You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

তেলেনাপোতা আবিষ্কার

শনি ও মঙ্গলের–মঙ্গলই হবে বোধ হয়–যোগাযোগ হলে তেলেনাপোতা আপনারাও একদিন আবিষ্কার করতে পারেন। অর্থাৎ কাজেকর্মে মানুষের ভিড়ে হাঁফিয়ে ওঠার পর যদি হঠাৎ দু-দিনের জন্য ছুটি পাওয়া যায়–আর যদি কেউ এসে ফুসলানি দেয় যে কোনো এক আশ্চর্য সরোবরে–পৃথিবীর সবচেয়ে সরলতম মাছেরা এখনো তাদের জল-জীবনের প্রথম বড়শিতে হৃদয়বিদ্ধ করার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে, আর জীবনে কখনো কয়েকটা পুঁটি ছাড়া আরো পড়ুন

মহানগর

আমার সঙ্গে চলো মহানগরে– যে-মহানগর ছড়িয়ে আছে আকাশের তলায় পৃথিবীর ক্ষতের মতো, আবার যে-মহানগর উঠেছে মিনারে মন্দিরচূড়ায়, আর অভ্রভেদী প্রাসাদ-শিখরে তারাদের দিকে, প্রার্থনার মত মানবাত্মার। আমার সঙ্গে এসো মহানগরের পথে, যে-পথ জটিল, দুর্বল মানুষের জীবনধারার মতো, যে-পথ অন্ধকার, মানুষের মনের অরণ্যের মতো, আর যে-পথ প্রশস্ত, আলোকোজ্জ্বল, মানুষের বুদ্ধি, মানুষের উৎসাহের মতো। এ-মহানগরের সংগীত রচনা করা উচিত– ভয়াবহ, বিস্ময়কর সংগীত।আরো পড়ুন

সুখী পরিবার — লু স্যুন

লু স্যুনের গল্প "সুখী পরিবার" অনুবাদ: মাহফুজ উল্লাহ —স্যু ছিনওয়েন এর রীতি অনুযায়ী "...... একজন যা ভাবে তাই লেখে ; অনেকটা সূর্যালোকের মতো, অফুরন্ত। ঔজ্জল্য থেকে উৎসারিত, লোহ বা পাথরে আঘাত করলে উৎসারিত লিঙ্গের মতো নয়। এটাই একমাত্র সত্যিকারের শিল্প। এ ধরণের লেখকই সত্যিকারের শিল্পী ...... কিন্তু আমি . . . . .

ভালোবাসার গোড়ার পাঠ — চিয়া চ্যুন

কিণ্ডারগার্টেনে সকালের প্রথম ক্লাসটা চীনা ভাষার। ক্ষুদে ছাত্র চৌ শিয়াওরুং আজ আবার দেরী করে এসেছে। করুণ মুখ দেখলে মনে হয় কিছুক্ষণ আগে সে চোখের পানি মুছেছে। শিক্ষিকা চেং ইয়ুয়েছিন কোমল স্বরে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আজ আবার কেনো তোমার দেরী হল?’ চৌ শিয়াওরুং এর দিকে ক্লাসের ৪১ জোড়া চোখ উৎসুক হয়ে রইল। চৌ শিয়াওরুং নিচু

মতিন ভাই ও একটি সন্ধ্যা

তখনও শীত শেষ হয় নি। বাইরে হালকা কুয়াশা ছিল। সন্ধ্যায় লোকজন শীতের পোশাক গায়ে শহরের অন্য সব ব্যস্ত রাস্তার মত মালগুদামের রাস্তাটিকেও ব্যস্ত করে তুলতো। চায়ের দোকানের পাশাপাশি কয়েকটা পিঠার দোকানে লোকে জমে ওঠে সন্ধ্যা থেকেই। উষ্ণ চায়ের কাপে হাতে রাজনৈতিক, সাংসারিক, ব্যক্তিগত নানা কথা চলতে থাকে রাত ১০ টা

আগুন ও ঘুম

দুপুরে খাবার পরে আমাদের গল্পের নায়ক অমৃত অন্তর জানালা দিয়ে বাইরে তাকালো। বসন্তকালের স্বচ্ছ সুনীল আকাশ, মেঘের কোনো আনাগোনা নেই। তার সাততলার এই ঘরটি থেকে বোঝার উপায় নেই বাইরের প্রকৃত আবহাওয়া কী রকম। নিশ্চয় তীব্র গরম হবে। সে এমন জায়গায় তার চেয়ার টেবিলগুলোকে রেখেছে যেখান থেকে আকাশটাকে সুন্দরভাবে দেখা যায়।

Top