আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > দর্শন

প্রাচীন দর্শন প্রসঙ্গে

প্রাচীন দর্শন (ইংরেজি: Ancient philosophy) হচ্ছে পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাসে প্রাচীন গ্রিক দার্শনিকদের চিন্তাধারার একটি নাম। এই প্রাচীন দর্শনের বিকাশ ঘটে দাসের শোষণের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত গ্রিক সমাজে খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম শতকে এবং খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকে রোমের দাসভিত্তিক সাম্রাজ্য। দর্শনের এই প্রাচীন পর্যায়ের বিস্তার খ্রিষ্টিয় ষষ্ঠ শতক পর্যন্ত ধরা যায়। এই প্রাচীন পর্যায়ের

মধ্যযুগীয় দর্শন প্রসঙ্গে আলোচনা

মধ্যযুগীয় দর্শন (ইংরেজি: Medieval Philosophy): খ্রিষ্টীয় পঞ্চম শতকে রোম সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। চতুর্দশ-পঞ্চদশ শতকের দিকে ইউরোপে পুঁজিবাদী অর্থনীতিক ব্যবস্থার প্রাথমিক রূপ আত্মপ্রকাশ করতে শুরু করে। এই দুই পর্যায়ের মধ্যবর্তী এক হাজার বছর ইউরোপে দেশসমূহে দর্শনের যে বিকাশ ঘটে, তাকে ইউরোপীয় দর্শনের ইতিহাসে সাধারণত মধ্যযুগীয় দর্শন বলে আখ্যায়িত করা হয়। প্রাচীন গ্রিস

প্রতিষ্ঠানসমূহ হচ্ছে ব্যক্তির আচরণ পরিচালনাকারী সমাজতত্ত্বের প্রত্যয়

প্রতিষ্ঠান বা অনুষ্ঠান-প্রতিষ্ঠান (ইংরেজি: Institution) মুলত সমাজতত্ত্বের একটি প্রত্যয়। বিভিন্ন অর্থে এই ধারনাটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে “স্থিতিশীল, মূল্যবান, আচরণের পুনরাবৃত্তিমূলক নমুনা” বা সামাজিক শৃঙ্খলার প্রক্রিয়া। প্রতিষ্ঠানগুলো একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মধ্যে একগুচ্ছ ব্যক্তির আচরণ পরিচালনা করে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাধারণত সামাজিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে চিহ্নিত করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলি জীবিত আচরণ পরিচালনাকারী নিয়মকানুনসমূহের মধ্যস্থতা

দর্শনের স্বরূপ প্রসঙ্গে

দর্শন (ইংরেজি: Philosophy) হচ্ছে জগৎ, জীবন, মানুষের সমাজ, তার চেতনা ও জ্ঞানের প্রক্রিয়া প্রভৃতির মৌলিক বিধানসমূহের আলোচনা।[১] জগৎ বিখ্যাত গ্রিক ভাববাদী দার্শনিক প্লেটো বলেছেন, “বিস্ময় থেকে দর্শনের উৎপত্তি।”[২] মানুষের সামাজিক চেতনার বিকাশের একটা পর্যায়েই মাত্র মানুষের পক্ষে বিশ্লেষণী দৃষ্টি নিয়ে জগত এবং জীবন সম্পর্কে চিন্তা করা সম্ভব হয়েছে। মানুষ তার

দর্শন — মাও সেতুং

মাও সেতুঙের শেষ জীবনের উদ্ধৃতি দর্শন *** মার্কসবাদ হাজার হাজার সত্যের সমষ্টি, কিন্তু এগুলো সবই কেন্দ্রিভুত হয় একটিমাত্র বাক্যে—“বিদ্রোহ করা ন্যায়সঙ্গত”। হাজার হাজার বছর ধরে, এটা বলে আসা হচ্ছিল যে দাবিয়ে রাখাটা ন্যায়সঙ্গত, শোষণ করাটা ন্যায়সঙ্গত এবং বিদ্রোহ করাটা অন্যায়। এই পুরোনো সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র মার্কসবাদের উদ্ভবের পরই উল্টে গেল। এটা একটা

সামাজিক শ্রেণির রূপ ও প্রকৃতি বিশ্লেষণ

শ্রেণি বা সামাজিক শ্রেণি, ইংরেজিতে Social Class, হলো একই প্রণালীতে জীবনযাত্রা নির্বাহ করে সমাজের এরূপ এক একটি অংশ। সমাজ বিকাশের নিয়মগুলি বোঝা ও ব্যাখা করবার জন্য সমাজের বড় বড় দলের লোকগুলোকে বলা হয় সামাজিক শ্রেণি। এটি দেখা দিয়েছে সামাজিক শ্রম বিভাগ আর সেইসংগে উৎপাদনের উপায়ের উপর ব্যক্তিগত মালিকানা উদ্ভবের ফলে।

মার্কসবাদের তিনটি উৎস

মার্কসবাদ বলতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের মতবাদকে বোঝায় না। এর মধ্যে দর্শন, রাজনীতি, অর্থনীতি, ইতিহাস, সমাজ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় এবং এসব বিষয় সম্পর্কিত বিভিন্ন মতবাদের সমাবেশ ঘটেছে। মানুষ, তার সমাজ এবং তার আশপাশের প্রকৃতিকে কেন্দ্র করেই মার্কসবাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় ও মতবাদের উদ্ভব ঘটেছে। এসব বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে দর্শন, রাজনীতি ও

মার্কসের দৃষ্টিতে মানুষ

মানুষই হলো মার্কস এঙ্গেলসের জীবনবীক্ষার কেন্দ্রীয় বিষয়। বর্তমানকে বদলাবার প্রয়োজন তারা অনুভব করেছিলেন এই মানব প্রজাতির জন্যই। প্রাণী হিসেবে ‘মনুষ্য’ নাম প্রযুক্ত হলেও সামাজিক প্রাণী হিসেবে বা নৃতাত্ত্বিক অবস্থা থেকে বর্তমান মনুষ্য হিসেবে ‘মানুষ’ শব্দটি একই সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে না। মার্কস প্রাকৃতিক ও মানবিক এই দুই অর্থে মানুষকে দেখেছেন। অর্থাৎ

মুক্তি প্রসঙ্গে মার্কসবাদ

মুক্তি বা স্বাধীনতা (ইংরেজি Freedom বা Liberty) হচ্ছে একটি সমাজে মানুষের সম্ভাবনার পূর্ণ উন্নতির সংস্থান করে মানুষের নিজ কর্মসমূহ নির্ধারণ করার সামর্থ্য ও অধিকার। মুক্তি ব্যক্তিগতভাবে একজনও উপভোগ করতে পারেন কিন্তু তা সমাজের ভেতরেই করতে হয়। ব্যক্তিগত গুণগুলো সমাজের ভেতরেই বিভিন্ন দিকে কর্ষণ করা যায়, তাই শুধু সমাজের ভেতরেই ব্যক্তিগত

প্রগতিশীলবাদ সমাজবিপ্লবে অগ্রণী শ্রেণির মতবাদ

প্রগতিশীলতা বা প্রগতিশীলবাদ শব্দটা ইংরেজি Progressivism এর বাংলা। প্রগতিশীল শব্দের দ্বারা আমরা এমন একটি শ্রেণিকে বুঝি যে শ্রেণি অর্থনৈতিক লড়াইয়ে অতীতের সমাজকে ভেঙে নতুন সমাজ নির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। সে হিসেবে পুঁজিবাদি সমাজের অভ্যন্তরে অবস্থান করে একমাত্র সমাজতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণ করার কাণ্ডারিগণই কেবল প্রগতিশীল বলে অভিহিত হতে পারেন। সমাজবিপ্লবের সাথে

Top