You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > ইতিহাস > মার্কসবাদী দৃষ্টিতে ইতিহাস

মার্কসবাদী দৃষ্টিতে ইতিহাস

ইতিহাস বিষয়ে এঙ্গেলসের দক্ষতা ছিলো মার্কসের চেয়ে বিস্তৃত। মার্কস তাই বলেছিলেন যে, ইতিহাসের বস্তুবাদী ধারনায় এঙ্গেলস একেবারে নিজস্ব পদ্ধতিতে পৌঁছেছিলেন। এঙ্গেলস কিন্তু বলেছেন, ‘মানুষের ইতিহাসের বিকাশের নিয়ম’ মার্কসের দুটি মূল্যবান আবিষ্কারের অন্যতম।[১] ইতিহাস অর্থ কেবল ঘটনাবলির বর্ণনা নয়। যেকোনো সময়ের বাস্তব অবস্থা, নানা শর্ত, বিভিন্ন সম্পর্কের অন্তর্ভেদ করাই হলো ইতিহাসের দৃষ্টি। রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক এই অর্থে ইতিহাস হচ্ছে ঐতিহাসিক বিজ্ঞান।

অর্থনৈতিক গঠন হলো সমাজের প্রকৃত ভিত্তি। উৎপাদন সম্পর্ক উন্নত পর্যায়ের প্রয়োজনে বদলায়। বুর্জোয়া উৎপাদন ব্যবস্থাই হলো আজ পর্যন্ত সর্বাপেক্ষা প্রগতিশীল অর্থনৈতিক সংগঠন। এই পর্যায়েই শেষ বিরোধমূলক অর্থনৈতিক গঠনের অস্তিত্ব। এরপর আরম্ভ হবে প্রকৃত ইতিহাস। সেটিই হবে মানুষের ইতিহাস, কোনো শ্রেণির আবির্ভাব ও তিরোভাবের ইতিহাস নয়।

ইতিহাসের ধারায় মানুষ তার প্রকৃতিকেও ক্রমাগত নতুন নতুন রূপে গড়ে তুলেছে। ‘সমস্ত ইতিহাসই মানব প্রকৃতির একটি ধারাবাহিক রূপান্তর ছাড়া আর কিছু নয়’।[২] এমনকি ইতিহাস কোনো নৈর্বক্তিক গতিধারা নয়। মানুষের কর্মধারাই হলো ইতিহাস। সামাজিক মানুষের অতীতকে অধ্যয়ন করা মার্কসবাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। অতীতের গর্ভে কীভাবে ঘটে চলেছে পরিবর্তনের ধারা? মানুষের সমাজে সে ইতিহাস কেমন? সে কি ব্যক্তির নির্দেশ চালিত? সে কি নিয়তি নির্ধারিত? সে কি স্বতঃস্ফূর্ত? মার্কসবাদী দৃষ্টিতে ইতিহাস হচ্ছে মানুষেরই কর্মকাণ্ড, গোটা মানবজাতির জীবনক্রিয়া। মার্কস এবং এঙ্গেলস বরং ঐতিহাসিক প্রয়োজনীয়তাকে জনগণের প্রয়োজনীয়তা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। মার্কস লিখেছেন,

ইতিহাস কিছুই করে না, এটির ‘দখলে বিপুল সম্পদ থাকে না’, এটি ‘কোনো যুদ্ধে লিপ্ত হয় না’। এটা হচ্ছে মানুষ, বাস্তব, জ্যান্ত মানুষই ওসব কিছু করে, তাদেরই ঐশ্বর্য আছে এবং তারাই যুদ্ধ করে; ‘ইতিহাস’ পৃথক এমন কোনও মানুষ নয় যে তার নিজস্ব বিশেষ লক্ষ্যের জন্য মানুষকে উপকরণ হিসাবে ব্যবহার করে; নিজস্ব লক্ষ্য অনুসরণকারী মানুষের কার্যকলাপ ছাড়া ইতিহাস আর কিছুই নয়।”[৩]

মার্কসবাদ ইতিহাসের অগ্রগতির প্রাক মার্কসবাদী ধারনাগুলোর দুর্বলতা ও ত্রুটিগুলো দূর করে এবং তার প্রকৃত সারমর্ম ও পরিচালিকা শক্তিগুলোকে আবিষ্কার করে। মার্কসবাদের প্রতিষ্ঠাতাগণ যেমন সমাজকে সাধারণভাবে বিচার করতে রাজি হননি, ঠিক তেমনি তাঁরা ইতিহাসের অগ্রগতির প্রশ্নটিকে বিমূর্তভাবে বিবেচনা করতে অস্বীকার করেছেন। মার্কস এই বলে সতর্ক করে দিয়েছিলেন ‘অগ্রগতির ধারনাটিকে মোটামুটি প্রচলিত বিমূর্তরূপে বুঝলে চলবে না’। তার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো যে ঘটনা একটি ঐতিহাসিক যুগে প্রগতিশীল, অপর একটি যুগে তা প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে উঠে। সুনির্দিষ্ট বিশ্লেষণের জন্য অনিবার্যভাবে প্রয়োজন ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক অর্থনৈতিক গঠনে অগ্রগতির বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো খুঁজে বের করা।[৪] অর্থাৎ মানুষের ইতিহাস ক্রমাগত বিকশিত হচ্ছে নতুন থেকে নতুনতর স্তরে। মার্কসবাদী ইতিহাসতত্ত্ব বর্ণনা করার চেষ্টা করে যে, দ্বান্দ্বিক সম্পর্কে মানুষ যেমন তার পরিবেশকে বদলায় পরিবেশও তেমনই মানুষকে বদলে দেয়। মার্কস লিখেছেন,

“যেমন গ্রামের শহরে রূপান্তর, জঙ্গল পরিষ্কার ভূমিতে পরিণত হওয়া ইত্যাদি পুনরুৎপাদন কেবলমাত্র নৈর্বক্তিক শর্তসমূহেই পালটে দেয় না, উৎপাদনকারীরাও বদলে দেয়। উৎপাদনকারীরা নিজেদের ভেতরে নতুন গুণাগুণ আনে, নতুন শক্তি ও ধারণা, কর্মকাণ্ডের নতুন ধরন, নতুন প্রয়োজন এবং নতুন ভাষা উন্নত করে।”[৫]

মানুষের যাত্রার শুরুতেই সৃষ্টি হয়েছিল মানুষে মানুষে বস্তুগত সম্পর্ক। তার প্রয়োজনের ধরন, প্রয়োজন মেটাবার জন্য উৎপাদনের ধরন সব সময়েই মানুষে মানুষের সম্পর্কের রূপ বদলিয়ে চলেছে, গড়ে উঠেছে ইতিহাস। ইতিহাস মূর্ত হয়েছে সমাজের বস্তুগত উৎপাদনের গতিধারা ও তা থেকে উদ্ভূত সামাজিক ও আত্মিক নানা ভাবনা চিন্তার পরস্পর ক্রিয়া-বিক্রিয়া হিসেবে। মার্কস ও এঙ্গেলস লিখেছেন,

“ইতিহাসের ধারনা কেমন হবে, প্রকৃত উৎপাদন প্রক্রিয়াকে আমাদের ব্যাখ্যা ও বর্ণনা করার ক্ষমতার উপর তা নির্ভর করে। এতে উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বুঝতে হবে খোদ জীবনের বস্তুগত উৎপাদন থেকে শুরু করে এবং এই উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বিনিময় সম্পর্কের রূপ ও উৎপাদন পদ্ধতির, অর্থাৎ বিকাশের বিভিন্ন স্তরে হাজির নাগরিক সমাজের, ধরনের সামগ্রিক উপলব্ধি থেকে_ এই সামগ্রিক উপলব্ধিই সব ইতিহাসের ভিত্তি। দেখাতে হবে, রাষ্ট্র হিসেবে এর তৎপরতা এবং নানান সব তত্ত্বের ফসল ও চেতনার রূপ, ধর্ম, দর্শন, নৈতিকতা ইত্যাদির বিভিন্ন প্রকাশ ও মর্ম ব্যাখ্যা এবং এর উদ্ভব ও বিকাশ অনুসন্ধান। এটা করতে পারার অর্থ হবে অবশ্যই, পুরো বিষয়টাই চিত্রিত হবে এক সামগ্রিকতায়, এবং অতএব এর বিভিন্ন দিকের একে অন্যের উপর ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায়।”[৬]

মানুষের প্রকৃত জীবনক্রিয়াকে ধরতে পারলে ইতিহাসের নৈর্বক্তিক রূপটি অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়বে। বরং প্রকৃত, সুনির্দিষ্ট বৈষয়িক শর্তের মধ্যে বিকাশ প্রক্রিয়ায় মানুষের ইতিহাসকে পর্যবেক্ষণে উপলব্ধি করা যাবে। মানব জাতির বিকাশ সামগ্রিকভাবে অচলের নেতিকরণের প্রক্রিয়াও বটে, আবার যেসব বৈষয়িক, নৈতিক ও শৈল্পিক মূল্যবোধ আমাদেরকে প্রকৃতির শক্তিগুলোকে আয়ত্ত করতে এবং সমাজবিকাশের স্বতঃস্ফূর্ত পথের উপর মানুষের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম করে সেগুলোর উন্নতকরণের প্রক্রিয়াও বটে। কার্ল মার্কস লিখেছেন,

“এই সক্রিয় জীবন প্রক্রিয়া বর্ণনা করা মাত্র ইতিহাস আর মৃত ঘটনার সংকলন থাকে না; ঠিক যেমন অভিজ্ঞতাবাদী (যারা নিজেরাই এখনো বিমূর্ত) এর কাছে থাকে, অথবা ভাববাদীর কাছে কল্পিত কর্ম-তৎপরতা হিসেবে থাকে।”[৭]

মানবতার ইতিহাস অবশ্যই শিল্প আর বিনিময়ের ইতিহাসের সাপেক্ষে অধ্যয়ন ও বিবেচনা করতে হবে। মানুষের জীবনযাপনের নিশ্চয়তাই ইতিহাসের গতিধারার প্রাক শর্ত। কার্ল মার্কস লিখেছেন,

“… সকল মানবের অস্তিত্বের এবং, অতএব, সকল ইতিহাসের প্রথম প্রতিজ্ঞা (ইংরেজি premise) হচ্ছে, যে “ইতিহাস নির্মাণে” সমর্থ হবার উদ্দেশ্যে মানুষদেরকে একটি অবস্থানে থেকে বাস করতে হবে। কিন্তু জীবন সবকিছুর আগে জড়িয়ে যায় খাদ্য ও পানীয়ে, একটি বাসস্থান, পরিচ্ছদ এবং আরো অনেক জিনিসে।”[৮]

মানুষের প্রয়োজনের জন্য উৎপাদন থেকেই ইতিহাসের শুরু। সেই প্রয়োজন সৃষ্টি করল নতুনতর প্রয়োজন এবং তা ক্রমপ্রসারিত হলো নানা মানবিক সম্পর্ক সূত্রের মধ্য দিয়ে। ব্যবহারযোগ্য বস্তুর উৎপাদনে মানুষকে কোনো না কোনো সম্পর্কের বন্ধনে, কোনো না কোনো উৎপাদন সম্পর্কে আবদ্ধ হতে হয়। কালক্রমে অচল উৎপাদন সম্পর্কগুলোর বিলোপ হয় এবং তার জায়গা নেয় উচ্চতর ধরনের উৎপাদন সম্পর্ক ও উচ্চতর সামাজিক-অর্থনৈতিক গঠন। মার্কস দেখিয়েছেন যে উৎপাদন সম্পর্ক নির্ভর করে সমাজের বৈষয়িক উৎপাদিকা শক্তির বিকাশের স্তরের উপর।

আদিম সমাজগুলোকে একটিই নমুনা মনে না করে দেখতে হবে প্রত্যেকটিকে অন্যটি থেকে পৃথক হিসেবে এবং একটি থেকে অন্যটিতে ক্রমোন্নতির গতিধারায়। কার্ল মার্কস লিখেছেন,

“আদিম সমাজগুলোর সবগুলোই একই ধরনে বিরাজিত ছিলো না। অপরপক্ষে সেগুলো একত্রে গঠন করেছিলো ক্রমান্বয়িক সামাজিক অনেকগুলো গ্রুপ যেগুলোর ধরন এবং বয়সে পার্থক্য ছিলো এবং উন্নয়নের বিভিন্ন পর্যায়কে চিহ্নিত করেছিলো।”[৯]

এই গতিধারায় ইতিহাসের পর্বে আজ যা বাস্তব ও যুক্তিপূর্ণ, কাল তা অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। যা আজ অস্তিত্বসম্পন্ন, কাল তা লুপ্ত হয়। মার্কসবাদীগণ ইতিহাসকে গতির ভেতরে দেখেন এবং দেখিয়েছেন যে ইতিহাস অতীতে চারটি সমাজব্যবস্থাকে অতিক্রম করেছে এবং ভবিষ্যতে সাম্যবাদী সমাজে এর উত্তরণ ঘটবে।

ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে দেখা যায় মানুষের সমাজের ইতিহাস থেকে প্রকৃতির ইতিহাসকে বা প্রকৃতির ইতিহাস থেকে সমাজের বিকাশের ইতিহাসকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা হয়। কিন্তু কার্ল মার্কস এই দৃষ্টিভঙ্গির বিরোধীতা করে বললেন ‘আমরা কেবল একটি বিজ্ঞানের কথাই জানি, তা হলো ইতিহাসের বিজ্ঞান। ইতিহাসকে অন্য কেউ দুইভাবে দেখতে পারে। অর্থাৎ তারা ইতিহাসকে প্রকৃতির ইতিহাস ও মানুষের ইতিহাস এই দুইভাগে ভাগ করতে পারে। যাহোক, তারা আদতেই অবিচ্ছিন্ন; যতদিন মানুষের অস্তিত্ব থাকবে ততদিন প্রকৃতি ও মানুষের ইতিহাস পরস্পর নির্ভরশীল হয়ে থাকবে।’[১০] ফয়েরবাখের তাত্ত্বিক ভ্রান্তির বিরুদ্ধে দাড়িয়ে তিনি এই কথা বলেন। ফয়েরবাখ মানুষ ও সমাজের ইতিহাসকে প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন করার কারনে প্রকৃতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যে মানুষের সমাজের বিকাশ সাধিত হয়েছে তা অস্বীকার করেছিলেন।

জনগণই তাঁদের ইতিহাসের নির্মাতা, মানুষই ইতিহাস নির্মাণ করে। তাঁদের ক্রিয়াকলাপের সংঘাতেই নির্দিষ্ট হয় ইতিহাসের গতি। কিন্তু সেই গতি স্বতঃস্ফূর্তভাবে রূপ গ্রহণ করে না। কার্ল মার্কস লিখেছেন,

“স্বীয় ইতিহাস মানুষই রচনা করে বটে, কিন্তু ঠিক আপন খুশিমতো নয়, নিজেদের নির্বাচিত পরিস্থিতিতে নয়, প্রত্যক্ষবর্তী, অতীত থেকে প্রদত্ত ও আগত পরিস্থিতির মধ্যে। মৃত পূর্বপুরুষদের সমস্ত ঐতিহ্য জীবিত লোকের মাথায় দুঃস্বপ্নের মতো চেপে বসে থাকে। এমনকি যখন মনে হয় তারা নিজেদের মধ্যে ও বস্তুজগতে বিপ্লবসাধনে, তথা অভূতপূর্ব কোনো সৃষ্টির কাজে প্রবৃত্ত হয়েছে, বৈপ্লবিক সংকটের ঠিক সেই পর্বগুলিতেই তারা অতীতের ভূত নামিয়ে এনে নিজেদের কাজে লাগাবার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে এবং তাদের নাম, রণধ্বনি ও সাজসজ্জা ধার নিয়ে পৃথিবীর ইতিহাসপটে নূতন দৃশ্যটিকে কালপূজ্য ছদ্মবেশ ও ধার করা ভাষায় উপস্থিত করতে চায়।”[১১]

জনগণের ঐতিহাসিক কার্যকলাপ সংঘটিত হয় সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম অনুসারে। এই নিয়মগুলি ইচ্ছা বা চেতনার উপর নির্ভর করে না। মানবিক ক্রিয়াকলাপের এই নিয়মগুলো জানা সম্ভব এবং সামাজিক সম্পর্কের পুনর্গঠনে ও সামাজিক বিপ্লবের প্রক্রিয়ায় তা সচেতনভাবে ব্যবহার করা যায়। মার্কসবাদ সেই নিয়মগুলির সন্ধান করে ভবিষ্যতের সাম্যবাদী সমাজ তৈরির বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ডে সেগুলোকে কাজে লাগাতে চায়।[১২]

তথ্যসূত্র ও টিকা:

১. ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস, কার্ল মার্কসের সমাধিপার্শ্বে বক্তৃতা, ১৭ মার্চ, ১৮৮৩, মার্কস এঙ্গেলস রচনা সংকলন, দ্বিতীয় খণ্ড প্রথম অংশ, প্রগতি প্রকাশন, মস্কো, ১৯৭২, পৃষ্ঠা ১৮৪।

২. কার্ল মার্কস, দর্শনের দারিদ্র, আলাউদ্দিন আহমদ অনূদিত, স্বপন স্মৃতি পরিষদ, ঢাকা, দ্বিতীয় প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি, ২০০৫, পৃষ্ঠা, ১৩৫

৩. কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস, পবিত্র পরিবার, ১৮৪৬, অধ্যায় ছয়, লিংক https://www.marxists.org/archive/marx/works/1845/holy-family/ch06_2.htm#history]

৪. গীতা মুখোপাধ্যায় ও সুকুমার গুপ্ত অনূদিত, মার্কসবাদী-লেনিনবাদী দর্শনের মূলকথা, দ্বিতীয় ভাগ, ঐতিহাসিক বস্তুবাদ, মনীষা কলকাতা, তারিখহীন, পৃষ্ঠা ৩৫৬-৩৫৭

৫. কার্ল মার্কস গ্রুন্ডরিসে, অধ্যায় নয়, লিংক https://www.marxists.org/archive/marx/works/1857/grundrisse/ch09.htm

৬. মার্কস ও এঙ্গেলস, জার্মান ভাবাদর্শ, ১৮৪৫, গৌতম দাস অনূদিত, আগামী প্রকাশনী, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০০৯, পৃষ্ঠা ১৫৩

৭. মার্কস ও এঙ্গেলস, জার্মান ভাবাদর্শ, ১৮৪৫, গৌতম দাস অনূদিত, আগামী প্রকাশনী, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০০৯, পৃষ্ঠা ১৩০-১৩১

৮. মার্কস ও এঙ্গেলস, জার্মান ভাবাদর্শ, ১৮৪৫, History: Fundamental Conditions, https://www.marxists.org/archive/marx/works/1845/german-ideology/ch01a.htm

৯. K. Marx: “Third Draft of Letter to V. Zasulich”, March 8th., 1881, in: “Pre-capitalist Economic Formations”; London; 1964; P. 144

১০. কার্ল মার্কস, জার্মান ভাবাদর্শ, ১৮৪৫, ফয়েরবাখঃ বস্তুবাদী ও ভাববাদী দৃষ্টিভঙ্গির বিপরীতে, দেখুন গৌতম দাস অনূদিত, আগামী প্রকাশনী, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০০৯, পৃষ্ঠা ১১৮

১১. কার্ল মার্কস, লুই বোনাপার্টের আঠারোই ব্রুমেয়ার, ১৮৫২, মার্কস এঙ্গেলস রচনা সংকলন, চার খণ্ডে সম্পূর্ণ, প্রথম খণ্ড প্রথম অংশ, প্রগতি প্রকাশন মস্কো, ১৯৭২, পৃষ্ঠা ২৪০

১২ প্রবন্ধটি আমার [অনুপ সাদি] রচিত ২০১৬ সালে ভাষাপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত মার্কসবাদ গ্রন্থের ১১৯-১২৫ পৃষ্ঠা থেকে নেয়া হয়েছে এবং রোদ্দুরেতে প্রকাশিত।

রচনাকাল ২২ মার্চ ২০১৫

আরো পড়ুন:  কমিউনিস্ট ইশতেহারের ১৮৯o সালের জার্মান সংস্করণের ভূমিকা
Anup Sadi
অনুপ সাদির প্রথম কবিতার বই “পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি” প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১০টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর “সমাজতন্ত্র” ও “মার্কসবাদ” গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন “বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা” নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।

Leave a Reply

Top