You are here
Home > প্রকৃতি

ভেরসা নদী বাংলাদেশ ও উত্তরবঙ্গের আন্তঃসীমান্ত নদী

ভেরসা নদী (ইংরেজি: Versa River) বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। তবে নদীটি বাংলাদেশ ভারত যৌথ নদী কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত আন্তঃসীমান্ত নদী নয়। নদীটি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায়১১ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ১৫ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ

ভোগাই নদী বাংলাদেশ মেঘালয়ের আন্তঃসীমান্ত নদী

ভোগাই নদী (ইংরেজি: Vogai River) বাংলাদেশ ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো নদীটিকে ভোগাই-কংস হিসেবে উল্লেখ করে থাকে। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ২২৮ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ৯৫ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক ভোগাই-কংস নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী নং

জিঞ্জিরাম নদী বাংলাদেশ ভারতের আন্তঃসীমান্ত নদী

জিঞ্জিরাম নদী (ইংরেজি: Jinjiram River) বাংলাদেশ ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও জামালপুর জেলা এবং মেঘালয়ের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৫ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ১০৭ মিটার এবং গভীরতা ৭ মিটার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক জিঞ্জিরাম নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর হচ্ছে

সুরমা নদী বাংলাদেশ ও আসামের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

সুরমা নদী (ইংরেজি: Surma River) বাংলাদেশ ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২৪৯ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১১১ মিটার, প্রকৃতি সর্পিলাকার। নদীটি বাংলাদেশের সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার জকিগঞ্জ, কানাইহাট, বিয়ানীবাজার, গোপালগঞ্জ, সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, বিশ্বনাথ, ছাতক, কোম্পানিগঞ্জ, দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ সদর, জামালগঞ্জ ও ধরমপাশা উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহমান। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন

ধলা নদী বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

ধলা নদী (ইংরেজি: Dhala River): ধলা নদীটি বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের এবং বাংলাদেশের সিলেট জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ১৫৮ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক ধলা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি

ডাহুক নদী বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের আন্তঃসীমান্ত নদী

ডাহুক নদী (ইংরেজি: Dahuk River) বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের পঞ্চগড়, পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও উত্তর দিনাজপুর এবং বিহারের কিষণগঞ্জ জেলার একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ১৪ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ৮০ মিতার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক ডাহুক নদীর প্রদত্ত পরিচিতি

উমিয়াম নদী বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

উমিয়াম নদী বা উমগট নদী (ইংরেজি: Umiam River): উমিয়াম নদী বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের দক্ষিণ পশ্চিম খাসি জেলা এবং বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলার একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ৫ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ৩৫ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন

নোনা নদী বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের আন্তঃসীমান্ত নদী

নোনা নদী বা লোনা নদী (ইংরেজি: Nona River) বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। তবে নদীটি বাংলাদেশ ভারত যৌথ নদী কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত আন্তঃসীমান্ত নদী নয়। নদীটি বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল ও হরিপুর উপজেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ মহকুমার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৩০ কিলোমিটার, প্রস্থ ১৪৭ মিটার

সিংড়া জাতীয় উদ্যান প্রাচীন পত্রঝরা বন

সিংড়া জাতীয় উদ্যানের অবস্থান দিনাজপুর জেলা শহর থেকে সড়ক পথে প্রায় ৪০ কিঃমিঃ উত্তরে বীরগঞ্জ উপজেলার মধ্যে। বীরগঞ্জ শহর থেকে এর দুরত্ব প্রায় ৫ কিঃমিঃ। দিনাজপুর জেলা সদর থেকে বীরগঞ্জের দিকে বাসে চড়ে যাওয়া যায়। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ দেখতে বা পিকনিক করার জন্য উদ্যানে আসে।  দর্শকদের আকর্ষন করার জন্য

সোনাভরী নদী বাংলাদেশ ও ভারতের আন্তঃসীমান্ত নদী

সোনাভরী নদী বা সোনাভরি নদী বাংলাদেশ ও আসামের আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য বাংলাদেশ অংশে ১০ কিলোমিটার।[১] প্রবাহ: নদীটির উৎপত্তি আসামের ধুবড়ি জেলায় এবং জিঞ্জিরাম নদী থেকে।  নদীটি বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারি উপজেলার শোলমারির কাছে সোনাভরি নাম নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। সোনাভরি হচ্ছে জিঞ্জিরাম নদীর একটি শাখার নাম।  সোনাভরি একটি পৌরাণিক নদী বলে

Top