আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > দর্শন > সমাজদর্শন

সমাজদর্শন কাকে বলে

সমাজদর্শন (ইংরেজি: Social Philosophy) হচ্ছে সমাজ সম্পর্কিত দার্শনিক চিন্তাভাবনা। অন্য কথায় সমাজদর্শন হচ্ছে সামাজিক আচরণ এবং সমাজ ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের ব্যাখ্যামূলক সম্পর্কের চেয়ে নৈতিক মূল্যবোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন প্রশ্নের গবেষণা। সমাজতত্ত্ব সমাজের সামগ্রিক আলোচনা হলেও তাকে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা বলা যায় না। সমাজ বিজ্ঞানের ন্যায় সমাজতত্ত্ব বস্তুনিষ্ট মূল্য-নিরপেক্ষ। সমাজতত্ত্বে বিভিন্ন সামাজিক সম্বন্ধগুলো—অর্থনৈতিক,

প্রতিষ্ঠানসমূহ হচ্ছে ব্যক্তির আচরণ পরিচালনাকারী সমাজতত্ত্বের প্রত্যয়

প্রতিষ্ঠান বা অনুষ্ঠান-প্রতিষ্ঠান (ইংরেজি: Institution) মুলত সমাজতত্ত্বের একটি প্রত্যয়। বিভিন্ন অর্থে এই ধারনাটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে “স্থিতিশীল, মূল্যবান, আচরণের পুনরাবৃত্তিমূলক নমুনা” বা সামাজিক শৃঙ্খলার প্রক্রিয়া। প্রতিষ্ঠানগুলো একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মধ্যে একগুচ্ছ ব্যক্তির আচরণ পরিচালনা করে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাধারণত সামাজিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে চিহ্নিত করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলি জীবিত আচরণ পরিচালনাকারী নিয়মকানুনসমূহের মধ্যস্থতা

সামাজিক শ্রেণির রূপ ও প্রকৃতি বিশ্লেষণ

শ্রেণি বা সামাজিক শ্রেণি, ইংরেজিতে Social Class, হলো একই প্রণালীতে জীবনযাত্রা নির্বাহ করে সমাজের এরূপ এক একটি অংশ। সমাজ বিকাশের নিয়মগুলি বোঝা ও ব্যাখা করবার জন্য সমাজের বড় বড় দলের লোকগুলোকে বলা হয় সামাজিক শ্রেণি। এটি দেখা দিয়েছে সামাজিক শ্রম বিভাগ আর সেইসংগে উৎপাদনের উপায়ের উপর ব্যক্তিগত মালিকানা উদ্ভবের ফলে।

প্রগতিশীলবাদ সমাজবিপ্লবে অগ্রণী শ্রেণির মতবাদ

প্রগতিশীলতা বা প্রগতিশীলবাদ শব্দটা ইংরেজি Progressivism এর বাংলা। প্রগতিশীল শব্দের দ্বারা আমরা এমন একটি শ্রেণিকে বুঝি যে শ্রেণি অর্থনৈতিক লড়াইয়ে অতীতের সমাজকে ভেঙে নতুন সমাজ নির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। সে হিসেবে পুঁজিবাদি সমাজের অভ্যন্তরে অবস্থান করে একমাত্র সমাজতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণ করার কাণ্ডারিগণই কেবল প্রগতিশীল বলে অভিহিত হতে পারেন। সমাজবিপ্লবের সাথে

গণতন্ত্র ও নীতিশাস্ত্রের পারস্পরিক সম্পর্ক

গণতন্ত্রে ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত, ভালো-মন্দের বোধকে সমসাময়িক কালের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নবায়ন করে নিতে হয়। গণতন্ত্রে নীতিশাস্ত্রকে সময় পরিবর্তনের সাথে যুগোপযোগী করে নিতে হয়। বাংলা ভাষায় ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত ইত্যাদি শব্দ থাকলেও এসব কথা সম্পর্কে বিস্তারিত লিখিত আলোচনা নেই। আর নীতিবিদ্যা বা নীতিশাস্ত্র [ইংরেজি:ethics] বলে যে একটি পাঠ্য বিষয় আছে সেই

মার্কসবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ

হেগেলের দ্বন্দ্ববাদ ও ফয়েরবাখের বস্তুবাদ থেকে সংশ্লেষণের মাধ্যমে এসেছে মার্কসীয় দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ। অর্থাৎ হেগেলের দ্বন্দ্ববাদ ও ফয়েরবাখের বস্তুবাদের সমালোচনার মধ্য দিয়ে মার্কসবাদের অন্যতম একটি উপাদানের উদ্ভব হয়েছে। মার্কস হেগেলের ভাববাদ বর্জন করে তাঁর দ্বন্দ্ববাদকে এবং ফয়েরবাখের যান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বর্জন করে তাঁর বস্তুবাদকে গ্রহণ করে যে দর্শন গড়ে তোলেন তাকেই দ্বান্দ্বিক

Top