You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > রাজনীতি > বামরাজনীতি > জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সংগ্রামের বিকলাঙ্গ রূপ

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সংগ্রামের বিকলাঙ্গ রূপ

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল বা সংক্ষেপে জামুকা হচ্ছে কমরেড বদরুদ্দীন উমরের সভাপতিত্বে পরিচালিত কয়েকটি সংগঠনের সমাহার। সংগঠনটি তার ঘোষণায় আশু কর্মসূচি এবং সরকার ও সংবিধান উল্লেখ করেছে যাতে ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষিত হয়েছে। তাঁদের মতে এই ১৮ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে সেই জনগণ দ্বারা যারা “শাসক শ্রেণীর বিরুদ্ধে সারা দেশে সব রকম কার্যকর পদ্ধতিতে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিচালনা করে চলবে এবং এই সংগ্রামের শীর্ষ পর্যায়ে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করবে।”[১]

কিন্তু তাঁদের সাম্প্রতিককালের কার্যক্রম বিশ্লেষণ করলে আমরা কি দেখি? ২০১৮ সালের বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ ভোট অনুষ্ঠানের পূর্বে তারা কর্মসূচি ঘোষণা করে ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবার। বাংলাদেশের বামপন্থীদের সুবিধাবাদী অংশটি সংসদীয় ভোট পদ্ধতিতে ভোট ও নোট কামানোর কাজ আগে থেকেই করত। কিন্তু ২০১৮ সালে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল ভোটে প্রার্থী খাড়া না করেই ভোটের পক্ষে দাড়িয়ে যায়। বদরুদ্দীন উমর “একটি সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন” চেয়ে ভোটের আগে বলেছিলেন, “নিজেদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে সর্বত্র সর্তক থাকার ব্যাপারে জনগণের কাছে বার্তা পৌছে দিতে হবে। সর্বস্তরের জনগণ, ছাত্র-শিক্ষক-বুদ্ধিজীবিদের প্রতি আহবান জানাতে হবে, তারা যেন ভোটের দিন ভোট কেন্দ্র পাহারায় রাখে।”[২]

এখানে জাতীয় নির্বাচন বলতে কমরেড উমর গ্রহণযোগ্য ভোটের কথা বলছেন, যেই ভোট গত ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়। এই যে গ্রহণযোগ্য ভোটের অনুষ্ঠান জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল চাইলো তা কিন্তু জাতিসংঘের দ্বারা সমর্থিত হয়েছে। ১ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে “একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ায় বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলোকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ”।[৩] অর্থাৎ সাম্রাজ্যবাদীদের অনুগত জাতিসংঘ যা চায়, ভোটের পূর্বে ভোট বাক্স পাহারা দিতে বলে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল সাম্রাজ্যবাদীদের সেই সেবাই করেছে। কমিউনিস্টগণ নির্বাচনের আগেই বহুবার বলেছেন যে, এই ভোটে বামপন্থীরা অংশগ্রহণ করলে ভোটটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পাবে এবং সাম্রাজ্যবাদীরা তাদের অংশগ্রহণকে সেইভাবে দেখানোর চেষ্টা করবে।[৪]

কমরেড উমরের এই বিবৃতিই শুধু নয়, তাঁর কিছু কথা সাম্রাজ্যবাদীদের কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে একইভাবে বলা। যেমন সেপ্টেম্বর ২০০৮ সালে লিখিত তাঁর একটি প্রবন্ধের নাম “সংগ্রামের রূপ”। প্রবন্ধটি পুনরায় আগস্ট ২০১৮-তে সংস্কৃতি পত্রিকায় ছাপা হয়। সেই প্রবন্ধে সাম্রাজ্যবাদীদের সাথে গলা মিলিয়ে উনিশ ও বিশ শতকের নৈরাজ্যবাদী আন্দোলনগুলোকে তিনি সন্ত্রাসবাদী আন্দোলন বলেছেন।[৫] অথচ রাশিয়া বা ভারতের আন্দোলনগুলোকে লেনিন বলেছিলেন নৈরাজ্যবাদী আন্দোলন, পৃথিবীর সব কমিউনিস্টরা তাই বলে থাকেন। কিন্তু তিনি এই শব্দগত পার্থক্যটি খেয়াল না করে লেনিনবাদকে ছুঁড়ে ফেলে সাম্রাজ্যবাদীদের সুরে সুর মেলালেন। ব্রিটিশরা ভারতের বিপ্লবী ক্ষুদিরাম ও সূর্যসেনদের বলতেন সন্ত্রাসবাদী। লেনিন এই ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকদের বলেছিলেন ‘বিশুদ্ধ চেঙ্গিস খাঁ’।[৬] এই বিশুদ্ধ চেঙ্গিস খাঁরা যাদেরকে সন্ত্রাসী বলেছেন, শ্রদ্ধেয় উমর স্যারের লেখাও একই সুরে তাঁদেরকে সন্ত্রাসী বলে ফেলছে।

মুক্তি কাউন্সিল জনগণের সংগ্রামের দ্বারা অর্জিত গণতান্ত্রিক সংবিধান চায়। কিন্তু ২০১৮-সালের ভোটের আগে গণতন্ত্রবিরোধী বিএনপি ও ঐক্যজোটের সাথে তারা বসে পড়লেন। এই লেখায় ব্যবহৃত বাঁয়ের দিকের ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে ‘ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী জাতীয় কমিটি’ নাম নিয়ে কমরেড বদরুদ্দিন উমর বসেছেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী এবং মাহমুদুর রহমান মান্নার সাথে।[৭] মুক্তি কাউন্সিল বারবার বলছে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী সরকার আছে। তা বিএনপির সময় কি কম ফ্যাসিবাদ ছিলো? বিএনপি র‍্যাব তৈরি করে কয় হাজার কমিউনিস্ট, সমাজতন্ত্রী, বামপন্থীসহ সাধারণ জনগণকে হত্যা করেছিল তা কি এই দেশবাসী ভুলে গেছে?

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের এই ভোট পূর্ববর্তী কার্যকলাপ একেবারেই ভিত্তি এবং শর্ত না বোঝা এবং কমিউনিস্টদের করণীয় সম্পর্কে না বোঝার ফল। কেন তারা এবার বিএনপির সুরে সুর মিলিয়ে ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে বলল? এসব বালখিল্যতা মার্কসবাদের কোন অবস্থানে পড়ে? তারা যুক্তি দিচ্ছেন বামপন্থিরা নাকি “দৃশ্যমান শক্তি নয়”। কেবল দুজন লোক কার্ল মার্কস এবং ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস যদি পুঁজিবাদের ধ্বংস ঘোষণা করতে পারেন, তবে হাজার হাজার বামপন্থীদের পক্ষে না কথা বলে কেন জামুকা বিএনপির পক্ষে ভোটের বাক্স পাহারা দিতে বলল। তারা খেয়ালই করলেন না যে আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করার কোনো শক্তিই এখন বিএনপির নাই। ফলে মানুষ দেখল, ভোটের বাক্স পাহারা দিতে বিএনপিও নাই, জামুকাও নাই। দেখা যাচ্ছে একেবারেই জনগণের সাথে সম্পর্কহীন হয়ে পড়েছে জামুকা। বড় জেলাগুলোতে বামপন্থীদের বিদ্যমান শক্তি সম্পর্কে তাঁদের কোনো ধারণা নেই। একেবারেই বুলিবাগীশ চাপাবাজ নিজস্ব শক্তিতে আস্থাহীন একটি পেটি-বুর্জোয়া ভাঁড়দের সংগঠনে পরিণত হয়েছে জামুকা।

মরে পচে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া প্রাচীন খুনি দৈত্য বিএনপিকে জামুকা ফ্যাসিবাদবিরোধী ফ্রন্টের নেতৃত্ব দিয়ে দিতে চায়। পারলে ডেকে এনে বিএনপিকে দিয়ে আওয়ামি লীগকে ক্ষমতা থেকে সরায়। এই যে এতোবার ফ্যাসিবাদবিরোধী ফ্রন্ট গঠনের কথা বলা, স্তালিন কী ফ্যাসিবাদবিরোধী ফ্রন্টে আমেরিকার হাতে নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন? স্তালিন বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চি জায়গাও আমেরিকার হাতে ছেড়ে দেননি। পূর্ব ইউরোপের সমাজতন্ত্র অভিমুখী রাষ্ট্রগুলো হুদাই কি সমাজতন্ত্র অভিমুখী হয়েছিল? জামুকা স্তালিনের পুরো ১৮০ ডিগ্রি উল্টোদিকে ঘুরে গেছে।

আচ্ছা, জামুকা এই যে এতোবার ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে ফ্রন্ট গড়তে চায়, তারা বাসদ সিপিবি বা অন্য বামজোটের সাথে না বসে কেন বিএনপির জাফরুল্লাহ বা মান্নার সাথে বসতে গেল? স্তালিনের নীতি কি এমন ছিলো? একেবারেই ইতিহাসবোধহীন, ইতিহাসের সাথে সম্পর্কহীন না হলে কি এমন কাজ করা যায়? অতীতে ২০১৩ সালে কমরেড খালেকুজ্জামান এবং কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বসেছিলেন মাহমুদুর রহমান মান্নার সাথে।[৮]

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের ভোটের পক্ষে ওকালতি, ভোট ও নোটের কথা দেশবাসী বহুবার শুনেছে। সিপিবি ১৯৮০-র পর থেকেই ভোটের পক্ষে বলছে। ইনু-মেননদের জীবন গেল ভোটের বাক্স পাহারা দিয়ে। আজ নতুন ভোটের পাহারাদার এসেছেন ভোটের বাক্স পাহারা দিতে। কি এমন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পরিবর্তন এলো যে জামুকা ভোটের বাক্স পাহারা দেয়ার ফতোয়া দিল?

ছাত্র ফেডারেশন আর জামুকা ভারতকে সাম্রাজ্যবাদী বলছে যা বাসদও বলে, বাসদও শ্রেণিচ্যুত হতে চায়, জামুকাও চায়, বাসদ মনোলিথিক পার্টি লাইনে আছে, জামুকাও একই লাইনের। আগে ভোটের পক্ষে বলত বাসদ ও সিপিবি, এবার ভোট পাহারা দিতে গেল জামুকা, বাসদ-সিপিবিও মান্নার সাথে বসে, জামুকাও বসে। বাসদ এবং মুক্তি কাউন্সিল উভয় সংগঠনই ভারতকে সাম্রাজ্যবাদী এবং বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদী মনে করে।[৯] সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত দেশও তাদের কাছে সাম্রাজ্যবাদী হয়ে গেছে। তাদের মতাদর্শ তাদেরকে কোথায় নিয়ে যায় এই লেখায় ব্যবহৃত ছবি দুটি তার উদাহরণ, যদিও ছবি দুটির মাঝে সময়ের ব্যবধান ৫ জুন ২০১৩ থেকে ১১ জুলাই, ২০১৮। আমরা তো দেখছি সিপিবি বাসদের সাথেই বরং বেশি মিল রয়েছে জামুকার!

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কাজকর্ম যে সাম্রাজ্যবাদীদের সাথে, মুৎসুদ্দিদের সাথে মিলে যাচ্ছে তার কারণ হচ্ছে লেনিনবাদী সংগ্রামের রূপ সম্পর্কে ভুল দৃষ্টিভঙ্গি। বদরুদ্দীন উমর লিখিত “সংগ্রামের রূপ” প্রবন্ধে তিনি সংগ্রামের বহুমুখী নানাবিধ ধরনগুলিকে খেয়াল না করে সিদ্ধান্ত টেনেছেন বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করতে হবে। যেমন তিনি লিখেছেন “রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের জন্য বল প্রয়োগের যত ধরন আছে, সংগ্রামের যত রূপ আছে, তার মধ্যে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে গণঅভ্যুত্থান ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা নেই”।[১০] এই যে তিনি মার্কসবাদী-লেনিনবাদী সৃজনশীলতা এড়িয়ে একটি নির্দিষ্ট পথের ফতোয়া দিলেন তা কি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি?

ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন অক্টোবর বিপ্লবের সাফল্যের পর সংগ্রামের রূপভেদ এবং বৈচিত্র্য সম্পর্কে সারসংকলন করেছিলেন। তিনি দেখিয়েছিলেন অক্টোবর সোভিয়েত বিপ্লবের সংগ্রামের রূপ ও সমৃদ্ধি পুঞ্জীভূত হয়েছিল অজস্র রূপে। তিনি লিখেছিলেন,

“বিশ্বের কোনো একটা দেশও বিপ্লবী পরীক্ষার দিক থেকে, বৈধ ও অবৈধ, শান্ত ও ঝোড়ো, গোপন ও প্রকাশ্য, চক্রনির্ভর ও গণনির্ভর, পার্লামেন্টারি ও সহিংস আন্দোলনের রূপ বদলের দ্রুততা ও বৈচিত্র্যের দিক থেকে এতোখানি অভিজ্ঞতার ধারে কাছেও যায়নি। কোনো একটা দেশেও এত সংক্ষিপ্ত পর্বকালের মধ্যে আধুনিক সমাজের সমস্ত শ্রেণির সংগ্রামের রূপ, রূপভেদ ও পদ্ধতির (ইংরেজি: forms, shades, and methods of struggle) এমন সমৃদ্ধি পুঞ্জীভূত হয়নি।”[১১]

সাম্রাজ্যবাদীরা বুর্জোয়াশ্রেণির একনায়কত্বের অস্তিত্ব স্বীকার করে না। তারা বুর্জোয়াদের দুটি অংশের ক্ষমতা দখলকে একই অংশ বলে দেখায় না। তারা দুটি অংশের ক্ষমতার হাতবদলকে প্রচার করে গণতন্ত্র বলে। বাংলাদেশের মুৎসুদ্দি-বুর্জোয়া শ্রেণির দুই প্রতিনিধি আওয়ামী লীগ ও বিএনপি— দুটি অংশের পার্থক্যকে বড় করে দেখিয়ে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল মূলত সাম্রাজ্যবাদী প্রচারমাধ্যমের সাথে সুর মিলিয়েছে এবং জনগণকে দ্বি-দলীয় স্বৈরতন্ত্রী বুর্জোয়া একনায়কত্বের কবলে পিষ্ট করতে চেয়েছে। সুবিধাবাদীদের এই প্রক্রিয়ার মুখোশ ধারাবাহিক উন্মোচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে সাম্যবাদী আন্দোলন এগিয়ে যেতে পারবে।

তথ্যসূত্র:

১. দেখুন জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের ১৮ দফা কর্মসূচি
২. বদরুদ্দীন উমর, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ “‘বর্তমান সরকারের পরিণতি মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্টের চেয়েও খারাপ হবে’” দৈনিক নয়া দিগন্ত, dailynayadiganta.com/politics/352399/’
৩. যুগান্তর ডেস্ক, দৈনিক যুগান্তর, ১ জানুয়ারি ২০১৯, অনলাইন সংস্করণ “ভোটে অংশ নেয়ায় বিরোধী দলগুলোকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ”, https://www.jugantor.com/national/128459/
৪. এই বিষয়ে আরো পড়ুন, অনুপ সাদি, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮, রোদ্দুরে ডট কম, “ভোট গণতন্ত্রবিরোধী ও প্রতিক্রিয়াশীল সাম্রাজ্যবাদী নীতি“, http://www.roddure.com/encyclopedia/on-vote/
৫. বদরুদ্দীন উমর, সংগ্রামের রূপ, সেপ্টেম্বর ২০০৮, সংস্কৃতি, পুনঃপ্রকাশকাল অগাস্ট ২০১৮ পৃষ্ঠা ৫-২০
৬. কনস্তানতিন স্পিদচেঙ্কো, অনুবাদ: দ্বিজেন শর্মা: বিশ্বের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ভূগোল, প্রগতি প্রকাশন, মস্কো, বাংলা অনুবাদ ১৯৮২, পৃ: ১২৪।
৭. বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট, জুলাই ১১, ২০১৮ “‘সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সংকুচিত করে রেখেছে’ http://www.banglatribune.com/others/news/342179/‘সরকার-মতপ্রকাশের-স্বাধীনতাকে-সংকুচিত-করে-রেখেছে’
৮. নিজস্ব প্রতিবেদক, তারিখ: ০৫-০৬-২০১৩, দৈনিক প্রথম আলো, “নাগরিক ঐক্যের আলোচনা সভা ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর যে ক্ষমতা তা মোগল সম্রাট বা জারদেরও ছিল না’”; http://archive.prothom-alo.com/detail/news/357985
৯. নাম ও তারিখহীন, “ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রামের ডাক বিশিষ্টজনদের” জনতারকণ্ঠ ডট কম, http://www.jonotarkontho.space/6402/07/2018/
১০. বদরুদ্দীন উমর, সংগ্রামের রূপ, সেপ্টেম্বর ২০০৮, সংস্কৃতি, পুনঃপ্রকাশকাল অগাস্ট ২০১৮ পৃষ্ঠা ৫-২০
১১ এই বিষয়ে আরো পড়ুন অনুপ সাদি, লেনিনবাদী সংগ্রামের রূপ প্রসঙ্গে, ১০ জানুয়ারি ২০১৯, রোদ্দুরে ডট কম, http://www.roddure.com/ideology/leninism/leninist-forms-of-struggle/

Anup Sadi
অনুপ সাদির প্রথম কবিতার বই “পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি” প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১০টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর “সমাজতন্ত্র” ও “মার্কসবাদ” গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন “বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা” নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।

Leave a Reply

Top