You are here
Home > সাহিত্য > প্রবন্ধ

কমিউনিস্টদের পার্টি বিষয়ক ধারণায় দুই লাইনের সংগ্রাম নাকি মনোলিথিক পার্টি?

বাংলাদেশে বামপন্থীদের ভেতরে রাজনৈতিক দল সংক্রান্ত আলোচনায় নানা প্রবণতা কাজ করে। বামপন্থীদের বৃহৎ অংশটি নিজেদেরকে কমিউনিস্ট বা সাম্যবাদী এবং দলের সদস্য হিসেবে নিজেদেরকে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য বলে। এছাড়াও সমাজতন্ত্রী এবং সমাজগণতান্ত্রিক বা গণতান্ত্রিক দল হিসেবেও বামপন্থীরা নিজেদেরকে উপস্থাপন করতে চায়। সাধারণত সমাজতন্ত্রী ও সাম্যবাদী দলগুলোর ভেতরে বাংলাদেশে ও বাংলাভাষী অঞ্চলে

বাংলা ভাষার সহজীকরণ ও বাংলা পরিভাষা সমস্যা

বলা হচ্ছে বাংলা ভাষা পৃথিবীর চতুর্থ জনসংখ্যাবহুল ভাষা। প্রায় ৩০ কোটির বেশি মানুষ এই ভাষায় কথা বলে। সংখ্যাগত দিক দিয়ে এই পরিমাণ মোটেই হেলাফেলার নয়। কিন্তু তদুপরি কী আমরা এই ভাষা নিয়ে শঙ্কা পোষণ করি না? বাংলা ভাষা কী তার অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই করছে বা বাংলা ভাষা কী একটি মৃত

জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে লেনিনবাদ

জাতিয়তাবাদ বা Nationalism হলো মতবাদিক ও রাজনৈতিক নীতি যা অন্যান্য জাতির তুলনায় কোনো এক জাতির শ্রেষ্ঠত্ব, জাতিয় বিশেষত্ব, জাতিদম্ভ, জাতিয় বিচ্ছিন্নতা, বিদ্বেষ ও শত্রুতা সম্পর্কিত ভাবধারা ও ধারণাকে একত্রে প্রকাশ করে। আর বুর্জোয়া জাতিয়তাবাদ হচ্ছে পুঁজিবাদি সমাজের সৃষ্ট, যা অনিবার্যভাবে বিভিন্ন জাতির মধ্যে বিরোধ, বর্ণবৈষম্য, জাতিয় ও উপনিবেশিক নিপীড়নের জন্ম

বিশ্লেষণবিহীন ছোট লেখার ভুল প্রসঙ্গে

বিশ্লেষণবিহীন ছোট লেখা হয়ত মনের ছোট একটি ভাব প্রকাশের জন্য যথেষ্ট। কিন্তু ছোট এক দুই বাক্যের লেখা কোনো গবেষণাকর্ম নয়। দার্শনিক চিন্তার অনেক কাজের একটি হচ্ছে দর্শন কোনো না কোনো শ্রেণির সেবা করে। ফলে প্রাধান্যকারি শ্রেণিটির চিন্তা সেই নির্দিষ্ট সময়ের প্রভাবশালী দার্শনিকগণ উপস্থাপন করেন। এই উপস্থাপনার ভেতরেই লুকিয়ে আছে ছোট

রবীন্দ্রনাথের ছিন্নপত্রে বাঙলার রূপ

ছিন্নপত্রকে এক কথায় কী বলা যায়? ছিন্নপত্র উনিশ শতকের শেষ দশকের বাংলাদেশ। ১৮৮৫ থেকে ১৮৯৫ সালের বাঙলা দেশ। মনে হয় উত্তরটি সম্পূর্ণ হলও না, ছিন্নপত্র হলও উনিশ শতকের শেষ দশকের বাঙলাদেশের পরিবেশ ও প্রকৃতি। ছিন্নপত্রে আছে অনেক কিছু, নেইও অনেক কিছু, থাকতে পারতোও অনেক কিছু। এক চব্বিশ বছরের তরুণ পত্রগুলো

শ্রমিক ও যন্ত্রের বিরোধ এবং লুডবাদী আন্দোলন

ইউরোপের শিল্প বিপ্লবের ফলে একদিকে পুরোনো হস্তশিল্প ও কুটিরশিল্প ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় আর অন্যদিকে শহরে শহরে যন্ত্রভিত্তিক শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়।  শিল্প বিপ্লবের শুরুর দিকে পুঁজিবাদের নানা ক্ষতিকর অনুষঙ্গের আবির্ভাবের কারণে নতুনতর যন্ত্রপাতির নিয়োগ, অবাধ প্রতিযোগিতা, অতি উৎপাদন, মন্দা, ছাঁটাই ইত্যাদি ঘটতে থাকে এবং কর্মহীন বেকার মানুষ বাড়তে থাকে। সচেতন, রাজনৈতিক জ্ঞানসমৃদ্ধ

গ্রন্থাগার: মহাজগতের কল্লোল

জীব যেমন জীবাশ্ম হয়ে ভূ-ত্বকের স্তরে স্তরে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে নিজেদের অস্তিত্বকে চিহ্নিত করে রেখেছে, তেমনি মানুষের কর্মপ্রেরণার সকল চিহ্ন আটকা পড়ে আছে গ্রন্থাগারে। এখানে অক্ষরের বুকে আঁকা আছে মানবসৃষ্ট সকল জ্ঞান, সকল ভাবনা, তাদের আশা আর স্বপ্ন। যেইমাত্র মানুষ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার আলোকে নিজেকে বদলাতে শিখল, বদলে দিতে

আবুল কাসেম ফজলুল হকঃ প্রজ্ঞার প্রতিমূর্তি

যেসব মানুষের মাঝখানে আবুল কাসেম ফজলুল হক বেঁচে আছেন সেসব মানুষের জন্যই তিনি ভেবেছেন এবং তাদের জন্যই তিনি কলম ধরেছেন। বার বছর বয়সে তিনি লিখে প্রকাশ করতে শুরু করেছিলেন এবং তা এখনো শরতের ছন্দময় স্নিগ্ধ মৃদু হাওয়ার মতোই অব্যাহত আছে। তিনি লিখেছেন বলেই আমরা তার লেখা পড়েছি এবং তার চিন্তার

পাবলো নেরুদা, তুমি আছো তাই, আমরা স্বপ্ন বুনে যাই

মহাকবি পাবলো নেরুদার (১২ জুলাই, ১৯০৪ – ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩) আত্মজীবনী ‘অনুস্মৃতি’ কিনেছিলাম ২০০০ সালের দিকে। ১৯৯৭ সালে তাঁকে চিনেছিলাম তার অমর নামে ও কবিতায়। ভবানীপ্রসাদ দত্তের করা অনুবাদে ‘অনুস্মৃতি’ পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম জীবনের প্রতি। সেই জীবন শুধু নেরুদার জীবন নয়, আমার নিজের জীবনেরও অনেক আনন্দ মিশে গেছিল হাজারো জীবনের

লু স্যুনের গল্পের কয়েকটি চরিত্র

লু স্যুন (২৫ সেপ্টেম্বর ১৮৮১ - ১৯ অক্টোবর ১৯৩৬) ছিলেন  একজন ছোটগল্প লেখক, প্রাবন্ধিক, কবি, অনুবাদক, সামাজিক সমালোচক, একজন শিক্ষক এবং একজন বিপ্লবী। চীনা জনগণের বিপ্লবের সঙ্গে তাঁর সাহিত্য ও মতাদর্শ নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে। লু স্যুনের সাহিত্য চীনের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সমাজতান্ত্রিক চিন্তার প্রতিফলন। লু স্যুনের গল্পে ১৯১১ সালের বিপ্লবের

Top