আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > রাজনীতি > ভূরাজনীতি

ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম ও যুক্তফ্রন্ট প্রসঙ্গে — জর্জি দিমিত্রভ

ফ্যাসিবাদের আক্রমণ এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণির ঐক্য সংগঠনের সংগ্রামে কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের দায়িত্ব; কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের সপ্তম বিশ্ব কংগ্রেসে প্রদত্ত প্রধান রিপোর্ট; কমরেডগণ, কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের ষষ্ঠ কংগ্রেসের [১৯২৮ সালে অনুষ্ঠিত] সময়েই, কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক বিশ্বের সর্বহারাদের এক নতুন ফ্যাসিবাদী আক্রমণের আসন্ন প্রস্তুতি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছিল আরো পড়ুন

ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামে দিমিত্রভ থিসিসের গুরুত্ব

আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট আন্দোলনের ইতিহাসে জর্জি দিমিত্রভ একটি সুপরিচিত নাম। মানব ইতিহাসের এক ক্রান্তিলগ্নে জর্জি দিমিত্রভ কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক বা কমিন্টার্নের নেতৃত্বের পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তরকালে সােভিয়েত রাশিয়ার অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব, পুঁজিবাদের সাধারণ সংকটের তীব্রতা বৃদ্ধি, শ্রম ও পুঁজির মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিরােধ এবং সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলাের সাথে উপনিবেশ ও আধা-উপনিবেশ দেশগুলাের জাতিসমূহের আরো পড়ুন

স্নায়ুযুদ্ধের কতিপয় বৈশিষ্ট্য

দ্বিতীয় সাম্রাজ্যবাদী মহাযুদ্ধের পরে গোটা সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসমাজতন্ত্রী সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেতরে যে ছদ্ম-যুদ্ধ চলে তাই স্নায়ুযুদ্ধ নামে পুঁজিবাদের সমর্থক বুদ্ধিজীবীদের নিকট পরিচিতি পায়। এই স্নায়ু যুদ্ধের কতকগুলি বৈশিষ্ট্য বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। আরো পড়ুন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বিশ্ব রাজনীতির প্রধান প্রধান শক্তি

দ্বিতীয় সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বযুদ্ধের পরে বিশ্ব রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন দেখা যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে ইউরোপই ছিলো বিশ্বরাজনীতির কেন্দ্রভূমি। ইউরোপের বাইরে তখন একমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কিছুটা সক্রিয় অংশ গ্রহণ করতে দেখা যায়। দুই সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানী ও ইতালীর দ্বারাই মুলতঃ বিশ্ব রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত

স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠাণ্ডা লড়াই প্রসঙ্গে

স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠাণ্ডা যুদ্ধ বা ঠান্ডা লড়াই বা শীতল যুদ্ধ (ইংরেজি: Cold war) হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসানের পর প্রায় দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও মতাদর্শগত আধিপত্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে চালিত এক অঘোষিত ব্যঙ্গ যুদ্ধ (ইংরেজি: Mock-war)। এই স্নায়ুযুদ্ধ নামটিও সাম্রাজ্যবাদী বুদ্ধিজীবীদের প্রদত্ত এবং

ফ্যাসিবাদ হচ্ছে রাষ্ট্র এবং কর্পোরেট শক্তির একত্রীকরণ

ডিকশনারি ডটকম অভিধানটি “ফ্যাসিবাদকে একটি স্বৈরশাসক দ্বারা পরিচালিত একটি সরকারি ব্যবস্থাকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যেখানে বিরোধীদল ও সমালোচনাকে দমন করা হয়; সমস্ত কারখানা, বাণিজ্য, ইত্যাদিকে নিয়ন্ত্রণ [regimenting] করা হয় এবং আগ্রাসী জাতীয়তাবাদ ও প্রায়ই বর্ণবাদের উপর জোর দেয়া হয়।”[১] এই সংজ্ঞার প্রথমদিকেই রাখা হয়েছে কারখানা ও বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত কথা। মুসোলিনির

ফ্যাসিবাদ কী এবং কেন প্রতিরোধ করতে হবে

ফ্যাসিবাদ হচ্ছে পুঁজিবাদের সাধারণ সংকটের সৃষ্টি, শোষক শ্রেণিগুলোর সর্বাপেক্ষা প্রতিক্রিয়াশীল, জাতিদাম্ভিক ও আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক ধারা। ফ্যাসিবাদের প্রধান ভিত্তি শহর ও গ্রামের পেটি-বুর্জোয়া শ্রেণি এবং সমাজের শ্রেণি-বহির্ভূত স্তরগুলো। ফ্যাসিবাদের মতাদর্শিক বৈশিষ্ট হলো চরম সাম্যবাদ-বিরোধিতা ও বর্ণবাদ।[১] আরো পড়ুন

Top