স্বাপ্নিকের অভিনয়

নানা রঙের মেলায়

       নানা স্বপ্নের গান

               শুনিয়েছিলো সে,

‘গহীন গাঙের নায়ে

       চলনা আমার বাড়ি

               তোকে গাঙে নামাবো’।

 

টকঝাল মচমচ জীবনের দাঁড় টানা

দরিয়ায়

জন্ম মাঝেই লাশের ভেলা ভেসে যায়

তিস্তায়,

ধুয়ে মুছে সবকিছু জ্বালিয়ে জলে

নাইওরির সিঁথির সিঁদুর হারায় সন্ধ্যার সিঁদুরে মেঘে;

তিস্তা করতোয়া অবাক চোখে দেখে সাদা থান।

 

আরো কয়েক জোড়া কান থাকলে তোমরাও শুনতে পেতে

‘এবছর গাঁয়ে খুব মড়ক গো মশাই………’

অথবা

‘আগুন লেগেছে লাল বইয়ে’;

শুনতে পেতে কামানের বারুদ ভাসে

পৃথিবীর বাতাসে,

প্রায় দুশো সোনা রূপা তামার তরী

         মাতাল পরিচালকের কবলে,

শাড়ি শায়া জাঙ্গিয়ার নিচে

          এখন তারা খোঁজে রাষ্ট্র-পরিচালনা কাঠি;

উপভোগ্য সবই!

 

বিশ্বকাপ খেলার মাঠে

         স্বপ্ন স্বপ্নবিলাস

                  হা হুতাশ,

তবুও খেলা আসে খেলা ভাঙে,

          ইতিহাস কিছু লিখে রাখে,

                    কিছু থাকে স্মৃতির পাতায়,

                              গোধুলিতে কিছু মিশে যায়;

 

নানা রঙের মেলায়

অভিনয় করতে হয় তার;

অথবা স্বপ্ন সে দেখেছিলো বহু দিন আগে বহু বার।

 

চিত্রের ইতিহাস: কবিতায় ব্যবহৃত অংকিত চিত্রটি পল গঁগাঁর (১৮৪৮-১৯০৩) আঁকা চিত্র ‘নারী এবং সাদা ঘোড়া(Frauen und Schimmel)। শিল্পী চিত্রটি আঁকেন ১৮৯৭ সালে। এখানে চিত্রটিকে উপরে ও নিচে কিছুটা ছেঁটে ব্যবহার করা হয়েছে।

Leave a Comment

error: Content is protected !!