আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > জ্ঞানকোষ > অবাধ বাণিজ্য ব্যক্তিগত ইচ্ছা দ্বারা ব্যবসা-বাণিজ্য চালানোর নীতি

অবাধ বাণিজ্য ব্যক্তিগত ইচ্ছা দ্বারা ব্যবসা-বাণিজ্য চালানোর নীতি

অবাধ বাণিজ্য (ইংরেজি: Laissez-faire) হচ্ছে রাষ্ট্র বা সরকার নিয়ন্ত্রিত ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষমতার পরিবর্তে ব্যক্তিগত ইচ্ছা দ্বারা ব্যবসা-বাণিজ্য চালানোর নীতি। অষ্টাদশ শতকের ফ্রান্সে চতুর্দশ লুইয়ের অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে ধ্বনিত অবাধ বাণিজ্য নীতির আদর্শ ফিজিওক্র্যাট নামে পরিচিত অর্থনীতিবিদরা গ্রহণ করেন।

আর্থনীতিক বিধিব্যবস্থায় অর্থাৎ উৎপাদন, বণ্টন ও বিনিময়ের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত মালিকানা বনাম সরকারি হস্তক্ষেপ সম্পর্কে বিতর্ক দীর্ঘকালের। আদর্শ ফিজিওক্র্যাটরা সমকালীন মার্ক্যান্টাইলিস্ট অর্থাৎ বাণিজ্যতন্ত্রী অর্থনীতিবিদদের রাষ্ট্রনির্ভর অর্থনীতি তথা সরকারি ব্যবসাবাণিজ্যের নীতি মানতেন না। ফিজিওক্র্যাটরা মনে করতেন যে রাষ্ট্রের কাজ হলো স্বাভাবিক ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত সম্পত্তির নিরাপত্তা বিধান। অ্যাডাম স্মিথ প্রমুখ ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদরা সরকারি হস্তক্ষেপ প্রবণতার বিরােধীদের শিবিরকে সংখ্যায় পুষ্ট করেন এবং অদ্যাবধি সমাজতন্ত্রের বিপক্ষ মতাবলম্বীরা অবাধ বাণিজ্য নীতিতে দৃঢ়তার সঙ্গে আস্থাশীল।

দ্রষ্টব্য: বাজার অর্থনীতি ; সমাজতান্ত্রিক বাজার অর্থনীতি

তথ্যসূত্র:

১. গঙ্গোপাধ্যায়, সৌরেন্দ্রমোহন. রাজনীতির অভিধান, আনন্দ পাবলিশার্স প্রা. লি. কলকাতা, তৃতীয় মুদ্রণ, জুলাই ২০১৩, পৃষ্ঠা ২০।

আরো পড়ুন

Anup Sadi
অনুপ সাদির প্রথম কবিতার বই “পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি” প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১০টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর “সমাজতন্ত্র” ও “মার্কসবাদ” গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন “বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা” নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।

Leave a Reply

Top