Main Menu

নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব প্রসঙ্গে লেনিনবাদ

নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব হচ্ছে মাও সেতুং কর্তৃক সৃষ্ট একটি বৈপ্লবিক মতবাদ। লেনিন এই মতবাদের পূর্ব প্রতিনিধি, যিনি এই বিপ্লবের গোড়াপত্তন এবং বিশ্লেষণ প্রদান করেন। যদিও লেনিন নয়া গণতন্ত্র শব্দটি ব্যবহার করেননি, তদুপরি তিনি বুর্জোয়াদের দ্বারা সম্পন্ন বিপ্লবের সাথে সাম্যবাদীদের দ্বারা সম্পন্ন বিপ্লবের পার্থক্যরেখাগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন। আমরা মাও সেতুংয়ের আলোচনায় তেমন গুরুত্ব না দিয়ে লেনিনের ধারণাসমূহকে বোঝার চেষ্টা করব।

লেনিন বুর্জোয়াদের দ্বারা সাধিত বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের বিশ্লেষণের সাথে সাথে সাম্যবাদী প্রলেতারিয়েতের দ্বারা সাধিত নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের কর্মসূচি হাজির করেন। তিনি প্রলেতারিয়েতের কর্তৃত্বে অ নেতৃত্বে অর্জিত গণতন্ত্রকে বলেছেন প্রলেতারিয় গণতন্ত্র। তাঁর কাছে প্রলেতারিয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব বা নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব এবং সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ছিলো একে অপরের পরিপূরক। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, “সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব” “বুর্জোয়া-গণতান্ত্রিক বিপ্লব” থেকে “কোনো চীনের প্রাচীরে আলাদা হয়ে নেই”।[১]

“রাশিয়ায় বিপ্লবের কর্তব্যটা ছিলো বুর্জোয়া-গণতান্ত্ৰিক: মধ্যযুগীয়তার অবশেষগুলোর উচ্ছেদ।” — লেনিন

তিনি বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পর্কে লিখেছেন, “বিপ্লবের বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক সারবস্তুর অর্থ মধ্যযুগীয়তা থেকে, ভূমিদাসপ্রথা থেকে, সামন্তবাদ থেকে দেশের সামাজিক সম্পর্কের”[২] পরিশুদ্ধি। সামাজিক সম্পর্কের মধ্যে পড়ে রাষ্ট্রের ব্যবস্থাধারা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় সংগঠনের সম্পর্ক। লেনিন উল্লেখ করছেন যে,

“রাশিয়ায় বিপ্লবের সরাসরি ও আশু কর্তব্যটা ছিলো বুর্জোয়া-গণতান্ত্রিক: মধ্যযুগীয়তার অবশেষগুলোর উচ্ছেদ, সেগুলোকে শেষপর্যন্ত চূর্ণ করা, রাশিয়া থেকে এই বর্বরতা, এই লজ্জা, আমাদের দেশের সমস্ত সংস্কৃতি ও সমস্ত প্রগতির এই প্রচন্ডতম বাধাটার বিলুপ্তি।”[৩]

লেনিনের কাছে নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের বা প্রলেতারিয় বিপ্লবের অর্থই হচ্ছে মধ্যযুগীয়তার সমস্ত জেরগুলো, ভূমিদাস প্রথা, ও সামন্তবাদ থেকে নিঃশর্ত পরিপূর্ণ উচ্ছেদ। তাঁর কাছে তৎকালীন রাশিয়ার “ভূমিদাসপ্রথার প্রধান অভিব্যক্তি, জের, অবশেষ কী ছিলো?” তাঁর মতে “রাজতন্ত্র, সম্প্রদায়-ব্যবস্থা, ভূম্যধিকার, ভূমিবন্দোবস্ত, নারীদের অবস্থা, ধর্ম, জাতিসত্তার পীড়ন”।[৪]  হচ্ছে ভূমিদাস প্রথার জের। তিনি চেয়েছেন নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লবের মাধ্যমে এই সমস্ত জেরকে সমূলে উৎখাত করতে।

লেনিন গণতান্ত্রিক বিপ্লবে সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির দুই রণকৌশল বইয়ে দেখান সশস্ত্র অভ্যুত্থান হচ্ছে জারতন্ত্র ও স্বৈরতন্ত্র উচ্ছেদের নির্ধারক উপায়। প্রলেতারিয়েত ও কৃষক সম্প্রদায়ের ক্ষমতা অর্থাৎ বিপ্লবী গণতান্ত্রিক একনায়কত্ব কায়েম করতে হবে; আগের বিপ্লবগুলোতে যা হয়েছে সেভাবে বিজয়ী অভ্যুত্থান থেকে বুর্জোয়ার ক্ষমতা স্থাপন চলবে না। অথচ মেনশেভিকরা মনে করত ক্ষমতা নেবে বুর্জোয়ারা, শ্রমিক শ্রেণির কর্তব্য হলো তাদের সমর্থন করা। মূলত এই বইয়ে লেনিন যে রণকৌশল রচনা করেন, তা ছিলো খাঁটি বৈপ্লবিক, বিপ্লবের বিজয় ছিলো তার লক্ষ্য।[৫]

আর অন্যদিকে মেনশেভিকদের কৌশল ছিলো বুর্জোয়াদের সহযোগিতা করা। তারা ঘোষণা করে, বিপ্লব যেহেতু বুর্জোয়া, তাই তার নেতা হওয়া উচিত বুর্জোয়াদের, শ্রমিক শ্রেণির কাজ হলো তাঁকে শুধু সমর্থন করা। শ্রমিক শ্রেণি ও কৃষকের মৈত্রীর বিরোধী ছিলো তারা, কেননা কৃষকের বৈপ্লবিক শক্তিতে তারা বিশ্বাস করতো না। বিশেষ করে সশস্ত্র অভ্যুত্থানে ছিলো তাদের ঘোর আপত্তি। লেনিন দেখালেন যে মেনশেভিক কর্মনীতি হলো বিপ্লবের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা, প্রলেতারিয়েতকে বুর্জোয়া নেতৃত্বের অধীনস্থ করার প্রয়াস। গণতান্ত্রিক বিপ্লবে প্রলেতারিয়েত শ্রেণির ভূমিকা সম্পর্কে এই গ্রন্থে লেনিন সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন,

“মার্কসবাদ প্রলেতারিয়েতকে এই শিক্ষা দেয় যে, তারা যেন বুর্জোয়া বিপ্লব থেকে দূরে সরে না থাকে, এর প্রতি উদাসীন না হয়, বুর্জোয়াকে যেন বিপ্লবে নেতৃত্ব ছেড়ে না দেয়, বরং তারা যেন এতে খুবই প্রবলভাবে অংশগ্রহণ করে, সংগতিপরায়ণ প্রলেতারিয় গণতান্ত্রিকতার জন্য, বিপ্লবকে শেষ পর্যন্ত নিয়ে যাবার জন্যে তারা যেন অতি দৃঢ়তাসহকারে সংগ্রাম চালায়।”[৬]

লেনিন বুর্জোয়া গণতন্ত্র বা ‘বিশুদ্ধ গণতন্ত্র’কে ব্যঙ্গ করেছেন, যারা বিশুদ্ধ গণতন্ত্রের প্রচার করেছে, যেমন কাউতস্কি, তাঁকে নির্লজ্জ বলে কটাক্ষ করেছেন। লেনিনসহ সমস্ত কাণ্ডজ্ঞান ও ইতিহাসের বোধসম্পন্ন মানুষের কাছেই এই কথা সুস্পষ্ট যে,

“যতক্ষণ বিভিন্ন শ্রেণি থাকছে ততক্ষণ বিশুদ্ধ গণতন্ত্রের কথা আমরা বলতে পারি না্‌ বলতে পারি শুধু শ্রেণি গণতন্ত্রের কথা। … …

বিশুদ্ধ গণতন্ত্র হলো উদারনীতিকদের কপট বুলি, যে বোকা বানাতে চাই শ্রমিকদের। সামন্তবাদের স্থানাধিকারী বুর্জোয়া গণতন্ত্র এবং বুর্জোয়া গণতন্ত্রের স্থানাধিকারী প্রলেতারিয় গণতন্ত্রের কথাই ইতিহাস জানে।”[৭]

বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবকে প্রলেতারিয় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবে বিকাশের তত্ত্ব রচনা লেনিনের একটি বড় কীর্তি। লেনিনিয় তত্ত্ব খণ্ডন করেছিলো রুশ মেনশেভিক ও পশ্চিম ইউরোপীয় সুবিধাবাদীদের নীতি। সুবিধাবাদীরা শহর ও গ্রামের আধা-প্রলেতারিয়দের পক্ষে যা করা সম্ভব সেটিকে ছোটো করে দেখত, সুবিধাবাদীরা মনে করত, যে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবে প্রলেতারিয়েত নামবে একা, সহযোগী ছাড়াই, তাই সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটতে পারবে শুধু যখন প্রলেতারিয়েত হবে দেশের অধিকাংশ। এই প্রতিপাদনের ভ্রান্তি ও ক্ষতিকারক দিক দেখিয়ে দেন লেনিন। রাশিয়ায় ১৯১৭ সালের অক্টোবর বিপ্লব পুরোপুরি প্রমাণ করে লেনিনীয় তত্ত্বের সঠিকতা।[৮] 

লেনিনবাদী ধারণার বিকাশ এইখেত্রে যে পশ্চাৎপদ, অনুন্নত পুঁজিবাদী বা সামন্তবাদী, যে কোনো দেশেই প্রলেতারিয়েত ও অন্যান্য বিপ্লবী শ্রেণিগুলোর সহায়তায় নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন করা। মাও সেতুং রাজনৈতিক ক্ষমতার শ্রেণিগত বেশিষ্ট্য অনুসারে দুনিয়ার বিবিধ ধরণের রাষ্ট্রগুলোকে যে তিন ধরনের একনায়কত্ব বলে অভিহিত করেছিলেন তার শেষটি হচ্ছে ‘কয়েকটি বিপ্লবী শ্রেণীর একনায়কত্বাধীন প্রজাতন্ত্র’ যা নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের ফলে আবির্ভূত হয়।[৯]

লেনিনের কাছে উল্লেখযোগ্য প্রধান কাজটি ছিলো বুর্জোয়াদের দ্বারা সাধিত বুর্জোয়া গণতন্ত্রের সাথে কমিউনিস্টদের দ্বারা সাধিত নয়া গণতন্ত্রের পার্থক্যরেখা নিরূপণ করা। লেনিন তার রাষ্ট্র ও বিপ্লব গ্রন্থে সেই নয়া গণতন্ত্রের বিশ্লেষণ করতে গিয়ে লিখেছেন,

“পুঁজিবাদী সমাজে আমরা পাই কাটাছেঁড়া, হতচ্ছাড়া, জাল করা একটা গণতন্ত্র, যা কেবল ধনীদের জন্য, অল্পাংশের জন্য। প্রলেতারিয় একনায়কত্ব, কমিউনিজমে উৎক্রমণের পর্বটাই প্রথমে দেবে শোষকদের উপর সংখ্যাল্পদের আবশ্যকীয় দমনের সংগে সংগে জনগণের জন্য অধিকাংশের জন্য গণতন্ত্র। কেবল কমিউনিজমই দিতে পারে সত্যাসত্যই পরিপূর্ণ গণতন্ত্র, এবং সে গণতন্ত্র যতই পরিপূর্ণ হবে … ”।[১০]

লেনিনবাদী চিন্তা গণতন্ত্রকে বিকশিত করেছে, গণতান্ত্রিক বিপ্লবের স্তরে রণনীতিগতভাবে লেনিনবাদ শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে শ্রমিক, কৃষক ও তার সহযোগী বিভিন্ন স্তরের জনগণের গণতান্ত্রিক একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠার কথা ঘোষণা করেছে। লেনিনবাদ বিপ্লবী শ্রেণীগুলো কর্তৃক শাসক-শোষক শ্রেণীগুলো ও তাদের রাষ্ট্রযন্ত্রকে বলপ্রয়োগ, গৃহযুদ্ধ, অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উৎখাতের কথা বলে। প্রলেতারিয় একনায়কত্ব অবশ্যই প্রলেতারিয় গণতন্ত্রও প্রতিষ্ঠা করে যা বুর্জোয়া গণতন্ত্র থেকে গুণগতভাবেই উন্নততর এবং এই দৃষ্টান্তই লেনিন রাষ্ট্র ও বিপ্লব গ্রন্থে দেখিয়েছেন। মাও সেতুং পরবর্তীকালে দেখিয়েছেন যে,

“New-democratic revolution… begun only after the First World War and the Russian October Revolution, started in China with the May 4th Movement of 1919. A new-democratic revolution is an anti-imperialist and anti-feudal revolution of the broad masses of the people under the leadership of the proletariat.”[১১] 

মাও সেতুং সামন্তবাদী ও আধাসামন্তবাদী দেশে যেই নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের তত্ত্ব দিয়েছেন, সেরকমই লেনিন প্রলেতারিয় বিপ্লবের তত্ত্ব এনে বিপ্লবের অগ্রগামি শ্রেণি হিসেবে কর্তৃত্ব শ্রমিক ও তাঁর সহযোগী শ্রেণিসমূহের হাতে তুলে দিয়েছেন। তার যুক্তি সম্পর্কে তিনি লিখেছেন,

“… প্রতিক্রিয়াশীল, শ্রমিক শ্রেণির দুশমন, বুর্জোয়ার দালালই কেবল এখন অচল অতীতের দিকে মুখ করে বুর্জোয়া গণতন্ত্রে রং চড়াতে ও বিশুদ্ধ গণতন্ত্রের বুলি কপচাতে পারে। মধ্যযুগীয়তার তুলনায় বুর্জোয়া গণতন্ত্র প্রগতিশীল ছিলো ও দরকার ছিলো তাঁকে ব্যবহার করা। কিন্তু এখন তা শ্রমিক শ্রেণির পক্ষে পর্যাপ্ত নয়। এখন আমাদের তাকাতে হবে পেছন দিকে নয়, সামনে — বুর্জোয়া গণতন্ত্রের বদলে প্রলেতারিয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দিকে। আগে প্রলেতারিয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কাজ, প্রলেতারিয় সৈন্যবাহিনী গঠন ও তালিমের কাজ বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে সম্ভব (ও আবশ্যক) ছিলো, কিন্তু এখন আমরা ‘নির্ধারক লড়াইয়ের’ পর্যায়ে পৌঁছেছি বলে সেই কাঠামোর মধ্যে প্রলেতারিয়েতকে সীমাবদ্ধ রাখার অর্থ প্রলেতারিয়েতের স্বার্থের প্রতি বেইমানি করা, দলদ্রোহিতা করা।” [১২]

লেনিনবাদের প্রধান দৃষ্টিছিলো প্রলেতারিয়েতের ক্ষমতা দখল, তজ্জন্য রণনীতি নির্ধারণ ও তদনুযায়ী কাজ করা, বুর্জোয়া গণতন্ত্রের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করা, বুর্জোয়া ও শোষক শ্রেণি দমন, প্রলেতারিয় বিপ্লব সম্পাদন করা, শ্রমিক ও প্রলেতায়িয়েতকে মুক্ত করে বিশ্ববিপ্লবকে এগিয়ে নেয়া। প্রলেতারিয় গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের জন্য সংগ্রামে তার অবদান সারা বিশ্বের জনগণের কাছে প্রভূত তাৎপর্য ধারণ করে চলেছে আজ শত বছর পরেও।

তথ্যসূত্র:

১. লেনিন, অক্টোবর বিপ্লবের চতুর্থ বার্ষিকী উপলক্ষে, ১৪ অক্টোবর, ১৯২১।

২. লেনিন, অক্টোবর বিপ্লবের চতুর্থ বার্ষিকী উপলক্ষে, ১৪ অক্টোবর, ১৯২১।

৩. লেনিন, অক্টোবর বিপ্লবের চতুর্থ বার্ষিকী উপলক্ষে, ১৪ অক্টোবর, ১৯২১।

৪. লেনিন, অক্টোবর বিপ্লবের চতুর্থ বার্ষিকী উপলক্ষে, ১৪ অক্টোবর, ১৯২১,

৫. ভি. আই. লেনিন, গণতান্ত্রিক বিপ্লবে সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির দুই রণকৌশল; প্রগতি প্রকাশন, মস্কো; ১৯৮৪, পৃষ্ঠা-৬।

৬. ভি. আই. লেনিন, গণতান্ত্রিক বিপ্লবে সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির দুই রণকৌশল; প্রগতি প্রকাশন, মস্কো; ১৯৮৪, পৃষ্ঠা-৪২।

৭. লেনিন, প্রলেতারিয় বিপ্লব ও দলদ্রোহী কাউতস্কি, বুর্জোয়া ও প্রলেতারিয় গণতন্ত্র, দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

৮. ভি. আই. লেনিন, গণতান্ত্রিক বিপ্লবে সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির দুই রণকৌশল; প্রগতি প্রকাশন, মস্কো; ১৯৮৪, পৃষ্ঠা-৬-৭।

৯. মাও সেতুং-কৃত ভাগটি হচ্ছে (১) বুর্জোয়া শ্রেণীর একনায়কত্বাধীন প্রজাতন্ত্র (২) সর্বহারা শ্রেণীর একনায়কত্বাধীন প্রজাতন্ত্র এবং (৩) কয়েকটি বিপ্লবী শ্রেণীর একনায়কত্বাধীন প্রজাতন্ত্র।“   নয়াগণতন্ত্র প্রসঙ্গে

১০. লেনিন, পঞ্চম অধ্যায়, রাষ্ট্র ও বিপ্লব।

১১. Mao Tse-tung THE CHINESE REVOLUTION AND THE CHINESE COMMUNIST PARTY December 1939, CHAPTER II THE CHINESE REVOLUTION  5. THE CHARACTER OF THE CHINESE REVOLUTION, Selected Works, Vol. II, p. 327

১২. লেনিন, প্রলেতারিয় বিপ্লব ও দলদ্রোহী কাউতস্কি, রাষ্ট্র সংস্থায় পরিণত হওয়া সোভিয়েতগুলোর উচিত নয়, অনুচ্ছেদ ২৮

আরো পড়ুন

অনুপ সাদির প্রথম কবিতার বই পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১০টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর সমাজতন্ত্র মার্কসবাদ গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।

জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।



(Next News) »



Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *