Main Menu

যুব লীগের কর্তব্য — ভি. আই. লেনিন

যুবজনের প্রতিনিধিদের এবং নতুন শিক্ষাব্যবস্থার কিছু কিছু পক্ষপাতীদের যখন আমরা সাবেকী স্কুলকে আক্রমণ করতে শুনি, বলতে শুনি যে সেটা মুখস্থ বিদ্যার স্কুল, তখন তাদের কাছে আমাদের বক্তব্য, সাবেকী স্কুলের যেটা ভাল সেটা আমাদের নিতে হবে। যার দশের নয় ভাগ নিম্প্রয়োজন ও বাকি একভাগ বিকৃত, প্রভূত পরিমাণে তেমন এক জ্ঞান দিয়ে তরুণদের স্মৃতিকে ভারাক্রান্ত করার পদ্ধতিটা আমরা সাবেকী স্কুলের কাছ থেকে নেব না। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আমরা কেবল কমিউনিস্ট সিদ্ধান্তে, কেবল কমিউনিস্ট স্লোগান মুখস্থে সীমাবদ্ধ থাকতে পারি। সেভাবে কমিউনিজম গড়া যায় না। লোকে কমিউনিস্ট হতে পারে কেবল তখনই যখন মানবজাতির সৃষ্ট সমস্ত সম্পদের জ্ঞান দিয়ে মনটা সমৃদ্ধ করা হচ্ছে।

মুখস্থবিদ্যা আমাদের দরকার নেই, কিন্তু বুনিয়াদী তথ্যের জ্ঞান দিয়ে প্রতিটি শিক্ষার্থীর মনের বিকাশ ও পূর্ণতাসাধন আমাদের করতে হবে, কেননা অর্জিত সমস্ত জ্ঞান যদি চেতনার মধ্যে ঢেলে সাজা না হয়, তাহলে কমিউনিজম হয়ে উঠবে একটা ফাঁকা কথা, একটা সাইনবোর্ড, আর কমিউনিস্ট হয়ে দাঁড়াবে নিতান্তই এক বাক্যবাগীশ। এই জ্ঞানকে রপ্ত করতে হবে শুধু, তাই নয়, রপ্ত করতে হবে বিচার করে, মন যেন নিম্প্রয়োজন আবর্জনায় ভরে না ওঠে, বরং যা ছাড়া আধুনিক শিক্ষিত মানুষ হওয়া সম্ভব নয়, তেমন সব তথ্যে তা সমৃদ্ধ হয়। প্রচুর পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন পরিশ্রম ছাড়া, সমালোচকের মতো যা বিচার করে দেখার কথা সেইসব তথ্যে ব্যুৎপত্তি অর্জন না করে কোনো কমিউনিস্ট যদি সংগৃহীত সব তৈরি সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কমিউনিজমের বড়াই করার কথা ভাবে, তবে খুবই শোচনীয় কমিউনিস্ট হবে সে। এই ধরনের পল্লবগ্রাহিতা হবে নিশ্চিতই মারাত্মক। আমি অল্প জানি — এ-কথা জানা থাকলে আমি বেশি জানার চেষ্ঠা করব; কিন্তু কেউ যদি বলে আমি কমিউনিস্ট, কোনো কিছুই গভীর করে জানার তার দরকারই নেই, তাহলে কমিউনিস্টের অনূরুপ কিছু একটা সে কদাচ হবে না।

পুঁজিপতিদের জন্য প্রয়োজনীয় চাকর তৈরি করত সাবেকী স্কুল, বিদ্বানদের তা পরিণত করত এমন লোকে যাদের লিখতে ও বলতে হত পুঁজিপতিদের মর্জি মতো। তাই, তা ঝেটিয়ে দূর করা আমাদের উচিত। কিন্তু তা দূর করা, চূর্ণ করা উচিত — এই কথার মানে কি এই যে, লোকের পক্ষে প্রয়োজনীয় যা-কিছু মানবজাতি সঞ্চিত করে তুলেছে, তা আমরা সেখান থেকে নেব না? তার মানে কি এই যে কোনটা পুঁজিবাদের পক্ষে প্রয়োজন এবং কোনটা কমিউনিজমের জন্য দরকার, তার তফাৎ টানতে আমাদের হবে না?

অধিকাংশের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বুর্জোয়া সমাজে যে-হাবিলদারী পদ্ধতি প্রযুক্ত হতো তার বদলে আমরা আনছি শ্রমিক-কৃষকের সচেতন শৃঙ্খলা; যা সাবেকী সমাজের প্রতি ঘৃণাকে মেলায় এই সংগ্রামের জন্য নিজ শক্তিকে সম্মিলিত ও সংগঠিত করার দৃঢ় সংকল্প, সামর্থ্য ও তৎপরতার সঙ্গে, যাতে একটা বিপুল দেশের ভূভাগ জড়ে ছত্রভঙ্গ, বিভক্ত, বহু বিক্ষিপ্ত কোটি কোটি লোকের ইচ্ছা পরিণত হয় একটি একক অভিপ্রায়ে, কেননা এই একক অভিপ্রায় নইলে আমাদের পরাজয় অবধারিত। এই নিবিড়তা ছাড়া, শ্রমিক-কৃষকের সচেতন শৃঙ্খলা ছাড়া আমাদের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হবে। এ নইলে সারা দুনিয়ার পুঁজিপতি ও জমিদারদের আমরা হারাতে পারব না। বুনিয়াদের ওপর একটা নতুন, কমিউনিস্ট সমাজ গড়া তো দূরের কথা, বুনিয়াদটাকেই সংহত করতে পারব না আমরা। একইভাবে, সাবেকী স্কুলকে নাকচ করতে গিয়ে, সাবেকী স্কুলের প্রতি একান্ত সঙ্গত ও অত্যাবশ্যক ঘৃণা পোষণ করার সঙ্গে সঙ্গে, সাবেকী স্কুলকে ধবংস করার জন্য তৎপরতার কদর করার সাথে সাথে আমাদের বুঝতে হবে যে, সাবেকী শিক্ষাপ্রথা, সাবেকী মুখস্থবিদ্যা, সাবেকী হাবিলদারির বদলে আমাদের চাই মানবজ্ঞানের সমষ্টি অর্জনের সামর্থ্য এবং তা অর্জন করতে হবে এমনভাবে যাতে মুখস্থ করা কিছু একটা না হয়ে কমিউনিজম হয় আপনাদের নিজেদেরই ভেবে স্থির করা একটা জিনিস, হয় ঠিক সেইসব সিদ্ধান্তই যা আধুনিক শিক্ষার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনির্বায।

কমিউনিজম শেখার কর্তব্যের কথা বলার সময় প্রধান কর্তব্যগুলিকে আমাদের হাজির করা উচিত এইভাবে।

এটা আপনাদের কাছে ব্যাখ্যার জন্য এবং সেইসঙ্গে কী করে শিখব, এই সমস্যার দিকে এগুবার ব্যাপারে একটা ব্যবহারিক দৃষ্টান্ত দেব। আপনারা সবাই জানেন যে, সামরিক কর্তব্য, প্রজাতন্ত্র রক্ষার কর্তব্যের অব্যবহিত পরেই আমরা এখন অর্থনৈতিক কর্তব্যের সম্মুখীন। আমরা জানি যে শিল্প ও কৃষিকে পুনর্জীবিত না করলে কমিউনিস্ট সমাজ নির্মাণ করা যায় না, আর সাবেকী ঢঙেও তাদের পুনর্জীবিত করার প্রয়োজন নেই। তাদের পুনর্জীবিত করতে হবে সাম্প্রতিক, বিজ্ঞানের সর্বাধুনিক নির্দেশ অনুসারে গড়া একটা ভিত্তিতে। আপনারা জানেন, এই ভিত্তি হলো বিদ্যুৎ এবং সমগ্র দেশ, শিল্প ও কৃষির সমস্ত শাখাকে বৈদ্যুতীকৃত করার পর, — এই কর্তব্যটা পালন করার পরই কেবল আপনারা সেই কমিউনিস্ট সমাজ নির্মাণ করতে পারবেন যা পূর্বতন প্রজন্ম করতে অক্ষম। গোটা দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পুনর্জীবিত করা, আধুনিক প্রযুক্তির ভিত্তিতে শিল্প ও কৃষি উভয়েরই পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের কর্তব্য আপনাদের সামনে — সেই ভিত্তিটা নিহিত রয়েছে আধুনিক বিজ্ঞানে, প্রযুক্তিতে, বিদ্যুতে। বেশ বুঝতে পারছেন যে বৈদ্যুতীকরণের কাজ নিরক্ষর লোক দিয়ে চলে না, এক্ষেত্রে নিতান্ত সাক্ষরতাও যথেষ্ট নয়। বিদ্যুৎ কী জিনিস সেটা বুঝলেই এক্ষেত্রে চলবে না: শিল্প ও কৃষিতে এবং শিল্প ও কৃষির বিভিন্ন শাখায় তা কীভাবে প্রয়োগ করতে হবে সেটা জানা চাই। সেটা আমাদের নিজেদের শিখতে হবে এবং মেহনতী তরুণ প্রজন্মের সবাইকে শেখাতে হবে। প্রতিটি সচেতন কমিউনিস্ট, যে-তরুণ নিজেকে কমিউনিস্ট মনে করে ও পরিষ্কার বোঝে যে যুব কমিউনিস্ট লীগে যোগ দিয়ে সে কমিউনিজম নির্মাণে পার্টিকে এবং কমিউনিস্ট সমাজ নির্মাণে সমগ্র তরুণ প্রজন্মকে সাহায্য করার দায়িত্ব নিয়েছে, এমন প্রত্যেকের সামনেই রয়েছে এই কর্তব্য। তাকে বুঝতে হবে যে এটা সে গড়তে পারে কেবল আধুনিক শিক্ষার ভিত্তিতে, এবং এই শিক্ষা যদি সে অর্জন না করে তাহলে কমিউনিজম কেবল একটা বাসনা হয়েই থেকে যাবে।

“শ্রেণিসংগ্রাম বস্তুটা কী? জারের উচ্ছেদ, পুঁজিপতিদের উচ্ছেদ, পুঁজিপতি শ্রেণি লোপ_ এই নিয়ে শ্রেণিসংগ্রাম।”– লেনিন

বিগত প্রজন্মের কর্তব্য ছিলো বুর্জোয়া শ্রেণীর উচ্ছেদ। তখনকার প্রধান কাজ ছিলো বুর্জোয়ার সমালোচনা করা, জনগণের মধ্যে বুর্জোয়ার প্রতি ঘৃণা বাড়ান, শ্রেণি চেতনা ও শক্তি সংহত করার সামর্থ্য বিকশিত করা। নতুন প্রজন্মের সামনে রয়েছে আরও বহু জটিল একটা কর্তব্য। পুঁজিপতিদের আক্রমণের বিরুদ্ধে শ্রমিক-কৃষক শাসনকে রক্ষা করার জন্য আপনাদের সমস্ত শক্তি সম্মিলিত করতে হবে শুধু, তাই নয়। সে তো করতেই হবে। সেটা আপনারা পরিষ্কার বুঝেছেন, কমিউনিস্ট তা ভাল করেই জানে। কিন্তু এইটুকুই সব নয়। একটা কমিউনিষ্ট সমাজ নির্মাণ করতে হবে আপনাদের। অনেক দিক থেকে এই কাজের প্রথম অর্ধেকটা করা হয়েছে। সাবেকী ব্যবস্থা উচিত মতো চূর্ণ হয়েছে, উচিত মতো ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। জমি পরিষ্কার হয়েছে এবং এই জমিতে তরুণ কমিউনিস্ট প্রজন্মকে গড়তে হবে এক কমিউনিস্ট সমাজ। নির্মাণের কর্তব্য আপনাদের সামনে এবং সেই কর্তব্য আপনারা পালন করতে পারেন কেবল সমস্ত আধুনিক জ্ঞান আয়ত্ত করেই, তৈরি পাওয়া, মুখস্থ করা সূত্র, উপদেশ, দাওয়াই, অনুশাসন ও কর্মসূচি থেকে যদি কমিউনিজমকে পরিণত করতে পারেন। আপনাদের প্রত্যক্ষ কাজ সম্মিলিত করার মতো একটা জীবন্ত জিনিসে তবেই, ব্যবহারিক কাজের দিগদর্শনে যদি কমিউনিজমকে পরিণত করতে পারেন, তবেই।

তরুণ প্রজন্মের সবাইকে শিক্ষিত করা, মানুষ করে তোলা ও উত্থিত করার ব্যাপারে আপনাদের চলতে হবে এই কর্তব্য মেনে। প্রতিটি তরুণ তরুণীর হওয়া উচিত কমিউনিস্ট সমাজের নির্মাতা এবং এই লক্ষ লক্ষ নির্মাতাদের মধ্যে আপনাদের হতে হবে অগ্রণী। কমিউনিজম নির্মাণের কাজে সমগ্র শ্রমিক-কৃষক তরুণজনকে না লাগাতে পারলে কমিউনিস্ট সমাজ আপনারা নির্মাণ করতে পারবেন না।

এ-থেকে স্বভাবতই এই প্রশ্ন আসে, কীভাবে কমিউনিজম শেখাব, আমাদের পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য কী হবে।

এখানে সর্বাগ্রে আমি আলোচনা করব কমিউনিস্ট নৈতিকতা নিয়ে। কমিউনিস্ট হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে আপনাদের। যুবলীগের কর্তব্য হলো এমনভাবে তার ব্যবহারিক কাজ সংগঠিত করা যাতে, অধ্যয়ন, সংগঠন, সংহতি ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তার সদস্যরা নিজেদের এবং যারা তাকে নেতা বলে দেখে তাদের গড়ে তোলে, গড়ে তোলে কমিউনিস্টদের। আজকের যুবকদের তালিম দেওয়া, গড়ে তোলা ও শিক্ষাদানের সমগ্র লক্ষ্যই হবে তাদের মধ্যে কমিউনিস্ট নৈতিকতা সঞ্চারিত করা।

কিন্তু কমিউনিস্ট নৈতিকতা বলে কিছু আছে কি? কমিউনিস্ট নীতিজ্ঞান বলে কিছু আছে? অবশ্যই আছে। প্রায়ই ভাব করা হয় যেন আমাদের কোনো নৈতিকতা নেই; সমস্ত নীতিজ্ঞান বিসর্জন দিয়েছি বলে বুর্জোয়ারা প্রায়ই আমাদের অভিযোগ করে। এ হলো একটা অর্থ বদলে দেবার, শ্রমিক কৃষকদের চোখে ধুলো দেবার একটা কায়দা।

নীতি ও নৈতিকতা আমরা নাকচ করি কোন অর্থে?

যে-অর্থে তা প্রচার করে বুর্জোয়ারা, যারা নৈতিকতাকে টানে ঈশ্বরের প্রত্যাদেশ থেকে। আমরা সে ব্যাপারে অবশ্যই বলি যে আমরা ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না এবং আমরা ভালই জানি যে যাজকেরা, জমিদাররা, বুর্জোয়ারা ঈশ্বরের নাম নিত কেবল নিজেদের শোষক স্বার্থ হাসিল করার জন্য। কিংবা নৈতিকতার প্রত্যাদেশ থেকে, ঈশ্বরের প্রত্যাদেশ থেকে নীতিজ্ঞান না টেনে তারা এমন সব ভাববাদী বা আধা-ভাববাদী বুলি থেকে তা টানত, যা সর্বদা দাঁড়াত একান্তই ঐশ্বরিক প্রত্যাদেশের মতোই একটা বস্তুতে।

মানবসমাজ-বহির্ভূত, শ্রেণী-বহির্ভূত সব বোধ থেকে আহরিত সমস্ত নৈতিকতাকেই আমরা বরবাদ করি। আমরা বলি, এটা প্রতারণা, এটা চালাকি, জমিদার ও পুঁজিপতিদের স্বার্থে শ্রমিক ও কৃষকদের মন কুয়াসাচ্ছন্ন করা।

আমরা বলি আমাদের নৈতিকতা পুরোপুরি প্রলেতারিয়েতের শ্রেণীসংগ্রামের স্বার্থাধীন। আমাদের নৈতিকতা আসছে প্রলেতারিয়েতের শ্রেণীসংগ্রামের স্বার্থ থেকে।

জমিদার ও পুঁজিপতি কর্তৃক সমস্ত শ্রমিক ও কৃষকের শোষণের ওপর ছিল সাবেকী সমাজের ভিত্তি। সেটা ধ্বংস করা, তাদের উচ্ছেদ করা দরকার হলো আমাদের; কিন্তু তার জন্য দরকার ছিলো ঐক্য সৃষ্টি করা। ঈশ্বর সেই ঐক্য সৃষ্টি করবেন না।

এই ঐক্য পাওয়া সম্ভব ছিলো কেবল কলকারখানার কাছ থেকে, তালিম পাওয়া, সাবেকী নিদ্রা থেকে উত্থিত প্রলেতারিয়েতের কাছ থেকে। এই শ্রেণি গঠিত হবার পরেই কেবল সেই গণ-আন্দোলন শুরু হয়, যার পরিণতি আমরা এখন দেখছি: দুর্বলতম এক দেশে প্রলেতারীয় বিপ্লবের বিজয়, সারা বিশ্বের বুর্জোয়াদের আক্রমণ যা ঠেকাচ্ছে তিন বছর ধরে। দেখছি প্রলেতারীয় বিপ্লব বেড়ে উঠছে গোটা দুনিয়ায়। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমরা এখন বলতে পারি, যে সংহত শক্তিকে বিভক্ত ও বিক্ষিপ্ত কৃষকেরা অনুসরণ করছে ও যা শোষকদের সমস্ত আক্রমণ ঠেকিয়েছে তা সৃষ্টি করতে পেরেছে কেবল প্রলেতারিয়েতই। মেহনতী জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে, তাদের সমাবেশ ঘটাতে এবং কমিউনিস্ট সমাজকে চূড়ান্তরূপে রক্ষা, চূড়ান্তরূপে সংহত, চূড়ান্তরূপে নির্মিত করতে তাদের সাহায্য করতে পারে কেবল এই শ্রেণিই।

সেইজন্যই আমরা বলি, মানবসমাজের বাইরে থেকে নেওয়া কোনো নৈতিকতা আমাদের নেই। ওটা একটা জোচ্চুরি। আমাদের কাছে নৈতিকতা হলো প্রলেতারিয়েতের শ্রেণিসংগ্রামের স্বার্থাধীন।

এই শ্রেণিসংগ্রামের অর্থ কী? এর অর্থ জারের উচ্ছেদ, পুঁজিপতিদের উচ্ছেদ, পুঁজিপতি শ্রেণির বিলোপ।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *