You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > রাজনীতি > যুদ্ধের সমস্যা ও কারণ সংক্রান্ত আলোচনা হচ্ছে যুদ্ধের প্রেষণা তত্ত্ব সংক্রান্ত আলোচনা

যুদ্ধের সমস্যা ও কারণ সংক্রান্ত আলোচনা হচ্ছে যুদ্ধের প্রেষণা তত্ত্ব সংক্রান্ত আলোচনা

যুদ্ধের সমস্যা ও কারণ (ইংরেজি: Problems and causes of war) সংক্রান্ত আলোচনা হচ্ছে যুদ্ধের প্রেষণা তত্ত্ব সংক্রান্ত আলোচনা। যুদ্ধের প্রেষণাগুলি সম্পর্কে অনেক তত্ত্ব রয়েছে, তবে কোনটি সম্পর্কেই সর্বসম্মতি সবচেয়ে সাধারণ নয়। যুদ্ধের বিভীষিকা এবং ধ্বংসাত্মক কার্যাবলী সম্বন্ধে প্রত্যেক দেশের মানুষই আজ সচেতন। যুদ্ধের ফলে কত লক্ষ লক্ষ মানুষ যে নিহত হয়েছে, কত নগর নগরী যে ধংসস্তুপে পরিণত হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে নানাবিধ শক্তিশালী অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে এবং তার ফলে যুদ্ধ আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। প্রাচীন কালে এবং মধ্যযুগে রাজা, শাসক শ্রেণী ও তাদের সেনাদলের মধ্যেই যুদ্ধ মােটামুটিভাবে সীমাবদ্ধ ছিল এবং সাধারণ নাগরিক যুদ্ধ সম্বন্ধে প্রায় উদাসীনই থাকত। কিন্তু বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে এবং জাতীয়তাবাদের প্রভাবে আজকাল একটি দেশের সমস্ত মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষ ভাবে যুদ্ধের সাথে জড়িত থাকে। সামরিক ও বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে বর্তমানে বিশেষ কোনো পার্থক্য নেই।

যুদ্ধে এ্যাটম বােমা, হাইড্রোজেন বােমা ইত্যাদি ব্যবহৃত হলে পৃথিবী থেকে মানবজাতি নিশ্চিহ্ন হয়েও যেতে পারে। আধুনিক যুগে যুদ্ধপ্রস্তুতির জন্য প্রত্যেক দেশকে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। সেই অর্থ যদি দেশে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি এবং বিভিন্ন গঠনমূলক কাজে ব্যয় করা সম্ভব হতো তবে মানুষ অনেক সমস্যার হাত থেকে সহজেই মুক্তিলাভ করে উন্নততর জীবন যাপন করতে সক্ষম হতো। আন্তর্জাতিক সম্পকের ক্ষেত্রে যুদ্ধের মত ভয়াবহ সমস্যা আর নেই।

যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে মানব সভ্যতাকে কি ভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে অনেকে নানাভাবে চিন্তা করেছেন। অবশ্য এমন চিন্তাধারাও আছে যেখানে যুদ্ধকে মানবপ্রগতির সহায়ক রূপে বর্ণনা করা হয়েছে। যুদ্ধের সময় মানুষ নিজের ব্যক্তিগত সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভুলে গিয়ে জাতির সম্মান রক্ষা ও গৌরব বদ্ধির জন্য সমস্ত রকম ত্যাগ স্বীকার এবং প্রাণ বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত থাকে। যুদ্ধ মানুষের অন্তনিহিত শৌর্যবীর্য জাগিয়ে তােলে এবং তারা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সমস্ত রকম দুঃখ কষ্ট সহ্য করতে শেখে। 

পৃথিবীর অনেক অর্থনৈতিক ও বৈজ্ঞানিক উন্নতি যুদ্ধের ফলেই সম্ভব হয়েছে। দুর্বল ও ভীরু জাতিকে পরাজিত বা উচ্ছেদ করে যুদ্ধই পথিবীতে শক্তিশালী জাতির কর্তৃত্ব স্থাপন করে এবং তার ফলেই সভ্যতা ও সংস্কৃতির উন্নতি সম্ভব হয়। আধুনিক যুগের যুদ্ধ এতই ভয়াবহ যে এই ধরনের মতবাদে বিশ্বাসী লােকের সংখ্যা বিরল। কিন্তু যুদ্ধকে বর্জন করা মানুষের পক্ষে আজও সম্ভব হয় নি। মানুষের ইতিহাস অনেকাংশেই যুদ্ধের ইতিহাস। মানব সমাজে এমন অনেক প্রথা ও প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি হয়েছে, যেমন ভগবানের প্রতিনিধিরপে রাজার স্বৈরতন্ত্র, দাসপ্রথা, আমাদের দেশের সতীদাহ প্রথা, এবং সেসব ধীরে ধীরে মানুষের চেষ্টায় লােপ পেয়ে গেছে। কিন্তু মানব ইতিহাসের আদি যুগ থেকে আজ পর্যন্ত যুদ্ধ চলে আসছে। সমাজ ব্যবস্থা, রাষ্ট্র ব্যবস্থা ও মানুষের চিন্তাধারার অনেক পরিবর্তন হওয়া সত্ত্বেও যুদ্ধকে কোন যুগেই বর্জন করা সম্ভব হয় নি। যুদ্ধের যদি কোন প্রয়ােজনীয় ভূমিকা না থাকে তবে মানব ইতিহাসের প্রত্যেক যুগে এত যুদ্ধ বিগ্রহ হওয়ার কারণ কি?

আরো পড়ুন:  পুঁজিবাদী দেশগুলিতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির ক্ষেত্রে বর্ধমান উত্তেজনা – জে. ভি. স্তালিন

সামরিক শক্তি ব্যতীত কেবলমাত্র কুটনীতি এবং অন্যান্য পদ্ধতি অবলম্বন করে জাতীয় স্বার্থ সম্পূর্ণরূপে রফা করা সম্ভব নয়। সামরিক শক্তি যদি থাকে তবে তা ব্যবহার না করেও আলাপ আলােচনার মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থরক্ষা করা ও বৈদেশিক নীতিকে বাস্তব রূপ দেওয়া সম্ভব হতে পারে। আধুনিক আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে negotiation from strength কথাটা যথাথই মনে হয়। ঠাণ্ডা লড়াই যে আজ পর্যন্ত সােভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধে পরিণত হয়নি তার প্রধান কারণ উভয় পক্ষের সামরিক শক্তি ও যুদ্ধ প্রস্তুতি। সামরিক শক্তির উপর জোর না দিয়ে কেবলমাত্র আলাপ আলোচনা ও সদিচ্ছার উপর নির্ভর করে বৈদেশিক নীতি পরিচালনা করার যে প্রয়াস এক সময়ে আমরা জওহরলাল নেহেরুর আমলে দেখতে পেয়েছিলাম তা বেশীদিন পর্যন্ত অনুসরণ করা সম্ভব হয় নি। ১৯৬২ সালের চীন-ভারত সীমান্ত যুদ্ধে ভারতের শােচনীয় পরাজয়ের মধ্য দিয়ে সে নীতির সমাপ্তি ঘটে। তারপর থেকে ভারতবর্ষও বৈদেশিক নীতি পরিচালনার ক্ষেত্রে সামরিক শক্তির প্রয়ােজনীয়তা সম্পর্ণেরূপে স্বীকার করে নেয়। ইজরায়েল সম্বন্ধে আমাদের মনোভাব যাই হােক না কেন, এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে সামরিক শক্তি ব্যতীত ইজরায়েলের মত ছােট একটি দেশের পক্ষে তার জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হত না।

সার্থকভাবে বৈদেশিক নীতি পরিচালনা করতে হলে সামরিক শক্তির প্রয়ােজন আছে, তবে সবক্ষেত্রে যে তাকে বাস্তবে প্রয়ােগ করতেই হবে তার কোন কথা নেই। পারমাণবিক শক্তির প্রধান উদ্দেশ্যে হলো প্রতিপক্ষ যাতে আক্রমণ করতে সাহস না পায় তার ব্যবস্থা করা; প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করা নয়। সামরিক শক্তির অভাবে অন্য পক্ষকে আক্রমণ করা থেকে বিরত রাখাই কঠিন।

আসলে যুদ্ধ হচ্ছে একটা বিশেষ উদ্দেশ্যকে লাভ করার পদ্ধতি মাত্র। এবং সেই উদ্দেশ্য সব ক্ষেত্রে অন্যায় নাও হতে পারে। যুদ্ধ করেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার স্বাধীনতা অর্জন করেছে। নেতাজী সুভাষচন্দ্র আজাদ হিন্দ সরকার স্থাপন করে যুদ্ধের মাধ্যমেই ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের চেষ্টা করেন। পাকিস্তানের বিরদ্ধে যুদ্ধ করেই বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে। সামরিক বল প্রয়ােগ করেই ভারতবর্ষ পর্তুগালের সাম্রাজ্যবাদী শৃঙ্খল থেকে গােয়াকে মুক্ত করতে পেরেছে। অতএব এই কথা আমরা বলতে পারি না যে যুদ্ধ দ্বারা জগতের কোন সমস্যারই কোন সমাধান হয় না। যুদ্ধের উদ্দেশ্য মহৎ ও ন্যায়সঙ্গত হতে পারে আবার অন্যায় এবং সাম্রাজ্যবাদী উদ্দেশ্যেও অনেক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

আরো পড়ুন:  রাজনৈতিক যুদ্ধতত্ত্ব যুদ্ধ সংঘটনের কারণ হিসেবে মানুষের রাজনৈতিক কার্যকলাপকে দায়ী করে

অনেকে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে ধর্মযুদ্ধ’কে সমর্থন করেন। পদ্ধতি হিসেবে যুদ্ধকে সমর্থন না করলেও অনেক সময় দেখা যায় যে যুদ্ধ ব্যতীত সাম্রাজ্যবাদের দখল থেকে মুক্ত হয়ে জাতীয় স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয় না। যুদ্ধকে পরিহার করতে গিয়ে অন্যায় অত্যাচার এবং পরাধীনতা মেনে নেওয়া কি সম্ভব? যুদ্ধ ভিন্ন অন্য কোনো পদ্ধতিতে যদি প্রয়ােজনীয় এবং ন্যায়সঙ্গত পরিবর্তন ঘটানাে যায় তবেই যুদ্ধকে পরিহার করা সম্ভব। অতএব দেখা যাচ্ছে যে যুদ্ধের সমস্যা খুবই জটিল এবং এই সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া সহজ নয়।

যুদ্ধের বহুবিধ কারণ

কি কি কারণে যুদ্ধ হয়ে থাকে তা নিয়ে অনেকে গভীর ভাবে গবেষণা করেছেন। যুদ্ধের কারণ সম্বন্ধে যাঁরা গবেষণা করেছেন তাঁরা সকলে এক মত হতে পারেন নি। বিভিন্ন লেখক বিভিন্ন কারণের উপর জোর দিয়েছেন। স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য অথবা অর্জন করার জন্য অনেক দেশ যুদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। সাম্রাজ্য স্থাপন এবং জাতীয় শক্তি ও মর্যাদার বদ্ধি জন্যও অনেক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। শক্তিসাম্য বজায় রাখার জন্য এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ যাতে অধিকতর শক্তিশালী হয়ে উঠতে না পারে সেই উদ্দেশ্যেই অনেক রাষ্ট্র যুদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।[২]

যুদ্ধের বিভিন্ন কারণগুলিকে মােটামুটি সাত ভাগে বিভক্ত করা যায়? সেগুলো হচ্ছে মার্কসবাদী, বিবর্তনীয়, মনস্তাত্বিক কারণ, সাংস্কৃতিক ও আদর্শগত কারণ, অর্থনৈতিক কারণ, রাজনৈতিক কারণ এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের অভাব।

মার্কসবাদী যুদ্ধতত্ত্ব

মার্কসবাদী যুদ্ধতত্ত্ব বা যুদ্ধের মার্কসবাদী তত্ত্বটি (ইংরেজি: The Marxist theory of war) যুদ্ধের কারণকে আপাত-আধা-অর্থনৈতিক হিসেবে উল্লেখ করে। মার্কসবাদীরা মনে করেন যে সশস্ত্র শ্রেণিযুদ্ধ ব্যতীত শোষিত শ্রেণির মুক্তি সম্ভব নয়।

মূল নিবন্ধ: মার্কসবাদী যুদ্ধতত্ত্ব

মনোবৈজ্ঞানিক যুদ্ধতত্ত্ব

মনোবৈজ্ঞানিক যুদ্ধতত্ত্ব (ইংরেজি: Psychoanalytic theory of war) হচ্ছে সেই যুদ্ধ তত্ত্ব যাতে যুদ্ধ সংঘটনের কারণ হিসেবে মানুষের সহজাত আক্রমণাত্মক প্রবণতাকে দায়ী করা হয়। এই মতের সমর্থক চিন্তাবিদেরা বলার চেষ্টা করেন যে মানুষ সহজাতভাবেই হিংস্র, মানব প্রকৃতির মধ্যেই রয়েছে যুদ্ধের কারণ অথবা তারা বলেন যে মানুষ জন্মগতভাবেই যুদ্ধবাজ প্রাণী। মূলত পুঁজিবাদ আবির্ভাবের পর থেকেই পুঁজিবাদী ও বিশ শতকের সাম্রাজ্যবাদের সমর্থক বুদ্ধিজীবীরা প্রচার করেন যুদ্ধের এই মনোবৈজ্ঞানিক প্রতিক্রিয়াশীল তত্ত্ব।

আরো পড়ুন:  শক্তির ভারসাম্য হচ্ছে একটি দেশের কূটনীতির ক্ষেত্রে অনুসৃত কৌশলের ব্যাপার

মূল নিবন্ধ: মনোবৈজ্ঞানিক যুদ্ধতত্ত্ব

রাজনৈতিক যুদ্ধতত্ত্ব

রাজনৈতিক যুদ্ধতত্ত্ব বা যুদ্ধের রাজনৈতিক তত্ত্ব (ইংরেজি: Political theory of war) হচ্ছে সেই যুদ্ধ তত্ত্ব যাতে যুদ্ধ সংঘটনের কারণ হিসেবে মানুষের রাজনৈতিক কার্যকলাপ ও রাজনৈতিক মতবাদের সংঘাতকে দায়ী করা হয়। স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য অথবা অর্জন করার জন্য অনেক দেশ যুদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। সাম্রাজ্য স্থাপন এবং জাতীয় শক্তি ও মর্যাদার বদ্ধি জন্যও অনেক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

মূল নিবন্ধ: রাজনৈতিক যুদ্ধতত্ত্ব

অর্থনৈতিক যুদ্ধতত্ত্ব

অর্থনৈতিক যুদ্ধতত্ত্ব (ইংরেজি: Economic war theory) যুদ্ধকে প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্রমবিকাশ হিসাবে দেখে থাকে। যুদ্ধের অর্থনৈতিক কারণের উপর অনেকেই জোর দিয়েছেন কিন্তু অর্থনীতি কীভাবে যুদ্ধের অবস্থা সৃষ্টি করে সেই সম্বন্ধে তাঁরা একমত হতে পারেন নি। দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি সাধনের উদ্দেশ্যে অনেক সময় বিভিন্ন রাষ্ট্র যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। মাঞ্চুরিয়ার প্রাকৃতিক সম্পদের সাহায্যে নিজেদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি সাধনের জন্য জাপান ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে মাঞ্চুরিয়া আক্রমণ করে।

মূল নিবন্ধ: অর্থনৈতিক যুদ্ধতত্ত্ব

তথ্যসূত্র:

১. গৌরীপদ ভট্টাচার্য, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষদ, কলকাতা, পঞ্চম সংস্করণ ডিসেম্বর ১৯৯১, পৃষ্ঠা ১৬৫-১৬৮।
২. গৌরীপদ ভট্টাচার্য, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষদ, কলকাতা, পঞ্চম সংস্করণ ডিসেম্বর ১৯৯১, পৃষ্ঠা ১৮১।

Anup Sadi
অনুপ সাদির প্রথম কবিতার বই “পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি” প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১০টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর “সমাজতন্ত্র” ও “মার্কসবাদ” গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন “বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা” নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।

Leave a Reply

Top