আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > রাজনীতি > বামরাজনীতি

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সংগ্রামের বিকলাঙ্গ রূপ

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল বা সংক্ষেপে জামুকা হচ্ছে কমরেড বদরুদ্দীন উমরের সভাপতিত্বে পরিচালিত কয়েকটি সংগঠনের সমাহার। সংগঠনটি তার ঘোষণায় আশু কর্মসূচি এবং সরকার ও সংবিধান উল্লেখ করেছে যাতে ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষিত হয়েছে। তাঁদের মতে এই ১৮ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে সেই জনগণ দ্বারা যারা “শাসক শ্রেণীর বিরুদ্ধে সারা দেশে সব রকম কার্যকর পদ্ধতিতে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিচালনা করে চলবে এবং এই সংগ্রামের শীর্ষ পর্যায়ে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করবে।”[১] আরো পড়ুন

হুগো শ্যাভেজের কয়েকটি উদ্ধৃতি

১. ফ্যাসিবাদিরা মানুষ নয়, একটি সাপও অনেক বেশি মানবিক। ২.  যুক্তি সহকারে আমার সরকারের থেকে এবং আমি বুঝেছি যে পৃথিবীর প্রয়োজন নতুন নৈতিক নকশা; আমাদের আজকের জগতে মোটের উপর নীতিবিদ্যা, নৈতিকতাই হওয়া উচিত বিতর্কের প্রথম বিষয়। ৩. আমি এতদ্বারা উত্তর আমেরিকান সাম্রাজ্যকে অভিযুক্ত করছি আমাদের গ্রহটির সবচেয়ে হুমকি হওয়ার জন্য। ৪. আমি দৃঢ়ভাবে

কংগ্রেস সােসালিস্ট পার্টির ইতিহাস

কংগ্রেস সমাজবাদী দল বা কংগ্রেস সােসালিস্ট পার্টি (ইংরেজি: Congress Socialist Party বা CSP) ছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের মধ্যে একটি সমাজতান্ত্রিক দল। ১৯৩৪ সালে কংগ্রেস সদস্যদের দ্বারা এটি গঠিত হয়। যেসব কংগ্রেস সদস্য ব্রিটিশ দাস গণশত্রু মোহনদাস গান্ধীর রহস্যবাদ এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির উপদলীয় মনোভাব অপছন্দ করতেন তারা সিএসপি গঠন করেছিলেন। আরো পড়ুন

শিবদাস ঘোষের সংশোধনবাদ প্রসঙ্গে

শিবদাস ঘোষ (১৯২৩—৫ আগস্ট, ১৯৭৬) বিশ শতকের বাংলার বামপন্থী সংশোধনবাদী ধারার রাজনৈতিক নেতা এবং সোস্যালিস্ট ইউনিটি সেন্টার অফ ইন্ডিয়া এসইউসিআই (কমিউনিস্ট) সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। মার্কসবাদ-লেনিনবাদের সহজ ব্যাখ্যা টিকা ভাষ্য বিশ্লেষণ প্রদানের কারণে তিনি তার সংগঠন ও কর্মীদের বাইরেও বেশ কিছু মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। আরও পড়ুন

গোত্রভিত্তিক বাসদের ধারাবাহিক কাজের মূল্যায়ন

সংশোধনবাদ, সুবিধাবাদমতান্ধতাবাদের পারস্পরিক কলহে বিভিন্ন সময়ে টিকে থাকে এবং ভাঙনের কবলে পড়ে বাসদ বা বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল নামের একটি সংগঠন। এই সংগঠনের অভ্যন্তরে শুরু থেকেই স্বৈরাচারী আমলাতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা বিরাজ করায় কখনোই কোনো কার্যকরী দৃশ্যমান ঐক্য গড়ে উঠেনি। বাসদ তার যাত্রা আরম্ভের শুরু থেকেই ছিল মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদবিরোধী একটি সংগঠন।[১] ফলে এই সংগঠনটি কখনোই পার্টি হিসেবে নিজেকে গঠনের প্রক্রিয়ায় না গিয়ে গোত্রপনার ভাববাদী বিলাসে মত্ত থেকেছে।আরও পড়ুন

মার্কসবাদ লেনিনবাদবিরোধী বাসদ এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্টদের জন্য তার ঐতিহাসিক শিক্ষা

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল, বা সংক্ষেপে বাসদ, গঠিত হয় ১৯৮০ সালের ৭ নভেম্বর মহান রুশ বিপ্লব দিবসে। শুরুর দিন থেকেই এই সংগঠনটি নিজেদেরকে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছে। তারপর প্রায় চার দশক অতিক্রান্ত হতে চলল। বাসদের ব্যবচ্ছেদ করার সময় এসেছে এবং এই সংগঠনটি সম্পর্কে আমাদের ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও একটি মূল্যায়ন দাঁড়

জাসদ, ফ্যাসিবাদ সাম্রাজ্যবাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নের এক গণবিরোধী দলের নাম

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বা সংক্ষেপে জাসদ, গঠিত হয় ১৯৭২ সালে। এই দলটির নামের সাথে মিল পাওয়া যায় হিটলারের নামের দলটির। আডলফ হিটলারের (১৮৮৯ - ১৯৪৫) দলের নাম ছিল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক দল। শুরু থেকেই দলটির নাম নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয় এবং মার্কসবাদীরা এটিকে ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে বলতে শুরু করে। কেননা

মার্কসবাদ লেনিনবাদবিরোধী জাসদ বাসদ এবং একটি পুস্তকের মূল্যায়ন

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল নামক কতিপয় ক্ষুদে বুর্জোয়া সমাজ গণতন্ত্রীর যে সংগঠনটি ১৯৮০ সালে জোড়াতালি দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলো তার ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিলো মার্কসবাদ লেনিনবাদ বিরোধি জাসদের বিভক্তি। জাসদ আগাগোড়াই ছিলো একটি মার্কিনপন্থী প্রতিক্রিয়াশীল রাজনৈতিক সংগঠন। রুশ মার্কিন দুই সাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্বে মার্কিনপন্থী কিছু ছাত্রনেতা ১৯৭১ পরবর্তী প্রেক্ষাপটে ১৯৭২ সালে গড়ে

বিশ্বজুড়ে মার্কসবাদ, মুক্তি কোন পথে

মার্কসবাদের উদ্ভব উনিশ শতকে হলেও বিশ শতকে এই মতবাদের প্রায়োগিক দিক জাজ্বল্যমানরূপে দেখা দেয়। ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের পর একে একে ষোলটি রাষ্ট্র, পৃথিবীর জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ মার্কসবাদী বিশ্বের বাস্তব উদাহরণ হয়ে ওঠে। সোভিয়েত ইউনিয়ন, পোল্যান্ড, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, চেকশ্লোভাকিয়া, রুমানিয়া, যুগোশ্লাভিয়া, আলবেনিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, ভিয়েতনাম,

বাংলাদেশে মার্কসবাদ চর্চা

বাংলাদেশে মার্কসবাদ প্রভাব বিস্তার করতে আরম্ভ করে বিশ শতকের দ্বিতীয় দশক থেকে। বিশ শতকের শুরু থেকেই বিপ্লবী অনুশীলন ও যুগান্তর দলের সদস্যবৃন্দের ভেতরে মার্কসবাদী চিন্তা খুব ক্ষুদ্র আকারে কাজ করতে থাকে। ১৯২০ সালের ১৭ অক্টোবর কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনালের দ্বিতীয় কংগ্রেসের পর তাসখন্দে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠিত হলে বাঙলায় তার ঢেউ লাগে। ১৯২৫ সালের ভেতরেই দৈনিক সংবাদপত্রগুলির পাতায় পাতায় আরো পড়ুন

Top