You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > দর্শন

ইহুদি ধর্ম বা ইহুদিবাদ প্রসঙ্গে

ইহুদি ধর্ম বা ইহুদিবাদ (ইংরেজি: Judaism বা Jewish religion) ইহুদি মানুষের জাতিগত ধর্ম। এটি একটি প্রাচীন, একেশ্বরবাদী, আব্রাহামিক ধর্ম। এই ধর্মের ভিত্তিগত পাঠ হচ্ছে তাওরাত বা তোরাহ গ্রন্থ। প্রাচীন ইহুদী গোত্রসমূহের বহু ঈশ্বরে বিশ্বাস থেকে খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তদশ শতাব্দীতে একেশ্বরবাদী ইহুদী ধর্মের উদ্ভব ঘটে। ইহুদীবাদের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এক ঈশ্বরে বিশ্বাস, জেহোভাকে ঈশ্বর বলে মনে

জাপানি দর্শন প্রসঙ্গে

জাপানি দর্শন (ইংরেজি: Japanese philosophy) ঐতিহাসিকভাবে এশীয় বৌদ্ধধর্ম ও কনফুসিয়ানবাদ এবং স্বদেশীয় শিন্টো এই উভয় ধর্মগুলির সমন্বিত রূপ। জাপানে দার্শনিক চিন্তাধারার উদ্ভব ঘটে সামন্ততান্ত্রিক যুগে। জাপানি দর্শনের প্রথম উৎস ছিল প্রাচীন চীনের প্রধান দার্শনিক ধারাসমূহ, বিশেষ করে কনফুসিয়, বৌদ্ধ এবং পরবর্তীকালের নব কনফুসিয়বাদের চিন্তাধারা। জাপানে কনফুসিয় ভাববাদের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে দার্শনিক ফুজউয়ারা (১৫৬১-১৬১৯

জৈন মতবাদ প্রসঙ্গে

জৈন (ইংরেজি: Jainism) মতবাদের দুটি দিক। একটি ধর্মীয়, অপরটি তত্ত্বগত। ধর্ম হিসাবে জৈন ধর্মের উদ্ভব ও প্রসার ঘটে বৌদ্ধধর্মের উদ্ভবের সমসাময়িক কালে। বৌদ্ধ ধর্মের ন্যায় জৈন ধর্মেও প্রচলিত ব্রাহ্মণ্য ধর্মের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের প্রকাশ ঘটে। মহাবীরকে জৈনধর্মের প্রতিষ্ঠাতা বলে মনে করা হয়। মহাবীর বা জীন অর্থাৎ বিজয়ী, — জৈন ধর্মের

ইসলাম ধর্ম প্রসঙ্গে

বিশ্বধর্মসমূহের অন্যতম হচ্ছে ইসলাম বা ইসলামবাদ (ইংরেজি: Islam বা Islamism)। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ধর্মের মধ্যে খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মের নাম উল্লেখযোগ্য। ইসলামের অনুসরণ দেখা যায় প্রধানত মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা এবং এশিয়া ভূখন্ডসমূহে। ইসলামের উদ্ভবকাল ৭ম শতাব্দী। আরব দেশের বিখ্যাত কোরাইশ বংশের আব্দুল্লাহর পুত্র হযরত মুহম্মদ কে (৫৭০-৬৩২ খ্রিঃ) ইসলামের অনুসারীগণ

আয়োনীয় দর্শন প্রসঙ্গে

প্রাক-সক্রেটিস দর্শনশাস্ত্রের আয়োনীয় ত্তন্ত্রজ্ঞান ৬ষ্ঠ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আইয়োনিয়ার মাইলেটাসে কেন্দ্রীভূত হয়েছিল। প্রাচীন গ্রীসের পশ্চিম উপকূলবর্তী দ্বীপগুলি আয়োনীয় দ্বীপপুঞ্জ হিসাবে পরিচিত ছিল। এর মধ্যে সিফালোনিয়া, করফু, ইথাকা প্রভৃতি দ্বীপের নাম প্রসিদ্ধ। এই দ্বীপাঞ্চলেই প্রথম গ্রীক দর্শন ও বিজ্ঞানের উৎপত্তি ঘটে। খ্রিষ্টপূর্ব ৬ষ্ঠ ও ৫ম শতকে এই অঞ্চলে যে সকল দার্শনিক দর্শন ও বিজ্ঞানের চর্চা

অন্তর্দর্শন প্রসঙ্গে

ব্যক্তি তার মনের কোনো অবস্থা যখন সরাসরি পর্যবেক্ষণ করে তখন এই পর্যবেক্ষণকে অন্তর্দর্শন বা আত্মনিরীক্ষণ (ইংরেজি: Introspection) বলা হয়। নিজের মনের অবস্থা ব্যক্তির নিজের পক্ষে পর্যবেক্ষণের ক্ষমতা মানুষের মনের উন্নততর বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত। আত্মনিরীক্ষণের ফল ব্যক্তির বর্ণনার মাধ্যমেই মাত্র অপরে জানতে পারে। তার সে বিবরণ যথার্থ কিনা তা প্রমাণ

ভারতীয় দর্শন প্রসঙ্গে

ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মূল তত্ত্ব ও তার ব্যাখ্যাকে প্রাচীনকাল হতে ভারতীয় দর্শন (ইংরেজি: Indian Philosophy) বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ভারতীয় দর্শন বিশ্বের প্রাচীনতম দর্শনসমূহের অন্যতম। খ্রিষ্টপূ্র্ব দশ অথবা পনের শতকের ইতিহাসেও এই দর্শনের সাক্ষাত পাওয়া যায়। ভারতীয় দর্শনকে সাধারণত বেদান্ত, মীমাংসা, বৈশেষিক, ন্যায়, সংখ্যা ও যোগ এই ছয়টি শাখায়

প্রকল্প কাকে বলে?

কোনো সমস্যার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সমাধানের মধ্যে কোনো একটিকে নির্বাচন করে প্রমাণ ও পরীক্ষার দিকে অগ্রসর হওয়ার পদ্ধতিকে প্রকল্প বা আন্দাজের ভিত্তিতে অগ্রসর হওয়া (ইংরেজি: Hypothesis) বলে। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রকল্প একটি প্রয়োজনীয় স্তর। মঙ্গল গ্রহে জীবন আছে কিনা এ প্রশ্নের একাধিক উত্তর সম্ভব। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ ও তথ্যের ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট জবাব

হিন্দু ধর্ম প্রসঙ্গে

হিন্দু ধর্ম বা হিন্দুত্ববাদ (ইংরেজি: Hinduism) ভারতবর্ষের প্রাচীন ধর্ম। বর্তমানকালেও পৃথিবীর প্রচলিত ধর্মসমূহের অন্যতম ধর্ম হচ্ছে হিন্দু ধর্ম। ‘হিন্দুদের ধর্ম’ হিসাবেও শব্দটির ব্যবহার করা হতো। এবং এদিক থেকে ‘ইণ্ডাস’ অঞ্চলের অধিবাসীদের ধর্মকে হিন্দু ধর্ম বলা হতো। এ থেকে বুঝতে পারা যায় হিন্দু ধর্ম দ্বারা কোনো সীমাবদ্ধ সুনির্দিষ্ট একক বিশ্বাসের বদলে প্রাচীন ভারতের

বিবাহের স্বরূপ ও প্রকারভেদ

বিয়ে সমাজ জীবনের একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা যার ভিতর দিয়ে পরিবার গড়ে উঠে। বিয়ের ভিতর দিয়ে নারী-পুরুষের দৈহিক চাহিদা পূরণ, মানসিক সাহচর্য এবং সামাজিক সম্পর্ক স্থাপন সম্ভব হয়। বিয়ের ভিতর দিয়ে সমাজ পুনরুৎপাদিত হয়। সাম্প্রতিকালে উন্নত বিশ্বে বিয়ে খুব বেশি ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে বিয়ের গুরুত্ব কমে যাচ্ছে। মানুষ এখন বিয়ের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলছে।

Top