You are here
Home > সাক্ষাতকার

নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতা রপ্ত করা যায় না — ইন্দ্র মোহন সিগদেল

ইন্দ্র মোহন সিগদেল হচ্ছেন নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি (বিপ্লবী মাওবাদী)র কেন্দ্রীয় কমিটি এবং পলিটব্যুরো সদস্য। তিনি ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫ সালে নেপালের তানাহুন জেলার কিহুনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮১ সালে কলকাতায় ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক শেষ করে নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি (চতুর্থ কংগ্রেস)-এ একজন স্কুল শিক্ষক হিসেবে  যোগ দেন। ১৯৯০ সালে তিনি জেলা কমিটির সেক্রেটারি

মার্কসবাদের একটা বৃহত্তর আখ্যান দরকার যা পুঁজিবাদকে প্রতিস্থাপন করতে পারবে — অরুণ গুপ্ত

ড. অরুণ গুপ্ত একজন লেখক, প্রাবন্ধিক ও গবেষক। তিনি Goddesses of Kathmandu valley নামে একটি গবেষণা গ্রন্থ রচনা করেছেন যা রাউটলেজ ইন্ডিয়া থেকে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি নেপালের দৈনিক অন্নপূর্ণা পোস্টের নিয়মিত লেখক। তাঁর গবেষণার বিষয় সাহিত্যতত্ত্ব, উপনিবেশউত্তর গবেষণা এবং দক্ষিণ এশীয় গবেষণা। তিনি নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

নতুন প্রযুক্তির অভিঘাতে সভ্যতা ও সংস্কৃতি — আবুল কাসেম ফজলুল হক

বিশ শতকে পৃথিবীতে বিরাট পরিবর্তন ঘটে গেছে। পুঁজিবাদি উপনিবেশবাদি বিশ্বব্যবস্থার সঙ্কট নিয়ে শতাব্দীর শুরু, ১৯১৭-তে রুশ বিপ্লব, পরে কয়েকটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা, আবার শতাব্দীর শেষ দিকে সেগুলোতে ভাঙন, এরই মধ্যে দুটি মহাযুদ্ধ, ফ্যাসিবাদের চরম উত্থান ও পতন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে উপনিবেশসমূহের স্বাধীনতা অর্জন, শতাব্দীর শেষ পদে স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এবং রাজনীতিতে

বাঙলাদেশে রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়ায় আগে মনোযোগ দেয়া উচিত — আবুল কাসেম ফজলুল হক

প্রথম পর্বের পর ২. অনুপ সাদি: বাঙলাদেশ তাহলে কতটুকু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র? গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র না হলে অগণতন্ত্রের চিত্রগুলো কোথায় কোথায় দেখা যাচ্ছে? আবুল কাসেম ফজলুল হক: বাঙলাদেশের মানুষের মধ্যে কখনো কখনো গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা দেখা দিয়েছে, বেশ প্রবলভাবেই দেখা দিয়েছে। আমি আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, পাকিস্থান প্রতিষ্ঠার পরে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের আগে গণতন্ত্রের কথা রাজনৈতিক নেতারা

আমরা যে অবস্থা দেখছি তা দীর্ঘকাল থাকবে না, স্বাভাবিক বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হবে — আবুল কাসেম ফজলুল হক

প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের পর ৩. অনুপ সাদি: এখানে গরীবরা শাসন ক্ষমতায় গেলেই যে ধনী হয়ে যাচ্ছে তা কিন্তু নয়? আবুল কাসেম ফজলুল হক: না, বাস্তবে দেখা যায় গরীবরা শাসন ক্ষমতায় গেলে ধনী হয়ে যায়। ব্যতিক্রম যে নেই তা নয়। ব্যতিক্রম দুর্লভ। রাশিয়া, চীন_ এসব দেশ তো একটা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেছে। তাদের

সংগ্রামের পথ ছাড়া মুক্তির আর কোনো পথ নেই — আবুল কাসেম ফজলুল হক

প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্বের পর ৪. অনুপ সাদি: বাঙলা ভাগ হয়ে যে সমস্যাটা হলো, অনেক লোকের মাইগ্রেশন ঘটলো, লাখ লাখ লোক শরণার্থী হলো, দুর্বিষহ জীবনযাত্রা .............। আবুল কাসেম ফজলুল হক: বহু লোকের প্রাণ গেছে, বহু লোক পথের ভিখারি হয়েছে, সে এক মর্মান্তিক ইতিহাস। আবার কিছু লোক নানা সুযোগ সুবিধা নিয়ে ধনী

আদর্শবিহীন রাজনীতি দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয় — সেলিনা হোসেন

সেলিনা হোসেন কথাসাহিত্যিক। তাঁর জন্ম ১৪ জুন, ১৯৪৭ সালে রাজশাহী শহরে। তিনি মূলত গল্প-উপন্যাস লেখক। বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়াশীল ধারার রাজনৈতিক দল আওয়ামি লিগের সমর্থক হিসেবে তিনি ২০১০’র বছরগুলোয় পরিচিত হয়ে উঠেছেন। ষাটের দশকের মধ্যভাগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে লেখালেখির সূচনা। তার রচিত উপন্যাসের সংখ্যা ২০টির অধিক। গল্পগ্রন্থ এবং শিশুসাহিত্যও লিখেছেন। শিশুদের

রাজনীতিবিদরা যা স্বার্থের জন্যে নগ্নভাবে করেন, বুদ্ধিজীবিরা তা করেন সুক্ষ্ম যুক্তি-তর্ক দিয়ে — সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের জন্ম- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৫১ সালে বাংলাদেশের সিলেটে। তিনি একজন গবেষক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্পকার ও শিল্প সমালোচক। তিনি স্বাধীনতার পর থেকে নিয়মিত লেখালেখি করে আসছেন। দেশ, সমাজ ও রাজনৈতিক কলাম লেখায় সিদ্ধহস্ত আছেন বহুদিন থেকে। বিশ্বসাহিত্য ও বাঙলা সাহিত্য সম্পর্কে লিখেছেন অনেক প্রবন্ধ। বিশটিরও অধিক গ্রন্থের রচয়িতা তিনি। প্রতিক্রিয়াশীল

আমরা সর্বত্রই দেখতে পাচ্ছি অর্থের দাপট — খোন্দকার আশরাফ হোসেন

খোন্দকার আশরাফ হোসেন (১৯৫০-২০১৩) ছিলেন একজন কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, অনুবাদক। তিনি ১৯৫০ সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশের জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রাবস্থাতেই তিনি লেখালেখির সংগে জড়িয়ে পড়েন। তাঁর এ যাবত প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘তিন রমণীর ক্বাসিদা’, ‘পার্থ তোমার তীব্র তীর’, ‘জীবনের সমান চুমুক’, ‘সুন্দরী ও ঘৃণার ঘুঙুর’, ‘জন্মবাউল’, ‘যমুনাপর্ব’ এবং ‘আয়না দেখে অন্ধ

আমরা নিজেদের ক্ষমতায় দাঁড়াতে পারলে ইংরেজী শিক্ষার ব্যাপারটাই হয়ত থাকতো না — সাক্ষাতকারে ফকরুল আলম

ড. ফকরুল আলম গবেষক, প্রাবন্ধিক, সমালোচক, অনুবাদক। তাঁর জন্ম ১৯৫১ সনের ২০ জুলাই। ছাত্রাবস্থাবেই তিনি লেখালেখির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তাঁর এ যাবত প্রকাশিত ইংরেজি গ্রন্থ ‘ড্যানিয়েল ডিফো-কলোনিয়াল প্রপাগান্ডিস্ট’, নিউইয়র্কের টোয়েন পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত ‘ভারতী মুখার্জি’ এবং ১৯৯৯ সালে ইউপিএল প্রকাশ করেছে ‘জীবনানন্দ দাশ সিলেক্টড পোয়েমস’। দেশ-বিদেশের অনেক পত্রিকা’, জার্নাল ও

Top