আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > প্রকৃতি

মনু নদী বাংলাদেশ ও ত্রিপুরার একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

মনু নদী (ইংরেজি: Manu River) বাংলাদেশ ও ভারতের ত্রিপুরার একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি ভারতের ত্রিপুরার উনকোটি জেলার এবং বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৮৮ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১১১ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক মনু নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর

কংস বা কংসবতী নদী বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অভ্যন্তরীণ নদী

কংস নদী বা কংশ নদী বা কংসবতী নদী বা কংসাই নদী বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জ জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১৩০ কিলোমিটার। কংস নদীর বোয়াল মাছ পৃথিবীবিখ্যাত। কংস নদীর গড় প্রস্থ ৯৫ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। নদীটির জারিয়া অঞ্চলে গভীরতা ১১.৫ মিটার। নদী অববাহিকার আয়তন ১১২৬

ব্রহ্মপুত্র এশিয়া মহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃসীমান্ত নদী

ব্রহ্মপুত্র নদ বা ব্রহ্মপুত্র নদী (ইংরেজি: এশিয়া মহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃসীমান্ত নদী। সংস্কৃত ভাষায় ব্রহ্মপুত্রের অর্থ হচ্ছে ব্রহ্মার পুত্র। ব্রহ্মপুত্রের পূর্ব নাম ছিল লৌহিত্য। আবার তিব্বতে এই নদী সাংপোবা জাঙপো নামে পরিচিত, এবং আসামে তার নাম দিহাঙ। ১৭৮৭ সালে ভূমিকম্পের কারণে ব্রহ্মপুত্র নদের মূল স্রোত দিক পরিবর্তিত হয়ে যমুনা নদী

টাংগন নদী বাংলাদেশ পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

টাংগন নদী (ইংরেজি: Tangon River) বাংলাদেশ ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। এই নদীটি পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ১২৩ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১২০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক টাংগন নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং

জালুখালি বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

জালুখালি বা জালুখালী বা চলতি বা ধামালিয়া বা উমগি বা উম্বাহ নদী (ইংরেজি: Zalukhali River, খাসিয়া: ওয়াহ উমগি) বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি মেঘালয়ের পশ্চিম খাসি জেলা ও দক্ষিণ পশ্চিম খাসি জেলা এবং বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার একটি নদী। আরো পড়ুন

সোমেশ্বরী নদী বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

সোমেশ্বরী নদী (ইংরেজি: Someshwary River) বাংলাদেশ ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের নেত্রকোনা এবং মেঘালয়ের একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ৫০ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ১১৪ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক সোমেশ্বরী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী নং ৮৫। বাংলাদেশে সোমেশ্বরী নামের আরো

নয়াগাঙ বা খাসিয়ামারা নদী বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

নয়াগাঙ বা খাসিয়ামারা নদী (ইংরেজি: Nayagang River) বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের দক্ষিণ পশ্চিম খাসি জেলা এবং বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ৩৮ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। এই নদীর অববাহিকার আয়তন ৩০ বর্গকিলোমিটার। নদীটির সর্বোচ্চ

সোমেশ্বরী (ধর্মপাশা) নদী বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের আন্তঃসীমান্ত নদী

সোমেশ্বরী নদী বা সোমেশ্বরী (ধর্মপাশা) নদী (ইংরেজি: Someshwaree River) বাংলাদেশ ভারতের আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা এবং মেঘালয়ের একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ৬৭ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ১০৩ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক সোমেশ্বরী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী নং

যাদুকাটা নদী বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

যাদুকাটা নদী বা জাদুকাটা রক্তি নদী (ইংরেজি: Jadukata River): জাদুকাটা রক্তি নদীটি বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের এবং বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, সুনামগঞ্জ সদর ও জামালগঞ্জ উপজেলার একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৭ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ৫৭ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ

তেতুলিয়া বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

তেতুলিয়া নদী (ইংরেজি: Tetulia River) বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার কাহারোল, বোঁচাগঞ্জ ও বিরল উপজেলার একটি নদী। নদীটির স্থানীয় নাম তুলাই নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৫৬ কিলোমিটার, প্রস্থ ৪৫ মিটার এবং গভীরতা ৫.৫ মিটার। নদী অববাহিকার আয়তন ৬৩ বর্গকিলোমিটার। নদীটি বাংলাদেশের ভেতরে কাহারোল, বোঁচাগঞ্জ ও বিরল উপজেলার মধ্যে ঘন

Top