You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > প্রকৃতি

পৃথিবী সূর্য থেকে তৃতীয় গ্রহ এবং একমাত্র জ্যোতির্বিজ্ঞানীয় বস্তু যেখানে জীবন বিরাজমান

পৃথিবী এবং এর সাতটি মহাদেশ

পৃথিবী (ইংরেজি: Earth) সূর্য থেকে তৃতীয় গ্রহ এবং একমাত্র জ্যোতির্বিজ্ঞানীয় বস্তু যেখানে জ্ঞানত জীবনের অস্তিত্ব বিরাজমান। রেডিওমেট্রিক তারিখায়ন এবং প্রমাণের অন্যান্য উৎস অনুসারে, পৃথিবীটি ৪৫০ কোটি বছর আগে গঠিত হয়েছিল। সূর্য থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলােমিটার। পৃথিবীর অন্য আরেকটি নাম "বিশ্ব" বা "নীলগ্রহ"। পৃথিবীর ন্যায় সূর্যের আরও

প্রকৃতি হচ্ছে, বিস্তৃত অর্থে বলতে গেলে, প্রাকৃতিক, ভৌত বা বস্তুগত জগত বা মহাবিশ্ব

প্রকৃতি (ইংরেজি: Nature), বিস্তৃত অর্থে বললে, প্রাকৃতিক, ভৌত বা বস্তুগত জগত বা মহাবিশ্ব। "প্রকৃতি" ভৌত জগতের ঘটনাগুলি এবং সাধারণভাবে জীবনকেও নির্দেশ করতে পারে। প্রকৃতির অধ্যয়ন বিজ্ঞানের একমাত্র অংশ নয়, তবে বিশাল অংশ। যদিও মানুষ প্রকৃতির অঙ্গ, মানব ক্রিয়াকলাপ প্রায়শই অন্যান্য প্রাকৃতিক ঘটনাসমূহ থেকে পৃথক বিষয়শ্রেণি হিসাবে দেখা হয়। প্রকৃতি শব্দটি লাতিন

বিশ্ব হচ্ছে গ্রহ পৃথিবী এবং এটিতে অবস্থানরত মানব সভ্যতাসহ সমস্ত জীবন

বিশ্ব মানচিত্র

বিশ্ব বা জগত বা সংসার (ইংরেজি: World) হলো গ্রহ পৃথিবী এবং এটিতে অবস্থানরত মানব সভ্যতাসহ সমস্ত জীবনদার্শনিক কথাপ্রসঙ্গে, “বিশ্ব” হচ্ছে পুরো ভৌত মহাবিশ্ব, বা একটি সত্ত্বাতাত্ত্বিক বিশ্ব (একজন ব্যক্তির “বিশ্ব”)। অর্থাৎ বিশ্ব হলো পৃথিবীতে বিরাজমান সকল কিছুর পদার্থবিদ্যাগত আলোচ্য বিষয়। আরো পড়ুন

ভূগোল শাস্ত্রে স্থানিক ও কালিক পর্যায়ে মানুষ ও পরিবেশের আন্তঃসম্পর্ক পঠন ও বিশ্লেষণ করা হয়

ভূগোল

সাধারণভাবে ভূগোল বা ভূগোল শাস্ত্র বা ভূগোলবিদ্যা বা ভূগোলকবিদ্যা (ইংরেজি: Geography) বলতে এমন শাস্ত্রকে বুঝায় যাতে স্থানিক ও কালিক পর্যায়ে মানুষ ও পরিবেশের মধ্যে ̈আন্তঃসম্পর্ক পঠন পাঠন ও বিশ্লেষণ করা হয়। ভূগোল হলো মহাবিশ্ব এবং এর বৈশিষ্ট্যগুলির একটি পদ্ধতিগত গবেষণা। ভূগোল শাস্ত্রকে চারটি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা যায়: ক)গাণিতিক ভূগোল খ) প্রাকৃতিক ভূগোল গ) মানবিক ভূগোল ও আরো পড়ুন

অযোধ্যা নদী বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার নদী

অযোধ্যা নদী হচ্ছে বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার একটি নদী। অযোধ্যা নদী ফেনী নদীর বামতীরে এসে পতিত হয়েছে। অর্থাৎ অযোধ্যা ফেনী নদীর উপনদী। অযোধ্যা নদী খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার বেলছড়ি ইউনিয়নের অযোধ্যাবাজার থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে এবং মাটিরাঙ্গা ইউনিয়নের সাদিয়াবাড়ীর দক্ষিণে ফেনী নদীর বামতীরে এসে পতিত হয়েছে। নদীটিতে আরো পড়ুন

অমাবস্যাখালী হচ্ছে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার নদী

ভূমিকা: অমাবস্যাখালী নদী বা অমাবস্যাখালি নদী হচ্ছে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার একটি নদী। মহেশখালী দ্বীপের পশ্চিম অংশে জোয়ার ভাটায় প্রভাবিত অমাবস্যাখালী উত্তর দক্ষিণে প্রবাহিত একটি নদী।[১] প্রবাহ: অমাবস্যাখালী নদী মহেশখালী উপজেলারঅমাবস্যাখালী ইউনিয়নের হাউনোক মৌজার উত্তর অঞ্চল থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে এবং হাউনোকের দক্ষিণ অঞ্চলে জামরখালে পতিত হয়েছে।

রাঙা গাঙ বা বড় গাঙ নদী সিলেট জেলার নদী

ভূমিকা: রাঙা গাঙ বা বড় গাঙ নদী বাংলাদেশের সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১১ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিটার। নদীটি রাঙপানি নদীর বাম তীরের একটি শাখা। প্রবাহ: রাঙা গাঙ রাঙপানি নদীর বাওঁ হাওড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে এবং ভিত্রিখেল এলাকায় জাতীয় মহাসড়ক এন২ বা সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক অতিক্রম করেছে।

বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদীর তালিকা

আন্তঃসীমান্ত নদী হলো এমন ধরণের নদী যা অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমান্ত অতিক্রম করে। এই সীমান্ত কোনো দেশের অভ্যন্তরস্থ সীমান্ত বা আন্তর্জাতিক সীমান্ত হতে পারে। বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ২৬০টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত আন্তঃসীমান্ত নদীর সংখ্যা প্রায় ৫৮ টি। সেগুলো হচ্ছে ১. রায়মঙ্গল

বাংলাদেশের সবগুলো নদনদীর নামের তালিকা

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্তর্গত একটি ছোট নদীবহুল নদীমাতৃক দেশ। শাখা-প্রশাখাসহ প্রায় ১২০০-এর অধিক নদনদী আছে বাংলাদেশে। এসব নদনদী বিপুল জলরাশি নিয়ে ২৪,১৪০ কিলোমিটার জায়গা দখল করে দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বাংলাদেশের অধিকাংশ এলাকাই এই হাজারাধিক নদীর মাধ্যমে বয়ে আসা পলি মাটি জমে উৎপন্ন হয়েছে। নদীবহুল বাংলাদেশে অসংখ্য নদনদীর মধ্যে অনেকগুলো আকার এবং গুরুত্বে বিশাল। আরো পড়ুন

তাইরঙ্গল নদী বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের আন্তঃসীমান্ত নদী

তাইরঙ্গল নদী বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি একটি সরু প্রকৃতির জলধারা। নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫ কিলোমিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। নদীটিতে জোয়ারভাটার প্রভাব নেই এবং নদীটিতে সারা বছর পানির প্রবাহ থাকে না। নদীটি সারি গোয়াইন নদী প্রবাহের অংশ। তামাবিল সীমান্ত এই নদীর তীরে অবস্থিত। নদীটির বাংলাদেশ অংশে প্রায় সব

Top