You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > দর্শন > সমাজদর্শন

বিবাহের স্বরূপ ও প্রকারভেদ

বিয়ে সমাজ জীবনের একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা যার ভিতর দিয়ে পরিবার গড়ে উঠে। বিয়ের ভিতর দিয়ে নারী-পুরুষের দৈহিক চাহিদা পূরণ, মানসিক সাহচর্য এবং সামাজিক সম্পর্ক স্থাপন সম্ভব হয়। বিয়ের ভিতর দিয়ে সমাজ পুনরুৎপাদিত হয়। সাম্প্রতিকালে উন্নত বিশ্বে বিয়ে খুব বেশি ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে বিয়ের গুরুত্ব কমে যাচ্ছে। মানুষ এখন বিয়ের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলছে।

পরিবারের শ্রেণীবিভাগ

পরিবার আমাদের অত্যন্ত পরিচিত প্রতিষ্ঠান। আমাদের কাছে মনে হয়, আমাদের চেনা পরিবারই হচ্ছে পরিবারের একমাত্র রূপ এবং অন্য কোনো ধরনের পরিবার ব্যতিক্রম। সমাজবিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন বিভিন্ন সমাজে পরিবারের বিভিন্ন রূপ রয়েছে। সমাজের দ্রুত পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবারের রূপেরও পরিবর্তন ঘটেছে।  সাধারণত: গঠনের দিক থেকে পরিবার চারটি রূপ পরিগ্রহ করতে পারে।  পিতা বা মাতাভিত্তিক পরিবার

পরিবারের কার্যাবলির স্বরূপ

ক্রিয়াবাদী functionalim সমাজ বৈজ্ঞানিক প্যারাডাইম Paradigm পরিবারের কার্যাবলীকে সুনির্দিষ্টভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এ মতের সাথে ভিন্ন মত পোষণ করে অনেক সমাজবিজ্ঞানীরা পরিবারের অপরিহার্য কার্য রয়েছে বলে মনে করেন না। ক্রিয়াবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে পরিবারের কিছু কাজকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়। পিটার মার্ডক  Peter Murdock ২৫০ টি সমাজ বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন সব সমাজেই পরিবার চারটি

পরিবার কাকে বলে

আমরা পরিবারে বড় হয়ে উঠি এবং আমরা সবাই পরিবারের কথা ভালোভাবেই জানি। পরিবারের ধারণা অত্যন্ত সরল। স্বামী-স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েদের নিয়ে একত্রে গৃহে বসবাস করাই পরিবার। এটি একটি অর্থনৈতিক একক এবং ছেলে-মেয়েদের স্নেহ-মমতা দিয়ে রক্ষণাবেক্ষণ করে। আপাতদৃষ্টিতে সরল মনে হলেও, পরিবার সামাজিক জটিল প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান এবং একে সংজ্ঞায়িত করা সহজসাধ্য নয়। এর অন্যতম

নীতিশাস্ত্র প্রসঙ্গে

নীতিশাস্ত্র (ইংরেজি: Ethics) দর্শনের একটি শাখার নাম। নীতিশাস্ত্রের তাত্ত্বিক দিকগুলো, যেমন – ভাল-মন্দের সংজ্ঞা-র সাথে প্রায়োগিক দিক, যেমন – মানুষের ভাল বা মন্দ ব্যবহারের সংজ্ঞা-ও এর আলোচ্য বিষয়। মানুষের ব্যবহারগত সম্পর্কের তাৎপর্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনার ভিত্তিতে নীতিশাস্ত্র বিকাশ লাভ করেছে। আরো পড়ুন

পরিবার প্রসঙ্গে

পরিবার  হচ্ছে  স্বামী-স্ত্রী  ও  ছেলে-মেয়েদের  নিয়ে  একত্রে  বসবাস।  সামাজিক  জটিল প্রতিষ্ঠানগুলোর  অন্য̈তম  একটি  প্রতিষ্ঠান  হচ্ছে  পরিবার।  সময়  ও  স্থানের  পরিপ্রেক্ষিতে পরিবারের ধরনে এসেছে বৈচিত্র্য̈ময় পরিবর্তন। সাম্প্রতিক সংজ্ঞায় পরিবার হলো আত্মীয়তার সম্পর্ক বা একই ধরনের ঘনিষ্ঠ বন্ধনে আবদ্ধ একটি জনসমষ্টি যেখানে প্রাপ্ত-বয়স্করা তাদের নিজেদের ও পোষ্য ছেলে-মেয়েদের লালন-পালন করে থাকে।  পরিবারের  কাজ  নিয়ে  সমাজবিজ্ঞানীদের  মধ্যে  মতভেদ  থাকলেও,  অধিকাংশ  সমাজবিজ্ঞানী মনে

শর্তহীন বিধান প্রসঙ্গে

শর্তহীন বিধান দর্শন (ইংরেজি: categorical imperative), বিশেষ করে দার্শনিক কাণ্টের নীতি-শাস্ত্রে ব্যবহৃত একটি কথা। কাণ্টের মতে নৈতিক জীবনে যে সমস্ত বিধান কার্যকরী সেগুলিকে শর্তসাপেক্ষ এবং শর্তহীন বলে বিভক্ত করা চলে। শর্তসাপেক্ষ বিধানের নিয়ামত হচ্ছে কোনো বিশেষ আকাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য। আমার সন্তানকে যদি আমি এই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ভালবাসি যে, সেও একদিন আমার বৈষয়িক জীবনে সাহায্যকারী হবে তা হলে সন্তানের প্রতি এই ভালবাসা শর্তসাপেক্ষ ভালবাসা। আরো পড়ুন

সমাজদর্শন কাকে বলে

সমাজদর্শন (ইংরেজি: Social Philosophy) হচ্ছে সমাজ সম্পর্কিত দার্শনিক চিন্তাভাবনা। অন্য কথায় সমাজদর্শন হচ্ছে সামাজিক আচরণ এবং সমাজ ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের ব্যাখ্যামূলক সম্পর্কের চেয়ে নৈতিক মূল্যবোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন প্রশ্নের গবেষণা। সমাজতত্ত্ব সমাজের সামগ্রিক আলোচনা হলেও তাকে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা বলা যায় না। সমাজ বিজ্ঞানের ন্যায় সমাজতত্ত্ব বস্তুনিষ্ট মূল্য-নিরপেক্ষ। সমাজতত্ত্বে বিভিন্ন সামাজিক সম্বন্ধগুলো—অর্থনৈতিক,

প্রতিষ্ঠানসমূহ হচ্ছে ব্যক্তির আচরণ পরিচালনাকারী সমাজতত্ত্বের প্রত্যয়

প্রতিষ্ঠান বা অনুষ্ঠান-প্রতিষ্ঠান (ইংরেজি: Institution) মুলত সমাজতত্ত্বের একটি প্রত্যয়। বিভিন্ন অর্থে এই ধারনাটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে “স্থিতিশীল, মূল্যবান, আচরণের পুনরাবৃত্তিমূলক নমুনা” বা সামাজিক শৃঙ্খলার প্রক্রিয়া। প্রতিষ্ঠানগুলো একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মধ্যে একগুচ্ছ ব্যক্তির আচরণ পরিচালনা করে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাধারণত সামাজিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে চিহ্নিত করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলি জীবিত আচরণ পরিচালনাকারী নিয়মকানুনসমূহের মধ্যস্থতা

গণতন্ত্র ও নীতিশাস্ত্রের পারস্পরিক সম্পর্ক

গণতন্ত্রে ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত, ভালো-মন্দের বোধকে সমসাময়িক কালের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নবায়ন করে নিতে হয়। গণতন্ত্রে নীতিশাস্ত্রকে সময় পরিবর্তনের সাথে যুগোপযোগী করে নিতে হয়। বাংলা ভাষায় ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত ইত্যাদি শব্দ থাকলেও এসব কথা সম্পর্কে বিস্তারিত লিখিত আলোচনা নেই। আর নীতিবিদ্যা বা নীতিশাস্ত্র [ইংরেজি:ethics] বলে যে একটি পাঠ্য বিষয় আছে সেই

Top