You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > দর্শন

রাষ্ট্রদর্শন হচ্ছে রাষ্ট্র, রাষ্ট্রের প্রকৃতি, পরিধি, কার্যাবলি এবং মানবজাতির প্রগতি সম্পর্কিত মতবাদ

এথেন্সের স্কুল

রাষ্ট্রদর্শন বা রাজনৈতিক দর্শন, যা রাজনৈতিক তত্ত্ব হিসাবেও পরিচিত, হলো রাজনীতি, স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সম্পত্তি, অধিকার, আইন এবং কর্তৃপক্ষ দ্বারা আইনের প্রয়োগ ইত্যাদি বিষয়গুলির অধ্যয়ন। রাষ্ট্রদর্শন রাষ্ট্রের যেসব বিষয় আলোচনা করে যদি সেগুলোর প্রয়োজন হয় তাহলে সেগুলোর রূপ কেমন, কী সরকারকে বৈধ করে তোলে, আরো পড়ুন

দর্শন হচ্ছে সামাজিক চেতনারূপী মানুষের বিশ্ববীক্ষা ও দৃষ্টিভঙ্গির মৌল বিধানের আলোচনা

এথেন্সের স্কুল

দর্শন কী? দর্শন হচ্ছে সামাজিক চেতনার সেই রূপ যা প্রকৃতিবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের সংশ্লেষণ করে। পৃথিবী এবং পৃথিবীতে মানুষের স্থান সম্পর্কে বিশ্ববীক্ষা, ধারণা বা দৃষ্টিভঙ্গির একটি সুসংবদ্ধ ব্যবস্থা প্রণয়নই হচ্ছে দর্শনের লক্ষ্য। শ্রেণিস্বার্থ, রাজনৈতিক ও ভাবাদর্শগত সংগ্রামের সংগে দর্শন অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।[১] দর্শন অভিধাটি ব্যবহৃত হতো অ-ধর্মীয় উপায়ে বিশ্বের বিশ্লেষণ বোঝাতে। এটি

প্রাচীন গ্রিক দর্শন হচ্ছে রোম সাম্রাজ্য এবং প্রাচীন গ্রিসে খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে আবির্ভূত দর্শন

প্রাচীন গ্রিক দর্শন বা প্রাচীন গ্রীক দর্শন (ইংরেজি:Ancient Greek philosophy) খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে উত্থিত হয়েছিল। গ্রিক দর্শন অব্যাহত ছিলো হেলেনীয় কাল এবং সেই সময়ে যখন গ্রিস এবং বেশিরভাগ গ্রিক-আবাসিক ভূমিতে যেগুলো রোমান সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। আরো পড়ুন

মন্টেস্কুর আইনতত্ত্ব আলোচনা প্রসঙ্গে

মন্টেস্কু এবং তাঁর স্পিরিট অব লজ বই

চার্লস লুই দ্য মন্টেস্কু রাষ্ট্রচিন্তার ক্ষেত্রে যে সকল মতবাদ প্রদান করেন তার মধ্যে আইন সম্পর্কে আলোচনা অন্যতম। তিনি তাঁর বিখ্যাত দ্য স্পিরিট অব লজ গ্রন্থের প্রথমেই আইনের ব্যাখা প্রদান করেছেন। মন্টেস্কু তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ “The spirit of laws” গ্রন্থে আইনের সংজ্ঞা প্রদান করতে গিয়ে বলেন, “Laws are the necessary relations arising from the nature of things.” আরো পড়ুন

মেকিয়াভেলি রচিত গ্রন্থসমূহ প্রসঙ্গে

দ্য প্রিন্স বই

নিকোলা মেকিয়াভেলি অনেকগুলো পুস্তক রচনা করেন। তাঁর রচিত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হচ্ছে চারটি। নির্বাসিত জীবনযাপন কালে মেকিয়াভেলি অধপতিত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য শক্তিশালী শাসকগণ কিভাবে রাজনীতিকে ধর্ম ও নৈতিকতার প্রভাবমুক্ত করে দেশ ও জাতিকে পরিচালিত করবেন সেই সম্পর্কে মত প্রদান করেছেন। জাতিকে সমৃদ্ধশালী করবার বিভিন্নমুখী বিবরণ মেকিয়াভেলির গ্রন্থগুলোতে ফুটে উঠেছে। আরো পড়ুন

পিতৃতন্ত্র কাকে বলে?

মানুষের সামাজিক বিকাশের একটি ঐতিহাসিক পর্যায় হচ্ছে পিতৃতন্ত্র বা পুরুষতন্ত্র (ইংরেজি: Patriarchy)। মানুষের আদিম সামাজিক সংগঠন ছিল সাম্যবাদী ও মাতৃতান্ত্রিক। পশু শিকারের পরবর্তী পর্যায়ে পশুপালন ও কৃষিকাজ যখন জীবিকার প্রধান উপায় হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে তখন মানুষের সামাজিক সংগঠনেও একটা পরিবর্তন সূচিত হয়। ইতিপূর্বে জীবিকার অধিকতর দুর্বল অবস্থার জন্য এবং পারিবারিক জীবনের অস্থিরতা এবং অসংবদ্ধতার কারণে সন্তানের জননী ছিল বংশের পরিচয় সূচক। এই পর্যায়কে বলা হয় মাতৃতন্ত্র। আরো পড়ুন

ন্যায় দর্শন প্রসঙ্গে

প্রাচীন ভারতীয় ভাববাদী দর্শনের একটি শাখার নাম ন্যায় দর্শন (ইংরেজি: Nyaya)। ন্যায় দর্শনের প্রধান জোর ছিল যুক্তি ও জ্ঞানতত্ত্বের উপর। প্রাচীন উপাখ্যানের ঋষি গৌতম ন্যায় দর্শনের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে মনে করা হয়। যুক্তি ও তর্কের পদ্ধতি নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রাচীন ন্যায় দর্শন। আরো পড়ুন

নউস হচ্ছে প্রাচীন গ্রিক দর্শনে সকল চিন্তা ও চেতনা কেন্দ্রীভূত সত্তা

প্রাচীন গ্রিক দর্শনে সকল চিন্তা ও চেতনা কেন্দ্রীভূত সত্তাকে ‘নউস’ (ইংরেজি: Nous) বলা হতো। নউস, কখনও কখনও বুদ্ধি বা প্রজ্ঞার সমতুল্য। শব্দটি ধ্রুপদী দর্শনের একটি শব্দ। শব্দটিকে সত্য বা বাস্তব কি বোঝার জন্য প্রয়োজনীয় বলে মানব মনের বিভিন্ন এলাকার ক্ষেত্রেবিবেচনা করা হয়। আরো পড়ুন

ইহুদি ধর্ম বা ইহুদিবাদ প্রসঙ্গে

ইহুদি ধর্ম বা ইহুদিবাদ (ইংরেজি: Judaism বা Jewish religion) ইহুদি মানুষের জাতিগত ধর্ম। এটি একটি প্রাচীন, একেশ্বরবাদী, আব্রাহামিক ধর্ম। এই ধর্মের ভিত্তিগত পাঠ হচ্ছে তাওরাত বা তোরাহ গ্রন্থ। প্রাচীন ইহুদী গোত্রসমূহের বহু ঈশ্বরে বিশ্বাস থেকে খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তদশ শতাব্দীতে একেশ্বরবাদী ইহুদী ধর্মের উদ্ভব ঘটে। ইহুদীবাদের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এক ঈশ্বরে বিশ্বাস, জেহোভাকে ঈশ্বর বলে মনে

জাপানি দর্শন প্রসঙ্গে

জাপানি দর্শন (ইংরেজি: Japanese philosophy) ঐতিহাসিকভাবে এশীয় বৌদ্ধধর্ম ও কনফুসিয়ানবাদ এবং স্বদেশীয় শিন্টো এই উভয় ধর্মগুলির সমন্বিত রূপ। জাপানে দার্শনিক চিন্তাধারার উদ্ভব ঘটে সামন্ততান্ত্রিক যুগে। জাপানি দর্শনের প্রথম উৎস ছিল প্রাচীন চীনের প্রধান দার্শনিক ধারাসমূহ, বিশেষ করে কনফুসিয়, বৌদ্ধ এবং পরবর্তীকালের নব কনফুসিয়বাদের চিন্তাধারা। জাপানে কনফুসিয় ভাববাদের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে দার্শনিক ফুজউয়ারা (১৫৬১-১৬১৯

Top