আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > জীবনশৈলি > রান্না ও খাবার সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ৬৫টি ঘরোয়া টিপস

রান্না ও খাবার সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ৬৫টি ঘরোয়া টিপস

গৃহিণীদের রান্না রান্না ও খাবার সংরক্ষণের প্রয়োজন পড়ে প্রতিনিয়ত। রান্নাকে সুস্বাদু করার জন্য বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। সাধারণত সময় বাঁচাতে এবং কাজে ভুল এড়াতে এখানে কিছু টিপস বা নির্দেশাবলী দেয়া গেল যেগুলো অনুসরণ করলে রান্না ও খাবার তৈরি করার কাজটি কিছুটা হলেও সহজ হবে।

১. রান্নাঘরে বা খাবার ঘরে অনেক সময় মাছির উৎপাত বেশী হয়। নিমপাতা থেঁতলে ঘরের দু’চার জায়গায় রেখে দিলে, মাছি সহজে আসে না।

২. চাল ভিজিয়ে তা বেটে সাধারণত ইডলি বানাতে হয়। চাল বা চালের গুড়া যদি গরম পানিতে ভেজান হয় তবে ইডলি নরম হয়।

৩. বেশি করে কাঁচামরিচ আনা হলে দেখা যায় তা শেষ হওয়ার আগেই শুকিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে পরিষ্কার শুকনো শিশিতে কাঁচামরিচ রেখে, মুখটায় একটা ন্যাকড়া রেখে ছিপি এঁটে দিলে, সপ্তাহ খানেক তাজা থাকে।

৪.  অড়হর ডাল যদি তাড়াতাড়ি গলাতে চান তবে ফুটন্ত ডালে ২ থেকে ৪টা চাল ফেলে দিন অথবা চাল ধোয়া পানিতে ঐ ডাল সিদ্ধ করুন।  দেখবেন ডাল পূর্বের চেয়ে দ্রুত সিদ্ধ হচ্ছে।

৫. বেশী রাত্রে মাংস, পোলাও ইত্যাদি গুরুপাক দ্রব্য খেলে পেট প্রায়ই ভার হয়ে থাকে। খাবারের আগে এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ গরম পানি খেয়ে নিলে আর পেট গরম হবে না, হজমও চটপট হবে।

৬. চা তৈরী করার পর কাপে ঢালার আগে লিকার করা কেটলিতে গোটা কয়েক কৎবেলের চোকলা ফেলে দিলে চায়ের স্বাদ বেড়ে যায়।

৭. একটি নারকেল ভাঙ্গার পরে একটি মালাই যদি কোরার প্রয়োজন থাকে এবং অন্যটিকে তুলে রেখে দিতে হয়, তবে সেক্ষেত্রে দুটি মালাই আধখানা করে কুরে তুলে রেখে দিলে, দু-চার দিন ভালো থাকবে।

৮. কিছু কিছু পাতিলেবু টিপলে রস বেরোয় না। এই ধরনের লেবুকে চুলা বা উনুনের পাশে রেখে অথবা গরম পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে নিংড়েলে অনেক রস বেরোবে। অনেক সময় লবণ গলে পানি হয়ে যায়। লবণদানিতে গোটা কয়েক চাল রেখে দিলে লবণ বেশ ঝরঝরে থাকে।

৯. অনেক সময় লবণ ডেলা ডেলা হয়ে যায়। ডেলা লবণ ভেঙ্গে গুড়িয়ে কড়ায় গরম করে শিশিতে রাখলে ভালো থাকে। পেঁয়াজ ছাড়াতে গেলে চোখে পানি আসবেই। কিন্তু মাথার দিক থেকে চোকলা ছাড়ালে চোখের পানি বেরোয় না।

১০. পেয়াজের মাঝখানে কেটে দু’ভাগ করে ঠান্ডা পানিতে মিনিট পাঁচেক রেখে তারপর কাটলে চোখ দিয়ে পানি গড়াবে না। সহজে খোসা ছাড়ানো যাবে।

১১. ঢেঁড়স, বীন, কাঁচামরিচ ইত্যাদি বেশিদিন থাকে না। শুকিয়ে যায়। তার বোঁটা ছাড়িয়ে বা কেটে রাখলে বেশ কিছুদিন তাজা থাকে।

১২. রাঁধবার পর দেখা গেল ডাল, ঝোল ইত্যাদিতে লবণ বেশী হয়ে গেছে। একটা আলু চাকা চাকা করে কেটে নিয়ে ঝোলে বা ডালে দিয়ে তরকারিটা ফের উনুনের উপর কিছুক্ষণের জন্য জ্বাল করতে হবে। অল্পক্ষণ পরেই আলুর ঐ টুকরোগুলো কিছুটা লবণ টেনে নেবে।

১৩. অনেকগুলো লেবু ভুলবশতঃ কাটা হয়ে গেলে বাড়তি লেবুর টুকরোগুলো লবণের পাত্রে রেখে দিলে, ৩ থেকে ৪ দিন ভালোই থাকবে।

১৪. কাঁচের গ্লাসে গরম কিছু ঢালার আগে একটি চামচ গ্লাসে রেখে দিলে গ্লাসে চিড় ধরবে না।

১৫. চিনি বা গুড়ের রস করার জন্য জ্বাল দেওয়ার সময় তাতে যদি একটু-দুধ ঢেলে দেয়া হয় তবে চিনি এবং গুড়ে যে নোংরা থাকে তা ভেসে ওঠে।

১৬. তরিতরকারী শুকিয়ে গেলে পাতিলেবুর রস মেশানো পানিতে ঘন্টাখানেক ডুবিয়ে তুলে নিন, সেগুলো টাটকা দেখাবে।

১৭. বঁটি বা ছুরিতে জং ধরলে পাতিলেবুর বা আলুর টুকরো দিয়ে ঘষে নিলে জং ছেড়ে যায়।

১৮. কফির লিকার বেশী হয়ে গেলে ফেলে না দিয়ে, তাতে দু’ চামচ চিনি দিয়ে রেখে দিলে পরের দিন অনায়াসেই খাওয়া যায়।

১৯. গ্রীষ্মকালে দুধ ফেটে যায় প্রায়ই। তাই দুধ ফুটিয়ে ঠান্ডা করে, যে কোন পাত্রে পানি দিয়ে তার উপর দুধের পাত্রটি রাখলে দুধ ফাটবে না।

২০. যদি দেখেন জ্বাল দিলে দুধ ফেটে যাবার আশংকা আছে তাহলে জ্বাল দেবার আগে দুধে একটু খাবার সোডা ফেলে দেবেন।

২১. পাতলা ন্যাকড়ায় খানিকটা চাল পোঁটলা বেধে লবণের পাত্রে রেখে দিলে সেই লবণের জলীয় অংশ টেনে নিয়ে লবণকে ঝরঝরে রাখবে।

২২. ব্রাসের সঙ্গে সামান্য পাতিলেবুর রস মিশিয়ে কাঁসার জিনিস ঘষুন দেখবেন সোনার মতো ঝকমক করবে ।

২৩. নারকেল ভাঙার আগে কিছুক্ষণ পানিতে রেখে তারপর ভাঙুন-দেখবেন সমান দু’টুকরো হয়ে ভেঙেছে।

২৪. কুরে নেওয়া নারকেল একটি পাত্রে রেখে সারাদিন কড়া রোদে শুকিয়ে সেটা কাঁচের পাত্রে ভরে মুখটা ভালোভাবে এঁটে দিন। কমপক্ষে একমাস তো তাজা থাকবেই।

২৫. ঝুনো নারকেলের ভাঙা টুকরো লবণের পাত্রে ফেলে রাখুন, ৪ থেকে ৫ দিন ভালো থাকবে।

২৬.  চাল-ধোয়া পানিতে স্টীল ও কাঁচের বাসন কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রেখে তারপর ধুয়ে দিলে বাসনগুলো ঝকঝকে হয়ে যাবে।

২৭. ডাল লোহার কড়াইয়ে করে ভেজালে কিংবা অন্য পাত্রে ভিজিয়ে তাতে একটা লোহার হাতা বা চামুচ রেখে দিলে কলাইয়ের ডাল তাড়াতাড়ি ভিজবে।

২৮. পিঠে, পাটিসাপ্টা, মালপো প্রভৃতি তৈরী করার সময়ে গোলায় একটু আটা মিশিয়ে দিলে পিঠে প্রভৃতি ঠিকভাবে তৈরী হয়।

২৯. ঘিয়ের গন্ধ বজায় রাখতে হলে ঘি রাখার শিশিতে এক টুকরো আখের গুড় রেখে দিন।

৩০. ঘিয়ের সুগন্ধ বাড়াতে হলে মাখন জ্বাল দিয়ে ঠিক নামানোর মুখে তাতে ৪ থেকেন ৫টা মেথি ফেলে দেবেন।

৩১. গোটা পাতিলেবু বেশীদিন টাটকা রাখতে হলে প্রতিদিন ঘন্টাখানেক করে ঠান্ডা পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। তাহলে তাজা থাকবে।

৩২. আদা টাটকা রাখতে চান? বালিতে ঢুকিয়ে রাখুন।

৩৩. পাতিলেবু নিংড়ে নেবার পর যে চোকলাগুলো থাকে, সেগুলো ঈষদুষ্ণ গরম পানিতে ডুবিয়ে রেখে, কিছুক্ষণ পরে সেই পানিতে গোসল করলে শরীর ঝরঝরে হয়ে ওঠে।

৩৪. কারিপাতা ২/৪ দিন তাজা রাখতে হলে পানির গ্লাসে ডুবিয়ে রাখতে হবে।

৩৫. স্টোভের খারাপ হয়ে যাওয়া ওয়াশারে কিছুটা তেল লাগিয়ে নিলে আবার কিছুদিন ভালভাবে কাজ চালানো যায়।

৩৬. ৪ বা ৫ টা গোলমরিচ এবং কয়েকদানা চাল কর্পূরের শিশি বা কৌটায় ফেলে রাখলে কর্পূর তাড়াতাড়ি উড়ে যায় না।

৩৭. সিদ্ধ ডিমের খোসা ভাললাভাবে ছাড়াতে যদি চান তবে ডিম গরম পানিতে সিদ্ধ করবেন।

৩৮. ডিমের খোসা আর ফেলে দেওয়া চা-পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে গোলাপ ফুলের গাছের গোড়ায় দিলে ফুলগুলো বড় বড় হবে।

৩৯. কাঁচকলা, মোচা, ঘোড়, এঁচোড়, কুদরুম, প্রভৃতি আগে কিছুক্ষণ পানিতে ডুবিয়ে রেখে, পরে হাতে তেল মেখে নিয়ে কাটলে হাতে দাগ পড়ে না।

৪০. ঢেঁড়স কাটার বেলায়ও হাতে তেল মাখবেন। না হলে হাতে দাগ পড়ে ও চামড়ায় টান ধরে। মোচার টুকরো ঘোলে ডুবিয়ে তুলে নিয়ে রাঁধলে তরকারি কালো হয় না।

৪১.  সেমাই বেশিদিন ভালোভাবে রাখতে হলে, ভেজে লাল করে কৌটোতে ভালো করে ঢেকে রাখুন।

৪২. ঘরে যদি রূপোর বাসন কিংবা গয়না থাকে তবে আলু সিদ্ধ করার পর পানিটা ফেলে না দিয়ে, তাই দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়াও ঝকঝকে করে এমন সব পাত্র একি ভাবে ধুতে পারেন। খুব পরিষ্কার হয়ে যাবে।

৪৩. কাঁচকলা পানিতে ডুবিয়ে রাখুন অন্য কোনো পাত্রে। তাহলে ৪ থেকে ৫ দিন টাটকা থাকবে। সহজে পাকবে না, কাটার পর পানিতে ডুবিয়ে রাখলে রাঁধবার সময় তরকারী কালো হবে না।

৪৪. কাঁচা আমের টুকরো যদি খুব বেশি টক লাগে খেতে, তবে সেগুলোকে আগে।চুনের পানিতে ধুয়ে নিয়ে খেলে ততটা টক লাগবে না।

৪৫. বিস্কুট যদি ১০ থেকে ১২ দিন তাজা আর মচমচে রাখতে চান, তাহলে বিস্কুটের কৌটায় এক চামচ চিনি অথবা এক টুকরো ব্লটিং পেপার রেখে দিন।

৪৬. মুরগির ডিমের সাদা তরল অংশ পানিতে মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে থামোফ্লাস্কের ভেতরটা ২ থেকে ৩ বার ধুয়ে নিলে গন্ধ থাকবে না ও পরিষ্কারও হবে।

৪৭. সিদ্ধ করার পর ডিমগুলোকে যদি রেফ্রিজারেটারে ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ রাখবার দরকার হয় তবে খোসা ছাড়িয়ে ঠান্ডা পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রেখে দেবেন। যাদের রেফ্রিজারেটার নেই তাঁরা ডিমের উপর সরষের তেল অথবা দালদা মাখিয়ে রাখতে পারেন। এক সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকবে।

৪৮. চা তৈরীর লিকারে একটু খাবার সোডা ফেলে দিলে প্রতিবারেই কিছুটা চা বাঁচবে।

৪৯. কফির স্বাদ বাড়াতে হলে সামান্য টেবিল-সল্ট মিশিয়ে নিন।

৫০. রান্না এবং খাওয়ার কাজে অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র লাগেই। পাত্র যাতে তাড়াতাড়ি কালচে হয়ে না যায় তার জন্য মাঝে মাঝে পাত্রে টেবিল-সল্ট ঘষে নিন।

৫১. প্লাষ্টিকের কৌটো, বোতল ইত্যাদি সাবানের গুড়ো মেশান ঈষদুষ্ণ গরম পানিতে ধুয়ে নিলে খুব পরিষ্কার থাকে।

৫২. ডালের কৌটোয় শুকনো নিমপাতা গোটাকতক ফেলে রাখুন, সহজে পোকা ধরবে না। চিনি অথবা গুড়ের রস করার জন্য জ্বাল পানির গ্লাসে ডুবিয়ে রাখবেন।

৫৩. ফুলকপি রাঁধতে গিয়ে অনেক সময়েই কালচে হয়ে যায়। তরকারী কাটার সময় কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস তাতে ফেলে দিন। রান্নার পরেও ফুলকপির রঙ প্রায় সাদাই থাকবে।

৫৪. উনুনে পানি ঢেলে কয়লার আগুন নেভালে পরে দরকার পড়লে ঐ কয়লায় আবার চট করে আগুন ধরানো যায় না। কিন্তু পানি না ঢেলে, ঐ কয়লার টুকরো তুলে একটা পুরনো টিনের কৌটতে রেখে, মুখটা ঢাকনা বন্ধ করে দিলে, হাওয়ার অভাবে ঐ কয়লার আগুন নিভে গিয়ে কয়লা শুকনোই থাকবে। কিছুক্ষণ পরে ঐ কয়লায় আবার নতুন করে উনুন ধরাতে পারবেন।

৫৫. বোঁটা ছাড়ান কাঁচামরিচ মাঝখানে চিরে ঘোলে ডুবিয়ে রোদে শুকিয়ে, ছাঁকা তেলে ভেজে খান, চমৎকার লাগবে।

৫৬. লিকার হয়ে যাবার পর ছাঁকুনিতে চা-পাতার যে ছিবড়ে পড়ে থাকে তা দিয়ে বাসন মাজলে তেলচিটে ভাব দূর হয়।

৫৭. স্টীলের বাসন-পত্র তেঁতুল দিয়ে মেজে ২ থেকে ৩ মিনিট রেখে দিন। তারপরে ধুলেই ঠিক রূপোর বাসনের মতো ঝকঝক  করবে।

৫৮. পাকা ঢেঁড়স ছোট ছোট টুকরো করে কেটে লবণ মাখিয়ে রোদে শুকিয়ে, পরে ভেজে ভেজে খান ভালোই লাগবে।

৫৯. আঙুর, টমেটো প্রভৃতি ফুটন্ত পানিতে ২/৩ মিনিট রেখে, তুলে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে খোসা ছাড়ালে, খুব সহজেই পাতলা খোসা ছেড়ে আসবে।

৬০. পেঁয়াজ বাটার পর হাতে লবণ ঘষে হাত ধুয়ে নিলে পেঁয়াজের গন্ধ থাকে না।

৬১. উচ্ছে, করলা প্রভৃতির পেটটা চিরে রেখে দিলে সহজে পাকে না।

৬২. কোনো কোনো ঢেঁড়সের গায়ে কাঁটা কাঁটা ভাব থাকে। চটে ঘসে নিয়ে কাটুন ঐ কাঁটা কাঁটা ভাব চলে যাবে।

৬৩. ঢ্যাঁড়স ভাজতে গেলে কষ বেরোয়। ঢেঁড়সের টুকরো কড়ায় ছাড়বার আগে ঘোলে ভিজিয়ে ছাড়ুন। আর কষ বেরোবে না।

৬৪. বেগুন কেটেই পানিতে ফেলে দিলে তরকারীর রং কালো হয় না। কয়েকদিন রাখার ফলে বেগুন একটু তেতো হয়। কেটে কেটে লবণ পানিতে চুবিয়ে তুলে নিলে এবং সিদ্ধ হওয়ার সময় লবণ হলুদের সঙ্গে একটু গুড় বা চিনি দেবেন, তেতো ভাব আর থাকবে।

৬৫. ডেকচি ব হাঁড়ির তলায় সাবানের পানি লাগিয়ে উনুনে চাপালে পাত্রে কালি লাগে না।

৬৬.  স্টোভে যদি ডিজেল তেল ব্যবহার করেন তবে প্রতি দশ লিটারে আধ কাপ লবণ মেশালে রান্নার সময় ধোঁয়া হবে না । পাত্রের তলাও কালো হবে না।

তথ্যসূত্র:

১. সেলিমা আলিম; দেশি ও বিদেশি রান্না; চলন্তিকা বইঘর, ঢাকা; জুন, ১৯৯৪; পৃষ্ঠা ৯-১২।

আরো পড়ুন

Dolon Prova
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত প্রথম কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।

Leave a Reply

Top