Main Menu

গঙ্গাধর মােরেশ্বর অধিকারী সিপিআই-য়ের তাত্ত্বিক নেতা

সিপিআই বা ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রধান তাত্ত্বিক নেতা! বার্লিনে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময়ে মানবেন্দ্রনাথ রায়ের প্রভাবে মার্কসীয় দর্শনে দীক্ষিত হন। ১৯২৮ খ্রি শেষ দিকে তিনি রায়ের কাছ থেকে একটি পরিচয়পত্র নিয়ে ভারতে আসেন এবং অনতিকাল পরে মীরাট ষড়যন্ত্র মামলায় কারারুদ্ধ হন। কমিন্টার্ন থেকে মানবেন্দ্রনাথ বহিষ্কৃত (১৯২৯) হবার পর অধিকারী কমিন্টার্ন-স্বীকৃত ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টিতেই থেকে যান। আমৃত্যুকাল তিনি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সদস্য ছিলেন (১৯৩৩-৮১)। তাঁর লেখা বিভিন্ন বইপত্রের মধ্যে পার্টির প্রথম আট বছরের দলিলসমৃদ্ধ পাঁচ খণ্ডে প্রকাশিত ইতিহাস বিশেষ উল্লেখযােগ্য।  মার্কসীয় দৃষ্টিতে ভারতীয় রাজনীতির বিশ্লেষণসুত্রে ১৯৪২ খ্রি এদেশের মুসলমানদের আত্মনিয়ন্ত্রণ এবংRead More

অধিকার রাজনৈতিক কর্তৃত্বের অধিকারী শ্রেণির দ্বারা নির্দেশিত বিধি

কোনও কাজ করার স্বাধীনতা থাকা বা না-থাকার সূত্রে অধিকার শব্দটি উদ্ভূত। শব্দটির মধ্য দিয়ে ব্যক্তিমানুষ ও রাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ণীত হয়। বস্তুত অধিকার রাষ্ট্রে সদর্থক উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে। অধিকার প্রদানের মাধ্যমে মানবকল্যাণ সাধিত হয়। ব্যক্তিমানুষের কল্যাণের অস্তিত্বে প্রমাণিত হয় যে রাষ্ট্রের জন্য ব্যক্তি নয়, ব্যক্তির জন্যই রাষ্ট্রের অস্তিত্ব। সমাজের অঙ্গ রাষ্ট্র আইনের মাধ্যমে অধিকার সৃষ্টি ও রক্ষা করে। লাস্কির মতে, অধিকার হলো সমাজজীবনের এমন কিছু শর্ত যেগুলি না থাকলে ব্যক্তিমানুষের স্বাধীন বিকাশ ব্যাহত হয়। অধিকার সমূহের কার্যকারিতা অনেকাংশে নির্ভর করে আইনের মাধ্যমে স্বীকৃতির উপর। প্রতিটি অধিকারের একটি সামাজিক মূল্য এবং উদ্দেশ্যRead More

অছিবাদ গান্ধীর প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তা

প্রতিক্রিয়াশীল গণশত্রু মোহনদাস গান্ধীর ভুল-আর্থনীতিক চিন্তার মূলকথা; এবং পশ্চিমি পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রবাদের বিকল্প হিসাবে বিবেচিত। ১৯৪৩ খ্রি. আগা খাঁর প্রাসাদে গান্ধী যখন বন্দি ছিলেন সে সময়ে অছিবাদের খসড়া প্রস্তুত হয়। গান্ধীজির জীবনীকার প্যারেলাল তাঁর ‘লাস্ট ফেজ’ নামক গ্রন্থে নিম্নলিখিত মর্মে সেটি উল্লেখ করেছেন: ১. বর্তমান পুঁজিবাদী সমাজকে কল্যাণকারী সমাজে (Equalitarian Society) রূপান্তরিত করার উপায় হচ্ছে ট্রাস্টিশিপ, যা পুঁজিবাদকে প্রশ্রয়দান করে, কিন্তু বর্তমান মালিক শ্রেণীকে নিজেদের সংশােধন করে নেওয়ার সুযােগ দেয়। ট্রাস্টিশিপ এই বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত যে মানুষের স্বভাব সংশােধনের অতীত নয়। ২. সমাজের কল্যাণের জন্য ও সমাজের বিনানুমতিতে ট্রাস্টিশিপ সম্পত্তিরRead More

গুড়ের যত গুণ

আখের রসের অধিকাংশ জলীয় রস ঘন করে পাক দিয়ে গুড় তৈরি করা হয়। গুড়ে আখের রসের সব খনিজ ও ক্ষারক পদার্থ সুরক্ষিত থাকে। এই সব খনিজের জন্যেই গুড় এরকম অস্বচ্ছ ও অপরিষ্কার দেখায়। পণ্ডিত ভাবমিশ্র গুড়কে উদ্দেশ্য করে বলেছেন ‘দোষত্রয়ক্ষয়কারয়’ নমো গুড়ায়। অর্থাৎ বাত, পিণ্ড আর কফ এই তিন দোষ নাশ করে গুড়। গুড় শীঘ্রই হজম হয়ে যায়। গুড়ের সমান ওজনের চিনি হজম হতে অনেক বেশি সময় লাগে। গুড়ে চিনির চেয়ে শতকরা তেত্রিশ ভাগ পোষকতত্ত্ব (পুষ্টিগুণ) বেশি আছে । সেইজন্যে চিনির তুলনায় গুড় বেশি শক্তি দেয়। যিনি শারীরিক ভাবে দুর্বল,Read More

আখ বা ইক্ষুর ১২টি গুনাগুণ

ভূমিকা: আখ বা ইক্ষু (বৈজ্ঞানিক নাম: Saccharun officinarum, ইংরেজি নাম: Sugarcane) পোয়াসি পরিবারের Saccharum গণের বিরুৎ। আঁখের রস মিষ্টি ও সেই রস থেকে গুড় ও চিনি তৈরি করা হয়। স্বাদে মিষ্টি হওয়ায় দেশে আঁখ বেশ  জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আখ গাছটির কাণ্ড থেকে চিনি ও গুড় তৈরি করা হয়, কান্ডের রস ক্লান্তি অবসান করে এছাড়া কুষ্ঠরোগ, অন্ত্রের সমস্যা, রক্তস্বল্পতা ও আমাশয়েও ইক্ষুরস উপকারী।[১] আখ যে ভাবেই খাওয়া যাক দাঁত দিয়ে ছিলে চুষে বা রস বের করে খেলে উপকার দেয়। কিন্তু সবচেয়ে ভাল ফল পেতে হলে দাঁত দিয়ে কামড়িয়ে খাওয়াই ভাল, এতেRead More

মাখন ও ঘি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি

মাখন হলো দুধের তৈরি পণ্য। এটি সাধারণ দুধ প্রক্রিয়াজাতের মধ্য দিয়ে ক্রীম থেকে তৈরি করা হয়ে থাকে। মাখন কোনো খাবারে মেখে খাওয়া হয়। এছাড়া সুস্বাদু রান্না করতে, কোনো ভাঁজা খাবার তৈরি, সস অথবা খাবারে সুন্দর সুঘ্রাণ আনতে মাখন ব্যবহার করা হয়। মাখনে চর্বি, পানি এবং দুগ্ধ প্রটিন থাকে। মাখন সাধারণ গরুর দুধ দিয়ে তৈরি হয়। এছাড়া অন্য প্রাণীর দুধ দিয়েও তৈরি করা হয় যেমন, ভেড়া, ছাগল, মহিষের। দুধ থেকে যে ঘি তৈরি হয়, তা এক বিশেষ ধরণের মাখন। মাখন দেখতে হলুদ রঙের তবে এটির রঙ গাঢ় হলুদ থেকে সাদা রঙেরRead More

ক্ষীর, মালাই ও ছানার গুনাগুণ

দুধ থেকে সর, ঘি, মাখন, ছানা, ঘোল ইত্যাদি বিভিন্ন রকমের সুস্বাদু খাদ্যবস্তু তৈরি হয়। সুস্থ থাকার জন্যে এগুলোরও অনেক উপকারিতা আছে। এই সব দিয়ে সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যোপাদান সমৃদ্ধ খাবার তৈরি করা হয়। মাছ, মাংসে তুলনায় এই সব দিয়ে তৈরিকৃত খাবার থেকে শরীর আমিষ পায় বেশি। দুধের সর বা মালাই: আয়ুর্বেদ মতে,  দুধের সর তৃপ্তি দেয়, বল বৃদ্ধি করে। এটি পুষ্টিকর ও ঠাণ্ডা। এটি ক্ষয়রোগ উপশম করে, রতিশক্তি বৃদ্ধি করে, মেধা ও স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেয় কিন্তু সহজে হজম হয় না অথাৎ দুষ্পাচ্য। বায়ু ও পিণ্ড রোগে দুধেরRead More

এশীয় শামখোল বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: এশীয় শামখোল বা শামুকখোল বা শামুকভাঙ্গা বা শামকাইল হচ্ছে কিকোনিডি পরিবারের এনাসটোমাস গণের একটি বড় আকারের পাখি। এরা বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি। একসময় বাংলাদেশ থেকে এরা হারিয়ে যেতে বসেছিল। গত এক দশকের চেষ্টায় এরা বাংলাদেশে আবার আবাসিকের মর্যাদা লাভ করেছে। বর্ণনা: এশীয় শামখোল অনন্য খোলা ঠোঁট ও সাদা চোখের জলচর পাখি। এর দৈর্ঘ্য ৮১ সেমি, ডানা ৪০ সেমি, ঠোঁট ১৫.৫ সেমি, পা ১৪.৫ সেমি, লেজ ২০ সেমি। প্রজননকালে প্রাপ্তবয়স্ক পাখির দেহ একদম সাদা দেখায়; কাঁধ-ঢাকনি, ডানার প্রান্ত-পালক, মধ্য-পালক ও লেজ সবুজে-কালো। প্রজননকালে প্রাপ্তবয়স্ক পাখির দেহ একদমRead More

ঠাকুরগাঁয়ের মদনটাক কলোনি, পাখিরা আর আসে না

সুন্দরবন ব্যতীত বাংলাদেশের একমাত্র মদনটাক কলোনি ছিলো ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার সিংহারি গ্রাম। এ গ্রামে গত ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ৬ বছর বাসা তৈরি ও ছানা তুলেছিলো বাংলাদেশের মহাবিপন্ন ও পৃথিবীর সংকটাপন্ন পাখি ছোট মদনটাক বা Lesser Adjutant. কিন্তু ২০১৩ সাল থেকে মদনটাকগুলো সে গ্রামের কলোনিতে বাসা তৈরি করেনি। গত ২০০৭ সাল থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর যাবত সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে সেখানে মদনটাকেরা বাসা তৈরি করে ডিম দিত এবং বৈশাখ বা এপ্রিল মাসের মধ্যেই ছানারা বড় ও উড়বার যোগ্য হতো। কিন্তু ২০১৩ সাল থেকে কোনো নভেম্বর মাসেই পাখিরা সেই শিমুল গাছেRead More

রঙিন ভেনপু ব্যাঙ বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের অপ্রতুল তথ্যশ্রেণির ব্যাঙ

বর্ণনা: রঙিন ভেনপু ব্যাঙের তুন্ডের শীর্ষ থেকে পায়ুর দৈর্ঘ্য ৮ সেমি। ত্বক মসৃণ বা অনিয়মিত চ্যাপ্টা আঁচিল থাকে। এদের মাথা ছোট। তুন্ড খর্ব, গোলাকৃতি দৈর্ঘ্য চোখের ব্যাসের সমান। স্বভাব ও আবাসস্থল: এই প্রজাতির ব্যাঙ কাঠের গুড়ি, জলাশয়, খাল নর্দমায় বাস করে। এই প্রজাতির ব্যাঙ শহরে বা নগরে দ্রুত কলোনি গঠন করতে পারে এবং এরা মানুষের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ আবাস গড়তে পারে। এটি সম্ভবত জলাভূমি/ নদী তীর/ বনের কিনারায় সহজে অভিযোজন করতে পারে এবং এই প্রজাতি সফলভাবে কৃষি ও আবাসিক এলাকাগুলিতে অভিযোজিত হয়েছে, যদিও এটি এখনও শুষ্ক বনগুলিতে পাওয়া যেতে পারে। এটিRead More