You are here
Home > সংকলন > এঙ্গেলস > কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, প্রলেতারিয়েত ও কমিউনিস্টগণ

কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার, প্রলেতারিয়েত ও কমিউনিস্টগণ

— কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস

কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার,

প্রলেতারিয়েত ও কমিউনিস্টগণ

সমগ্রভাবে প্রলেতারীয়দের সঙ্গে কমিউনিস্টদের কী সম্বন্ধ?

শ্রমিক শ্রেণীর অন্যান্য পাটিগুলির প্রতিপক্ষ হিসাবে কমিউনিস্টরা স্বতন্ত্র পার্টি গঠন করে না।

সমগ্রভাবে প্রলেতারিয়েতের স্বাৰ্থ থেকে বিচ্ছিন্ন স্বতন্ত্র কোনো স্বাৰ্থ তাদের নেই।

প্রলেতারীয় আন্দোলনকে রূপ দেওয়া বা গড়ে পিটে তোলার জন্য তারা নিজস্ব কোনও গোষ্ঠীগত নীতি খাড়া করে না।

শ্রমিক শ্রেণীর অন্যান্য পার্টি থেকে কমিউনিস্টদের তফাতটা শুধু এই: (১) নানা দেশের মজুরদের জাতীয় সংগ্রামের ভিতর তারা জাতি-নির্বিশেষে সারা প্রলেতারিয়েতের সাধারণ স্বার্থটার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে, তাকেই সামনে টেনে আনে। (২) বুর্জোয়াদের বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণির লড়াইকে যে বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করতে হয় তার মধ্যে তারা সর্বদা ও সর্বত্র সমগ্র আন্দোলনের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে।

সুতরাং কমিউনিস্টরা হলো একদিকে কার্যক্ষেত্রে প্রতি দেশের শ্রমিক শ্রেণির পার্টিগুলির সর্বাপেক্ষা অগ্রসর ও দৃঢ়চিত্ত অংশ—যে অংশ অন্যান্য সবাইকে সামনে ঠেলে নিয়ে যায়। অপরদিকে, তত্ত্বের দিক দিয়ে শ্রমিক শ্রেণির অধিকাংশের তুলনায় তাদের এই সুবিধা যে শ্রমিক আন্দোলনের এগিয়ে যাওয়ার পথ, শর্ত এবং শেষ সাধারণ ফলাফল সম্বন্ধে তাদের স্বচ্ছ বোধ রয়েছে।

কমিউনিস্টদের আশু লক্ষ্য শ্রমিকদের অন্যান্য পার্টির উদ্দেশ্য থেকে অভিন্ন: প্রলেতারিয়েতকে শ্ৰেণি হিসাবে সংগঠিত করা, বুর্জোয়া আধিপত্যের উচ্ছেদ, প্রলেতারিয়েত কর্তৃক রাজনৈতিক ক্ষমতা অধিকার ।

কমিউনিস্টদের তাত্ত্বিক সিদ্ধান্তগুলি মোটেই এমন কোনো ধারণা বা মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত নয় যা বিশেষ কোনো ভাবী বিশ্বসংস্কারকের রচনা বা আবিষ্কার।

যে শ্রেণিসংগ্রাম, যে ঐতিহাসিক আন্দোলন আমাদের নিজের চোখের সামনে বর্তমান তা থেকে বাস্তব যে সম্পর্কগুলির উৎপত্তি, কমিউনিস্ট তত্ত্ব কেবল তাকেই সাধারণ সূত্র রূপে প্ৰকাশ করে। প্ৰচলিত মালিকানা সম্পর্কের উচ্ছেদটা মোটেই কমিউনিজমের একান্ত বৈশিষ্ট্য নয়।

ঐতিহাসিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অতীতের সমস্ত মালিকানা সম্পর্কেও ঐতিহাসিক বদল ঘটেছে।

যেমন, ফরাসী বিপ্লব বুর্জোয়া মালিকানার অনুকূলে সামন্ত সম্পত্তির উচ্ছেদ করে।

সাধারণভাবে মালিকানার উচ্ছেদ নয়, বুর্জোয়া মালিকানার উচ্ছেদই কমিউনিজমের বৈশিষ্ট্যসূচক দিক। কিন্তু শ্রেণি-বিরোধের উপর, অল্পলোকের দ্বারা বহুজনের শোষণের উপর প্রতিষ্ঠিত উৎপাদন এবং উৎপন্ন দখলী ব্যবস্থার চূড়ান্ত ও পূর্ণতম প্রকাশ হলো আধুনিক বুর্জোয়া ব্যক্তিগত মালিকানা ।

এই অর্থে কমিউনিস্টদের তত্ত্বকে এক কথায় প্রকাশ করা চলে: ব্যক্তিগত মালিকানার উচ্ছেদ।

আমাদের বিরুদ্ধে — কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে — অভিযোগ আনা হয়েছে যে, ব্যক্তিবিশেষের নিজ পরিশ্রমের ফল হিসেবে নিজস্ব সম্পত্তি অর্জনের অধিকারের আমরা উচ্ছেদ করতে চাই, বলা হয় যে, সকল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, কর্ম ও স্বাবলম্বনের মূলভিত্তি হলো এই সম্পত্তি।

কষ্টলব্ধ, স্বাধিকৃত, স্বোপার্জিত সম্পত্তি! সামান্য কারিগর ও ক্ষুদে চাষীর সম্পত্তির কথাই কি বলা হচ্ছে, যে ধরনের সম্পত্তি ছিল বুর্জোয়া সম্পত্তির আগে? তাকে উচ্ছেদ করার কোনো প্রয়োজন নেই; যন্ত্রশিল্পের বিকাশ ইতোমধ্যেই তাকে অনেকাংশে ধ্বংস করেছে, এখনও প্রতিদিন ধ্বংস করে চলেছে।

নাকি বলা হচ্ছে আধুনিক বুর্জোয়া ব্যক্তিগত মালিকানার কথা?

কিন্তু মজুরি-শ্রম কি মজুরদের জন্য কোনো মালিকানা সৃষ্টি করে? একেবারেই না। সে সৃষ্টি করে পুঁজি, অর্থাৎ সেই ধরনের সম্পত্তি যা মজুরি-শ্রমকে শোষণ করে, নিত্য নূতন শোষণের জন্য নূতন নূতন মজুরি-শ্রমের সরবরাহ সৃষ্টির শর্ত ছাড়া যা বাড়তে পারে না। বর্তমান ধরনের এই মালিকানা পুঁজি ও মজুরি-শ্রমের বিরোধের উপর প্রতিষ্ঠিত। বিরোধের দুইটি দিকই পরীক্ষা করে দেখা যাক ।

পুঁজিপতি হওয়া মানে উৎপাদন-ব্যবস্থার মধ্যে শুধু একটা ব্যক্তিগত নয়, একটা সামাজিক প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন। পুঁজি একটা যৌথ সৃষ্টি; সমাজের অনেক লোকের মিলিত কাজের ফলে, এমন কি শেষ বিশ্লেষণে, সমাজের সকল লোকের মিলিত কর্মেই পুঁজিকে চালু করা যায়।

পুঁজি তাই ব্যক্তিগত নয়, একটা সামাজিক শক্তি।

কাজেই পুঁজিকে সাধারণ সম্পত্তিতে অর্থাৎ সমাজের সকল লোকের সম্পত্তিতে পরিণত করলে, তার দ্বারা ব্যক্তিগত সম্পত্তি সামাজিক সম্পত্তিতে রূপান্তরিত হয় না। মালিকানার সামাজিক রূপটাই কেবল বদলে যায়। তার শ্রেণিগত প্রকৃতিটা লোপ পায়।

এবার মজুরি-শ্রমের কথা ধরা যাক ।

মজুরি-শ্রমের গড়পড়তা দাম হলো নিম্নতম মজুরি, অর্থাৎ মেহনতী হিসাবে মেহনতীর মাত্র অস্তিত্বটুকু বজায় রাখার জন্য যা একান্ত আবশ্যক, গ্রাসাচ্ছাদনের সেইটুকু উপকরণ। সুতরাং মজুরি-শ্রমিক শ্রম করে যেটুকু ভাগ পায় তাতে কেবল কোনোক্রমে এই অস্তিত্বটুকু চালিয়ে যাওয়া ও পুনরুৎপাদন করা চলে। শ্রমোৎপন্নের উপর এই ব্যক্তিগত দখলী, যা কেবল মানুষের প্রাণরক্ষা ও নূতন মানুষের জন্মদানের কাজে লাগে এবং অপরের পরিশ্রমের উপর কর্তৃত্ব চালাবার মতো কোনো উদৃত্ত যার থাকে না, তেমন ব্যক্তিগত দখলীর উচ্ছেদ একেবারেই আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা কেবল উচ্ছেদ চাই দখলীর এই শোচনীয় প্রকৃতিটার, যার ফলে শ্রমিক বাঁচে শুধু পুঁজি বাড়ানোর জন্য, তাকে বাঁচতে হয় শাসক শ্রেণির স্বাৰ্থসিদ্ধির জন্য যতটা প্রয়োজন ঠিক ততখানি পর্যন্ত। বুর্জোয়া সমাজে জীবন্ত পরিশ্রম পূর্বসঞ্চিত পরিশ্রম বাড়াবার উপায়মাত্র। কমিউনিস্ট সমাজে কিন্তু পূর্বসঞ্চিত পরিশ্রম শ্রমিকের অস্তিত্বকে উদারতর, সমৃদ্ধতির, উন্নততর করে তোলার উপায়।

সুতরাং বুর্জোয়া সমাজে বর্তমানের উপর আধিপত্য করে অতীত; কমিউনিস্ট সমাজে বর্তমান আধিপত্য করে অতীতের উপর। বুর্জোয়া সমাজে পুঁজি হলো স্বাধীন, স্বতন্ত্র-সত্তা, কিন্তু জীবন্ত মানুষ হলো পরাধীন, স্বতন্ত্র-সত্তাবিহীন।

অথচ এমন অবস্থার অবসানকেই বুর্জোয়া বলে স্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের উচ্ছেদ। কথাটা সত্যই। বুর্জোয়া ব্যক্তিত্ব, বুর্জোয়া স্বাতন্ত্র্য, বুর্জোয়া স্বাধীনতার উচ্ছেদই যে আমাদের লক্ষ্য তাতে সন্দেহ নেই।

উৎপাদনের বর্তমান বুর্জোয়া ব্যবস্থায় স্বাধীনতার অর্থ হলো অবাধ বাণিজ্য, অবাধে বেচাকেনার অধিকার ।

কিন্তু যদি বেচাকেনাই লোপ পায়, তবে অবাধ বেচাকেনাও অন্তর্ধান করবে। এই অবাধ বেচাকেনার কথাটা এবং সাধারণভাবে স্বাধীনতা সম্বন্ধে আমাদের বুর্জোয়াদের অন্য সব ‘আস্ফালনের’ যদি কোনো অর্থ থাকে তবে সে শুধু সীমাবদ্ধ কেনাবেচার সঙ্গে তুলনায়, মধ্যযুগীয় বাধাগ্ৰস্ত বণিকদের সঙ্গে তুলনায়; কেনাবেচার, উৎপাদনের বুর্জোয়া শর্ত ও খোদ বুর্জোয়া শ্রেণিটারই যে উচ্ছেদের কথা কমিউনিস্টরা বলে তার কাছে এগুলির কোনো অর্থ টেকে না।

আমরা ব্যক্তিগত মালিকানার অবসান চাই শুনে আপনারা আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন। অথচ আপনাদের বর্তমান সমাজে জনগণের শতকরা নব্বই জনের ব্যক্তিগত মালিকানা তো ইতোমধ্যেই লোপ পেয়েছে; অল্প কয়েকজনের ভাগ্যে সম্পত্তির একমাত্র কারণ হল ঐ দশ ভাগের নয় ভাগ লোকের হাতে কিছুই না থাকা । সুতরাং আমাদের বিরুদ্ধে আপনাদের অভিযোগ দাঁড়ায় এই যে সম্পত্তির অধিকারের এমন একটা রূপ আমরা তুলে দিতে চাই যা বজায় রাখার অনিবাৰ্য শর্ত হলো সমাজের বিপুল সংখ্যাধিক লোকের সম্পত্তি না থাকা।

এক কথায়, আমাদের সম্বন্ধে আপনাদের অভিযোগ এই যে আপনাদের সম্পত্তির উচ্ছেদ আমরা চাই। ঠিক কথা, আমাদের সংকল্প ঠিক তা-ই।

যেই মানুষের পরিশ্রমকে আর পুঁজি, মুদ্রা, অথবা খাজনাতে পরিণত করা চলে না, একচেটিয়া কর্তৃত্বের মুঠির আয়ত্তাধীন একটা সামাজিক শক্তিতে পরিণত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে—অর্থাৎ যেই নিজস্ব মালিকানা আর বুর্জোয়া মালিকানায়, পুঁজিতে রূপান্তরিত হতে পারে না, তখনি আপনারা বলেন ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য শেষ হয়ে গেল।

তাহলে স্বীকার করুন যে ‘ব্যক্তি’ বলতে বুর্জেয়া ছাড়া, শুধু মধ্য শ্রেণীভুক্ত সম্পত্তির মালিক ছাড়া অন্য লোক বোঝায় না। এহেন ব্যক্তিকে অবশ্যই পথ থেকে বেঁটিয়ে বিদায় দিতে হবে, তার অস্তিত্ব করে তুলতে হবে অসম্ভব।

সমাজের উৎপন্ন জিনিসে দখলীর অধিকার থেকে কমিউনিজম কোনও লোককে বঞ্চিত করে না; দখলীর মাধ্যমে অপরের পরিশ্রমকে করায়ত্ত করার ক্ষমতাটাই সে কেবল হরণ করে।

আপত্তি উঠেছে যে ব্যক্তিগত মালিকানার উচ্ছেদ হলে সমস্ত কাজ বন্ধ হয়ে যাবে, সর্বব্যাপী আলস্য আমাদের অভিভূত করবে।

এই মত ঠিক হলে বহুপূর্বেই নিছক আলস্যের টানে বুর্জেীয়া সমাজের রসাতলে যাওয়া উচিত ছিলো, কারণ ও সমাজে যারা খাটে তারা কিছু অর্জন করে না, আর যারা সবকিছু পায়, তাদের খাটতে হয় না। সমস্ত আপত্তিটাই অন্য ভাষায় এই পুনরুক্তির সামিল: যখন পুঁজি থাকবে না তখন মজুরি-শ্রমও অদৃশ্য হবে।

বৈষয়িক দ্রব্যের উৎপাদন ও দখলী বিষয়ে কমিউনিস্ট পদ্ধতির বিরুদ্ধে যত আপত্তি আনা হয়, মানসিক সৃষ্টির উৎপাদন ও দখলী সম্পর্কে কমিউনিস্ট পদ্ধতির বিরুদ্ধেও ঠিক সেই আপত্তি তোলা হয়। বুর্জোয়ার কাছে শ্রেণিগত মালিকানার উচ্ছেদটা যেমন উৎপাদনেরই অবসান বলে মনে হয়, তেমনি শ্রেণিগত সংস্কৃতির লোপ তার কাছে সকল সংস্কৃতি লোপ পাওয়ার সমার্থক।

যে সংস্কৃতির অবসান ভয়ে বুর্জোয়ারা বিলাপ করে, বিপুল সংখ্যাধিক জনগণের কাছে তা যন্ত্র হিসাবে কাজ করার একটা তালিম মাত্র।

বুর্জোয়া মালিকানা উচ্ছেদে আমাদের সংকল্পের বিচারে যদি আপনারা স্বাধীনতা, সংস্কৃতি, আইন ইত্যাদির বুর্জোয়া ধারণার আশ্রয় নেন তাহলে আমাদের সঙ্গে তর্ক করতে আসবেন না। আপনাদের ধারণাগুলিই যে আপনাদের বুর্জোয়া উৎপাদন ও বুর্জোয়া মালিকানার পরিস্থিতি থেকেই উদ্ভূত, ঠিক যেমন আপনাদের শ্রেণির ইচ্ছাটা সকলের উপর আইন হিসাবে চাপিয়ে দেওয়াটাই হলো আপনাদের আইনশাস্ত্র, আপনাদের এ ইচ্ছাটার মূল প্রকৃতি ও লক্ষ্যও আবার নির্ধারিত হচ্ছে আপনাদের শ্রেণিরই অস্তিত্বের অর্থনৈতিক অবস্থা দ্বারা।

আপনাদের বর্তমান উৎপাদন-পদ্ধতি ও সম্পত্তির রূপ থেকে যে সামাজিক রূপ মাথা তোলে, ঐতিহাসিক এই যে সম্পর্ক উৎপাদনের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে উদয় ও লয় পায়, আত্মপর বিভ্রান্তির ফলে আপনারা তাকে প্রকৃতি ও বিচারবুদ্ধির চিরন্তন নিয়মে রূপান্তরিত করতে চান, আপনাদের আগে যত শাসক শ্রেণি এসেছে তাদের সকলেরই ছিল অনুরূপ বিভ্রান্তি। প্রাচীন সম্পত্তির ক্ষেত্রে যে কথাটা আপনাদের কাছে পরিষ্কার, সামন্ত সম্পত্তির বেলায় যা আপনারা মেনে নেন, আপনাদের নিজস্ব বুর্জোয়া ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে অবশ্যই সে কথা আপনাদের স্বীকার করা বারণ।

দ্বিতীয় অংশ পড়ুন এই লিংক থেকে

কমিউনিস্ট ইশতেহারের সূচিপত্রে যান এই লিংক থেকে

 

আরো পড়ুন

Anup Sadi
অনুপ সাদির প্রথম বই প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১০টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর সমাজতন্ত্র মার্কসবাদ গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।

Leave a Reply

Top