Main Menu

পরিবেশ বিষয়ক আলোচনা প্রসঙ্গে

পরিবেশ বা প্রাকৃতিক পরিবেশ (ইংরেজি: Natural Environment) হচ্ছে ইকোলজি বা পরিবেশবিদ্যার আলোচনার বিষয়। শব্দটি পৃথিবী বা পৃথিবীর কয়েকটি অংশ প্রসঙ্গে প্রায়শই প্রয়োগ করা হয়। এই পরিবেশ মানবজাতির বেঁচে থাকার এবং তাদের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ প্রভাবিত করে। পরিবেশ সব জীবিত প্রজাতি, জলবায়ু, আবহাওয়া এবং প্রাকৃতিক সম্পদের মিথস্ক্রিয়াকে সমন্বিত করে।

আমাদের চারপাশের জগতই তো পরিবেশ। জলজীবন, বায়ু এবং প্রাণ-প্রাণীময় পৃথিবী নিয়েই আমাদের এই পরিবেশ। জীব ও জড়কে প্রায় সমছন্দে মিলিয়ে নেয় এই পৃথিবী। পরিবেশের প্রভাব যে কোনো জীবদেহে পরিবর্তন আনতে পারে। জীবের অস্তিত্বরক্ষা, বৃদ্ধি ও উন্নতি প্রায় অনেকটাই নির্ভর করে স্থানীয় পরিবেশের ওপর। সেই স্থানের তাপমাত্রা, আলো, বাতাস, পরিসর, জলীয় দেহ, সবই মানুষ ও তার কাছের প্রাণ-প্রাণীজগতকে প্রভাবিত করে। সুপরিবেশ, আমাদের প্রাণে গতি সঞ্চার করে; জীবনে আনন্দ এনে দেয়। বাসভূমিকে, বিশ্বপ্রাণভূমিতে উত্তীর্ণ করাই সুস্থ পরিবেশের বড়ো কর্তব্য। পরিবেশ সহায়ক জীবন যাত্রা একে অপরের প্রতি যে আত্মীয়তার ডাক দেয়, তা থেকেই গড়ে ওঠে প্রাণের সঙ্গে প্রাণের নিত্য সহায়ক জীবনের মর্মকথা।

পরিবেশের সুরক্ষার সব থেকে বড়ো দায়িত্ব মানুষের। বৃহত্তর মানবসমাজ তার কাছের পরিবেশের সঙ্গে কেমন আচরণ করছে তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে সামগ্রিক পৃথিবীর পরিবেশ এবং পৃথিবীর ভবিষ্যৎ। প্রকৃতি পরিবেশমুখী জীবনযাত্রা, প্রাচীনকালে আমাদের তপোবন আদর্শে প্রতিষ্ঠিত ছিল। নানা দেশের আদিবাসীদের সমাজ যুগ যুগ ধরে অরণ্য প্রকৃতি পরিবেশ-মাঝে তাদের জীবন ও জীবিকা গড়ে তুলেছিল। পাখির কলতান, জীববৈচিত্র্য, প্রাণী সম্পদ ও মানুষ এককালে এই পৃথিবীতে সহাবস্থান-সুনীতি নিয়েই নানান ছন্দে গড়ে উঠেছিল । বিস্তীর্ণ জলপ্রাণ, সামুদ্রিক জীবন, বায়বিক পরিমণ্ডল একে অপরকে মানিয়ে নিয়ে প্রাণশৃঙ্খলকে সচলায়িত রেখেছিল। পৃথিবীর পরিবেশ তার নিত্যসঞ্জীবিত ধারায় প্রকৃতির আতপ্ত স্পর্শকে সজাগ রাখতে পেরেছিল। পরিবেশ ঐকতান প্রাণ ও প্রাণীর ছন্দোময় জীবনকে রেখেছিল সুরক্ষিত।

এই সুরক্ষা বা পারস্পরিক ভারসাম্যের পরিবেশে আঘাত হানলো মানুষ। তার বিশিষ্ট বুদ্ধি বলে, প্রকৃতিকে জয় করতে গিয়ে প্রকৃতির ওপর প্রভাব বিস্তার করেই চলল। তারপর বেহিসেবি উন্নতির মত্ততায় বিভিন্ন মারাত্মক শক্তি প্রয়োগে পরিবেশের স্থায়ী পরিবর্তন এনে ফেলল। জয়ী মানুষ শিল্পবিপ্লবের সাফল্যে আত্মহারা হয়ে, স্থিতিয্যোগ্য পরিবেশ উন্নয়নের আবশ্যিক শর্তগুলিকে হারাল। বিস্মৃত হতে থাকল মানুষের মানবিক আত্মপরিচয়। আরো বৃহত্তর পরিবেশ বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে চলল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। আত্মহারা উল্লাস, জীবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, প্রযুক্তির অপব্যবহার—সামগ্রিক পরিবেশের অবনয়নও ডেকে এনেছিল। অসহায় বিস্তীর্ণ জীবমণ্ডল, সবুজ সম্পদ, বায়ুমণ্ডল, জলদেহ, মানুষেরই সঙ্গে সঙ্গে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কিন্তু এত বড়ো মাপের পরিবেশ সংকট থেকে আমাদের দৃষ্টি এড়িয়ে গিয়েছিল। পুনর্গঠন সভ্যতার রূপায়ণে প্রযুক্তির যখন ডাক পড়ল, তখন কতো দ্রুত সেই ক্ষমতাকে কে কতটা প্রয়োগ করবে সেই নিয়েও রাতারাতি প্রতিযোগিতা তুঙ্গে উঠল। সুযোগ এসেছিল পুনর্গঠন কর্মগুলিকে পরিবেশমুখী করে গড়ে তোলার। কিন্তু মানুষ শুধু নিজের স্বার্থসিদ্ধির কথাই সব থেকে আপন করেছে। তার সময় ও উৎসাহ কোনোটাই ছিল না, আরো দুটি প্রাণপ্রাণী জগতের কথা ভাবার। পরিবেশ চেতনা তো কোনো সে সুদূরের কথা!

এমন অবজ্ঞা, দলন কিছুদূর পর্যন্ত সয়, তারপরে আসে প্রকৃতির প্রতিশোধের পালা। শুনতে যতই নাটকীয় হোক না কেন, আসলে ঘটনাটা কিন্তু তেমনই প্রায় ঘটেছিল। ১৯৬২ সালে, আকস্মিক একটি বিজ্ঞান সাহিত্য-র আবির্ভাব ঘটে। একটি বই—বিদগ্ধ বিজ্ঞানী-লেখিকা র‍্যাচেলকারসন-এর The Silent Spring প্রথমে আমেরিকায়, তারপর দিকে দিকে সাড়া ফেলে। এই পৃথিবী এক মানবিক বাসভূমি, বাস্তুভূমিতে প্রাণ-প্রকৃতি সকলের সমান অধিকার—এই নৈতিক সত্যকে হাজির করল বইটি। আধুনিক পরিবেশ চেতনা ও চর্চা এই বইটির কাছে আজও  ঋণী। ঘটনাটি নিঃসন্দেহেই ঐতিহাসিক।

বসন্তকাল আসে আনন্দ সত্য নিয়ে আমাদের জীবনে। আসে পাখিরাও তাদের সংগীত নিয়ে। পৃথিবী যেন ফিরে পায় তার প্রতিদিনের সবাক ছন্দকে। খেতে ভরা ফসল, কীটপতঙ্গ, প্রাণ-প্রাণী, ফলফুলের মানুষী আনন্দেরই দান যেন পূর্ণতা ফিরে পায় বসন্তে পাখির গানে, কলতান-ধ্বনির ফল ফলানোর ছন্দে। ষাটের দশকে অধিক ফলনের, অতি দ্রুত কৃষি উৎপাদনের আকাঙক্ষায় আমেরিকায় যুগান্তকারী কীটনাশক রাসায়নিক ডিডিটি-র যথেচ্ছ প্রয়োগ করা হয়। এই ডিডিটি-র প্রকোপে যেসব জীবাণু শস্য নষ্ট করে, তারা মরল, সেই সঙ্গে একই মরণযাত্রায় শামিল হল নানাবিধ কীটপতঙ্গ এবং এমন সব জীবাণু যারা শস্যের ক্ষতি করেই না বরং জমিকে আরো উর্বর করে । পাখিরা তাদের খাবার হারাল। এক অঞ্চল থেকে আর এক অঞ্চলে তারা যেতে থাকল খাদ্যের সন্ধানে। কিন্তু যাবে আর কোথায়, আমেরিকায় সর্বত্রই তো ডিডিটি আর ডিডিটি। উপবাস এড়াতে পাখিরা মৃত কীটপতঙ্গই খেতে থাকল। ডিডিটির বিষ পাখিদের দেহে প্রবেশ করল। কী ভয়ঙ্কর সেই কুফল। পাখিদেহ বিকলাঙ্গে বেঁকে যেতে থাকল, প্রাণ আছে সুর নেই। পরবর্তী প্রজন্ম শিশুপাখিরা অসময়ে ফুটে বেরোল, বিকলাঙ্গ দেহমনে। পাখির ডিমের খোসা অতি পাতলা, চোখ ফুটতে না-ফুটতেই তাদের শেষ নিঃশ্বাস পড়ল। প্রায় এক দশক ধরে ডিডিটির কুফলে, আমেরিকার হলুদ বসন্তকে স্বাগত জানাতে রইল না পাখির কলতান, বসন্তসংগীত। সংগীতহারা প্রকৃতি সাক্ষী রইল সেই ঐতিহাসিক নির্বাক বসন্তের। বাস্তুতন্ত্রের ছন্দমালায় হরিণ শেয়াল প্রাণ প্রাণীজগতের কেউই বাদ গেল না। শেষমেষ মানুষের পাকস্থলীতে খাদ্য পথে ডিডিটি হাজির হলো এক দীর্ঘস্থায়ী পরিবেশ সমস্যাকে নিয়ে। উন্নত, দরিদ্র কোনো দেশই বাদ যায়নি; এই সমস্যার বেড়াজালে আটকা পড়েছে বৃহত্তর পৃথিবী।

দূষণের বিরুদ্ধে, মানুষের আচরণের বিরুদ্ধে, দেশ কাল সীমানা-গণ্ডি ছাড়িয়ে যেন এক ঐতিহাসিক প্রতিবাদের দলিল দি সাইলেন্ট স্পিং। সেই সময়ে র‍্যাচেল কারসন যে সত্য হাজির করেছিলেন, তারই ফলস্বরূপ বলা যায় পরিবেশ-সচেতনতা এবং পারিবেশিক সুব্যবস্থা পথের ব্যাপক অনুসন্ধান শুরু হয়। এই প্রতিক্রিয়ায় ১৯৬৯ সালে, প্রথমে আমেরিকায় জাতীয় পরিবেশ পলিসি’, ১৯৭০ সালে প্রথম পৃথিবী দিবস’, ১৯৭২-এ স্টকহোমে মানব-পরিবেশ শীষক কনফারেন্স, ৮০-র দশকে লন্ডন ব্যাসেল, ভিয়েনা কনভেনশন, ১৯৯২-র রিয়োতে বসুন্ধরা সম্মেলন এবং কিয়োটোতে পরিবেশ মহাসম্মেলন, সবই মানবিক পরিবেশ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জীবপ্রাণ সংরক্ষণ ব্যবস্থার প্রশ্নে আলোড়িত হয়েছে। প্রকৃতি পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে আধুনিকতম প্রযুক্তিকে ব্যবহার করেও যে স্থিতিশীল সামগ্রিক উন্নয়ন করা সম্ভব, এখন তারই ব্যাপক অনুসন্ধান ও প্রয়োগ-চর্চা চলেছে। বিস্তৃতভাবে একেবারে স্কুল থেকে উচ্চতম বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত পরিবেশ-শিক্ষাকে প্রায় আবশ্যিক করা হচ্ছে। বিভিন্ন বর্জ্য দূষণ থেকে জলপ্রাণ, মৃত্তিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়; বায়ুদূষণে স্বাস্থ্যহানি ঘটে; শব্দ দৃশ্য দূষণে জীনবটাই হয়ে পড়ে ছন্দহীন; সব মিলিয়ে বৃহত্তর সাংস্কৃতিক দূষণের যেন রূপ নেয় আমাদের দৈনন্দিন জীবন যাত্রায়—যা থেকে প্রায় সমগ্র জীবমণ্ডল আজ দূষণ ছায়ায় আক্রান্ত ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

এই অবস্থা থেকে উদ্ধার পেতে, পরিবেশ আইন, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, গ্রিনবেঞ্চ এমনকী জাতীয় পলিসিও গড়ে উঠেছে। কিন্তু মানুষ যতক্ষণ না পরিবেশ চেতনার গভীরে প্রবেশ করে, জীবন ও জীবনের কথা ভাবছে এবং তা থেকে পরিবেশমুখী আচরণ গড়ে তুলছে—ততক্ষণ পর্যন্ত সুপরিবেশ কাঠামোকে সর্বত্রগামী করা যাবে না। পরিবেশ সহায়ক আচরণ ও প্রকৃতিসনিষ্ঠ জীবনাদর্শকে জীবনে আবার ফিরিয়ে আনতেই হবে। চেষ্টা চলছে দেশে দেশে। অধিকাংশ দেশের (আমাদের ভারতেও) দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, অরণ্য প্রকৃতি সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে উঠছে। আজ  মানুষ ভূমি-পরিবেশ সংক্রান্ত চিন্তাভাবনা প্রায় অতি প্রয়োজনীয় বিষয়রূপে আমাদের জীবনে স্থান পেয়েছে। ভারতে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে—কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ, রাজ্যে পরিবেশ দপ্তর, গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান, দি ওয়াইল্ড লাইফ অ্যাক্ট ১৯৭৪, দি ওয়াটার অ্যাক্ট ১৯৮১, দি এয়ার অ্যাক্ট ১৯৮১, দি ইন্ডিয়ান ফরেস্ট অ্যাক্ট, দি ফরেস্ট কনজারভেশন অ্যাক্ট ১৯৮০। উন্নয়ন প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব অনুমান করা আবশ্যিক হয়েছে আমাদের দেশে ।

মানুষ ও পরিবেশ নিয়ে বিশ শতকের উত্তরভাগ থেকে বিদ্যাশিক্ষা ও প্রয়োগচর্চার ব্যাপক পরিবর্তন যে এসেছে সেটা যেমন কল্যাণকর আবার মস্ত বড়ো চ্যালেঞ্জও বটে। এই প্রথম আন্তঃসম্পর্কযুক্ত ও পারস্পরিক সম্বন্ধযুক্ত মুক্ত মনের পরিবেশ জীবনসাধন চর্চার ডাক এসেছে। ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে, ক্ষুদ্রমনস্কতা থেকে সরে এসে, মানবিক আচরণভিত্তিক একটি বৃহত্তর বিশ্ববীক্ষা গড়ে তুলতে হবে। পৃথিবী, প্রাণ, প্রকৃতি পরিবেশকে নিয়ে যেন একটি বড়ো সমাজ। এই ভূমিশ্রীকে মর্যাদা দিতে হবে। বুঝতেই হবে এই বসুন্ধরার বাস্তুব্যবস্থারও একটি সীমা আছে। দূষণ ভার সহন ক্ষমতার প্রায় শেষমাত্রায় এসে পৌঁছেছে এই পৃথিবী।

পরিবেশ কাঠামোকে আমূল সংস্কার করতে প্রযুক্তি ব্যবস্থা, আইন, সংরক্ষণ, আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, জনশিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য পরিষেবার মতো প্রয়োজনীয় দিকগুলি নিয়ে বহুমাত্রিক কর্ম ব্যবস্থার রূপায়ণ দরকার। একই সঙ্গে ব্যাপক পরিবেশ চেতনা গড়ে তুলতে বিস্তৃত সমন্বয়ী স্থিতিয্যোগ্য পরিবেশ সংস্কৃতির প্রয়োজন। মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতেই গড়ে উঠবে পরিবেশমুখী জীবনযাত্রা। আগামীদিনের পরিবেশ চর্চায় প্রযুক্তিবিদ, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, শিল্পী—সকলকেই বৌদ্ধিক সততা নিয়ে হাজির হতে হবে, জীবনের টানে জীবনে। পৃথিবীর ইতিহাসে আগে এমন গভীর সমস্যাও যেমন আসেনি, সুযোগও তেমন বোধহয় হয়নি যেখানে প্রাণের সংরক্ষণে মিলবে এসে প্রত্যেকে। ভবিষ্যতের পরিবেশ কিন্তু এমনই আশ্চর্য এক আত্মনির্মাণ অবয়ব, যেখানে সবায় নিয়ে সবার মাঝে’র আনন্দ আত্মপ্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র:

১. অরুণেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, সুধীর চক্রবর্তী সম্পাদিত বুদ্ধিজীবীর নোটবই, নবযুগ প্রকাশনী, বাংলাবাজার, ঢাকা, প্রথম সংস্করণ ফেব্রুয়ারি ২০১০, পৃষ্ঠা, ৩৮২-৩৮৫

আরো পড়ুন

জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন।

তাঁর প্রকাশিত প্রথম কবিতাগ্রন্থ স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে । বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *