You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > জীবনশৈলি

বনসাই বানানোর পদ্ধতি ও গাছ নির্বাচন

বনসাই (Batasai) জাপানীরা দীর্ঘ বছর ধরে বিভিন্ন গাছকে বামন বা বেঁটে তৈরী করে সুন্দর এক শিল্পকলা প্রদর্শনের নিদর্শন রেখেছেন। এই জীবন্ত শিল্পকলা ক্রমে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে বিস্তার লাভ করেছে। বনসাইর সৌন্দর্য পৃথিবীর সমস্ত রসিক ব্যক্তির হৃদয় জয় করেছে। ভারতবর্ষে বনসাইর শিল্পকলা সম্ভবতঃ প্রথমে নতুন দিল্লীর প্রয়াত শ্রীঅগ্নিহোত্রী শুরু করেন এবং তারপর থেকে ভারতের অন্যত্র এই বনসাই

ফুল গাছ পরিচর্যার নিয়ম

চারা রোপণ থেকে ফুল তোলা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ফুলের পরিচর্যা করতে হয়। স্থায়ী ফুল গাছে ভালও ফুল পেতে যেখানে ৪-৫ বছর সময় লাগে, সেখানে এই সহ গ্রীষ্মকালীন, বর্ষাকালীন, তথা শীতকালীন একবর্ষজীবি মরসুমী অসুবিধা নেই এবং তা করাই যুক্তিযুক্ত। যাইহোক, স্থায়ী ফুল চাষে দুবছরের বেশি চারা কোনোমতেই ক্রয় করা উচিত নয়। নার্সারি থেকে ফুলের বীজ, চারা

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়াতে ফুলের ভূমিকা

প্রকৃতির মোহময় অফুরন্ত সৌন্দর্য সম্ভার ফুলে ফুলে চারদিক ভরে আছে। ফুল সুন্দরের প্রতীক, সন্দরই আবার চিরন্তন আনন্দের উৎস। সৌন্দর্য, শান্তি এবং প্রীতির মাধ্যম হ’ল বাহারী ফুল। মানুষের অন্তরের রমণীয় সুকুমারবৃত্তি সমূহের নয়ন শোভন প্রতিভাত রূপই হ’ল সুন্দর আর সৃষ্টির শক্তি। উপনিষদে তাই বলা হয়েছে— “আনন্দ-রূপ মতং যদ, বিভাতি”, যা প্রকাশমান, তা তাঁর আনন্দস্বরুপ, অমতস্বরপে। স্রষ্টার সৃষ্টিতে

জলাশয়ে বাগান করার পদ্ধতি

বাগানের শোভাবর্ধনে এবং তার নান্দনিক শ্রী বৃদ্ধির জন্য জলাশয়ের বাগান বা জল-বাগিচার গুরত্ব অনেক। কম খরচে জলের ব্যবহারে ফুল বাগিচাকে আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা যায়। যে কোনো উদ্যানের মাঝখানে জলের একটি পরিপূণ আধার থাকলে গোটা পরিবেশটা পাল্টে যাবে। জ্যোৎস্না রাতে চাঁদের আলোয় নক্ষত্রখচিত অসীম আকাশ এই জলাশয়ের মধ্যে প্রতিফলিত হয়ে

ফুল দীর্ঘদিন সতেজ রাখার সহজ কিছু উপায়

ফুল সংরক্ষণ করতে হলে গাছ থেকে ফুল তুলতে হবে সূর্যের আলো বা রৌদ্র লাগার আগেই; এক্ষেত্রে ধারালো কাঁচি দিয়ে বোঁটা কাটতে হবে । হাতের আঙুল দিয়ে বোঁটা ছিঁড়ে নিলে ফুলের ক্ষতি হয়। যেকোনো ফুল বেশিক্ষণ তাজা থাকে না। বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ফুল সংরক্ষণ করতে হয়। ফুল গাছে যতক্ষণ থাকে ততক্ষণ তার রং, সুবাস, সৌন্দর্য ঠিক থাকে। ১.

বাড়ির ছাদে ফুল ও সবজি বাগান করার বিস্তারিত পদ্ধতি

আধুনিক নগর সভ্যতার যুগে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে শহর। এই প্রসারণের ফলে এবং শিল্পনগরীর বৃদ্ধি হওয়ার ফলে বিত্তশালীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। সেই ধনী ব্যক্তিরা বাড়িতে ফাঁকা জায়গায় বা ছাদে ফুলের বাগান করার কথা ভাবে। কিন্তু সাধারণ মানুষ ফুলের বাগানের কথা চিন্তা করতেই পারে না। কারন তারা নিজেদের বাসস্থান তৈরি করতে যে জমি ক্রয় করতে পারে

বিষাক্ত সাল্টু ব্যবহৃত হচ্ছে খাদ্য নরম করতে

সাল্টু হচ্ছে খাদ্য দূষণকারী একটি উপাদান। ধারনা করা হচ্ছে এটি এমোনিয়াম সালফেট এবং ইউরিয়া সার একসাথে মিশিয়ে গুঁড়া করে বানানো হয়। এমোনিয়াম সালফেট সার অসম্ভব এসিডিক। সাল্টু প্রকৃতপক্ষে কি কি রাসায়নিকের সংমিশ্রণ তা জানার জন্য পরীক্ষার প্রয়োজন আছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন। সাম্প্রতিককালে সাল্টু আলোচনায় এসেছে। তন্দুরি ও নান রুটি এবং

লবণ বা নুনের উপকারিতা ও প্রকারভেদ

লবণ সব রসের রাজা। শাস্ত্রে বলা হয়েছে রস ছয় রকমের- মধুর, অম্ল, লবণ, কটু, তিক্ত ও কষা। কিন্তু সব রসের কেন্দ্র হল লবণ। সেইজন্যে লবণকে ‘সবরস' বলা হয়। লবণ বা নুন ছাড়া সমস্ত মশলা নিরর্থক। লবণ বা নুন হলো সব রসের রাজা। নুন খাওয়া শুরু হয়েছে সভ্যতার আদিযুগ থেকে। আগে

মধুর নানাবিধ উপকারিতা

দীর্ঘ জীবন দেয় মধু। অনেক লোক মনে করেন মধু খেয়ে দীর্ঘ জীবন লাভ করা যায়। একজন স্বাস্থ্যবান দীর্ঘজীবীর কাছে তাঁর সুস্থ ও দীর্ঘজীবনের রহস্য জানতে চাওয়া তিনি বলেছিলেন, আমার অক্ষুন্ন দৈহিক শক্তির একমাত্র কারণ আমি প্রতিটি এক চা চামচ পরিমাণ মধু গরম জলে ফুটাইয়া পান করি।' ভারতে প্রাচীন কাল থেকেই

গুড়ের যত গুণ

গুড় আখ কিংবা খেজুরের রস হতে তৈরি করা এক প্রকারের মিষ্ট দ্রব্য। যদিও কোথাও কোথাও তালের রস হতেও গুড় তৈরি করা হয়। এই তিন গাছের অধিকাংশ জলীয় রস ঘন করে পাক দিয়ে গুড় তৈরি করা হয়। আমরা এই নিবন্ধে মূলত আখের গুড়ের বিষয়ে আলোচনা করছি। গুড়ে আখের রসের সব খনিজ

Top