারের সামান্য বেশি, জনসংখ্যা প্রায় এক কোটি। অর্ধশতক ধরে এটি প্রতিক্রিয়াশীল বুর্জোয়া চক্র, বড় জমিদার ও সামরিক আমলাতান্ত্রিক চক্র দ্বারা সমর্থিত ফাশিস্ট একনায়কত্বের শাসন সহ্য করেছে। ১৯৭৪ সালে জনসাধারণের সমর্থনে সৈন্যবাহিনীর আন্দোলন ফাশিস্ট শাসক গোষ্ঠীকে উৎখাত করে। পর্তুগালের বিপ্লব দেশে রাষ্ট্রীয় একচেটিয়ার বিলোপ ঘটিয়েছে, একচেটিয়া পুঁজির উপর প্রবল আঘাত হেনেছে, কল-কারখানা মেহনতিদের নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং কৃষিসংস্কারের সচনা করেছে। আরো পড়ুন

স্পেন ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী দেশ

দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপের চার-পঞ্চমাংশের বেশি এলাকাই স্পেনের অন্তর্ভুক্ত। এই বিশাল দেশটি লোহা, তামা, সীসা, দস্তা, টাংস্টেন, ইউরেনিয়াম ও অন্যান্য আকরিকসমৃদ্ধ। তার পারদ মজুদের পরিমাণ পুজিবাদী বিশ্বের মধ্যে বহত্তম। আরো পড়ুন

অস্ট্রিয়া ইউরোপের ক্ষুদ্র পার্বত্য দেশ

অস্ট্রিয়া প্রতিবেশী সুইজারল্যান্ডের মতোই একটি ক্ষুদ্র পার্বত্য দেশ। এটি পুর্ব আলপসের অন্তর্গত এবং ডানিয়ুব নদীর উচ্চ অববাহিকায় অবস্থিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির পতনের ফলে জার্মানির অঙ্গ-রাজ্য থেকে অস্ট্রিয়া মুক্তিলাভ করে এবং তার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ঘটে। ১৯৫৫ সাল থেকেই অস্ট্রিয়া স্থায়ী নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করছে এবং এটি তার জাতীয় অর্থনীতি ও সংস্কৃতির বিকাশ নিশ্চিত করেছে। আরো পড়ুন

সুইজারল্যান্ড ইউরোপীয় পুঁজিবাদী দেশ

সুইজারল্যান্ড স্থায়ী নিরপেক্ষ দেশ ঘোষিত হওয়ার পর দেড় শতাধিক বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। এই নীতিপালন আলপস পর্বতবর্তী এই দেশের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের পক্ষে বহুলাংশে সহায়ক ছিল। ট্রান্স-আলপসীয় রেলপথ ও সড়ক এবং রাইন নদীর মাধ্যমে সুইজারল্যাণ্ড পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে যুক্ত। আরো পড়ুন

লুক্সেমবুর্গ ইউরোপের ক্ষুদ্র দেশ

লুক্সেমবুর্গ একটি ক্ষুদ্র মধ্য ইউরোপীয় দেশ। এর আয়তন ২৬০০ বর্গকিলোমিটার, জনসংখ্যা ৩ লক্ষ ৬০ হাজার এবং তন্মধ্যে ৮০ হাজারই রাজধানী লুক্সেমবুর্গের বাসিন্দা। লুক্সেমবুর্গ ইউরো অঞ্চল ভুক্ত একটি দেশ; তাই এখানকার প্রচলিত মুদ্রা নাম হলো ইউরো। । তবে এই দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয়ের হিসেবে এটি পৃথিবীর অন্যতম ধনী একটি দেশ: লুক্সেমবুর্গের মাথাপিছু আয় বাৎসরিক প্রায় ৮৮ হাজার মার্কিন ডলার। আরো পড়ুন

বেলজিয়াম শিল্পোন্নত দেশ

নেদারল্যান্ডসের মতো বেলজিয়মও মধ্য ইউরোপের আন্তর্জাতিক পথসন্ধির সুবিধাজনক অবস্থানে অবস্থিত। বেলজিয়ম আত্যন্তিক শিল্পোন্নত দেশ। তার শিল্প কৃষির তুলনায় অনেক বেশি উন্নত। এটি ভারী শিল্পের ক্ষেত্রেই বিশেষ প্রযোজ্য হলেও তার হালকা ও খাদ্য শিল্পগুলিও যথেষ্টই উন্নত। বেলজিয়মের অর্থনীতি বৈদেশিক বাজার ও বিদেশের কাঁচামালের উপর বহুলাংশে নির্ভরশীল। বেলজিয়ামের প্রায় সকল শিল্পই আমদানিকৃত কাঁচামাল ব্যবহার করে ও সে তৈরী পণ্যের ৮০ শতাংশই বিদেশে পাঠায়। আরো পড়ুন

নেদারল্যান্ডস শিল্পন্নোত দেশ

নেদারল্যান্ডস উন্নত শিল্প-কৃষিসমৃদ্ধ দেশ। কিছুকাল আগেও সে অন্যতম প্রধান ঔপনিবেশিক শক্তি ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে তার উপনিবেশগলির মোট আয়তন ও জনসংখ্যা নিজ দেশের তুলনায় যথাক্রমে ৬২ গুণ ও ৮ গুণ বেশি ছিল। আজ তার অছিদেশের মধ্যে কেবল ক্যারিবিয়ানের ক্ষুদে অ্যান্টিলেসই (নেদারল্যান্ডসের ওয়েস্ট ইণ্ডিজ) উল্লেখ্য। আরও পড়ুন

আইসল্যান্ড মৎস্যশিল্প প্রধান গণতান্ত্রিক দ্বীপ রাষ্ট্র

প্রাক্তন ডাচ উপনিবেশ আইসল্যাণ্ড এই নামেরই একটি দ্বীপ। স্ক্যান্ডিনেভিয়া থেকে আগত নরওয়েবাসীদের বংশধরেরাই এখন এখানকার বাসিন্দা। দেশের রাজধানী রাইক-ইয়াভিকে মোট জনসংখ্যার প্রায় একতৃতীয়াংশ বসবাস করে (৮৫ হাজার)। আরো পড়ুন

নরওয়ে পৃথিবীর বৃহৎ মৎস্যশিল্পের রাষ্ট্র

নরওয়ে ইউরোপের প্রত্যন্ত উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। তার উপকূল উচু পাহাড়চড়া ও অসংখ্যা ফিয়র্ড চিহ্নিত। উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের কল্যাণে নরওয়ের উপকূল সারা বছর তুষারমুক্ত থাকে। উপকূলীয় সংকীর্ণ একফালি নিম্নভূমিতেই দেশের সর্বাধিক সংখ্যক জনবসতি অবস্থিত। এই অঞ্চল মধ্যম ধরনের সামুদ্রিক আবহসেবিত ও বন্দরাকীর্ণ। আরো পড়ুন

Top