সুষনি ঔষধি গুণ সম্পন্ন শাক

সুষনিশাক বা সুনসুনি শাক গ্রামে অনেকের পরিচিত শাক। এই শাকের পাতা অনেক নরম ও পাতলা হয়। পাতার রং সবুজ নরম ও সরু ডাল বিশিষ্ট ঘাস বিশিষ্ট। থোকা থোকা জন্মে থাকে। একটি ডালে একটি পাতা হয়। শাক হিসাবে জনপ্রিয় এর বৈজ্ঞানিক নাম Marsilea minuta ও পরিবার  Marsileaceae. রোগ প্রতিকারে ১. শ্বাস রোগে (হাঁপানিতে):

গিমে ঔষধি গুণে ভরা শাক

গিমে শাক পরিত্যক্ত জমিতেও হয় আবার আলু, রসুন, পেঁয়াজ ইত্যাদি ক্ষেতে জন্মে থাকে। যত্ন ছাড়া এই শাক হৃষ্ট-পুষ্টভাবে বেঁচে থাকে। তবে স্যাঁতস্যাঁতে অর্থাৎ কলতলা, পুকুরপাড়ে, নালার পাশে এটি ভালো ভাবে জন্মে।  বোটানিকাল নাম Glinus oppositifolius (L.) Aug.DC. এটি Molluginaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। স্বাদে তিক্ত, কফ পিত্তাধিক্যনাশক ও রুচিকারক, আর রোগারোগ্যের ক্ষেত্রে বলা

রক্তজবা ফুল এশিয়ার এক বৈচিত্র্যময় ফুল

বাংলা নাম: রক্তজবা, জবা, জবা কুসুম ইংরেজি নাম: China Rose, Chinese hibiscus জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae (অবিন্যাসিত): Angiosperms (অবিন্যাসিত): Eudicots (অবিন্যাসিত): Rosids বর্গ: Malvales পরিবার: Malvaceae গণ: Hibiscus প্রজাতি: H. rosa-sinensis বৈজ্ঞানিক নাম: Hibiscus rosa-sinensis. বর্ণনা: আমাদের দেশের অনেকেই বাড়ির আঙিনা কিংবা বাসাবাড়ির ছাদের টবে নানা জাতের ফুলগাছ লাগিয়ে থাকে। এসব গাছের মধ্যে জবা একটি। দেশের সর্বত্রই এই ফুলের চাষ হয়। চিন

ক্ষীরোদাসুন্দরী চৌধুরী বাংলার উপনিবেশবাদ বিরোধী বিপ্লবী

ক্ষীরোদাসুন্দরী চৌধুরী ১৮৮৩ সালে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের সুন্দাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।  তাঁর পৈতৃক ভূমিও সেখানেই। পিতার নাম শিবসুন্দর রায় ও মাতা দুর্গাসুন্দরী দেবী। তিনি ছিলেন বিপ্লবীদের মা। ময়মনসিংহের নান্দাইলের খারুয়া গ্রামের ব্রজকিশোর চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। তাঁর যখন ৩২ বা ৩৩ বছর বয়স তখন একটিমাত্র কন্যা নিয়ে তিনি বিধবা হন।

লুকলুকি এশিয়ার বাণিজ্যিক ফল

বৈজ্ঞানিক নাম: Flacourtia jangomas. সমনাম: Flacourtia cataphracta. বাংলা নাম: লুকলুকি, পেলাগোটা, প্যালা, পায়েলা, ঝিটকি, ইংরেজি নাম: Indian plum বা coffee plum. জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae অবিন্যসিত: Angiosperms বর্গ: Malpighiales পরিবার: Salicaceae গণ: Flacourtia, প্রজাতি: Flacourtia jangomas, বর্ণনা: টিপা ফল এক ধরনের টক মিষ্টি অপ্রচলিত ফল। এর অন্যান্য নামগুলো হলো- টিপফল, টিপটিপানি, টিপাটিপি, লুকলুকি, পেলাগোটা, প্যালা, পায়েলা, ঝিটকি, পলাগোটা, টরফই, পানিয়ালা, পানি

কাকডুমুর এশিয়ার পরিচিত উপকারি গাছ

বৈজ্ঞানিক নাম: Ficus hispida সমনামঃ Ficus oppositifolia Roxb. Ficus compressa, Covellia hispida ইংরেজি নাম: Hairy Fig, devil fig, opposite-leaved fig-tree, rough-leaved fig. বাংলা নাম: কাকডুমুর জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Eudicots অবিন্যাসিত: Rosids বর্গ: Rosales পরিবার: Moraceae গণ: Ficus প্রজাতি: Ficus hispida L.f. পরিচিতি: কাকডুমুর মোরাসি পরিবারের ফাইকাস গণের একটি বৃক্ষ। এদের ফল ছোট এবং খাওয়ার অনুপযুক্ত। এই গাছ অযত্নে-অবহেলায়

নীল উষ্ণমণ্ডলীয় এশিয়া ও আফ্রিকার গুল্ম

নীল গাছ বাংলা নাম: নীল, অন্যান্য স্থানীয় নাম: নিলিনী, রঞ্জনী, গ্রামিনিয়া, কালোকেশী, নীলপুষ্প, মধুপত্রিকা। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Magnoliophyta শ্রেণী: Magnoliopsida বর্গ: Fabales পরিবার: Fabaceae উপপরিবার: Faboideae গোত্র: Indigofereae গণ: Indigofera প্রজাতি: Indigofera tinctoria Linn. পরিচিতি: নীল গুল্ম জাতীয় এক প্রকারের উদ্ভিদ। বহু বর্ষজীবি গাছ কিন্তু একসময় বর্ষজীবি হিসেবে চাষ করা হতো। প্রাচীনকালে মিশর, গ্রিস ও রোমের লোকেরাও নীলের কথা জানতো।

অনুশীলন সম্পর্কে — মাও সেতুং

জ্ঞান ও অনুশীলনের মধ্যে, জানা ও করার মধ্যে সম্পর্ক বিষয়ে জুলাই ১৯৩৭ চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে কিছু সংখ্যক মতান্ধ কমরেড ছিলেন যারা দীর্ঘদিন যাবৎ চীন বিপ্লবের অভিজ্ঞতা বর্জন করে চলছিলেন। এঁরা এই সত্যকে অস্বীকার করতেন যে, ‘মার্কসবাদ একটা অন্ধ মতবাদ নয় বরং কর্মের পথনির্দেশক’ এবং মার্কসীয় রচনাবলী থেকে অপ্রাসঙ্গিকভাবে উদ্ধৃতি দিয়ে মানুষকে

জগডুমুরের ঔষধি ব্যবহার

জগডুমুর বা যজ্ঞডুমুর গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Ficus racemosa. এরা মোরাসি পরিবারভুক্ত ফাইকাস গণের উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের বৃক্ষ। এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার উদ্ভিদ। এটির ফল রান্না করে এবং পাকার পরে খাওয়া যায়। দেশি রেসাস বানরের এটি প্রধান খাবার। অনেক পাখি স্তন্যপায়ী ও প্রাণীর পছন্দের খাবার। জগডুমুর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন জগডুমুর এশিয়ার অপ্রচলিত ফল

দুকড়িবালা দেবী উপনিবেশবাদ বিরোধী বাংলার বিপ্লবী

দুকড়িবালা দেবী ১৮৮৭ সালের (বাংলা ১২৯৪, ৬ শ্রাবণ) ২১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন বীরভূম জেলায় নলহাটি থানার ঝাউপাড়া গ্রামে। পিতা নীলমণি চট্টোপাধ্যায় এবং মা কমলকামিনী দেবী। স্বামী ছিলেন ঝাউপাড়া গ্রামেরই ফণীভূষণ চক্রবর্তী। মাসিমা নামে তিনি বিপ্লবী মহলে পরিচিতি। তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম পর্যায়ের নারী বিপ্লবীদের মধ্যে অন্যতম। ব্রিটিশ দ্বারা যেসব বিপ্লবী

Top