Main Menu

বস্তুপূজা হচ্ছে প্রাকৃতিক কোনো বস্তুর আরাধনা

বস্তুপূজা (ইংরেজি: Fetishism) হচ্ছে প্রাকৃতিক কোনো বস্তুর পূজা বা আরাধনা। বস্তুপূজা আদিম সমাজের ধর্মের অঙ্গীভূত ছিল। প্রাকৃতিক জগতের বিভিন্ন বস্তুর রহস্য মানুষের তখনো অজানা ছিল। পাহাড়, পর্বত, ঝড়ঝঞা, মেঘ, বিদ্যুৎ যাবতীয় শক্তিশালী বস্তুরই কৃপার পাত্র ছিল মানুষ। ফলে আরাধনা ও পূজা দ্বারা এই সমস্ত প্রাকৃতিক শক্তিকে সন্তুষ্ট করে প্রাকৃতিক বিপদ আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে মানুষ মনে করত। বস্তুপূজা থেকে গোত্রে প্রতীকবাদের উদ্ভব ঘটে। প্রাচীনকালে গোত্র দেবতা হিসাবে প্রাকৃতিক কোনো বিশেষ বস্তু বা বস্তুকে এক একটি গোত্র বিশেষভাবে মান্য করত। তার পূজা করত। এবং সেই বস্তু বা জন্তুর প্রতীক বহন করে নিজেদের স্বাতন্ত্র চিহ্নিত করত। এই বস্তুপূজার রেশ আধুনিক কালেও যে সমস্ত ধর্মে মূর্তিপূজা, ক্রশ ধারণ, পাথর চুম্বন প্রভৃতি প্রচলিত আছে তার মধ্যে দেখতে পাওয়া যায়।

বস্তুপূজা শব্দ আজকাল কিছুটা ব্যাপকতর অর্থেও ব্যবহৃত হয়। কোনো কিছুর উপর মাত্রাতিরিক্ত গুরুত্ব আরোপ করাকে বস্তুপূজা বলা হয়। এই অর্থে আধুনিক অর্থনীতিতে পণ্যপূজা বা পণ্যরতি শব্দটি ব্যবহৃত হচ্ছে।[১]

তথ্যসূত্র:

১. সরদার ফজলুল করিম; দর্শনকোষ; প্যাপিরাস, ঢাকা; জুলাই, ২০০৬; পৃষ্ঠা ১৭১।

আরো পড়ুন






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *