You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > সাহিত্য

একটা ফুলকি ছুঁয়ে যাক আমাদের শরীর

একটা অজানা শক্তির ফুলকি ছুঁয়ে যাক আমাদের শরীর খসে পড়ুক লেগে থাকা কৃত্রিম রং নিজেদের আবার শোধন করি সূর্যে স্নান করে যদিও জানি আমাদের স্বাদ ভিন্ন পছন্দ বিচিত্র, চাওয়া পাওয়া অসীম তারপরও অজানা শক্তির ফুলকি ছুঁয়ে যাক আমাদের শরীর আমাদের সব ভিন্ন স্বাদ, পছন্দ, আকাক্ষার বীজ একত্রিত হয়ে অঙ্কুরিত হোক এক বিপ্লবী ক্ষেত। ৮.৪.২০১৭ ত্রিভুবন বিমানবন্দর, কাঠমান্ডু, নেপাল

শহর জুড়ে আজ লোড শেডিং

শহর জুড়ে আজ লোড শেডিং তাই অন্ধকার ঘরে ইন্টারনেটের কাটাকাটি ছেড়ে- আলো করে রেখেছে হেমাঙ্গের গানে। আমাদের দুজনের রয়েছে শহুরে জীবন তাই অবসর মেলেনা, কিন্তু আজ আমরা একান্তই নিজেদের বুকের স্পন্দনে ছিলাম অনেকক্ষণ, মান্দারিন হাঁসের মতো রূপ ছড়ানোর অনুভুতি আমাদের ঘিরে রেখেছিলো চারপাশ, আমরা যেন গভীর থেকে গভীরে গিয়েছিলাম যেমন অন্ধকার চিরে ফেলা এক শিখার মতো। এমনি করে যেন মাঝে

ভাষা প্রসঙ্গে

মানুষের মনের ভাব আদান প্রদান এবং জ্ঞান অর্জনের প্রতীকময় মাধ্যমকে ভাষা (ইংরেজি: Language) বলে। ভাষাকে ব্যবহার ও সৃষ্টির দিক থেকে স্বাভাবিক এবং কৃত্রিম এই দুইভাগে ভাগ করা যায়। দৈনন্দিন জীবনে চিন্তার প্রকাশ এবং পারস্পরিক প্রত্যক্ষ যোগাযোগের যে ভাষাকে আমরা ব্যবহার করি তাকে স্বাভাবিক ভাষা বলা যায়। কিন্তু বিশ্লিষ্ট চিন্তা প্রকাশের

প্রলয়োল্লাস

তোরা সব জয়ধ্বনি কর্! তোরা সব জয়ধ্বনি কর্!! ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কাল্-বোশেখির ঝড়। তোরা সব জয়ধ্বনি কর্! তোরা সব জয়ধ্বনি কর্!! আস্‌ছে এবার অনাগত প্রলয়-নেশার নৃত্য-পাগল, সিন্ধু-পারের সিংহ-দ্বারে ধমক হেনে ভাঙ্‌ল আগল। মৃত্যু-গহন অন্ধ-কূপে মহাকালের চণ্ড-রূপে– ধূম্র-ধূপে বজ্র-শিখার মশাল জ্বেলে আস্‌ছে ভয়ঙ্কর– ওরে ঐ হাস্‌ছে ভয়ঙ্কর! তোরা সব জয়ধ্বনি কর্! আরো পড়ুন

আমার নিশাচরী কবিতা হোক তোমার শরীরের পালক

একটি ঘন অন্ধকারের মাঝে হেঁটে যাও শরীর আজ মন লেনদেন করতে চায় প্রেম, তাই আমার অনেক রাত কেটেছে নির্ঘুম- তোমার কবিতা হবো বলে। নিজেকে নত করেছি আজ তোমার আলিঙ্গনে হৃদয়ের লাগাম খুলে দিয়েছি উষ্ণ নিঃশ্বাসের কাছে, আমার ভালবাসারা অনেক পথ একা হেঁটেছে তোমার বুকে এখন জিরিয়ে নিতে চায় তারা। এই মহাকালে নেমে আসা আকালে লালা আবির মাখাতে পারবনা জানি- কিন্তু তোমাকে দিতে চাই নিশাচরী একেকটি কবিতা দেখবে

বিস্ফোরণ থেকেই সৃষ্টি হোক

হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে ওঠে মনটা নিজেকে মনে হয় আগ্নেয় পাহাড়ের মতো। যুগের জমানো বিস্ফোরণের ক্ষোভগুলো আমার দিকে ভাঙা গালে বিদ্রূপের হাসি হেসে বলছে ‘এখনো সহ্য করচ্ছিস’? আমার চারপাশের উত্তপ্ত বায়ুরা প্রতিবাদ করে বুকে আঁচড়ে পড়ছে ঘুমন্ত লাভাকে জাগাতে। আমার মাঝে সুপ্ত ফুল্কিগুলো হালকা হয়ে উঠে, কল্পনা থেকে বেড়িয়ে দেখি মিথ্যায় গড়া তোমাদের শহর, রঙিন আতস-বাজিতে ঢেকে যায় নিজেদের অক্ষমতা। সন্ধ্যায় জ্বলে ওঠা ল্যাম্পপোস্ট গুলোকে ঘিরে আছে- কিছু

রেশম দিনের অপেক্ষায়

রাতের নীরবতায় দাঁড়িয়ে থাকব তোমার জন্য, হৃদয়ের আবির দিয়ে আঁকব তোমার ছবি, নিজেকে হারিয়ে ফেলব তুলির প্রতিটি আঁচড়ে, নিঃসঙ্গ মুহুর্তে জন্ম নিবে ফ্যাকাসে ভোমরা।   আমরা প্রাণভোমরাগুলোকে অনেক যত্ন করব- রেশম দিনের জন্য, আমরা অপেক্ষায় থাকব আঙুলের ভেতর আঙুল ছোঁয়ানো পর্যন্ত; মাথায় ওপর আকাশ আরও রঙ্গিন হওয়া পর্যন্ত। অনুভূতিকে গাঢ় করার জন্য আমরা কাঁধে হাত রাখব, রাতের হিম যখন

শুদ্ধতার কবিতা উত্তরায়ণের কবিতা

‘যারা ভারি পণ্ডিত তারা সুন্দরকে প্রদীপ ধরে দেখতে দেখতে চলে আর যারা কবি ও রূপদক্ষ তারা সুন্দরের নিজেরই প্রভায় সুন্দরকে দেখে নেয়, অন্ধকারের মধ্যেও অভিসার করে তাদের মন।’ শিল্পাচার্য অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘সুন্দর’ নিবন্ধে এই যে স্মরণীয় বাচন উপহার দিয়েছেন, এ-কথা মনে পড়ল কি এজন্যে যে, গহনভাবনার ডুবুরি কবি সুন্দরের আবাহনে জগৎ-সংসারের

ঠোঁটে জমে থাকে মিছিলের ফোয়ারা

আমি যে গানটি বেঁধেছি কন্ঠে সেখানে তোমার স্পর্শ চাই, নীল হয়ে ওঠা বেদনাগুলোকে সুরের মুর্ছনায় ভরে তুলবে তুমি, আমি রোদের পোড়া মাঠে হেঁটে বেড়ায় তোমার উষ্ণ বুককে অনুভব করব বলে। তোমার জলহীন হৃদয়ে জোয়ার আনবো আমি; যদি তুমি সাঁতার কাটঁতে পারো- তোমার সঙ্গে ডুবো আমি ঝিনুকের প্রদাহ দেখতে অতলে, তোমার সাথে ভাসব ফসলের হাসিতে, ঘুমিয়ে থাকা মৌমাছির চোখে

মুহুর্তের জন্য থেমে গিয়ে আবার এগিয়ে চলা

আমি এক মুহুর্তের জন্য থেমে গিয়েছিলাম যখন তোমার হাত আমার আঙ্গুলগুলোকে ছুঁয়েছিল, তখন আমার কণিকারা ভাবছিল তাদের প্রবাহ পথ নিয়ে, কানের পাশের হাওয়ারা কিছুটা উদগ্রীব হয়েছিল— কোন সুর বাঁধবে তাদের তিন তারে। আমার ছায়ারা ঘুরে বেড়ায় তোমার পিছু পিছু- ঘর থেকে বের করবে বলে, এলোমেলো যুগল চিন্তাকে এক্ত্র করে - আমরা একটি পথ বানাবো জনসমারহের জন্য। ১২.৩.২০১৯ উত্তরা, দক্ষিণখান, ঢাকা

Top