You are here
Home > রাজনীতি

শিবদাস ঘোষের সংশোধনবাদ প্রসঙ্গে

শিবদাস ঘোষ (১৯২৩—৫ আগস্ট, ১৯৭৬) বিশ শতকের বাংলার বামপন্থী সংশোধনবাদী ধারার রাজনৈতিক নেতা এবং সোস্যালিস্ট ইউনিটি সেন্টার অফ ইন্ডিয়া এসইউসিআই (কমিউনিস্ট) সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। মার্কসবাদ-লেনিনবাদের সহজ ব্যাখ্যা টিকা ভাষ্য বিশ্লেষণ প্রদানের কারণে তিনি তার সংগঠন ও কর্মীদের বাইরেও বেশ কিছু মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। তাঁর পরিচিতি অর্জনকে একটু বিশ্লেষণ করলেই

গোত্রভিত্তিক বাসদের ধারাবাহিক কাজের মূল্যায়ন

সংশোধনবাদ, সুবিধাবাদ ও মতান্ধতাবাদের পারস্পরিক কলহে বিভিন্ন সময়ে টিকে থাকে এবং ভাঙনের কবলে পড়ে বাসদ বা বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল নামের একটি সংগঠন। এই সংগঠনের অভ্যন্তরে শুরু থেকেই স্বৈরাচারী আমলাতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা বিরাজ করায় কখনোই কোনো কার্যকরী দৃশ্যমান ঐক্য গড়ে উঠেনি। বাসদ তার যাত্রা আরম্ভের শুরু থেকেই ছিল মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদবিরোধী একটি সংগঠন।[১] ফলে

মার্কসবাদ লেনিনবাদবিরোধী বাসদ এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্টদের জন্য তার ঐতিহাসিক শিক্ষা

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল, বা সংক্ষেপে বাসদ, গঠিত হয় ১৯৮০ সালের ৭ নভেম্বর মহান রুশ বিপ্লব দিবসে। শুরুর দিন থেকেই এই সংগঠনটি নিজেদেরকে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছে। তারপর প্রায় চার দশক অতিক্রান্ত হতে চলল। বাসদের ব্যবচ্ছেদ করার সময় এসেছে এবং এই সংগঠনটি সম্পর্কে আমাদের ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও একটি মূল্যায়ন দাঁড়

পুঁজিপতি বামনদের কালে অমৃতের বিশ্বকে তৈরির ডাক দিয়ে যাই

অনেক, অজস্র, অগণন মানুষ দেখি; সড়কে, অভারব্রিজে, ফুটপাথে, হাটে, বন্দরে, ঘাটে; লঞ্চে-বাসে-ট্রেনে। শুধু মানুষ মানুষ আর মানুষ। অনুন্নত পুঁজিবাদী দেশের বুর্জোয়া আর ক্ষুদে বুর্জোয়া মালিকদের কাছে মানুষ হলো পণ্য উৎপাদনের যন্ত্র আর পণ্য ক্রয়ের প্রাণী। এই বুর্জোয়া আর ক্ষুদে বুর্জোয়ারা কোনো নিয়ম নীতি শৃঙ্খলা মানে না; তারা সমস্ত আইনকেই ৪২০

নেপালের নির্বাচনে সংশোধনবাদী বামপন্থিরা এগিয়ে

নেপালের সাম্প্রতিক নির্বাচনে সংশোধনবাদী বামপন্থিরা এগিয়ে রয়েছে। নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি, সিপিএন-এমালে নেপালের ৭৬টি ফেডারেল পার্লামেন্ট আসনে বিজয়ী হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। এই দলটি ১৫৮টি প্রাদেশিক আসনে নির্বাচনে জিতেছে এবং ৭টি প্রাদেশিক আসনে এগিয়ে রয়েছে। একইভাবে, পুষ্প কমল দহল প্রচণ্ড নেতৃত্বাধীন নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিএন (মাওবাদী কেন্দ্র)

যুদ্ধ প্রসঙ্গে

বঙ্গ অঞ্চলের মানুষ মূলত দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ বা দীর্ঘ দশ বছর যুদ্ধ করেছিলেন ১৫৭৫ থেকে ১৫৮৫ অবধি। সেই যুদ্ধটিই মনে হয় এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এবং মোঘলদের বিরুদ্ধে সেই যুদ্ধটিই এই অঞ্চলের জনগণের শ্রেষ্ঠতম যুদ্ধ। বাংলার জমিদারদের বশ্যতা স্বীকার করাতে মোগলদের ১৬০৮ থেকে ১৬১২ সাল পর্যন্ত মোট চার বছর সময় লেগেছিলো।[১]

আবুল কাসেম ফজলুল হকঃ প্রজ্ঞার প্রতিমূর্তি

যেসব মানুষের মাঝখানে আবুল কাসেম ফজলুল হক বেঁচে আছেন সেসব মানুষের জন্যই তিনি ভেবেছেন এবং তাদের জন্যই তিনি কলম ধরেছেন। বার বছর বয়সে তিনি লিখে প্রকাশ করতে শুরু করেছিলেন এবং তা এখনো শরতের ছন্দময় স্নিগ্ধ মৃদু হাওয়ার মতোই অব্যাহত আছে। তিনি লিখেছেন বলেই আমরা তার লেখা পড়েছি এবং তার চিন্তার

জাসদ, ফ্যাসিবাদ সাম্রাজ্যবাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নের এক গণবিরোধী দলের নাম

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বা সংক্ষেপে জাসদ, গঠিত হয় ১৯৭২ সালে। এই দলটির নামের সাথে মিল পাওয়া যায় হিটলারের নামের দলটির। আডলফ হিটলারের (১৮৮৯ - ১৯৪৫) দলের নাম ছিল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক দল। শুরু থেকেই দলটির নাম নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয় এবং মার্কসবাদীরা এটিকে ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে বলতে শুরু করে। কেননা

শ্রেণিযুদ্ধই মুক্তির পথ

যুদ্ধকে দুই ভাগে ভাগ করেছিলেন ভি আই লেনিন, ন্যায়যুদ্ধ এবং অন্যায় যুদ্ধ। শ্রেণি উদ্ভবের পর থেকে যেসব যুদ্ধ হয়েছে তার বেশ কিছু যুদ্ধই শ্রেণিযুদ্ধ। তবে শোষকেরাও পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, যেমন দুজন দাসমালিকের একজনের আছে একশ জন দাস, এবং অন্যজনের আছে দুইশ জন দাস, তাঁরা যদি পরস্পরের বিরুদ্ধে দাসের

ফুলবাড়ির লাল পতাকা অমর রহে

ফুলবাড়িতে ফুল ফোটে কীনা সেই প্রশ্ন অবান্তর, ফুলবাড়িতে মানুষ ফোটে। ফুলের মানুষেরা জ্বলে উঠলে যে সত্য চারদিকে দেখা যায় তার উৎপত্তিস্থল হচ্ছে বাংলাদেশের দিনাজপুরের ফুলবাড়ি। ফুলবাড়িতে ফসল ফলে, বাংলায় যত রক্তের ফসল আমরা দেখি তাঁর একটির চিত্রায়ন হয় ২০০৬ সালের ফুলবাড়িতে। ফসলের মাঠ বাঁচাতে যে মানুষেরা উন্মুক্ত কয়লাখনির বিরুদ্ধে জেগে

Top