You are here
Home > রাজনীতি

পাহাড়ী পিপুল দক্ষিণ এশিয়া ও মায়ানমারের খর্বাকার আরোহী লতা

বৈজ্ঞানিক নাম: Piper sylvaticum Roxb., Fl. Ind. 1: 156 (1820). সমনাম: Chavica sylvatica Miq. (1930). Piper dekkoanum C. DC. Piper malmoris Wall. ইংরেজি নাম: জানা নেই। স্থানীয় নাম: বন পান, পাহাড়ী পিপুল। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Magnoliids বর্গ: Piperales পরিবার: Piperaceae গণ: Piper প্রজাতি: Piper sylvaticum Roxb.,. বর্ণনা: পাহাড়ী পিপুল পিপারাসি পরিবারের পিপার গণের খর্বাকার আরোহী গুল্ম। এদের শাখাসমূহ

স্নায়ুযুদ্ধের কতিপয় বৈশিষ্ট্য

দ্বিতীয় সাম্রাজ্যবাদী মহাযুদ্ধের পরে গোটা সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সমাজতন্ত্রী সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেতরে যে ছদ্ম-যুদ্ধ চলে তাই স্নায়ুযুদ্ধ নামে পুঁজিবাদের সমর্থক বুদ্ধিজীবীদের নিকট পরিচিতি পায়। এই স্নায়ু যুদ্ধের কতকগুলি বৈশিষ্ট্য বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রথমত, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই এই ব্যঙ্গ-লড়াইয়ের মূলকথা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে এই দুইটি রাষ্ট্রই ছিলো

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বিশ্ব রাজনীতির প্রধান প্রধান শক্তি

দ্বিতীয় সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বযুদ্ধের পরে বিশ্ব রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন দেখা যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে ইউরোপই ছিলো বিশ্বরাজনীতির কেন্দ্রভূমি। ইউরোপের বাইরে তখন একমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কিছুটা সক্রিয় অংশ গ্রহণ করতে দেখা যায়। দুই সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানী ও ইতালীর দ্বারাই মুলতঃ বিশ্ব রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত

স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠাণ্ডা লড়াই প্রসঙ্গে

স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠাণ্ডা যুদ্ধ বা ঠান্ডা লড়াই বা শীতল যুদ্ধ (ইংরেজি: Cold war) হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসানের পর প্রায় দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও মতাদর্শগত আধিপত্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে চালিত এক অঘোষিত ব্যঙ্গ যুদ্ধ (ইংরেজি: Mock-war)। এই স্নায়ুযুদ্ধ নামটিও সাম্রাজ্যবাদী বুদ্ধিজীবীদের প্রদত্ত এবং

রাজনীতি হচ্ছে রাষ্ট্র সম্পর্কীয় নীতি

রাষ্ট্রনীতি বা রাজনীতি (ইংরেজি: Politics) বলতে অবশ্য রাষ্ট্র সম্পর্কীয় নীতি বুঝায়। কিন্তু বহুলপ্রচলিত শব্দ রাজনীতি দ্বারা আমরা রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ বা পরিচালনায় অংশগ্রহণ করার আন্দোলন বুঝাই। এই অর্থে আমরা ‘স্বাধীনতার আন্দোলন’, ‘স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন’ ইত্যাদি কথা ব্যবহার করি। ‘রাজনীতি’ ব্যাপকতর অর্থে কেবল রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ করার দাবি নয়, রাষ্ট্র এবং সমাজের

ফ্যাসিবাদ হচ্ছে রাষ্ট্র এবং কর্পোরেট শক্তির একত্রীকরণ

ডিকশনারি ডটকম অভিধানটি “ফ্যাসিবাদকে একটি স্বৈরশাসক দ্বারা পরিচালিত একটি সরকারি ব্যবস্থাকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যেখানে বিরোধীদল ও সমালোচনাকে দমন করা হয়; সমস্ত কারখানা, বাণিজ্য, ইত্যাদিকে নিয়ন্ত্রণ [regimenting] করা হয় এবং আগ্রাসী জাতীয়তাবাদ ও প্রায়ই বর্ণবাদের উপর জোর দেয়া হয়।”[১] এই সংজ্ঞার প্রথমদিকেই রাখা হয়েছে কারখানা ও বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত কথা। মুসোলিনির

শিবদাস ঘোষের সংশোধনবাদ প্রসঙ্গে

শিবদাস ঘোষ (১৯২৩—৫ আগস্ট, ১৯৭৬) বিশ শতকের বাংলার বামপন্থী সংশোধনবাদী ধারার রাজনৈতিক নেতা এবং সোস্যালিস্ট ইউনিটি সেন্টার অফ ইন্ডিয়া এসইউসিআই (কমিউনিস্ট) সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। মার্কসবাদ-লেনিনবাদের সহজ ব্যাখ্যা টিকা ভাষ্য বিশ্লেষণ প্রদানের কারণে তিনি তার সংগঠন ও কর্মীদের বাইরেও বেশ কিছু মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। তাঁর পরিচিতি অর্জনকে একটু বিশ্লেষণ করলেই

গোত্রভিত্তিক বাসদের ধারাবাহিক কাজের মূল্যায়ন

সংশোধনবাদ, সুবিধাবাদ ও মতান্ধতাবাদের পারস্পরিক কলহে বিভিন্ন সময়ে টিকে থাকে এবং ভাঙনের কবলে পড়ে বাসদ বা বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল নামের একটি সংগঠন। এই সংগঠনের অভ্যন্তরে শুরু থেকেই স্বৈরাচারী আমলাতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা বিরাজ করায় কখনোই কোনো কার্যকরী দৃশ্যমান ঐক্য গড়ে উঠেনি। বাসদ তার যাত্রা আরম্ভের শুরু থেকেই ছিল মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদবিরোধী একটি সংগঠন।[১] ফলে

মার্কসবাদ লেনিনবাদবিরোধী বাসদ এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্টদের জন্য তার ঐতিহাসিক শিক্ষা

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল, বা সংক্ষেপে বাসদ, গঠিত হয় ১৯৮০ সালের ৭ নভেম্বর মহান রুশ বিপ্লব দিবসে। শুরুর দিন থেকেই এই সংগঠনটি নিজেদেরকে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছে। তারপর প্রায় চার দশক অতিক্রান্ত হতে চলল। বাসদের ব্যবচ্ছেদ করার সময় এসেছে এবং এই সংগঠনটি সম্পর্কে আমাদের ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও একটি মূল্যায়ন দাঁড়

পুঁজিপতি বামনদের কালে অমৃতের বিশ্বকে তৈরির ডাক দিয়ে যাই

অনেক, অজস্র, অগণন মানুষ দেখি; সড়কে, অভারব্রিজে, ফুটপাথে, হাটে, বন্দরে, ঘাটে; লঞ্চে-বাসে-ট্রেনে। শুধু মানুষ মানুষ আর মানুষ। অনুন্নত পুঁজিবাদী দেশের বুর্জোয়া আর ক্ষুদে বুর্জোয়া মালিকদের কাছে মানুষ হলো পণ্য উৎপাদনের যন্ত্র আর পণ্য ক্রয়ের প্রাণী। এই বুর্জোয়া আর ক্ষুদে বুর্জোয়ারা কোনো নিয়ম নীতি শৃঙ্খলা মানে না; তারা সমস্ত আইনকেই ৪২০

Top