You are here
Home > রাজনীতি

শ্রমিক শ্রেণীর রাজনৈতিক আন্দোলন প্রসঙ্গে — ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস

আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী সমিতির লণ্ডন সম্মেলনে ১৮৭১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তারিখে প্রদত্ত বক্তৃতার সাংবাদিক-লিখিত শ্রুতিলিপি অনুসারে [১] রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ বা আন্দোলন থেকে বিরত থাকা অসম্ভব। রাজনীতি-নিরপেক্ষ সংবাদপত্রও প্রতিদিন রাজনৈতিক ব্যাপারে যোগ দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে একমাত্র প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কী ধরনের রাজনীতিতে যোগ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া আমাদের পক্ষে রাজনীতি থেকে বিরত থাকা

মার্কসবাদ লেনিনবাদবিরোধী বাসদ এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্টদের জন্য তার ঐতিহাসিক শিক্ষা

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল, বা সংক্ষেপে বাসদ, গঠিত হয় ১৯৮০ সালের ৭ নভেম্বর মহান রুশ বিপ্লব দিবসে। শুরুর দিন থেকেই এই সংগঠনটি নিজেদেরকে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছে। তারপর প্রায় চার দশক অতিক্রান্ত হতে চলল। বাসদের ব্যবচ্ছেদ করার সময় এসেছে এবং এই সংগঠনটি সম্পর্কে আমাদের ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও একটি মূল্যায়ন দাঁড়

পুঁজিপতি বামনদের কালে অমৃতের বিশ্বকে তৈরির ডাক দিয়ে যাই

অনেক, অজস্র, অগণন মানুষ দেখি; সড়কে, অভারব্রিজে, ফুটপাথে, হাটে, বন্দরে, ঘাটে; লঞ্চে-বাসে-ট্রেনে। শুধু মানুষ মানুষ আর মানুষ। অনুন্নত পুঁজিবাদী দেশের বুর্জোয়া আর ক্ষুদে বুর্জোয়া মালিকদের কাছে মানুষ হলো পণ্য উৎপাদনের যন্ত্র আর পণ্য ক্রয়ের প্রাণী। এই বুর্জোয়া আর ক্ষুদে বুর্জোয়ারা কোনো নিয়ম নীতি শৃঙ্খলা মানে না; তারা সমস্ত আইনকেই ৪২০

কমিউনিস্টদের পার্টি বিষয়ক ধারণায় দুই লাইনের সংগ্রাম নাকি মনোলিথিক পার্টি?

বাংলাদেশে বামপন্থীদের ভেতরে রাজনৈতিক দল সংক্রান্ত আলোচনায় নানা প্রবণতা কাজ করে। বামপন্থীদের বৃহৎ অংশটি নিজেদেরকে কমিউনিস্ট বা সাম্যবাদী এবং দলের সদস্য হিসেবে নিজেদেরকে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য বলে। এছাড়াও সমাজতন্ত্রী এবং সমাজগণতান্ত্রিক বা গণতান্ত্রিক দল হিসেবেও বামপন্থীরা নিজেদেরকে উপস্থাপন করতে চায়। সাধারণত সমাজতন্ত্রী ও সাম্যবাদী দলগুলোর ভেতরে বাংলাদেশে ও বাংলাভাষী অঞ্চলে

বকুল গাছের উপকারিতা

চিরহরিত বৃক্ষ, ৪০ থেকে ৫০ ফুন্ট পর্যন্ত উচু হয়। ছায়া তরু হিসেবে রাস্তার ধারেও যেমন লাগানো হয়, আবার মন্দির প্রাঙ্গণেও তাকে স্থান দেওয়া হয়, ছায়া ও ফুলের সুগন্ধ আছে বলে। পৃথিবীর নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে এই গণের ৩০টি প্রজাতি আছে, তার মধ্যে ভারতে ৪টি প্রজাতি বর্তমান। এই গাছ পশ্চিমঘাট পার্বতীয় অঞ্চলে অযত্নে হয়,

নেপালে সংশোধনবাদীদের নির্বাচনী বিজয় এবং বাংলাদেশের মার্কসবাদবিরোধীদের সুবিধাবাদীতা

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপালে দুই দফায় সাধারণ নির্বাচন শেষ হয়েছে। নেপালের নির্বাচনে জিতেছে সংশোধনবাদী বামপন্থী জোট। নেপালের এই বাম জোটের জেতার পেছেন চীনের যেমন ভূমিকা আছে, তেমনি আছে ভারতের শোষণমূলক ভূমিকা। নেপালে ভারতবিরোধী মনোভাব বাংলাদেশের চেয়েও বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নেপালের জনগণ সবচেয়ে বেশি শোষিত হয়েছে, এবং এই শোষণ

মার্কসবাদী লেনিনবাদী দর্শনের বিষয়বস্তু

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দর্শনের বিষয়বস্তু পরিবর্তিত হয়ে চলেছে। ‘প্রথমে, তার আওতায় ছিল পৃথিবী সম্পর্কে সমস্ত জ্ঞান। এঙ্গেলস যেমন বলেছিলেন, প্রাচীন দার্শনিকরা প্রকৃতিবিজ্ঞানীও, জায়মান বিশেষ বিশেষ বিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞ ছিলেন। পৃথিবী ও তার বিভিন্ন ক্ষেত্র সম্বন্ধে ক্রমে ক্রমে চেতনা ও বোধের ফলে উদ্ভব হয়েছিলো বিশেষ বিশেষ বিজ্ঞানের: জ্যোতির্বিদ্যা, বলবিদ্যা, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা

নেপালের নির্বাচনে সংশোধনবাদী বামপন্থিরা এগিয়ে

নেপালের সাম্প্রতিক নির্বাচনে সংশোধনবাদী বামপন্থিরা এগিয়ে রয়েছে। নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি, সিপিএন-এমালে নেপালের ৭৬টি ফেডারেল পার্লামেন্ট আসনে বিজয়ী হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। এই দলটি ১৫৮টি প্রাদেশিক আসনে নির্বাচনে জিতেছে এবং ৭টি প্রাদেশিক আসনে এগিয়ে রয়েছে। একইভাবে, পুষ্প কমল দহল প্রচণ্ড নেতৃত্বাধীন নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিএন (মাওবাদী কেন্দ্র)

যুদ্ধ প্রসঙ্গে

বঙ্গ অঞ্চলের মানুষ মূলত দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ বা দীর্ঘ দশ বছর যুদ্ধ করেছিলেন ১৫৭৫ থেকে ১৫৮৫ অবধি। সেই যুদ্ধটিই মনে হয় এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এবং মোঘলদের বিরুদ্ধে সেই যুদ্ধটিই এই অঞ্চলের জনগণের শ্রেষ্ঠতম যুদ্ধ। বাংলার জমিদারদের বশ্যতা স্বীকার করাতে মোগলদের ১৬০৮ থেকে ১৬১২ সাল পর্যন্ত মোট চার বছর সময় লেগেছিলো।[১]

আবুল কাসেম ফজলুল হকঃ প্রজ্ঞার প্রতিমূর্তি

যেসব মানুষের মাঝখানে আবুল কাসেম ফজলুল হক বেঁচে আছেন সেসব মানুষের জন্যই তিনি ভেবেছেন এবং তাদের জন্যই তিনি কলম ধরেছেন। বার বছর বয়সে তিনি লিখে প্রকাশ করতে শুরু করেছিলেন এবং তা এখনো শরতের ছন্দময় স্নিগ্ধ মৃদু হাওয়ার মতোই অব্যাহত আছে। তিনি লিখেছেন বলেই আমরা তার লেখা পড়েছি এবং তার চিন্তার

Top